খাল কাটতে হাত খাউজায়: খালেক

নিজস্ব মতিবেদক

অবিলম্বে কোন বলিষ্ঠ জেনারেলের হাতে ক্ষমতা ছেড়ে দিয়ে পদত্যেগের জন্য বাকশালের ফেসিবাদী মহিলা আমীর শেখ হাসিনার প্রতি হুশিয়ারী বেক্ত করেছেন বাসদের আমীর কমরেড আল্লামা খালেকুজ্জামান।

শাহবাগে ‘সহিংসতা প্রতিরোধ জনতার’ বেনারে বক্তব্য দানকালে কমরেড আল্লামা খালেক এ কথা বলেন।

খালেক বলেন, বিএনপি শাখা বাকশালের ফেসিবাদী ফান্দে পাড়া দিয়া জনগনের গায়ে আগুন দিতেছে। এইসব খুব খারাপ। ছি। আমি খালেদাকে বকে দিব।


খালকাটা খালেক

আবেগঘন কণ্ঠে কমরেড আল্লামা খালেক বলেন, দুই কুকুরের লড়াইয়ের মাঝখানে পড়িয়া জনগনের হালুয়া টাইট। তারা এখন সিপিবি-বাসদের শাসন চায়। একমাত্র সিপিবি আর বাসদই পারে জনগনকে আরাম দিতে।

নিপীড়িত মানুষের নেতা খালেক বলেন, শেখের বেটীর পিতাকে কতল করার পর একাত্তরের রেম্ব জেনারেল জিয়াকে যেমন অকুণ্ঠ চিত্তে সমর্থন দিয়াছিলাম, তেমনি কুন বলিষ্ঠ জেনারেল যদি এখন ক্ষমতা দখল করে, তবে তার পিছে কাতার বান্ধিয়া খাড়াব।

নতুন করে খাল কাটা কর্মসুচী চালুর জন্য ভবিষ্যতের জেনারেলদের আহোভান জানিয়ে খালেক বলেন, জিয়ার সংগে খাল কাটা কর্মসুচীতে বাইর হইয়া অসংখ্য খাল কাটার রেকড আমার আছে। আপনারা যদি ডাক দেন, বাসদের শত শত কমরেড কোদাল হাতে উপস্থিত হব।

বৃহত্তর জামায়াতের প্রতি অভিমান প্রকাশ করে খালেক বলেন, উহাদের উতপাতে বিএনপি শাখার সংগে বাসদের ঠিকমত ভালবাসা হল না। পাষান কতগুলি।

6 Comments to “খাল কাটতে হাত খাউজায়: খালেক”

  1. নিজের গুয়া চুলকায়া খাল বানাও

  2. প্রগতিশীলতার ধ্বজাধারী এই বামপন্থীগুলার মাজাভাঙা রাজনীতির কারণেই বাংলাদেশে ধর্মীয় মৌলবাদের উত্থান ঘটলো।

  3. আবেগ ঘন পাছায় আমি হেগে দিলাম খালে…
    ধুয়ে নিলাম গু যা লেগেছিলো বালে… :v

  4. খালেক তো ৭১ সালে ছাত্র লীগ করতেন।৭২ সালে জাসদ পরে বাসদ ।দেশে খালেকরা কয়টা জংগী উতপাদন কেন্দ্র(কওমী মাদ্রাসা) প্রতিস্টিত করেছেন ?বিএনপি র চাইতে শেখ হাসিনা ই তো বেশি মাদ্রাসা অনুমোদন করেছেন।বাংলাদেশে ধর্মীয় মৌলবাদের উত্থান ঘটার জন্য বাম্পন্থীরা যেমন দায়ী আওমীলীগ এর চাইতে কম নয় বেশি দায়ি,তারা ক্ষমতায় এসেছে একাদিকবার।ওলামালীগ,বিভিন্ন পীর(সরশিনা পীর মুক্তিযুদ্ধের সময় বিরোধীতাকারি শক্কতি এরা এখন আওমীপন্থী রাজনীতি করে।)

  5. উনারা ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ-এর মুক্তিযুদ্ধকে-ও তো দুই কুকুরের লড়াই বলতেন। বাংলাদেশে রাজনীতিতে আর গন মানুষের কাছে উনাদের অবস্থান-টা যে কি, সেটা যদি কখনো একটু বুঝতেন বা চিন্তা করতেন।

  6. উনি কোনকালেই লীগ করেননি। বামপন্থী সঙ্গঠন করতেন। চট্টগ্রামে ট্রেড ইউনিয়ন আন্দোলন করতে গিয়ে রাজনীতিতে যুক্ত হন। এরপর মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিয়ে চাঁদপুর অঞ্চলের মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ছিলেন। দুই কুকুরের লড়াই বলার প্রশ্নই ওঠে না। বাংলাদেশের গুটি কয়েক বামনেতা বাদে সিংহ ভাগ নেতৃবৃন্দ মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছেন। খাল কাটা কর্মসূচিতেও সমর্থন দেয়ার প্রশ্নই ওঠে না। তখন তিনি জেলে। কোনদিন জিয়ার শাসনকে বৈধতা দেয় এমন কর্মসূচি, বক্তব্য বাসদ দেয়নি। বরং আওয়ামীলীগের সাথে ১৫ দলীয় জোটের অন্যতম দল বাসদ এরশাদের শহীদ মিনারে ফুল না দেয়ার সিদ্ধান্তের বিরোধীতা করে যেই আন্দোলনের সূচনা হয় তার অন্যতম উদ্যোক্তা। ‘৮৬ সালের প্রহসনের নির্বাচনে যোগ দেয়ার সিদ্ধান্তের বিরোধীতা করে ১৫ দল থেকে বেড়িয়ে আসে বাসদ। এরপর দুই বড় দল আর জোটের বাইরে থেকেই বাম-বিকল্প গড়ে তোলার চেষ্টা করে যাচ্ছে। একইভাবে ‘৯৬এর ১৫ ফেব্রুয়ারির প্রহসণের নির্বাচনও বাসদ বয়কট করেছিল।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: