Archive for July 30th, 2013

July 30, 2013

বাকশালের বুকে লোম নাই: হামিদ মীর

পাকিস্তান মতিনিধি

কারওয়ানবাজার সর্দার মতিচুর রহমান আজমীর চাচাত ভাই ও পাকিস্তানের মশহুর সাংবাদিক মির্জা হামিদুল ইসলাম আলমগীর ওরফে হামিদ মীর বলেছেন, বাকশালের বুকে লোম নাই।

পাকিস্তানের বিখ্যেত উর্দু পতৃকা দৈনিক জং এ এক প্রবন্ধে এ কথা বলেন হামিদ মীর।

হামিদ মীর বলেন, বাকশালের বুকে লোম নাই। ৯০ বতসর বয়সী এক বৃদ্ধ অধ্যাপককে তারা ধরিয়া ৯০ বতসরের আরামদন্ড দিয়া দিল। মানবতা আজ ভুলুণ্ঠিত।

আবেগঘন ফন্টে হামিদ মীর বলেন, আমার চাচা গোলাম আজমরে এই রুপ শাস্তি দেওয়া হবে জানলে আমি কখনই বাকশালের হাত হতে পুরস্কার লইতাম না।

বাকশাল তুমকো মেহেরবানী, হাম এক সুখী পাকিস্তানী: হামিদ মীর

মুক্তিযুদ্ধে গোলাম আজমের অবিস্মরনীয় ভুমিকার কথা তুলে ধরে হামিদ মীর বলেন, গোলাম আজম পাকিস্তানের মাদার টেরেসা। একাত্তর সালে যখন হিংস্র মুক্তি বাহিনী পুর্ব পাকিস্তান হতে কোষা নৌকায় করে সাগর পাড়ি দিয়া পশ্চিম পাকিস্তানে বর্বর গনহত্যা চালাইছিল, তখন গোলাম আজম আক্রান্তদের সেবা করিয়াছিলেন। বাকশাল তার প্রতিশুধ নিল তাকে ৯০ বছরের আরামদণ্ড দিয়া।

৯০ বছর পর গোলাম আজমকে পাকিস্তানের কাছে হস্তান্তরের দাবী জানিয়ে হামিদ মীর বলেন, যদি ৯০ বতসর পর পাকিস্তান রাস্ট্র টিকিয়া থাকে, আমাদের ফাদার টেরেসাকে ইসলামাবাদে একটি বাড়ি খরিদ করিয়া বসবাসের বেবস্থা করিয়া দেওয়া হোক।

July 30, 2013

অমর্ত্য সেনকে তিরস্কার করলেন বাবুনগরী

নিজস্ব মতিবেদক

ভারতের নোবেল বিজয়ী একমাত্র অর্থনীতীবীদ ড. অমর্ত্য সেনকে তিরস্কার করেছেন সদ্য গঠিত রাজনৈতিক দল বাবুনাগরিক শক্তির আমীর, বাংলাদেশের একমাত্র নোবেল বিজয়ী অর্থনীতীবীদ ও গ্রামীন বেংকের বিতাড়িত মালিক ড. মুহম্মদ ইউনূস বাবুনগরী।

ওয়াশিংটনে বাকশালের বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনার আবদার ও জাপানে সামাজিক বেবসার মাল খরিদ শেষে দেশে ফিরে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরন করেই অমর্ত্য সেনকে তিরস্কার করেন বাবুনগরী।

ইউনূস বলেন, আমি শুনলাম আমার নোবেলভাই হিন্দুস্তানী অর্থনীতীবীদ অমর্ত্য সেন বিজেপির সংগে টক্কর লাগাইছে। এই টক্করের ফেসাদে পড়িয়া সে ভারতরত্ন খেতাব ফিরাইয়া দেওনের কথাও বলছে। আমি এর জন্য অমর্ত্য সেনরে তিব্র নিন্দা জানাই।

আবেগঘন কণ্ঠে বাবুনগরী বলেন, তুমি সেন বাড়ির পুলা, সংখালঘু নিয়া তুমার এত কথা বলার কি দরকার? নরেন্দ্র মুদী ভারতের ভবিষ্যত প্রধান মন্ত্রী, তুমি কুন সাহসে তার সংগে টক্কর লাগ? সালা ঘোচু পপি গাইড পড়িয়া নোবেল পাইছ, এখন লাগাইতে আসছ গেনজাম।

অমর্ত্য পপি গাইড পড়িয়া নোবেল পাইছে: বাবুনগরী

অমর্ত্য সেনের প্রতি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বাবুনগরী বলেন, অর্থনীতীতে নোবেল পাইছ তাই তাল পাও না কিসে শান্তি কিসে অশান্তি। তুমি অর্থনীতীর পুলা অর্থনীতী নিয়া থাক, রাজনীতী নিয়া কথা বল কেন? নরেন্দ্র মুদী সংখালঘু মারলে তুমার কি সমস্যা? বিজেপি জামাত নিয়া আমরা নোবেলভাইরা কেন কথা বলব? বেল টকিলে কাকের কি?

বাংলাদেশের একমাত্র সংখালঘু রোহিংগাদের প্রসংগ তুলে ধরে ইউনূস বলেন, তুমি গুজরাটের মুসলমান নিয়া হাউকাউ কর আর এদিকে আমার জাত ভাই রোহিংগারা মিয়ানমারের লামাদের মাইর খাইয়া মরে। তাদের নিয়া পারলে কিছু বল। আর ভারতরত্ন ফিরাইয়া দেওয়ার কথা বললা কেন?

হাসতে হাসতে বাবুনগরী বলেন, খালি ত পার ষ্টান্টবাজি। মনে রাখিও, তুমি সুনীল শেঠী না, তুমি অমর্ত্য সেন। খালি নিজের কথা ভাবলে চলবে না, প্রতিবেশী দেশের নোবেল বিজয়ীদের দিকেও খেয়াল রাখতে হবে। একবার যদি পুরস্কার টাইটেল ফিরাইয়া দেওয়ার হুজুগ লাগে, তখন তুমার বেকুবির কারনে আমি আর সু চিও বিপদে পড়ব। এইসব রাজনীতী সংখালঘু টাইটেল ফিরত বাদ দাও। লাইনে আস।

অমর্ত্য সেনকে সামাজিক বেবসায় পাটনার হওয়ার আহোভান জানিয়ে ইউনূস বলেন, সু চিও আমাদের সংগে যোগ দিবে। তুমিও আসিয়া পড়। আমরা নোবেলভাই নোবেলবোনরা মিলিয়া কিছু বেবসা করি। এস ভাই এস বোন গড়ে তুলি আন্দুলোন।

July 30, 2013

খালি তথ্য না, গন্ধও আছে: সৈয়দ আশরাফ

নিজস্ব মতিবেদক

বাকশালের নায়েবে আমীর ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন, সামনে নির্বাচন হবে। সেই নির্বাচনে বাকশাল পুনরায় জয় লাভ করবে। এই বেপারে আমাদের কাছে খালি তথ্য না, গন্ধও আছে।

সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবী করেন সৈয়দ আশরাফ।

সংবাদ সম্মেলনে সৈয়দ আশরাফ বলেন, আমৃকায় বসিয়া বাংলার নির্বাচনে বাকশালের জয় নিয়া তথ্য সংগ্রহ করেছেন বাকশালের জয়। জয় নিয়া জয়ের কাছে তথ্য আছে। আর জয় নিয়া আমার কাছে আছে গন্ধ। জয়ের তথ্যের সংগে জয়ের গন্ধ যোগ করলে কি হয়? বলেন আপনেরা। কি হয়?

এ সময় উপস্থিত সাংবাদিকরা সৈয়দ আশরাফের প্রশ্নের উত্তর দিতে না পেরে চুপ করে থাকেন।

আবেগঘন কণ্ঠে সৈয়দ আশরাফ নিজের প্রশ্নের উত্তর নিজেই দিয়ে বলেন, তথ্যের সংগে গন্ধ যোগ দিলে পাওয়া যায় আনন্দ।

আমি গন্ধ পাই, আপনারা পান না? : আশরাফ

সংবাদ সম্মেলনে সৈয়দ আশরাফের পাশে দফতর বিহীন মন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত ও যুগ্ম নায়েবে আমীর মাহবুবুল আলম হানিফকে নাক কুচকে বসে থাকতে দেখা যায়।

সৈয়দ আশরাফ তাদের প্রশ্ন করেন, আমি ত গন্ধ পাই, আপনারা গন্ধ পান না?

এ সময় সুরঞ্জিত ও হানিফ মুখ কাল করে বলেন, জি ভাইসাব, পাই। খুব সোন্দর গন্ধ।

%d bloggers like this: