Archive for November 12th, 2013

November 12, 2013

‘চলচিত্রের ইউনূস’ খেতাবে ভুষিত হলেন সানি লিওনি

বিনদন মতিবেদক

মালয়েশিয়ার প্রধান মন্ত্রী নাজেব রাজ্জাক কতৃক সদ্য গঠিত রাজনৈতিক দল বাবুনাগরিক শক্তির প্রতিষ্ঠাতা আমীর, বাংলাদেশের একমাত্র নোবেল বিজয়ী অর্থনীতীবীদ ও গ্রামীন বেংকের বিতাড়িত মালিক কায়েদে নোবেল ড. মুহম্মদ ইউনূস বাবুনগরীর ‘অর্থনীতীর সানি লিওনি’ খেতাব লাভের দুই দিনের মাথায় হলিউড কতৃক ‘চলচিত্রের ইউনূস’ খেতাবে ভুষিত হলেন পৃথীবির সর্বাপেক্ষা বিখ্যেত ও হট অভিনেত্রী সানি লিওনি।

সোমবার হলিউডে এক বর্নাঢ্য অনুষ্ঠানে সানি লিওনিকে এ খেতাবে ভুষিত করে হলিউড কতৃপক্ষ।

‘টিনা এন্ড লল’ চলচিত্রে অভিনয় করতে গিয়ে অংগ প্রত্যংগে ষ্টান্টমেনের গুতু খেয়ে মৃদু আহত হন সানি লিওনি। কিন্তু হাসপাতালের বেডে শুয়েই তিনি মুঠোফোনে এই সুসংবাদ পান। হলিউডের সাধারন সম্পাদক টম ক্রুজ এক খুদে বার্তায় তাকে জানান, কংগ্রেচুলেশন। তুমি ‘চলচিত্রের ইউনূস’ খেতাবে ভুষিত হয়েছে। জলদি হলিউড আস। চুমা।


পুরস্কার হাতে ‘চলচিত্রের ইউনূস’

হলিউডে অনুষ্ঠানে পুরস্কার হাতে নিয়ে আবেগে কেদে ফেলেন সানি লিওনি।

সানি লিওনির হাতে পুরস্কার তুলে দিয়ে হলিউডের সভাপতি জর্জ ক্লুনি বলেন, সানি লিওনিকে ‘চলচিত্রের ইউনূস’ খেতাবে ভুষিত করতে পেরে আমি গর্ভ অনুভব করছি।

আবেগঘন বক্তিতায় জর্জ ক্লুনি বলেন, কায়েদে নোবেল ড. ইউনূস বাবুনগরী যেমন অর্থনীতী ও রাজনীতীর ময়দানে ড্রামা, উত্তেজনা ও শান্তিকে এক সুতায় গেথেছেন, তেমনি চলচিত্রের ময়দানে সানিও উত্তেজনা ও শান্তিকে এক সুতায় গেথেছে। ইউনূস লক্ষ লক্ষ গরিবের হাতে ধন তুলে দিয়েছেন। একই কাম সানিও করেছেন। ইউনূসের কারনে উত্তেজনা পুর্ন বাংলাদেশে নেমে এসেছে শান্তির ফোটা। সানি লিওনির কারনেও অনুরুপ ঘটেছে। ইউনূসকে নিয়ে কারওয়ানবাজারের সর্দার মতিচুর রহমান আজমী উত্তেজিত না হলে শান্তি পায় না। সানির ক্ষেত্রেও তেমনটি বলা যায়। পৃথীবির ছেলে বুড়ু সকলেই ইউনূসকে চিনে, তার কাছে দুদন্ড শান্তি খুজে। তেমনি তারা সানিকেও চিনে, তবে তার কাছে শান্তি খুজে এক দন্ডে। অসহায় গরিব দুখী ক্ষুদা পেটে আধ ঘুমে সপ্নে দেখে, ইউনূস তাদের অভয় দিয়ে বলতেছেন, আই এম কামিং মাই চাইল্ড। একই ভাবে তারা সানিকেও সপ্নে বলতে দেখে, আই এম কামিং বেবি। তাই সানিকে ‘চলচিত্রের ইউনূস’ খেতাবে ভুষিত না করলেই অন্যায় হবে।

পুরস্কার হাতে কাদতে কাদতে সানি লিওনি বলেন, সালাম নমস্তে।

November 12, 2013

সকল পানি কাদের চুরায় নষ্ট করল: শফিক

নিজস্ব মতিবেদক

ঘেঁটুনাগরিক শক্তির আমীর রংগবীর কাদের সিদ্দিকী ওরফে ঘেঁটুপুত্র কাদেরার বিরুদ্ধে পানি নস্ট করার অভিযোগ এনে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার মহিলা আমীর ও জাতীয়তাবাদী শক্তির মালিক আপোষহীন দেশনেত্রী মাদারে গনতন্ত্র বেগম খালেদা জিয়ার বক্তৃতা লেখক কুতুবে আমীর আল্লামা শফিক রেহমান বলেছেন, সকল পানি শেষ করিল দুস্টু কাদের চুরা।

সোমবার রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে শফিক রেহমান এ অভিযোগ করেন।

একটি লাল গোলাপ হাতে মেজেন্টা শার্ট ও হলুদ টাই পরিহিত শফিক রেহমান সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে বলেন, আপনারা জানেন, দেশ আজ বিপন্ন। এখন মইন মিলার বাসায় রাত্র কালে ফুন করার সাহস পায় না, কারন সকল ফুনকল বাকশালী সরকারের ফেসিবাদী গোয়েন্দারা রেকড করে। ফুনালাপে কুন রসের কথা পাইলেই উহারা উইকিলিকসের সাহায্যে তাহা ফাস করিয়া দেয়। তাছাড়া আমাদের আপোষহীন দেশনেত্রী মাদারে গনতন্ত্র মেডামকেও বাকশাল গৃহবন্দী করেছে।

আবেগঘন কণ্ঠে শফিক বলেন, শুদু যদি গৃহবন্দী করত, তাহইলেও চলত। বাকশালের বাচ্চারা মেডামের বাড়ির পানির লাইনও বন্দ করিয়া দিল।

এক পর্যায়ে কেদে ফেলে শফিক রেহমান বলেন, এই কথা শুনার পর হইতেই বিএনপি শাখার নেতা কর্মীরা সকলে মেডামের সহিত সাক্ষাত করিতে আসেন। তাদের সবার সংগে একটি করিয়া মামের ছুট বুতলে পানি ছিল। বিএনপি শাখার ঢাবি উপশাখার আমীর আফম ইউছুফ হায়দার ঢাবি শাখার সকল বিএনপি পন্থী শিক্ষকের পক্ষ হতে ১০ বুতল পানি আনেন। উকিল উপশাখার খন্দকার মাহবুব আনেন ১৫টি বুতল। এইভাবে অগনিত নেতা কর্মী বুতলে বুতলে সর্বমুট ১০০ বুতল পানি মেডামের কর কমলে সমর্পন করেন। মেডামের খাদেমে আমীর শিমুল বিশ্বাসকে পুলিশ আটক করায় আফম ইউছুফ হায়দার বুতলগুনো হতে পানি একটি বড় বালতিতে সংগ্রহ করেন, যাতে মাদারে গনতন্ত্র পানির অভাবে সংকটে না পড়েন।


মহিলা আমীরের বাসভবনে গুছল পাপী কাদের ও মান্নান

অশ্রু মুছে কুতুবে আমীর বলেন, লেকিন! মেন প্রপজেজ, গড ডিজপজেজ। আমরা সকলে মিলিয়া যখন তিলে তিলে ১০০ বুতল পানি সংগ্রহ করলাম, তখন কুথা হতে মেডামের সংগে সাক্ষাতে হাজির হল রংগবীর ঘেঁটুপুত্র কাদেরা ও মেডামের আমলে মাইর খাওয়া মেজর মন্নান। আমি তখন একটি গোলাপ পুস্প সম্বল করিয়া মেডামের চরন কমলে নিবেদনে বেস্ত। কাদেরা ও মন্নান আসিয়াই কুন কথা না বলিয়া, কুন কথা না শুনিয়া চলিয়া গেল বাথরুমে। গিয়া তারা ঝপাং ঝপাং করিয়া তিলে তিলে সঞ্চিত সেই ১০০ বুতল পানি দিয়া গুছল করিয়া ফেলল।

হাউ মাউ কেদে শফিক রেহমান বলেন, কাদেরার বাচ্চা সর্বদা কেন একটি গামছা গলায় বিচরন করে, আজ আমি তাহা চাক্ষুস বুঝিলাম। অপ্রয়জনীয় গুছল সারিয়া সে গামছা দিয়া নিজের গা মুছিল, মন্নানের গাও মুছাইয়া দিল। তারপর উহারা পাঞ্জাবী পয়জামা সুটকুট পুনরায় পরিধান করিয়া মেডামকে বলিল, আচ্ছালামু আলাইকুম। কুন অসুবিধা হইলে জাষ্ট আমাদিগকে জানাইবেন।

কাদতে কাদতে হিক্কা তুলে শফিক বলেন, কাদের তুমি কাদের লোক?

%d bloggers like this: