এই শুভ্র এই: আনোয়ার

নিজস্ব মতিবেদক

বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর মানবাধিকার শাখার আমীর ও দেশের শুদ্ধতম মানবাধিকার কর্মী আদিলুর রহমান শুভ্র ওরফে ‘কানাবাবা’কে ৫ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।

আজ মুখ্য মহানগর হাকিম কানাবাবা শুভ্রকে ৫ দিনের রিমান্ডে পাঠানর হুকুম দেন।

তাতক্ষনিক প্রতিক্রিয়ায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বৃহত্তর জামায়াতের বিএনপি শাখার নায়েবে আমীর এম কে আনোয়ার ওরফে মতি কণ্ঠ আনোয়ার বলেছেন, বাকশাল প্রথমে ৫০ হাজার মুসল্লিকে গুম খুন ও ৫০ হাজার মুসল্লিকে আহত করার পর এখন সেই কুকামের সাক্ষীদের গুম খুন করার অপচেস্টা চালাইতেছে। সেই নীল নকশার প্রথম বলি আমাদের মানবাধিকার শাখার ১১০% সত্য রটনাকারী কানাবাবা শুভ্র।

এক সংবাদ সম্মেলনে মতি কণ্ঠ আনোয়ার বলেন, আমি নিজে মতিঝিলের গনহত্যার সাক্ষী। সেই কাল রাত্রে গভীর রজনীতে ক্লান্ত মুজাহিদদের উপর রজনীকান্তের সহায়তায় গনহত্যা চালায় বাকশালের পুলিশ ও রেব। চারদিকে গুলাগুলির ঠুশ ঠাশ আওয়াজ, মুজাহিদদের আর্তনাদ, রজনীকান্তের উল্লাস ও ইয়ান্না রাসকালা হুংকার আর রেব পুলিশের বুটের শব্দে আসমান সেদিন কাপতে আছিল। আমাদের কানাবাবা শুভ্র সেই ঘটনাই তুলে ধরেছে বিশ্বের সামনে। আর বেদরদী বাকশাল সরকার সারা বিশ্বের চাপের মুখে এখন তারে ধরিয়া রিমান্ডে নিল।

দেশের শুদ্ধতম মানবাধিকার কর্মী শুভ্র রিমান্ডে

আবেগঘন কণ্ঠে মতি কণ্ঠ আনোয়ার বলেন, কানাবাবা রিপট লেখার আগে আমায় মুঠোফোন মারিয়া বলল, বদ্দা ৫০ হাজার মুসল্লির কথা লিখলে কি বিশ্ব মিডিয়া তা ভক্ষন করবে? আমি তাকে বললাম, কানাবাবা! আমি সিএসপি ছিলাম। বন্যায় জলচ্ছাসে ভুমিকম্পে হাজার হাজার মানুষ মারা গেলেও সরকারী হিসাবে মৃতের সংখ্যা হিসাবে ১৭ জন, ২৯ জন, ৩৭ জন প্রভৃতি মৌলিক সংখ্যা লিখিয়া আমার অভ্যাস। ১৯৭১ সালে তিরিশ লক্ষ শহীদের সংখ্যাও বিদেশে গিয়া বৃহত্তর জামায়াতের বিএনপি শাখার পক্ষ হতে শমশের মবিন চৌধুরী তিন লক্ষ বলিয়া ঘোষনা দিছিলেন। কাজেই ৫০ হাজার লিখিও না, একটি মৌলিক সংখ্যা লিখ। কানাবাবা আমায় বলল, আপনি তবে একটি সুন্দর মৌলিক সংখ্যা বাছিয়া দিন। আমি আমার নাতনিকে ডাকিয়া বললাম, বেবী একটি মৌলিক সংখ্যা বল ত। সে বলল দাদু ৬১। আমি কানাবাবাকে বললাম, আলহামদুলিল্লাহ লিখিয়া দাও ৬১ জন বাকশালের হাতে মাডার হইছে। সে বলিল লক কর দিয়া যায়ে? আমি বলিলাম লক কর দিয়া যায়ে।

রুমালে অশ্রু মুছে মতি কণ্ঠ আনোয়ার বলেন, অথচ আজ আমাদের কানাবাবাকেই বাকশালের পুলিশ লক কর দিয়া যায়ে। সে কি আর বাচিয়া ফিরত আসবে? নাকি তাকে লইয়া রেব রাতের অন্ধকারে গুপনে অস্ত্র উদ্ধারে বাইর হইবে? আড়াল থেকে ওত পেতে থাকা বৃহত্তর জামায়াতের মানবাধিকার শাখার কর্মীরা তাদের উপর কি গুলি চালাইবে? আত্ম রক্ষার্তে কি রেব পাল্টা গুলি চালাইবে? এই গুলাগুলিতে পড়িয়া কি আমাদের কানাবাবা অকালে এন্তেকাল করবে?

এ সময় সংবাদ সম্মেলন স্থলের সামনে দিয়ে আদিলুর শুভ্রকে হাটিয়ে নিয়ে যাওয়া হলে এম কে আনোয়ার মঞ্চ ছেড়ে উঠে কান্না ভেজা কণ্ঠে ডেকে উঠেন, এই শুভ্র এই!

4 Comments to “এই শুভ্র এই: আনোয়ার”

  1. চালিয়ে যান, মতিকন্ঠের কলম সৈনিকেরা। আর বেশি দিন বাকি নাই আপনাদের, অবশ্য এক মধ্যেই যদি বাকশাল কায়েম করে ফেলতে পারেন তাহলে ভিন্ন কথা …

  2. ai ber bujha gelo tomago kaaj uddhar hoile shob kisu re support koro..ato din cross fire er bipokhe koiya akhon cross fire re support koro..bokdharmiker bachha kokhon kapor khuila jaibo kheyal o korbi na…….

  3. ঠিকি আছে, কানাবাবা ঠিক ট্রিটমেন্টই পাইছে মতিত্থেইকা। দুঃখের বিষয় মতি যেদিন ধরা খাইবা সেদিন তুমিও ৫৪ ধারাতেই পড়বা। এখনি একটু পচায়া নাও।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: