উভয় পক্ষকেই সন্ত্রাস পরিহার করতে হবে

নিজস্ব মতিবেদক

চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উভয় পক্ষকেই সন্ত্রাস পরিহার করার আহোভান জানিয়েছেন দেশের বাবুনাগরিক বৃন্দ।

আজ দেশের প্রভাবশালী এলাকা কারওয়ানবাজারে আয়জিত একটি গুলটেবিল বৈঠকে এ আহোভান জানান বিশিষ্ঠ বাবুনাগরিক গন।

আলচনায় উপমহাদেশের প্রখ্যেত ইতিহাসবীদ, কলামিষ্ট ও গান্ধীবাদী আন্দলনের প্রবাদ পুরুষ বাংলার গান্ধী সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, গান্ধীবাদে ককটেলের কুন স্থান নাই। অহিংসা পরম ধর্ম। বিশেষ করে পুলিশে জন্য অহিংসা ফরজ।

অবিলম্বে আইন করে পুলিশের ধর্ম অহিংসা করার আহোভান জানিয়ে মকসুদ বলেন, দুর্বৃত্তরা ককটেল মারবে, চাপাতি দিয়া কুপাবে, গুলি করবে। কিন্তু পুলিশকে হতে হবে শান্ত, ভদ্র, সজ্জন। মোঘল আমলের পুলিশ ছিল হঠকারী। বৃটিশ আমলের পুলিশ ছিল অত্যাচারী। পাকিস্তান আমলের পুলিশ ছিল হত্যাকারী। আজ আমরা স্বাধীন বাংলাদেশের বাবুনাগরিক। তাই আমাদের পুলিশকে হতে হবে অহিংস। বন্দুকের বদলে তাদের হাতে রং ভর্তি পিচকারী তুলিয়া দেওয়া হক। এক গালে চাপাতির কুপ খাইলে তাদের অন্য গাল ফিরাইয়া দিতে হবে। ককটেলের আগুনে পুড়িয়া পুষ্পের হাসি হাসতে হবে।

কারওয়ানবাজারের সর্দার ও ১১০% অরাজনৈতিক সংগঠন ‘হেফাজতে মাহমুদুর’-এর প্রতিষ্ঠাতা আমীর মতিচুর রহমান আজমী বলেন, পৃথীবির আর কুন দেশে পুলিশের হাতে অস্ত্র থাকে না। দুয়েকটি দেশে অস্ত্র থাকলেও উহারা সেই অস্ত্র দিয়া কাক, চিল, শকুন প্রভৃতি ক্ষতিকারী পাখী নিধন করিয়া জনগনের সেবা করে। বাকশালী শাসনাধীন বাংলাদেশেই একমাত্র পুলিশের গুলিতে দুর্বৃত্ত হতাহত হয়।

সবাইকে বাংলা ভাষার সঠিক বেবহারের আহোভান জানিয়ে মতিচুর বলেন, যখন বাকশালের হাতে বিশ্বজিত মরবে, তখন আমরা বলব বাকশালের তান্ডব। যখন বৃহত্তর জামায়াতের হাতে শিশু মরবে, তখন আমরা বলব দুর্বৃত্তের তান্ডব।


পাপী লালমিয়া

সাম্প্রতিক পরিস্থিতি বিশিষ্ঠ দার্শনিক, কবি ও হেকিমী চিকিতসক ও দেশী বেগুন আন্দলনের পথিকৃত ফরিদাবন্ধু ফরহাদ মজহার লুংগি তুলে ধরে বলেন, ককটেলকে বল ভাবিয়া লাড়াচাড়া করতে গিয়া শিশু লালমিয়া (৯) আহত হয়েছে। এখানে দেখতে হবে, সন্ত্রাস আসলে কে করছে? আমি ত বলব লালমিয়াই এখানে দুষী। আমি বহুবার বহু শিশুর পিতাকে মুঠোফুন মারিয়া বলছি, তুমার বাচ্চাই সন্ত্রাসী। এখানে সন্ত্রাস আগে শুরু করেছে লালমিয়া। তার হাতে ককটেল ফুটা ত অল্পই হয়েছে। আমি ত বলি আরও বেশী হওয়া উচিত ছিল। তার হাতে আর্জেস গ্রেনেড ফুটা উচিত ছিল।

মিথ্যা গুজব রটিয়ে সাম্প্রদায়িক দাংগা সৃস্টির দায়ে আটক মাহমুদুর রহমানের সমর্থনে লালমিয়া কিছু বলেনি জানিয়ে ফরহাদ মজহার লুংগি বলেন, লালমিয়ার হাতে ককটেল ফুটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। পৃথীবিতে যুগে যুগে এরকম ঘটেছে, এর পক্ষে জনমতও গড়ে উঠেছে।

নিজেকে গনতন্ত্র ও পরমতসহিষ্ণুতার একনিষ্ঠ সমর্থক ঘোষনা করে লুংগি বলেন, পুলিশ ও লালমিয়া, উভয় পক্ষকেই সন্ত্রাস পরিহার করতে হবে।

4 Comments to “উভয় পক্ষকেই সন্ত্রাস পরিহার করতে হবে”

  1. কুন কাগু কয়েছে, “পৃথীবির আর কুন দেশে পুলিশের হাতে অস্ত্র থাকে না।” কাগুরে আমি বেরাজিল যাওয়ার আহোভান জানাই, হেইখানে পুলিশ কাগুরা আবুল কাশেম ৪৭ নিয়া টোকাই মারে।

  2. এপিক। পুরাই তুফান-পোস্ট। সাবাস মতি-কাকু। ফাটায়া দিসেন!

  3. বাবুনাগরিক বৃন্দের পুটকিতে বিটি বেগুন ভরে দেয়া হোক।হালার দালালেরা ।প্যাচাল পাইরা পাইরা চ্যানেলের টেকা খায় খালি।

  4. যখন বাকশালের হাতে বিশ্বজিত মরবে, তখন আমরা বলব বাকশালের তান্ডব। যখন বৃহত্তর জামায়াতের হাতে শিশু মরবে, তখন আমরা বলব দুর্বৃত্তের তান্ডব।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: