গেবরিয়েল গাউছিয়া মার্কেট নাই, আমি ত আছি: আমিষুল

নিজস্ব মতিবেদক

কলমবিয়ার খেতনামা নোবেল বিজয়ী সাহিত্যিক গেবরিয়েল গারছিয়া মারকেজের মৃত্যুতে আনন্দ প্রকাশ করে প্রভাবশালী এলাকা কারওয়ানবাজারের উপসর্দার ও আইভরী কোষ্ট ফিরত উপন্যাসিক আল্লামা আমিষুল হক পুটুনদা বলেছেন, চলার পথের একটি বড় কাটা দুর হল। এইবার নোবেল না দিয়া যাবি কই?

আজ কারওয়ানবাজারে নিজ কার্যালয়ে আয়জিত এক সংবাদ সম্মেলনে পুটুনদা এ আনন্দ প্রকাশ করেন।

আমিষুল বলেন, গেবরিয়েল গাউছিয়া মার্কেট আর নাই। কিন্তু আমি ত আছি। সাহিত্য অনুরাগীদের কুন সমস্যা হইবে না। নিসংগতার একশ বতসরের বদলে তুমরা পড়বে অন্ধকারের একশ বতসর। কর্নেলকে কেউ চিঠি লেখে নার বদলে তুমরা পড়বে প্রতি বৃহস্পতিবারে আমাদিগের বাড়িতে চুর আসে। কলেরার সময়ে প্রেম শুধু আইসিডিডিআরবিতে পাঠ করলেই চলবে। বাকি বাংলাদেশ পড়বে আমার রচিত ফৃডমস মাদার।


গেবরিয়েল আউট, আমিষুল ইন: আমিষুল

আবেগঘন কণ্ঠে আমিষুল হক বলেন, এই গেবরিয়েল গাউছিয়া মার্কেটের উতপাতে এতডি বতসর ঠিক মত সাহিত্য করতে পারি নাই। যেখানেই যাই লোকে শুদু তার নাম বলে। লস এনজেলসে এক বইয়ের দুকানে গেলাম। ভাবলাম তারা আমার ছবি তুলবে। কিন্তু একটি কর্মচারী আসিয়া আমায় কহিল, তুমি কি জান ডুড, এই দুকানে যে গেবরিয়েল গাউছিয়া মার্কেট আসিয়াছিলেন? আমি তাকে বললাম, এই নেও পাছ ডলার। মিস্টি কিংবা মদ, যা মনে চায় খাইও। কিন্তু আর এইভাবে গেবরিয়েল গাউছিয়া মার্কেটের বিজ্ঞাপন দিও না। এখন হতে তুমার অন্যান্য খরিদ্দারদিগকে বলবা যে তুমার দুকানে আমিষুল হক পুটুনদা আসিয়াছিলেন।

হাসতে হাসতে পুটুনদা বলেন, আমার বয়স যখন ১৭ তখন গেবরিয়েলের বাচ্চা নোবেল পাইল। ভাবলাম দুই চার বছর পরেই সে ইন্তেকাল করবে, তারপর আমিই হব বড় সাহিত্যিক। আজ আমার বয়স ৬৩ বতসর। এতগুলি বতসর সে হরলিকস খাইয়া টিকিয়া গেল। আর আমার সাহিত্য করার পথেও বাবলার কাটা বিছাইয়া দিয়া গেল। আল্লাহ পাকের অশেষ মেহেরবানী সে আর নাই।

আনন্দে হুহু করে কেদে উঠে আমিষুল বলেন, হুমায়ুনও নাই গেবরিয়েলও নাই কেমন মজা হবে।

4 Comments to “গেবরিয়েল গাউছিয়া মার্কেট নাই, আমি ত আছি: আমিষুল”

  1. 😀 হাহাহাহা হোহোহো 😀 অসাধারন হয়েছে ছবিটা। আর লেখা তো বরাবরই সুখাদ্য 🙂

  2. বাহ বাহ কি সন্দর না হয়েচে লাখা টা অরে সবাই তালি দাস না কেরে মতি কিন্তু তালি সবাইরে পুটু মারা দিয়ে পুস্টু দেবে । ওয়ার্ডপ্রেস আলা ভাঙ্গারি হলে কি হবে বে সব সর্দারের ভার ছয়াল ওয়ার্ড প্রেস সর্দার মতি সর্দার ।

  3. পুটুনদা রকজ 😀

  4. ছেলেগুলো আমারে পচায়ে লেখে। আমি পড়ি আর হাসতে হাসতে গড়াগড়ি খাই। আমারে পচায়, তা সত্ত্বেও আমি বলব, ওরা খুব ভালো লেখে। তাদের সেন্স অব হিউমারের কোনো তুলনা নাই। আমাদের তরুণ বয়সে আমরাও এইসব করতাম। দেশবন্ধু ও পূর্বাভাস পত্রিকার কাজই ছিল পচানো প্রতিভাবানের পচানিও ভালো, প্রতিভাহীনের স্তাবকতার চেয়ে

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: