Archive for November 29th, 2013

November 29, 2013

‘তীব্র’ কর্মসুচীতে বাধা, সরকারের প্রতি রিজভীর ক্ষোভ

নিজস্ব মতিবেদক

বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর আসন্ন ‘তীব্র’ কর্মসুচীতে বাধা দেওয়ার কারনে বাকশালের ফেসিবাদী সরকারের প্রতি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার নায়েবে দফতর ও বাকশালের মহিলা আমীরের উপদেস্টা গওহর রিজভীর সহোদর আল্লামা রুহুল কবীর রিজভী।

শুক্রবার সন্ধায় আয়জিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ক্ষোভ প্রকাশ করেন আল্লামা রিজভী।

রিজভী বলেন, গতকাল জাতির কাছে ওয়াদা করেছিলাম, আন্দুলন আরও তীব্র হবে। কর্মসুচী আরও বেগবান হবে। কিন্তু বাকশালী সরকার একটি অভিশাপ। আমাদের ‘তীব্র’ কর্মসুচীর পুটুতে উহারা শুদু অংগুলি ঢুকায়।

আবেগঘন কণ্ঠে রিজভী বলেন, আইএসআইয়ের আবুধাবী শাখার আমীর বিগ্রেডিয়ার জেনারেল হাসনাত বার্কি আমায় মুঠোফুন মেরে বলেছিল, রুহুল ভাই, হাম রুপেয়া ভেজ দেংগে। সোচনা মৎ। আমি তাই দুটি দিন টয়লেটের পর সোচা বন্দ করে বসেছিলাম। কিন্তু বৃহস্পতিবার ভোরে কুটি কুটি রুপিসহ এক পাকিস্তানী নাগরিককে বাকশালী সরকারের তাবেদার বিমানবন্দর শুল্ক বিভাগ আটক করে।

হুহু করে কেদে উঠে রিজভী বলেন, আটক পাকিস্তানী ভাইটির নাম মো. ইমতিয়াজ। সে গতকাল ভুর বেলা সাড়ে চারটার দিকে ইত্তেহাদ এয়ারলাইনসের একটি উড়োজাহাজে করে আবুধাবি থেকে ঢাকায় আসে একটু পর্যটন সুখের জন্য। অতছ বাকশাল উহাকে আটক করিয়া মামলায় ফাসাইয়া দিল। আমাদের তীব্র কর্মসুচীর টেকাটুকাও সব জব্দ হইল। এখন কচি কচি বাচ্চাগুলিরে ককটেল আর পেট্রলের দাম বাবদ কুথা হতে টেকা দিব? বাকশাল ইহাদের রিজিক পন্ড করিল।


ন নিউজ ইজ গুড নিউজ

পাঞ্জাবীর হাতায় অশ্রু মুছে রুহুল কবীর রিজভী বলেন, শুনলাম জনগন রাস্তায় নামিয়া প্রতিরুধ শুরু করছে। তাই বিএনপি শাখার নয়া পল্টন কার্যালয়ে কেচি গেটের উপর সাটার লাগাইছি। জনগন কুন কারনে যদি নয়া পল্টনে আসিয়া প্রতিরুধ শুরু করে, কেচি গেটে কুলাইবে না। দিনকাল ভাল নহে। পেপারে পড়লাম দেশের অবস্থা খারাপ। সাবধানের মাইর নাই, তাই কেচি গেটের উপরে সাটার লাগাই।

কাদতে কাদতে রিজভী বলেন, এই কেচি গেটের টেকাও ইমতিয়াজের পকেট হতেই চুকানর কথা ছিল। এখন হয়ত এ টেকা আমার পকেট হতেই যাবে। রাজনীতী করিয়া পথের ফকির হয়ে গেলাম।

এ বেপারে বাকশালের উপদেস্টা ও রুহুল কবীর রিজভীর বড় ভাই গওহর রিজভীর সংগে যোগাযোগ করা হলে তিনি মতিবেদককে মুঠোফোনে বলেন, রুহুল হারামজাদা মাসের পর মাস ধরিয়া বিএনপি কার্যালয়ে পড়িয়া আছে। বাড়ি ফিরার নাম গন্দ নাই। এদিকে তার বউ আমায় ফুন দিয়া বলে, ভাইজান আপনি উহাকে বুঝান। সে বাড়ি ফিরে না কেন? হুয়াটস দি প্রবলেম?

রাগারাগি করে গওহর রিজভী বলেন, আমার ত সন্দেহ সে গুপনে প্রেম করতেছে।

কার সংগে প্রেম করছেন, এ প্রশ্নের সরাসরি উত্তর না দিয়ে গওহর রিজভী বলেন, রুহুল ও পাপিয়া পাণ্ডে উভয়েই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে একত্রে লেখাপড়া করত।

November 29, 2013

বিপ্লব চাহিয়া লজ্জা দিবেন না: সেলিম

নিজস্ব মতিবেদক

কমিউনিষ্ট পার্টি অফ বাংলাদেশ ওরফে সিপিবির আমীর মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেছেন, বিপ্লব চাহিয়া লজ্জা দিবেন না।

বৃহষ্পতিবার রাজধানীর পুরানা পল্টনে সিপিবির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সিপিবি ও বাসদ আয়জিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন সিপিবির আমীর।

সংবাদ সম্মেলনে বাসদের আমীর খালেকুজ্জামানকে চুপ করতে বলে মাইক নিয়ে আমীরে সিপিবি বলেন, ছুটকাল হতে শুনে এসেছি বিপ্লব বিপ্লব। ইনকিলাব জিন্দাবাদ স্লোগান দিয়া দিয়া গলা ভাংছি। কিন্তু এই বৃদ্ধ বয়সে আসিয়া আর বিপ্লব টিপ্লব ভাল লাগে না। এখন সংঘাত নয়, সমঝতার সময়। বিপ্লব করতে গিয়া যদি মাইর খাই?

আবেগঘন কণ্ঠে সেলিম বলেন, বাকশালের হাভাতি গুন্ডারা সামনে এক তরফা নির্বাচন করিয়া পুনরায় গদি হাছিলের মতলব করতেছে। এই বাকশাল আমাদের রাজনীতী পুরাটাই হাইজেক করিয়া লইছে। তাই শত্রুর তালিকায়, বুর্জুয়ার লিষ্টে বাকশালরেই এক নম্বরে দাগাইলাম।

বৃহত্তর জামায়াতের বিএনপি শাখাকে শুধরানর পরামর্শ দিয়ে সেলিম বলেন, বিএনপি দুস্টু হয়ে গেছে। উহাদের বকে দিব।


কল রেডী

বাসদের আমীর খালেকুজ্জামান পুনরায় বক্তিতা দিতে গেলে তাকে ধমক দিয়ে সেলিম বলেন, আরে খাড়া না বানচুদ। কথার মাঝে মাইক টানস কিয়ারে?

এক গ্লাশ পানি পান করে সেলিম বলেন, বাকশাল ঢোল ও নারী, এই তিনরে দিতে হয় বাড়ি। বাকশালরে বাইড়ানর জন্য বৃহত্তর জামায়াত একটি আদর্শ প্লেটফর্ম। আমরা অনেক চেস্টা করিয়াও যা পারি নাই, উহারা তা পারিতেছে। তাই আমরা উহাদের উসকানি ও আসকারা দিয়া যাব। এইসব এক তরফা নির্বাচনে গিয়া বিএনপি শাখাকে আপাতত বিপদে ফেলার কুন ইচ্ছা আমাদিগের নাই। যদি তারা নির্বাচনে আসে, তবে আমরাও যাব। আর উহারা না আসলে আমরা যাব না।

বিএনপি শাখার মহিলা আমীর বেগম খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ করে সেলিম বলেন, আগে সভিয়েত ইউনিয়ন ছিল, আমরা ছিলাম সেই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারমেন। এখন সভিয়েত নাই, টেকাটুকাও নাই। সব টেকাটুকা এখন বৃহত্তর জামায়াতের হাতে। ধর্মের কল বাতাসে লড়ে, কিন্তু সমাজতন্ত্রের কল এত হালকা নহে। সমাজতন্ত্রের কল লাড়াইতে লাগে টেকাটুকা। আমি আপনাকে শুধু বলতে চাই, কল রেডী। এখন শুধু লাড়ার অপেক্ষায় আছি। নয়া পল্টন হতে পুরানা পল্টন খুব বেশী দুরে নয়। লাইনে আসুন।

বৃহত্তর জামায়াতকে পচা বলে অভিহিত করে সেলিম বলেন, উহারা পচা। আপনারা উহাদের সংগ বাদ দিয়া আমাদের সংগে আসুন। সিপিবি ও বিএনপি একই বৃন্তে দুটি ফুল।

রাজনীতীর মাঠে নতুন করে খেলার জন্য জার্সী বদলের প্রয়জনীয়তা উল্লেখ করে সেলিম বলেন, এখন আমীর হয়া গেছি, তাই চাইলেও দল পাল্টাইতে পারব না। তাই নাম পাল্টাইলাম।

সলজ্জ হেসে সেলিম বলেন, এট ফাষ্ট ভাবছিলাম নাম পাল্টাইয়া ভ্লাদিমির ইলিচ সেলিম রাখব। কিন্তু পরে চিন্তা ভাবনা করে নিজের নাম আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম রাখলাম।

এ সময় সিপিবির উপদেস্টা ও বিএনপির ঘনিষ্ট বন্ধু মনজুরুল আহসান খান বলেন, আমিও আমার নাম পাল্টাইয়া মনজুরুল আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ রাখছি।

%d bloggers like this: