Archive for June, 2014

June 25, 2014

পুটুনদা এখন টিকেট মাংগে: লিমা

ব্রাজিল মতিনিধি

দেশের প্রভাবশালী এলাকা কারওয়ানবাজারের উপসর্দার ও আইভরী কোষ্ট ফিরত উপন্যাসিক ‘মার্কেজে কারওয়ানবাজার’ আল্লামা আমিষুল হক পুটুনদার প্রতি বিষোদগাড় করে ব্রাজিলের বিখ্যেত হট মডেল ও ব্রাজিলের পুনম পান্ডে আদৃয়ানা লিমা বলেছেন, পুটুনদা এখন টিকেট মাংগে। এই লোকটির জ্বালায় আমি ব্রাজিলে টিকতে পারতেছি না।

আজ ব্রাজিলের সাউ পাউলুতে আয়জিত এক সংবাদ সম্মেলনে আদৃয়ানা লিমা এ অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিমা বলেন, বাংগালী একটি অদ্ভুদ জাতি। এরা খাইতে দিলে বইতে চায়, বইতে দিলে শুইতে চায়, শুইতে দিলে টিকেট চায়। আমিষুল হক পুটুনদা প্রথমে আমায় আবদার করিয়া বলল, সাউ পাউলু আসিব, তুমার বাসায় থাকিব। আমি তারে কইলাম, ইশশ আল্লা গো, আমি জুয়ান মাইয়া একা বাসায় থাকি, আমনে কেন আমার বাসায় আসিয়া থাকিবেন? জবাবে পুটুনদা আমায় কহিল, বুঝই ত। আমি কইলাম, আমার বাসায় আরজেনটিনার সাপুটারের জায়গা নাই। পুটুনদা তখন আমায় কহিল, তুমার জন্য মরতে পারি ও সুন্দরী তুমি গলার মালা, এই যে দেখ তুমার মতই আমি ব্রাজিলওয়ালা, কন্যা ফিরা চাও। তখন আমি তাকে আমার সাউ পাউলুর বাসার বারান্দায় থাকার বেবস্থা করিয়া দিলাম।


আদৃয়ানা লিমাকে পাঠান পুটুনদার হুমকি বার্তা

আবেগঘন কণ্ঠে লিমা বলেন, এখন পুটুনদা আবদার ধরছে তারে খেলার টিকেটও যোগার করিয়া দিতে হইবে। আমি মডেলিং করিয়া কতই বা টেকাটুকা কামাই করি? আয় রুজগারের অভাবে ঈদের সিজনে ভাল একটি সানি লিওনি লেহেংগা খরিদ করিতে পারি না, গেনজি ও জাংগিয়া পরিধান করিয়া দিন কাটাই। বিশ্বাস না হইলে ইন্টারনেটে গুগল করিয়া দেখুন। আয় রুজগারের সিংহভাগ বেয় করিয়া দুটি টিকেট খরিদ করিয়াছিলাম ফাইনেল খেলা কুন বন্দুর সংগে ষ্টেডিয়ামে গিয়া অবলকন করিব বলিয়া। পুটুনদা এখন আমায় চাপ দিতেছে, সেই দুটি টিকেটের একটি যেন তাহাকে দেই।

কান্নায় ভেংগে পড়ে লিমা বলেন, আমার আশংকা হইতেছে এরপর সে আমার কুন অন্তর্বাস হাইজেক করিয়া পলায়ন করিবে।

এ বেপারে সমাজের গন্যমান্য বিত্তবান বেক্তিদের সাহায্য কামনা করে লিমা বলেন, এই দুস্থ পুটুনদার সাহায্যার্থে এগিয়ে আসুন। পাছ টেকা দশ টেকা যা পারেন দিয়া তাহাকে একটি টিকেট খরিদ করিয়া এই অবলা নারীর বিকিনি রক্ষা করুন।


অবলা নারী লিমা

June 25, 2014

জেলে খাই বেহেস্তি খানা, ট্রাইবুনালে যাওয়া মানা: নিজামী

কারাগার মতিবেদক

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর খানকির পোলায়ে আমীর ও একাত্তরে আল বদরের কমান্ডার মতিউর রহমান নিজামী বলেছেন, জেলে খাই বেহেস্তি খানা, ট্রাইবুনালে তাই যাওয়া মানা।

মংগলবার সন্ধায় কেন্দ্রীয় কারাগারে আয়জিত এক সংবাদ সম্মেলনে আল বদর কমান্ডার নিজামী এ কথা বলেন।

এ সময় তাকে হাস্যজ্জল দেখাচ্ছিল।

সংবাদ সম্মেলনে নিজামী বলেন, আমাদের কারাগারগুলিতে খানাপিনার বেবস্থা মাশাল্লাহ ফাশ কিলাশ। কাশিমপুর কারাগারে সকালের নাশতায় আমায় দেওয়া হত লাল আটার পাঁচটি রুটি, সঙ্গে ডিম ভাজি, আলু ছাড়া সবজি ভাজি, মুরগির মাংস, মিষ্টি, এনসিওর দুধ ও কলা। নাশতা খাইয়া হজম করিয়া সারতারি না, তার আগেই চলিয়া আসিত দুপুরের খাবারের চিকন চালের ভাত, করলা ভাজি, টাকি বা চিংড়ি মাছ ভর্তা, বেগুন ভাজি বা ভর্তা, ছোট মাছ বা চিংড়ি মাছ ভুনা, সালাদ ও লেবু, মাল্টা বা বরই বা নাশপাতি। তারপর পেট ভরিয়া খানাদানার পর দিতাম ঘুম। ঘুম ভাংগিয়া সন্ধ্যার খাবারে খাইতাম লাড্ডু, নিমকি-বিস্কুট ও হরলিকস বা স্যুপ। তারপর কারাগারে কুন কচি মোজাহিদের সংগে নিবিড় বেয়াম করতাম কিছুক্ষন। রাতের খাবারে আসিত চিকন চালের ভাত, করলা ভাজি, বেগুন ভাজি বা ভর্তা, ঢেড়শ বা মিষ্টিকুমড়া বা পেঁপে ভাজি, গরু বা খাসির মাংস ভুনা, সালাদ ও লেবু এবং কমলা, মাল্টা, নাশপাতি, আঙুর বা বরই।

আবেগঘন কণ্ঠে নিজামী বলেন, আমি জানি বেহেস্তে যাওয়ার কুন সুযুগ আমার নাই। আমার বিপদ ফাঁসির পর কবরে আযাব দিয়া শুরু হবে, দোজখের আগুনে জ্বলিয়া পুড়িয়া আখেরাতে গিয়া শেষ হবে। এই সুদির্ঘ জীবনে কারাগারে কাটান বতসরগুলু আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়। এ যেন দুনিয়ার বুকেই এক টুকরু শাদ্দাদের বেহেস্ত। খাওয়া শোওয়ার অপুর্ব বন্দবস্ত।

হাসতে হাসতে নিজামী বলেন, এইরুপ খানাপিনা করলে রক্তচাপ বৃদ্দি পাওয়াই স্বাভাবিক। তাই আজ সকালে ডাক্তারকে ডাকিয়া বললাম, ডাক্তার ডাক্তার শুন না, এত বেশী ভাত খাওয়া ভাল না। ডাক্তার আসিয়া আমায় কিছুক্ষন টিপিয়া টুপিয়া চলিয়া গেল। কারাগারের নায়েবে আমীর ফরমান আলী ছার আসিয়া আমায় বললেন, নিজামী সাব আজকের দিনটা রেষ্টে থাকেন। ট্রাইবুনালে গিয়া কাম নাই।

অশ্রু মুছে নিজামী বলেন, কারাগারের নায়েব ফরমান আলী ছারের মত ভাল বেক্তি ইদানীং আর দেখা যায় না। একাত্তর সালে আরেক ফরমান আলীর আন্ডারে কিছুদিন কাম করার অভিজ্ঞতা হইছিল। সেই ফরমান আলীর পর চারটি দশক কাটিয়া গেল, তারপর পাইলাম এই ফরমান আলীরে। তার নাম শুনিয়াই আমার রক্তচাপ দেড় পেসকেল কমিয়া গিয়াছে।

অচিরেই সুস্থ হয়ে ট্রাইবুনালের রায় শ্রবনের ইচ্ছা বেক্ত করে নিজামী বলেন, শুনিলাম ইসলামী ছাত্র সংস্থার ২৪টি যুবতী ফিপটি শেডস অফ গ্রে সহ ধরা পড়িয়াছে। উহাদের আমার কারাকক্ষে পাঠান হইলে শাদ্দাদের বেহেস্ত দেখা ষুল আনা পুরন হইত।

June 24, 2014

পলাশী দিবস নিয়া হইচই কেন: ফখা

নিজস্ব মতিবেদক

ঐতিহাসিক পলাশী দিবস নিয়ে এক শ্রেনীর মানুষের ‘হইচই’ দেখে বিস্ময় প্রকাশ করে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার ভাঁড়প্রাপ্ত নায়েবে আমীর ও জাতীয়তাবাদী শক্তির ‘কমপ্লান বয়’ মির্জা বাড়ির বড় গৌরব মির্জা ফখরুল ইসলাম আগুনগীর ওরফে ফখা ইবনে চখা বলেছেন, পলাশী দিবস নিয়া এত হইচই কেন?

সোমবার ঐতিহাসিক পলাশী দিবস উপলক্ষে এক ঘরোয়া অনুষ্ঠানে আগুনগীর এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে হইচইকারী এক শ্রেনীর মানুষকে তিরস্কার করে ফখা ইবনে চখা বলেন, পলাশী দিবসে ততকালীন বাকশাল সিরাজুদ্দুলার কাল হাত ভেংগে দিয়ে গুড়িয়ে দিয়ে বাংলার গনতন্ত্র কামী মানুষকে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল। আমার পুর্বপুরুষ সতেরশ সাতান্নর রেম্ব জনাবে আলা জেনারেল মিরজাফর ইসলাম আলমগীর এই পলাশী দিবসে নীলক্ষেত হতে অদুরে পলাশীর মোড়ে দাড়াইয়া নিজেকে রাস্ট্রনবাব দাবী করিয়া স্বাধীনতার ঘোষনা দিয়াছিলেন। বাংলার মানুষ মুক্তির বাধ ভাংগা আনন্দে তাঁহাকে নবাব পদে বসায়।


পলাশী দিবস নিয়া এত হইচই কেন?

জেনারেল রবাট ক্লাইভের ভুয়সী প্রসংশা করে আগুনগীর বলেন, রবাট পৃথীবির মানবাধিকারের ইতিহাসের এক উজ্জল চরিত্র। আমার পুর্বপুরুষ সাতান্নর রেম্ব জেনারেল মিরজাফর উনাকে চিঠি দিয়া বলছিলেন, রবাট, তুমি আমাদিগকে বাকশাল সিরাজুদ্দুলার হাত হতে উদ্ধার কর। রবাট তখন সিরাজুদ্দুলাকে সংলাপের আহোভান জানাইলে বাকশাল সিরাজুদ্দুলা তাহাকে বলে, বাংলা বিহার উড়িষ্যার মহান অধিপতি, তুমার কথা আমি ভুলিনি জনাব। রবাট তখন তাহাকে বলেন, আরে সালা ঘোচু এই সংলাপ নহে, তুকে ক্ষমতা হস্তান্তরের সংলাপের আহোভান জানাইছি ইউ ডেম ফুল। তখন সিরাজুদ্দুলা রাতের আধারে কাপুরুষের মত রবাটের বাহীনীর উপর আক্রমন চালায়। তখন সাতান্নর রেম্ব জেনারেল মিরজাফরের বীরত্ব পুর্ন হস্তক্ষেপে একটা হেস্তনেস্ত হয়। বাংলা আবার ফুলে ফলে ভরিয়া যায়।

আবেগঘন কণ্ঠে মির্জা ফখরুল বলেন, আমাগের মির্জা বাড়ির বৈঠকখানায় সাতান্নর রেম্ব জেনারেল মিরজাফর আর একাত্তরের রেম্ব জেনারেল জিয়ার দুটি ছবি পাশাপাশি টাংগান আছে। দুইজনের মধ্যে অদ্ভুত সব মিল। আমি তাই একাত্তরের রেম্বকেও নিজের পুর্বপুরুষ ভাবি।

জেনারেল মিরজাফরের নামে জঘন্য বাকশালী অপপ্রচার চালান হয়েছে, এমন দাবী করে তার উত্তরসুরী ফখা বলেন, এই অপপ্রচারে এমনকি লনডন প্রবাসী বড় গনতন্ত্র বড় গুন্ডে তারেক জিয়াও প্রভাবিত হয়ে আমায় আদর করে মির্জাফখ ডাকেন। কিন্তু এমনটি করা ঠিক নহে। মির্জা বাড়ির প্রতিষ্ঠাতা জেনারেল মিরজাফরকে তার উপযুক্ত সম্মান দিয়ে ইতিহাসে পুনরায় তেগী জেনারেল রুপে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।

মির্জা বাড়ির অন্যান্য সদস্য ছোট মির্জা আসাদুজ্জামান নূর ও খাট মির্জা মির্জা আব্বাসের প্রতি ইংগিত করে ফখা ইবনে চখা বলেন, মির্জা বাড়ির সম্মানের প্রতি এই বাড়ির কতিপয় পুলার কুন খেয়াল নাই। এভাবে চলতে পারে না।

June 20, 2014

আমিষুলকে আশ্রয় দিতে অস্বিকৃতি জানালেন লিমা

ব্রাজিল মতিনিধি

দেশের প্রভাবশালী এলাকা কারওয়ানবাজারের উপসর্দার ও আইভরী কোষ্ট ফিরত উপন্যাসিক মার্কেজে কারওয়ানবাজার আল্লামা আমিষুল হক পুটুনদাকে নিজের বাড়িতে থাকা-খাওয়া-শোওয়ার বেবস্থা করে দিতে অস্বিকৃতি জানিয়েছেন ব্রাজিলের বিশ্ব বিখ্যেত মডেল ও ব্রাজিলের পুনম পান্ডে আদৃয়ানা লিমা।

আজ এক সংবাদ সম্মেলনে পুটুনদাকে থাকতে দিতে আপত্তি জানান লিমা।

সংবাদ সম্মেলনে আদৃয়ানা লিমা বলেন, কারওয়ানবাজারের উপসর্দার আমিষুল হক পুটুনদা ব্রাজিল আসতেছে। কারওয়ানবাজার তারে যাতায়াতের জন্য বিমান ভাড়া, থাকার জন্য হোটেল ভাড়া, খাওয়ার জন্য ভাতের হোটেলের বিল আর শোওয়ার জন্য আরো কিছু টেকাটুকা দিতেছে। তারপরও কঞ্জুস পুটুনদা সেই টেকাটুকা বাচানর জন্য আমার বাড়িতে আসিয়া উঠতে চায়।


ব্রাজিলের পুনম পাণ্ডে আদৃয়ানা লিমা

আবেগঘন কণ্ঠে আদৃয়ানা লিমা বলেন, সাউ পাউলু আর রিও ডি জেনিরুতে আমার একটি করিয়া বাংলা বাড়ি আছে। মডেলিঙ্গের ফাকে ফাকে আমি মাঝেমধ্যে সেখানে গিয়া দুদন্ড অবসর কাটাই। কিন্তু পুটুনদা একটি অভিশাপ। সে আমায় রোজ রোজ ফেসবুকে মেসেজ দিয়া এই দুই বাড়িতে তার জন্য একটি কামরা ছাড়িয়া দেওয়ার জন্য মেসেজ পাঠায়। তার জ্বালায় আমি ফেসবুকে ঢুকতে পারি না।

কান্নায় ভেংগে পড়ে লিমা বলেন, সে যদি ব্রাজিলের সাপুটার হত, তাহলে তাকে গেরেজের পাশে বাবুর্চির ঘরে একটি তুষক পাতিয়া দিতাম। কিন্তু সে আইভরী কোষ্ট ও আরজেনটিনার সাপুটার। শুদু তাই নহে, সানি লিওনি ও পুনম পাণ্ডের সাথে তাহার ফুসুর ফাসুর আলাপ, আমায় লইয়া কারওয়ানবাজারে সে কখনও কিছু লিখে নাই। অতছ উহাদের যে ধন আছে, আমারও সে ধন আছে।

পুটুনদার প্রতি বৈষম্যের অভিযোগ করে আদৃয়ানা লিমা বলেন, আদৃয়ানা লিমার বাংলায় আমিষুলের ঠাই নাই।

এদিকে আদৃয়ানা লিমার নিকট পাত্তা না পেয়ে এক পাল্টা সংবাদ সম্মেলনে আমিষুল হক বলেন, ফেসবুকে আমার পাচ লক্ষ ফেন। তার মধ্যে এক লক্ষ ফেনই ব্রাজিলে থাকে। সকালে সাউ পাউলুতে পাউরুটি ডিম দিয়া নাস্তা করিয়া বিকালে রিও ডি জেনিরুতে পিজ্জা খাওয়া আমার নেয় মার্কেজে কারওয়ানবাজারের জন্য কুন বেপারই নহে। আদৃয়ানা লিমার শয্যা, আমার জন্য লজ্জা। আমি কুন বাংগালী ভাইয়ের খাটে ডাবুলিং করিব, কুন সমস্যা নহে।


কঞ্জুস পুটুনদার আহোভান

%d bloggers like this: