আমায় দুদন্ড শান্তি দিয়াছিল নাটরের রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু: বাবুনগরী

নিজস্ব মতিবেদক

সদ্য গঠিত রাজনৈতিক দল বাবুনাগরিক শক্তির আমীর, বাংলাদেশের একমাত্র নোবেল বিজয়ী অর্থনীতীবীদ ও গ্রামীন বেংকের বিতাড়িত মালিক কায়েদে নোবেল ড. মুহম্মদ ইউনূস বাবুনগরী বলেছেন, আমায় দুদন্ড শান্তি দিয়াছিল নাটরের রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু।

আজ মিরপুরে গ্রামীন বেংকের কার্যালয়ের একাংশে স্থাপিত আরাম দায়ক বিলাস বহুল বাবুনগরী সেন্টারে আয়জিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাবুনগরী এ শান্তির কথা বলেন।

বাবুনগরী বলেন, যারা শান্তি দিবে, তাদেরই ভুট দিব। যারা আমায় শান্তি দেয় নাই, তাদের অন্য কেউ যাতে ভুট না দেয়, সেই বেবস্থা করব।

আবেগঘন কণ্ঠে ইউনূস বলেন, শান্তির কথা উঠলেই সবাই আমার নাম না লইয়া কুথাকার কুন নাটরের বনলতা সেনের নাম লয়। আমি জানি না বনলতা সেন দেশে কতটুকু শান্তি আনছিল, কিন্তু পাবলিক খালি তার কথা তুলে। কেউ বলে না, আমায় দুদন্ড শান্তি দিয়াছিল জোবরা গ্রামের ইউনূস বাবুনগরী। বাংগালী একটি অভিশাপ।

রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু দেখতে এই রকমই

বনলতা সেনের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে বাবুনগরী বলেন, নাম শুনিয়াই বুঝা যায় সে একটি বাকশালী, ২০০১ ও ২০০৮ সালে বাকশালের বেলটে সিল দিয়াছিল। যদি কেউ প্রকৃতই দুদন্ড শান্তি আনিয়া থাকে, তাহলে সে বনলতা সেন নয়, বরং বৃহত্তর জামায়াতের বিএনপি শাখার নাটর উপশাখার আমীর রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু। সামনে নির্বাচনে তাই শান্তির পারাবত দুলুকেই ভুট দিব।

দেশের পরিস্থিতি নিয়ে আপসস করে বাবুনগরী বলেন, এখন আর দেশে কুন মানবাধিকার নাই। বৃহত্তর জামায়াতের আমলে কিছু মানবাধিকার ছিল, যেই কারনে আমি নোবেল লাভ করতে পারছিলাম। এই বাকশালের আমলে মানবাধিকারের এত খারাপ অবস্থা যে আমি ওবামার ফৃডম পদক আর কংগ্রেসের সোনা আর ফরবেশের দরবেশ খেতাব ছাড়া আর কিছুই পাইলাম না। এভাবে আর চলতে পারে না। চেঞ্জ উই নিড।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: