Archive for November, 2013

November 30, 2013

গনতন্ত্রের উপর এ পদাঘাত একাত্তরকেও হার মানায়: খন্দকার মাহবুব

নিজস্ব মতিবেদক

সুবেহ সাদিকের কালে কমান্ডো আক্রমন করে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার নয়া পল্টনস্থ কার্যালয়ে অনুপ্রবেশ করে বলপুর্বক বিএনপি শাখার নায়েবে দফতর ও বাকশালের মহিলা আমীরের উপদেস্টা গওহর রিজভীর সহোদর আল্লামা রুহুল কবীর রিজভী ও ঘেঁটুয়ে নায়েব বেলাল আহমদকে অপহরনের জন্য পুলিশের প্রতি নিন্দা জানিয়ে বিএনপি শাখার উকিলে আমীর বেরিষ্টার খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেছেন, বাকশালী পুলিশের এহেন ফেসিবাদী আচরন একাত্তরের বর্বরতাকেও হার মানায়।

আজ বিএনপি শাখার আক্রান্ত কার্যালয়ে আয়জিত সংবাদ সম্মেলনে খন্দকার মাহবুব এ কথা বলেন।

উকিলে আমীর বলেন, আজ যখন এ সংবাদ সম্মেলন করতেছি, তখন বিএনপি শাখার দুই উকিলে কবীরা বেরিষ্টার মওদুদ ও বেরিষ্টার রফিকুল জেলখানার মেহমান হিসাবে আছেন। তাই উকিলে সগীরা হওয়া সত্তেও আমি এই সংবাদ সম্মেলন ডাকতে বাধ্য হইলাম। এভাবেই বিএনপি শাখার বড় বড় নায়েবগন আমার নেয় ছুট মানুষকে তোপের মুখে একা ফালাইয়া জেলে ডিভিশনের আরাম ভোগ করতেছেন। আমি সর্ব প্রথম তাই এদের প্রতি নিন্দাবাদ জানাই।

আবেগঘন কণ্ঠে খন্দকার মাহবুব বলেন, এই কয়দিন রিজভী দফতর হতে সারা দেশে জ্বালাও পোড়াও তত্তাবধান করতেছিল। আজ সেও পুলিশের মেহমান হল। ব্রাদারফাকার সাকার নেয় ধোন সম্পদ তার ছিল না। সাকা যেমন কারা কতৃপক্ষ কতৃক আলাল পেয়েছিল, রিজভী তেমনটি পাবে না। তাই পুলিশ যখন তাকে ধরিয়া নিয়া যায়, তখন আমরা বিএনপি শাখার পক্ষ হতে কারাগারে তার খেদমতের জন্য বনাস হিসাবে জনৈক বেলালকে সংগে দিয়াছি। বেলাল ইজ দি পুওর মেনস আলাল। আশা করি রিজভী সুখে থাকবে।


এভাবে ফার্নিচার উল্টান একাত্তরের বর্বরতাকেও হার মানায়

হুহু করে কেদে উঠে খন্দকার মাহবুব বলেন, আমাদের কার্যালয়ের সব কয়টি চেয়ার বর্বর হানাদার পুলিশ লাত্থি দিয়া উল্টাইয়া দিয়া গেছে। এমন বর্বরতা একাত্তর সালেও দেখি নাই। একাত্তরে পাকিস্তানী সেনা বাহিনীর সদস্যরা বাড়িতে ঢুকিয়া খুন, ধর্ষন, লুটপাট, অগ্নি সংযগ করছে, কিন্তু কুনদিন চেয়ার উল্টায় নাই। বরং তারা সেনা বাহিনীর শৃংখলার অনন্য নজীর হিসাবে বাংগালীদের বাড়িতে চেয়ার এলমেল হইয়া থাকতে দেখলে তুলিয়া টেবিলের নিচে মিলাইয়া দিয়া গেছে। তাই বাকশালী পুলিশের এই বর্বরতা একাত্তরকেও হার মানায়। এমনিতেই আমাদের গদি নাই, তার উপর নিজেরা যা গদি সাজাইয়া গুছাইয়া রাখছিলাম, তাও পুলিশ লাথি মারিয়া উল্টাইল। এ পদাঘাত চেয়ারের উপরে নয়, গনতন্ত্রের উপর পড়েছে।

সারা দেশে সাধারন মানুষের গায়ে অগ্নি সংযগ করে তাদের হত্যা করা গনতন্ত্রের উপর পদাঘাত কিনা, এ প্রশ্নের জবাবে হাসতে হাসতে খন্দকার মাহবুব বলেন, আমরা বাসে আগুন দিয়া মানুষ মারি, কিন্তু কদাপি বাসের চেয়ার উল্টাই না। একমাত্র চেয়ার উল্টাইলেই গনতন্ত্রের উপরে পদাঘাত হয়।

আগুন দিয়ে মানুষ মারা নিয়ে রাগারাগি না করার পরামর্শ দিয়ে খন্দকার মাহবুব বলেন, কাহি আগ লাগে লাগ যায়ে, কাহি নাগ দসে দস যায়ে, কাভি গগন গিরে গির যায়ে, চাহে কুছ ভি হো যায়ে, ইস টুটে চেয়ার কি পীড় সহি না যায়।

November 30, 2013

সরকার এ দায় এড়াতে পারে না: মতিচুর

নিজস্ব মতিবেদক

ফরিদপুর জেলার চর আদমপুর গ্রামে ককটেল রচনার সময় বিস্ফোরনে জিল্লুর সর্দার নামক জনৈক মানবাধিকার কর্মীর দুই হাতের কব্জি উড়ে যাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রভাবশালী এলাকা কারওয়ানবাজারের সর্দার ও ১১০% অরাজনৈতিক সংগঠন ‘হেফাজতে মাহমুদুরের’ প্রতিষ্ঠাতা আমীর মতিচুর রহমান আজমী বলেছেন, জিল্লুরের কব্জি উড়ে যাওয়ার দায় বাকশালী সরকার এড়াইতে পারে না।

আজ কারওয়ানবাজারে আয়জিত এক সংবাদ সম্মেলনে মতিচুর এ ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

মতিচুর রহমান বলেন, এ ফেসিবাদী সরকার দাতে কামড়াইয়া গদি আকড়াইয়া ধরে রাখতে চায়। আমাদের গর্বের ধোন তত্তাবধায়ক সরকার বেবস্থা, যে বেবস্থায় আমরা সর্দারেরা কিছু টেকাটুকা কামাই, কিছু জমি দখল, কিছু পারমিট আদায়, কিছু ঋন মকুবের সুযুগ পাইতাম, সে সম্ভাবনাময় বেবস্থাটিকে গলা টিপে মারল। তত্তাবধায়ক বেবস্থা থাকলে আজ আমার কারওয়ানবাজারের বন্ধু আকবর আলী, হোসেন জিল্লুর, মির্জ্জা আজিজুল প্রভৃতি উপদেস্টা হতে পারত। সাভারে ও গাজীপুরে কিছু জমি দখল করার ইচ্ছা ছিল, তা নিরিবিলি সারিয়া লইতে পারতাম। কিন্তু না, হারামজাদা বাকশাল সব প্লেন তছনছ করিয়া দিল।

আবেগঘন কণ্ঠে মতিচুর আজমী বলেন, সরকার গ্রাম বাংলায় মাঠে ঘাটে হিংস্র পুলিশ বাহিনী নিয়গ দিয়া রাখছে। তাই বিদেশ হতে উন্নত মানের তৈরী বোমা আমদানীর পরিবর্তে বৃহত্তর জামায়াতের নিরুপায় অসহায় খানকির পুলা নেতা কর্মীরা কুটিরে বসে কুটির শিল্পের মাধ্যমে দেশী ককটেল রচনা করতেছে। তাই পাংশা উপজেলার জামাল সর্দারের আদরের পুত্র জিল্লুর সর্দারের কব্জি উড়ে যাওয়ার দায় সরকার এড়াইতে পারে না। জিল্লুরের কব্জি উড়ে যাওয়ার অপরাধে বাকশালের মহিলা আমীর শেখের বেটীর উচিত অবিলম্বে নির্দলীয় নিরপেক্ষ আকবর আলী খানের হাতে নির্বাহী ক্ষমতা হস্তান্তর করা।

কারওয়ানবাজারের উপসর্দার ও আইভরী কোষ্ট ফিরত উপন্যাসিক আমিষুল হক পুটুনদা বলেন, শেখের বেটী আর কত নংরা রাজনীতী করবেন? তিনি গদিতে লেটকাইয়া পড়িয়া থাকার কারনে আজ আমাদের দুর্বৃত্ত ভাইদের বাসে টেম্পুতে আগুন দিয়া মানুষ পুড়াইতে হইতেছে। একটা গাড়িতে আগুন দেওয়ার কত কস্ট আপনারা কি জানেন না? কেন দুর্বৃত্তদের এইরুপ খাটনির মুখে ঠেলিয়া দিতেছেন? সরকার এই খাটনির দায় এড়াতে পারে না।

হুহু করে কেদে উঠে পুটুনদা বলেন, পু।

November 30, 2013

সবই বাকশালের দুষ: ফখরুল

নিজস্ব মতিবেদক

রাজধানীর শাহবাগে চলন্ত বাসে অগ্নি সংযগ করে ১৯ জন যাত্রীকে পুড়ানর জন্য ক্ষমতাসীন বাকশালকে দায়ী করে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার ভাঁড়প্রাপ্ত নায়েবে আমীর ও জাতীয়তাবাদী শক্তির ‘কমপ্লান বয়’ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এ সবই বাকশালের কাম। সব দুষ তাদের।

শনিবার দেশ বেপী অবরোধ চলাকালে এক জনসভায় এ অভিযোগ করেন তিনি।

ফখা ইবনে চখা বলেন, বৃহত্তর জামায়াতের নেতা কর্মীরা যখন সারা দেশে শান্তি পুর্ন ভাবে বাকশাল জবাই করছিল, তখন এই ফেসিবাদী শক্তির পুলিশ রেব বিজিবি প্রভৃতি গিয়া তাদের উপর গুলাগুলি করেছে। এদিকে নিজেদের এজেন্ট দিয়া পাবলিকের গায়ে আগুন ধরাইয়া বলতেছে ইহা বৃহত্তর জামায়াতের কাম। কিন্তু তাদের এ ষড়যন্ত্র সফল হবে না।

বোমা গুলি পেট্রল ইত্যাদি সহ বৃহত্তর জামায়াতের নেতা কর্মীদের পুলিশের হাতে আটক হওয়ার ঘটনাকে সাজান নাটক হিসাবে উল্লেখ করে ফখা বলেন, সব নাটক। আমাদের নেতা কর্মীরা ধরা পড়েছে আর্জেস গ্রেনেড ও রামদা হাতে। কিন্তু পুলিশ সেগুলি না দেখাইয়া উহাদিগকে বান্ধিয়া বোমা গুলি পেট্রল সহ আটক দেখাইতেছে। ইহাতে আমাদের সম্মান ও ঐতিহ্য উভয়ই নস্ট হচ্ছে। এভাবে গনতন্ত্র চলতে পারে না।


রাজীবের চামড়া তুলে লব আমরা

আবেগঘন কণ্ঠে ফখা বলেন, শেখ ফজলুল করিম সেলিম নিজে স্বিকার করেছে, আমরা যখন গদিতে আছিলাম, তখন সে নিজের হাতে শেরাটনের সামনে বাসে গান পাউডার দিয়া আগুন দিছিল। ইন্টারনেটে সেই স্বিকারুক্তির ভিডিও পাওয়া যায়। এ ভিডিও থেকেই প্রমানিত হয়, শাহবাগে বাসে আগুনও শেখ ফজলুল করিম সেলিমের আকামের ফসল। সেলিম একটি অভিশাপ।

কাদতে কাদতে মির্জা বাড়ির গৌরব বলেন, ইন্টারনেটে রাজীব ও প্রভার মিলামিশার ভিডিও পাওয়া যায়। এ ভিডিও থেকেই প্রমানিত হয়, আমাদের বিএনপি শাখার সকল নেতার সন্তান প্রকৃত পক্ষে রাজীবের আকামের ফসল। রাজীবও একটি অভিশাপ। আমার সন্দেহ সেও বাকশালের এজেন্ট।

অশ্রু মুছে ফখরুল বলেন, মেডাম আমাদিগকে শুদু রাস্তায় নামতে বলেন। রাস্তা ঘাটের অবস্থা এখন ভাল না। কখন যে কে আসিয়া পুড়াইয়া দেয় কুন ঠিক নাই। তাছাড়া টেলিভিশনে ভাল ভাল নাটক সিনেমা অবলোকনের সুবর্ন সুযুগও নস্ট হয়।

কারাগারে বন্দী মওদুদ আনোয়ার, মতি কণ্ঠ আনোয়ার, রফিকুল মিয়া, আবদুল মিন্টু ও শিমুল বিশ্বাসের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে ফখরুল বলেন, এই সালারা ঘোচুর দল আন্দুলনে না নামিয়া গিয়া ঢুকছে জেলে। আমি সৈয়দ আশরাফুলরে কত করিয়া বললাম, আমায় জেলে ঢুকান। ডিভিশন নিয়া কয়েকটা দিন টিভি দেখিয়া পতৃকা পড়িয়া আরামে গুজরান করি। সে আমারে এরেষ্ট না করিয়া গিয়া ধরল চুনুপুটি রুহুল কবীর রিজভীরে। সকল আরাম এখন রিজভী পাবে, আর আমায় রাস্তাঘাটে আগুন ককটেল ঠেলিয়া আন্দুলন করতে হবে। এ কেমন গনতন্ত্র?

তরিকুল ইসলামের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে ফখা ইবনে চখা বলেন, সালা মাসের পর মাস অসুখের ভং ধরিয়া খাটে শুইয়া আছে, যাতে আন্দুলন সংগ্রামে মাঠে নামতে না হয়।

November 30, 2013

কাজী জাফরের বিরুদ্ধে কপিরাইট আইনে মামলা করবেন এরশাদ

নিজস্ব মতিবেদক

সাবেক স্বৈরাচার রাস্ট্রপতি ও পল্লীবন্ধু রহস্যপুরুষ জেনারেল আলহাজ্জ হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মালিকানাধীন জাতীয় পার্টি ভেংগে বের হয়ে নতুন জাতীয় পার্টি খুলার অপরাধে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য, সাবেক প্রধান মন্ত্রী ও অষ্ট্রেলিয়ার শরনার্থী চিনিচোর কাজী জাফর আহমেদের নামে কপিরাইট আইনে মামলা করার ঘোষনা দিয়েছেন পল্লীবন্ধু এরশাদ।

শুক্রবার বাদ এশা নিজ বাসভবনে আয়জিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষনা দেন পল্লীবন্ধু। এ সময় তার পরিধানে ছিল একটি সিল্কের পাইজামা ও জংলী ছাপার গেনজি।

পল্লীবন্ধু বলেন, হারামজাদা কাজী জাফর একটি অভিশাপ। আমার তিলে তিলে গড়ে তুলা জাতীয় পার্টিতে সে ভাংগন ধরাইতে চায়। আমি তারে জেলের চিনি খাওয়াব।

আবেগঘন কণ্ঠে এরশাদ বলেন, একাত্তরের রেম্ব জেনারেল জিয়ার রহস্যজনক এন্তেকালের পর উপায় না দেখিয়া আমি এই দেশের হাল ধরি। চারিদিকে তখন অরাজকতা। মন্ত্রীর বাড়িতে ইমদু ধরা পড়ে। চারিদিকে ক্ষুধা, নৈরাজ্য আর হাহাকার। পেটের দায়ে মা শিশুকে বিক্রয় করিয়া দেয়। হিরুইন খরিদের তাগিদে প্রেমিক প্রেমিকারে পাচপান্ন টেকায় ভাড়া দিয়া দেয়। কিন্তু আমি দেশের হাল ধরার পর দেশে শান্তি এল। তখন কতিপয় জ্ঞানী বেক্তি আমায় বললেন, সার এইবার পার্টি দেন।


বন্ধু তুমার পথের সাথীরে চিনে নিও

নষ্টালজিকতায় আচ্ছন্ন হয়ে পল্লীবন্ধু বলেন, আমি সহজ সরল সৈনিক। আমি তাদের বললাম, আমার ত চব্বিস ঘন্টাই পার্টি টাইম। তারা তখন হাসিয়া বলল, এ পার্টি সে পার্টি নহে। পলিটিকেল পার্টি দেন। আমরা দলে দলে যুগদান করি। তখন আমি খুললাম আমার প্রানাধিক প্রিয় পার্টি, জাতীয় পার্টি। প্রতীক হিসাবে নিলাম আমার শক্তি ও যৌবনের প্রতীক লাংগল।

কাদতে কাদতে এরশাদ বলেন, কিন্তু আমার সেই গর্বের ধোন পার্টিকে পদে পদে হারামজাদার দল ভেংগে চুরমার করেছে। জেলে যাওয়ার আগে আমার অপরের রক্ত পানি করে রুজগার করা সমুদয় টেকাটুকা দিয়া গেলাম যার হাতে, সেই ফাদারে আন্দালিব নাজিউর রহমান মঞ্জু অভিশাপটি শুধু আমার টেকাই মারল না, পার্টিকেও ভাংগিয়া বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি নামে আরেক পার্টি খুলিল। আমার ডান হাত আনোয়ার হোসেন মঞ্জু পুনরায় আমার দলকে ভাংগিয়া জাতীয় পার্টি মঞ্জু খুলিল। আর আজ এই সালা ঘোচু কাজী জাফর পুনরায় আমার দল ভাংগিয়া নতুন জাতীয় পার্টি খুলার মতলবে বেস্ত।

হুহু করে কেদে উঠে পল্লীবন্ধু বলেন, আমার জাতীয় পার্টিকে ঘোচুর দল লুটেপুটে খেল। প্রথমে খেল নাজিউর রহমান মঞ্জু, তারপর খেল আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, আর আজ খেল কাজী জাফর বাঞ্চু। আমি উহাদের সকলের নামে কপিরাইট আইনে মামলা দিব।

বিজয় টেবলেটের প্রনেতা ও বাংলার তথ্য প্রযুক্তির দিকপাল বাংলার ষ্টীভ জবস মোস্তফা জব্বার সংবাদ সম্মেলনে টেলি কনফারেনসিং করে যোগ দিয়ে বলেন, পল্লীবন্ধুর যে কুন বিপদে আমি সহযোগীতার হাত বাড়াইয়া দিব।

%d bloggers like this: