Archive for January, 2014

January 31, 2014

নিজামীকে বাবরের অভিশাপ

নিজস্ব মতিবেদক

প্রতারনা করে দশ ট্রাক অস্ত্র পাচারের মামলায় জড়ানর জন্য বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর খানকির পোলায়ে আমীর মতিউর রহমান নিজামীকে অভিশাপ দিয়েছেন বৃহত্তর জামায়াতের বিএনপি শাখার সাবেক স্বরাস্ট্র মন্ত্রী ও হাওয়া ভবনের নায়েবে আমীর আল্লামা লুতফুজ্জামান বাবর।

বৃহস্পতিবার ফাঁসির আদেশ পাওয়ার পর আদালতের কাঠগড়ায় দাড়িয়ে নিজামীকে একের পর এক অভিশাপ দেন বাবর।

এ সময় বাবর উপস্থিত সাংবাদিকদের দৃস্টি আকর্ষন করে তাকে দশ ট্রাক অস্ত্র হতে একটি বোমা এনে দেওয়ার জন্য অনুরধ করেন।

লুতফুজ্জামান বাবর বলেন, এই নিজামী একটি অভিশাপ। তার সংগে একত্রে কারাগারে বসবাস করিয়া আমার জান লবেজান। আমি তাকে অভিশাপ দিচ্ছি, তার দাড়ি একটি একটি করে জাহান্নামের আগুনে পুড়বে।


নিজামীর পুটুতে বোমা ঢুকাতে চান বাবর

নিজামী কি করেছেন জানতে চাইলে বাবর বলেন, সকালে আদালতে আসার জন্য সবাই তৈয়ার হইতেছি, এমন সময় নিজামী খানকির পুলা আসিয়া বলে কি, বাবর তুমার পাইজামাটি অতি সুন্দর। ইহা আমি লইলাম। আমি তাকে এত করিয়া বললাম যে ইহা আমার আড়ঙ্গের পাইজামা, রায় ঘোষনার দিন পরার জন্য আলাদা করিয়া রাখছি, কিন্তু সে শুনল না। আমার বার হাজার টেকা দামের পাইজামাটি সে জবরদস্তি পরিধান করিয়া প্রিজন ভেনে উঠিয়া বসল।

আবেগঘন কণ্ঠে বাবর বলেন, রায় ঘোষনার আগে যখন আমি তসবি গনতেছিলাম, তখন নিজামী হারামজাদাটি বার বার আমার গননায় বেঘাত দিয়া খালি চকলেট চাইতেছিল। আমি তারে এত করিয়া বললাম যে একটু পরে রায় দিবে, এখন তসবি গনায় দিষ্টাপ দিয়েন না, কিন্তু সে কথা শুনে না। অতপর তাকে একটি আলপেনলিবে উপহার দিয়া চুপ করাইলাম। তসবির দশটি বিচি গনিতে না গনিতেই সে কচমচ করিয়া আলপেনলিবেটি ভক্ষন করিয়া বলে, খুব মজা। আরেকটি দেও। আমি তখন রাগ করিয়া বললাম, খানকির পুলা আমি কি আলপেনলিবের দুকান দিছি? তখন আদালত আমাদিগের ফাসির হুকুম দিয়া দিল।

হুহু করে কেদে উঠে বাবর বলেন, ফাসির রায় শুনিয়া যখন আমরা প্রতিবাদ করতে উঠলাম, তখন নিজামী ঘোচুটি আমার আড়ঙ্গের পাইজামাটি দিল নস্ট করিয়া। সে একটি অভিশাপ।

অশ্রু মুছে বাবর বলেন, গত চারটি বতসর ধরিয়া নিজামীর বাচ্চা আমায় দিষ্টাপ দিতেছে। যখনই তাকে ঢাকা হতে চট্টগ্রামে আনা হয়, সে আসিয়া আমায় বলে, দাড়িতে ইস্পাইক দিতে চাই, কি করতে হবে? আরে সালা ঘোচু, আমি কি তর বিউটি পালার? এই কথা বলায় সে চোখ রাংগাইয়া আমায় বলে কি, বাবর বাবর বাবর, পুটুতে খাবি থাবড়।

নষ্টালজিকতায় আচ্ছন্ন হয়ে লুতফুজ্জামান বাবর বলেন, যখন মন্ত্রী আছিলাম, সারাটি সময় আমি লুকিং ফর শত্রুজ লইয়া বেস্ত থাকিতাম। কত গুলি চলল, কত বুমা ফুটল, কত লোক মরল। আসল শত্রুটি যে এই নিজামী তাহা বুঝি নাই। বুঝিলে একটি বুমা তার পুটুতে সান্ধাইতাম।

January 30, 2014

ফাঁসির রায় শুনে পাইজামা নস্ট করলেন নিজামী

নিজস্ব মতিবেদক

চাঞ্চল্যকর দশ ট্রাক অস্ত্র মামলায় আদালতের রায়ে ফাঁসির হুকুম শুনে কাঠগড়ায় ততক্ষনাত পাইজামা নস্ট করেন বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর খানকির পোলায়ে আমীর মতিউর রহমান নিজামী।

আজ চট্টগ্রাম আদালতে এ পাইজামা নস্ট করেন তিনি।

নিজামীর নস্ট পাইজামার তীব্র দুর্গন্ধে কাঠগড়ায় দাড়ান আসামী কে এম এনামুল হক অজ্ঞান হয়ে পড়েন। এ সময় সকল আসামী একযোগে কাঠগড়া থেকে নিরাপদ দুরত্বে সরার জন্য হুড়াহুড়ি শুরু করলে আদালতে এক ভীতীকর পরিস্থিতির সৃস্টি হয়।

এক পর্যায়ে পুলিশ ধুপ প্রজ্জ্বলন করে দুর্গন্ধ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। এ সময় নিজামী মিটিমিটি হাসছিলেন।

আসামের সশস্র বিদ্রহী দল উলফার আমীর পরেশ বড়ুয়ার জন্য দুইটি ট্রলারে করে দশ ট্রাক অস্ত্র পাচার করার পরিকল্পনায় জড়িত থাকার অপরাধে আদালত নিজামীকে ফাঁসির আদেশ দেন।


পাইজামা গন্ধ করে উদাস নিজামী

নিজামী পাইজামা নস্ট করে ফেলায় কর্তব্য রত পুলিশরা বেপক ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, বৃহত্তর জামায়াতের খানকির পুলায়ে আমীর পাইজামা নস্ট করে ফেলায় ডিউটি দিতে আমাদের কস্ট হচ্ছে।

পাইজামা নস্ট করে নিজামী কর্তব্যরত চট্টগ্রাম মেট্রপলটন পুলিশের এক সহকারী কমিশনারের কাছে নতুন পাইজামা দাবী করলে পুলিশ তার সংগে তর্কে জড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে ফাঁসির আদেশ পাওয়া বাকি তের জন আসামী নিজামীর সংগে এক প্রিজন ভেনে কারাগারে যেতে অস্বিকৃতি জানিয়ে আদালত প্রাংগনে স্লোগান দিতে থাকেন।

এ সময় নিজামীকে উতফুল্ল দেখা যায়।

January 29, 2014

পেশাদার জোতিষী হিসাবে নতুন জীবন শুরু করবেন ফখা

নিজস্ব মতিবেদক

পেশাদার জোতিষী হিসাবে নতুন জীবন শুরু করার ঘোষনা দিয়েছেন বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার ভাঁড়প্রাপ্ত নায়েবে আমীর ও জাতীয়তাবাদী শক্তির ‘কমপ্লান বয়’ মির্জা বাড়ির গৌরব মির্জা ফখরুল ইসলাম আগুনগীর ওরফে ফখা ইবনে চখা।

আজ নিজ বাসভবনে আয়জিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষনা দেন আগুনগীর।

সংবাদ সম্মেলনে ফখা ইবনে চখা বলেন, বাল্যকাল হতেই হাত দেখার বেপারে আমার আগ্রহ ছিল। পাকিস্তান আমলে দশ টেকা দিয়া গুলিস্তান হতে একটি আতশ কাচ সংগ্রহ করে আমি শখের বশে হাত দেখা শুরু করি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যখন ছাত্র আছিলাম, তখন হলে আমার রুমের বাইরে দর্শনার্থী ছাত্রদের ভিড় লাগিয়া থাকত। কেহ দিত নগদ টেকা, কেহ আনিত কেক বিস্কুট, কেহ বা সিনেমার টিকেট। দিন খারাপ যাইত না।

দির্ঘ শ্বাস ফেলে আগুনগীর বলেন, কিন্তু চিরদিন কাহারও সমান নাহি যায়। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর আমার সুখের দিন ফুরাইল। ফেসিবাদী বংগবন্ধুর আমলে দেশে নেমে আসে অভাব অনটন। হাত দেখার বিলাসিতা করার সুযুগ কাহারও ছিল না। আমার জীবনে নেমে এল দুর্দিনের ঘনঘটা।

হাসতে হাসতে ফখা বলেন, কিন্তু চিরদিন কাহারও সমান নাহি যায়। একদিন একাত্তরের রেম্ব মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান আমায় ডাকিয়া পাঠাইলেন। আমি তার হাত, তার বেগমের হাত, তার উত্তরাধিকারী তারেক জিয়ার হাত ও আরাফাত কোকো নামে বেগম জিয়ার অপর সন্তানের হাত দেখিয়া বললাম, সঠিক কাজটি করিলে আপনারা দেশের রাজা হইবেন। জেনারেল জিয়া আমায় বললেন, সঠিক কাজটি কি? আমি তখন গ্রহ নক্ষত্রের ছক পর্যালচনা করিয়া বললাম, যদি ফেসিবাদী বংগবন্ধুর মৃত্যুর পর একটি নীল কান্তমনি ধারন করেন তাহলে রাজা হইতে পারবেন।


থাকিতে নিজের হস্ত, হব না পরের দারস্থ: ফখা

নষ্টালজিকতায় আচ্ছন্ন মির্জা বাড়ির গৌরব বলেন, আমার জোতিষী বানী অক্ষরে অক্ষরে ফলিয়া গেল। জিয়া পরিবার দেশের রাজা হইল। একবার নহে দুইবার নহে সাড়ে তিনবার। অতছ আমি যে ফখা ছিলাম সে ফখাই রয়ে গেলাম। আমায় ভাঁড়প্রাপ্ত হতে প্রমুশন দিয়া পুর্ন নায়েবে আমীর করা হইতেছে না। মেডামের পায়ে ধরিয়া কতবার কান্দিয়া বললাম প্রমুশন দিতে, তিনি আমায় শুধু বড় গনতন্ত্র তারেক জিয়ার হাইকুট দেখান।

অশ্রু মুছে আগুনগীর বলেন, আর ক্রন্দন নহে। থাকিতে নিজের হস্ত, হব না আর মেডামের দারস্থ। এখন পুরাপুরি পেশাদারী জোতিষ চর্চা শুরু করব। আজহারুল নামে সাতক্ষীরার এক ছাত্রদল নেতা সেদিন মুঠোফুনে ছবি তুলিয়া আমায় তার হস্তরেখা পাঠাইল। আমি বললাম আজহারুল রে তুই ত ক্রসফায়ারে এন্তেকাল করবি। সময় থাকতে চিকিতসা করাইতে লনডন যা। সে আমার কথা হাসিয়া উড়াই দিল। দুইদিন যাইতে না যাইতেই সে ক্রসফায়ারে মরল।

শাহবাগে চেম্বার খুলে এ পেশায় মননিবেশ করার আকাংখা জানিয়ে মির্জা সাহেব বলেন, দিনকাল ভাল নহে। সবাই আসবেন। বৃহত্তর জামায়াতের কেডারদের জন্য হাদিয়া কম রাখব।

January 28, 2014

উপজেলা নির্বাচনে না গেলে গু খাই: সেলিম

নিজস্ব মতিবেদক

আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে অংশ গ্রহনের দৃড় প্রত্যয় বেক্ত করে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার সিপিবি-বাসদ উপশাখার আমীর আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেছেন, জাতীয় নির্বাচনে মেডাম যায় নাই তাই আমরাও যাই নাই। উপজেলা নির্বাচনে মেডাম গেছে তাই আমরাও গেছি। উপজেলা নির্বাচনে না গেলে গু খাই।

জাতীয় নির্বাচনের সংগে উপজেলা নির্বাচনের ‘আকাশ পাতাল ফারাক’ রয়েছে বলে উল্লেখ করে আমীরে সিপিবি বলেন, জাতীয় নির্বাচনে গেলে মেডাম ধরিয়া মাইর দিত। বৃহত্তর জামায়াতের কেডারগন আসিয়া কুপাইত। শুদু শুদু পলিটিকসের কারনে কেন মাইর খাইতে যাব?

উপজেলা নির্বাচনে না গেলে মেডাম ধরে মাইর দিবেন কিনা, এ প্রশ্নের সরাসরি উত্তর না দিয়ে আমীরে সিপিবি বলেন, বুঝেনই ত।


মেডাম যাহা যাহা চলেগা, মেরা সায়া সাথ হগা: সেলিম

উপজেলা নির্বাচনে জয় লাভের দুরাশা না করে বাসদের আমীর কমরেড খালেকুজ্জামান ওরফে খালকাটা খালেক বলেন, বাংলাদেশের কুথাও কুন নির্বাচনে জয় লাভ করার দুরাশা আমরা করি না। নির্বাচন একটি বুর্জোয়া প্রক্রিয়া। আমরা এ দেশে তৃনমুল পর্যায়ে ভেনগার্ড বিক্রয় করে আগে জনগনকে বিপ্লবের মন্ত্র দিক্ষিত করব। তারপর যা হওয়ার হবে। কুন তাড়াহুড়া নাই।

সিপিবি-বাসদ কেন বিএনপি শাখার পিছে পিছে নেড়ি কুকুরের মত ঘুরছে, এ প্রশ্নের উত্তরে রাগ করে খালকাটা খালেক বলেন, দুই কুকুরের লড়াইয়ের মধ্যে আমাদের পৃয় কুকুর বিএনপি। তার পিছে পিছে নেড়ি কুকুর হইয়া না ঘুরলে এনজিওর টেকাটুকা ঠিকমত পাওয়া যাবে?

%d bloggers like this: