Archive for October, 2013

October 31, 2013

শনিবার হরতাল ডেকেছে নিউজিলেন্ড

ক্রীড়া মতিবেদক

পর পর দুটি ওয়ান ডে মেচে পরাজয়ের পর শনিবার দেশবেপী হরতালের ডাক দিয়েছেন নিউজিলেন্ডের কেপ্টেন মেক আবুল কালাম ওরফে মেককালাম।

আজ বাংলাদেশের কাছে ৪০ রানে হারার পর প্রতিক্রিয়ায় এক সংবাদ সম্মেলনে এ হরতালের ডাক দেন মেককালাম।

মেককালাম বলেন, জয় পরাজয় নয়, অংশ গ্রহনই বড় কথা। আমরা চাই বাংলাদেশ অংশ গ্রহনই বড় কথা মডে খেলাধুলা করুক। কিন্তু দুঃখের সংগে বলতে চাই, আন্তর্জাতিক কৃকেটের প্রত্যাশা অনুযায়ী বাংলাদেশ খেলতে পারছে না।

আবেগঘন কণ্ঠে মেককালাম বলেন, গত মেচে বিস্টির কারনে আমরা অসুবিধার মুখমুখী হয়েছিলাম। লুইস পদ্ধতিতে অংকের মারপেচে বাংলাদেশ জয় লাভ করে। বিস্টিটা না নামলে দেখাইয়া দিতাম কৃকেট কারে বলে।

দাওয়াত দিয়ে ডেকে এনে বৃষ্টিতে ভিজানর অভিযোগ এনে মেককালাম বলেন, তারা সমানে চার ছয় মারল, আর আমরা একটু মারতে নামতেই বাংলাদেশের কেপ্টেন মুশফিকুর বলে কি, এস তবে বিস্টি নামাই। তারপরই কুকুর বিড়াল বিস্টি হল। আমরা হারিয়া গেলাম। এ কেমন আচরন? নিজেরা শুকনা মাঠে বেট করবা আর আমাদিগকে ভিজা মাঠে বেট করতে পাঠাইবা, একে ত লেবেল প্লেইং ফিল্ড বলে না।

আজকের মেচে কি সমস্যা ছিল, এ প্রশ্নের সরাসরি উত্তর না দিয়ে মেককালাম বলেন, আমরাও চাই বাংলাদেশ খেলিয়া জিতুক, কিন্তু সেই খেলা স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও আন্তর্জাতিক মানের হতে হবে। আজকের খেলা আন্তর্জাতিক মানের হয়নি। আমরাও নিউজিলেন্ডের গরুর দুদ খাই, বাংলাদেশও নিউজিলেন্ডের গরুর দুদ খায়। কাজেই এটি একটি লুকাল খেলা হয়েছে। আমাদের সংগে আন্তর্জাতিক মানের খেলা তখনই হবে যখন বাংলাদেশ নিউজিলেন্ডের গরুর দুদ খাওয়া বন্দ করবে।

স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও আন্তর্জাতিক মানের কৃকেটের দাবী জানিয়ে শনিবার হরতালের ডাক দিয়ে মেককালাম বলেন, অবিলম্বে আমাদের দাবী মেনে নিয়ে নির্দলীয় নিরপেক্ষ কৃকেট মেচের আয়জন করুন। জনগনের দাবী মেনে নিন।

মেককালামের দাবীর সংগে একমত প্রকাশ করে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার ভাঁড়প্রাপ্ত নায়েবে আমীর ও জাতীয়তাবাদী শক্তির ‘কমপ্লান বয়’ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, কমপ্লান ভক্ষন না করে নিউজিলেন্ডে দুদ ভক্ষন করে বাংলাদেশ কৃকেট দল আন্তর্জাতিক মান লংঘন করেছে। আমরা ক্ষমতায় আসিয়া এই দলকে প্রথমেই পাকিস্তানে বোমা-গুলির মধ্যে খেলতে পাঠাইয়া সাইজ করিব। এদের খেলার মান পাকিস্তান অপেক্ষা ভাল হয়ে গেলে বিএনপি শাখার মান ইজ্জত কিছুই থাকবে না।

এরপর মেককালাম ও ফখা ইবনে চখা নিজ নিজ বুকে হাত দিয়ে নিউজিলেন্ডের জাতীয় সংগীত ‘যে দেশে গরু খায় বার মাস সবুজ ঘাস সেই দেশ দুধের দেশ নিউজিলেন্ড’ পরিবেশন করে সংবাদ সম্মেলন শেষ করেন।

এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে বাংলাদেশ কৃকেট দলের অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম বলেন, দুদ না খেলে হবে না ভাল ছেলে।

October 28, 2013

এত অংগ প্রত্যংগ দিয়া গরিবের কি কাম? : বাবুনগরী

নিজস্ব মতিবেদক

ক্ষুদ্র ঋনের বোঝা সহ্য করতে না পেরে অংগ প্রত্যংগ বিক্রয় করে ঋন শোধ করছেন বাংলাদেশের গরিব বৃন্দ।

এমনই চিত্র উঠে এসেছে ইংরাজ সংবাদ সংস্থা বিবিসির প্রতিবেদনে।

বাংলাদেশের জয়পুরহাটের কালাই এলাকায় ক্ষুদ্র ঋন গ্রহনের পর দেনার কিস্তি শোধ করতে না পেরে কিডনী, যকৃত প্রভৃতি বিক্রয় করছেন গরিব মানুষ। সস্তায় এসব অংগ প্রত্যংগ কিনে নিচ্ছে একটি বেবসায়ী মহল। অংগ প্রত্যংগ বিক্রয়ের টাকা দিয়ে গ্রামীন বেংক, ব্রেক, আশা প্রভৃতি ক্ষুদ্র ঋন সরবরাহ কারী প্রতিষ্ঠানকে দেনার কিস্তি শোধ করছেন এ অঞ্চলের অনেক গরিব।

এ বেপারে সদ্য গঠিত রাজনৈতিক দল বাবুনাগরিক শক্তির আমীর, বাংলাদেশের একমাত্র নোবেল বিজয়ী অর্থনীতীবীদ ও গ্রামীন বেংকের বিতাড়িত মালিক কায়েদে নোবেল ড. ইউনূস বাবুনগরীর সংগে যোগাযোগ করা হলে তিনি পরিস্থিতি নিয়ে সন্তুস্টি প্রকাশ করেন।

বাবুনগরী বলেন, ক্ষুদ্র ঋন বাংলাদেশকে দিয়াছে বেগ, আর কাড়িয়া লইছে আবেগ। আবেগ দিয়ে ক্ষুদ্র ঋনকে বিচার করলে চলবে না। কুন জামানত ছাড়াই গরিব দুঃখীর কাছে আমরা হাজার হাজার কুটি টেকা আমানত রাখি। সেই টেকা দিয়া তারা বড়লোক হয়। আর এভাবেই দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়। বিশ্বের সব বড় বড় পন্ডিতগন এই পদ্ধতিকে স্বিকৃতী দিয়াছে।

আবেগঘন কণ্ঠে কায়েদে নোবেল বলেন, ক্ষুদ্র ঋনের টেকা দিয়া ভাগ্য উন্নয়ন করিয়া কুটিপতি হইছে এমন লোকের সংখ্যা কম নহে। আমাকেই দেখ। ক্ষুদ্র ঋনের বেবসা খুলিবার পর গ্রামীন বেংকের নাম দিয়া নরওয়ের সংগে পাটনারশিপে গ্রামীন ফুন কম্পানী চালু করিয়া উহার মালিক হইলুম। টেকা কামালুম তিরিশ হাজার কুটি। সংগে ফাউ হিসাবে নরওয়ে হইতে শান্তিতে নোবেলও পাইলুম। তারপরও কি তুমি বলিবে যে ক্ষুদ্র ঋন খারাপ?


তুমাদের কাছে এসে বিপদের সাথী হতে আজকের চেস্টা আমার: বাবুনগরী

হাসতে হাসতে ইউনূস বলেন, ক্ষুদ্র ঋনের কারনে আমাদের ভুখা নাংগা গরিব বৃন্দের গরিব পরিচয় ঘুচিয়াছে। তারা ক্ষুদ্র ঋনের এক ঠাপে গরিব হইতে উদ্যক্তায় পরিনত হইছে। কেহ যদি নিজের অংগ প্রত্যংগ নিয়া বেবসা করে দুটু লাভের মুখ দেখে, তুমি আমি বাধা দিব কেন?

শরীরে অংগ প্রত্যংগের আধিক্যের বাড়াবাড়ির প্রতি ইংগিত করে বাবুনগরী বলেন, একটি দিয়াই যেখানে কাজ চলে, সেখানে দুটি দিয়া গরিব কি করবে? দুটি চুখ, দুটি কান, দুটি কিডনী, দুটি যকৃত। আরে সালা ঘোচু একে তুই গরিব, তার উপর সব কিছু ডাবুল ডাবুল। এত ভাত ত দুধ দিয়া খাওয়া যায় না। ক্ষুদ্র ঋন লইছ, পরিশুধ করতে পার না যখন, একটি কিডনী, একটি যকৃত বিক্রয় করিয়া দেও। কুন অভাগা উহা সস্তায় খরিদ করিয়া দুটি খেয়ে পরে বাচুক।

অংগ প্রত্যংগ বিক্রয় করা আইনত নিষিদ্ধ, এ তথ্য জানালে ‌উত্তেজিত হয়ে কায়েদে নোবেল বলেন, বানচুদ সরকার দেশটার কুন উন্নয়নই করতে দিবে না। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল আইন, গ্রামীন বেংক আইন, আয়কর আইন, একের পর এক এমন কাল আইন বানাইয়া বানাইয়া তারা দেশের মানুষের উন্নয়নের পথে খালি খালি কাটা বিছাইয়া রাখে। শেখের বেটীর কাল হাত ভেংগে দাও গুড়িয়ে দাও।

দেশের আপামর গরিবকে রুখে দাড়ানর আহোভান জানিয়ে তিনি বলেন, অবিলম্বে অংগ প্রত্যংগ বেচিয়া উন্নয়নের পথে সকল প্রতিবন্ধকতা দুর করতে হবে। আমার মালিকানাধীন ৮৪ লক্ষ গরিব নারী, যাদের আমি পুষি, আস আমরা এক লগে উঠি ফুসি। আমার কিডনী আমি বেচব, যাকে খুশি তাকে বেচব। হুয়াটস দি প্রবলেম?

আবেগঘন কণ্ঠে ইউনূস বলেন, জুটে যদি মুটে একটি কিডনী যত্ন করিও মুতার লাগি, দুটি যদি জুটে একটি বেচিয়া ঋণ শুধ কর, হে অনুরাগী।

October 28, 2013

খাম্বায় বিদ্যুত ও অন্যান্ন কানেকশনের কাহিনি

নিজস্ব মতিবেদক

বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার আওলাদে আমীর, জাতীয়তাবাদী শক্তির ভবিষ্যত মালিক ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের যোগ্য উত্তরসুরী বড় গনতন্ত্র তারেক জিয়ার সাথে পাকিস্থানী গুপ্তচোর সংস্থা আইএসআই তথা মৌলবাদী ও জঙ্গি নেতাদের গলাগলী দোস্তী, গভীর অন্তরংগতা ও নিবিড় বন্ধুত্ত দেখে মালাউনদের পতৃকা আনন্দবাজার বেহুদা বেসামাল হয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বলে বিএনপি শাখার কেন্দ্র হতে লিখিতভাবে জানান হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, ইহা নতুন কুন খবর নহে। আমাদের টেকাটুকার বড় একটা অংশ আসে কোথা হতে? আর তাই আমাদের নেতার সহিত পাকিস্থানের খাতির থাকবে, এ তো দিনের প্রথম আলোর নেয় পরিস্কার, স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও আন্তর্জাতিক। তা ছাড়া আমাদের দল বিএনপির নামকরনের গুপন একটি অর্থ হইলো ‘বাংলাদেশ নয়, পাকিস্থান’, ইহাও এখন ওপেন সিক্রেট। সুজা কথা, মালাউনদের খবরের নতুন কুন গুরুত্ত নাই। আপনারাও দেখেছেন, গুরুত্তহীনতার কারনে প্রথমালোও এই খবর প্রকাশ করে নাই। অবশ্য কারওয়ান বাজারের সর্দার মতিচূর রহমান আফৃদিকে কিঞ্চিত হাদিয়া প্রদান করতে হয়েছে।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, তারেক জিয়ার জন্যে জঙ্গি কানেকশনের কথা বস্তূত খুবই প্রাসংগিক ও বাস্তব। এখন খাম্বার বেবসা যার, কানেকশন রাখার তার উপযুক্ত সুমায়। কানেকশন ছাড়া বিদ্যুত আসবে কেমনে? বুঝেনই ত।

বিবৃতির উপসংহারে বলা হয়, নিন্দুকেরা দাবি করে – দেশ তেগের পর হতেই তারেক জিয়ার খাম্বায় নাকি বিদ্যুত সরবরাহ বন্ধ। আমরা ভাবী জোবাইদা রহমানের সাথে যুগাযুগ করে নিশ্চিত হয়েছি, উহা সর্বৈব মিথ্যা। রবি ঠাকুর বেচে থাকলে লিখতেন: আমাদের তারেকের গায় > বিদ্যুত চমকিয়া যায়…

October 28, 2013

জিয়ার নেতৃত্বে মুক্তিবাহিনীই গনহত্যা করেছে: খালেদা

নিজস্ব মতিবেদক

বাকশালের উপদেস্টা হোসেন তৌফিক ইমাম এটিএন বাংলার সাংবাদিক জ ই মামুনের কাছে দাবী করেছেন, বাকশালের মহিলা আমীর জননেত্রী ভাষা কন্যা গনতন্ত্রের মানস কন্যা ড. শেখ হাসিনা ও বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার মহিলা আমীর ও জাতীয়তাবাদী শক্তির মালিক আপোষহীন দেশনেত্রী মাদারে গনতন্ত্র বেগম খালেদা জিয়ার ঐতিহাসিক ৩৭ মিনিট বেপী টেলিফোন সংলাপ তিনি সকলই শুনেছেন।

রাতে একটি টক শোতে চন্দ্র সুর্যকে সাক্ষী রেখে এইচ টি ইমাম বলেন, যাহা বলিব সত্য বলিব, মিথ্যা বলি ত গু খাই।

এইচ টি ইমাম বলেন, আমি বাকশালের আমীরের কাছেই সুফায় বসিয়া বিস্কুট দিয়া চা পান করিতেছিলাম। গনভবনের বিস্কুট যেন কারার ঐ লৌহ কপাট। দাতের চিপায় দিয়া চাবাইতে গেলে শাহাদত বরন ছাড়া গতি নাই। আবার বিস্কুট না খাইলে ফেসিবাদী মহিলা আমীর রাগারাগি করে। বাকশালের উপদেস্টা হওয়ার নছিব যেন আর কুন অভাগার না হয়।

আবেগঘন কণ্ঠে এইচ টি ইমাম বলেন, শেখের বেটী মেডামকে ফুন দেওয়ার পর মেডাম বললেন, এক দফা এক দাবী, গদি ছাড়িয়া কবে যাবি? জবাবে শেখের বেটী বললেন, গদি হতে আমায় নামাইতে গেলে ত নির্বাচন করতে হবে আপা। লাইনে আসুন। তখন মেডাম বললেন, বৃহত্তর জামায়াতের আমীর ওমরাহদিগের মুক্তি না দিলে নির্বাচনে যাব না। তখন শেখের বেটী বললেন, আরে উহারা ত একাত্তর সালে গনহত্যার দায়ে ফাসি খাবে, কেমনে ছাড়ি। তখন মেডাম বলেন, আমার খছম একাত্তরের রেম্ব জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে মুক্তিবাহিনীই একাত্তর সালে গনহত্যা করিয়াছে। আপনি যাদের বিচারের বেবস্থা করিয়াছেন উহারা সকলেই মাছুম।


গনহত্যা কারী মুক্তি বাহিনীর জনৈক নেতার সংগে খালেদা জিয়া

এইচ টি ইমাম বলেন, মেডাম এমন জুরে কথা বলতেছিলেন যে রেড টেলিফুন মুঠোফুন কুন কিছুরই আসলে দরকার আছিল না। ফুন ছাড়াই উনার আওয়াজ শুনা যাইত। যে বিস্কুটটি আমি গনভবনের চায়ে আধা ঘন্টা বেপী ভিজাইয়াও ভেঙ্গে ফেল কররে লপাট করিতে পারি নাই, ফুনের অপর প্রান্তে মেডামের আওয়াজে সেই বিস্কুটটি ভাংগিয়া আমার চায়ের কাপে শহীদ হইল।

অশ্রু মুছে এইচ টি ইমাম বলেন, মেডাম বলতেছিলেন, একাত্তর সালে কি হইছে না হইছে তার সকল রিপটই আমি বলিষ্ঠ সুপুরুষ জেনারেল আসিফ নেওয়াজ জানজুয়ার বাড়িতে নাস্তার কালে পাইতাম। একাত্তরের রেম্ব জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষনা দিয়া একাই অর্ধেক বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ করেন। তার নেতৃত্বেই মুক্তিবাহিনী গনহত্যা চালায়। অতএব গনহত্যার বিচার করতে গেলে সবার আগে জিয়াউর রহমানের বিচার করতে হবে। যেহেতু তিনি শাহাদত বরন করেছেন, অতএব একাত্তরের ঘটনা নিয়া আর কুন বিচার আচারের প্রয়জন নাই।

%d bloggers like this: