জেলে খাই বেহেস্তি খানা, ট্রাইবুনালে যাওয়া মানা: নিজামী

কারাগার মতিবেদক

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর খানকির পোলায়ে আমীর ও একাত্তরে আল বদরের কমান্ডার মতিউর রহমান নিজামী বলেছেন, জেলে খাই বেহেস্তি খানা, ট্রাইবুনালে তাই যাওয়া মানা।

মংগলবার সন্ধায় কেন্দ্রীয় কারাগারে আয়জিত এক সংবাদ সম্মেলনে আল বদর কমান্ডার নিজামী এ কথা বলেন।

এ সময় তাকে হাস্যজ্জল দেখাচ্ছিল।

সংবাদ সম্মেলনে নিজামী বলেন, আমাদের কারাগারগুলিতে খানাপিনার বেবস্থা মাশাল্লাহ ফাশ কিলাশ। কাশিমপুর কারাগারে সকালের নাশতায় আমায় দেওয়া হত লাল আটার পাঁচটি রুটি, সঙ্গে ডিম ভাজি, আলু ছাড়া সবজি ভাজি, মুরগির মাংস, মিষ্টি, এনসিওর দুধ ও কলা। নাশতা খাইয়া হজম করিয়া সারতারি না, তার আগেই চলিয়া আসিত দুপুরের খাবারের চিকন চালের ভাত, করলা ভাজি, টাকি বা চিংড়ি মাছ ভর্তা, বেগুন ভাজি বা ভর্তা, ছোট মাছ বা চিংড়ি মাছ ভুনা, সালাদ ও লেবু, মাল্টা বা বরই বা নাশপাতি। তারপর পেট ভরিয়া খানাদানার পর দিতাম ঘুম। ঘুম ভাংগিয়া সন্ধ্যার খাবারে খাইতাম লাড্ডু, নিমকি-বিস্কুট ও হরলিকস বা স্যুপ। তারপর কারাগারে কুন কচি মোজাহিদের সংগে নিবিড় বেয়াম করতাম কিছুক্ষন। রাতের খাবারে আসিত চিকন চালের ভাত, করলা ভাজি, বেগুন ভাজি বা ভর্তা, ঢেড়শ বা মিষ্টিকুমড়া বা পেঁপে ভাজি, গরু বা খাসির মাংস ভুনা, সালাদ ও লেবু এবং কমলা, মাল্টা, নাশপাতি, আঙুর বা বরই।

আবেগঘন কণ্ঠে নিজামী বলেন, আমি জানি বেহেস্তে যাওয়ার কুন সুযুগ আমার নাই। আমার বিপদ ফাঁসির পর কবরে আযাব দিয়া শুরু হবে, দোজখের আগুনে জ্বলিয়া পুড়িয়া আখেরাতে গিয়া শেষ হবে। এই সুদির্ঘ জীবনে কারাগারে কাটান বতসরগুলু আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়। এ যেন দুনিয়ার বুকেই এক টুকরু শাদ্দাদের বেহেস্ত। খাওয়া শোওয়ার অপুর্ব বন্দবস্ত।

হাসতে হাসতে নিজামী বলেন, এইরুপ খানাপিনা করলে রক্তচাপ বৃদ্দি পাওয়াই স্বাভাবিক। তাই আজ সকালে ডাক্তারকে ডাকিয়া বললাম, ডাক্তার ডাক্তার শুন না, এত বেশী ভাত খাওয়া ভাল না। ডাক্তার আসিয়া আমায় কিছুক্ষন টিপিয়া টুপিয়া চলিয়া গেল। কারাগারের নায়েবে আমীর ফরমান আলী ছার আসিয়া আমায় বললেন, নিজামী সাব আজকের দিনটা রেষ্টে থাকেন। ট্রাইবুনালে গিয়া কাম নাই।

অশ্রু মুছে নিজামী বলেন, কারাগারের নায়েব ফরমান আলী ছারের মত ভাল বেক্তি ইদানীং আর দেখা যায় না। একাত্তর সালে আরেক ফরমান আলীর আন্ডারে কিছুদিন কাম করার অভিজ্ঞতা হইছিল। সেই ফরমান আলীর পর চারটি দশক কাটিয়া গেল, তারপর পাইলাম এই ফরমান আলীরে। তার নাম শুনিয়াই আমার রক্তচাপ দেড় পেসকেল কমিয়া গিয়াছে।

অচিরেই সুস্থ হয়ে ট্রাইবুনালের রায় শ্রবনের ইচ্ছা বেক্ত করে নিজামী বলেন, শুনিলাম ইসলামী ছাত্র সংস্থার ২৪টি যুবতী ফিপটি শেডস অফ গ্রে সহ ধরা পড়িয়াছে। উহাদের আমার কারাকক্ষে পাঠান হইলে শাদ্দাদের বেহেস্ত দেখা ষুল আনা পুরন হইত।

3 Comments to “জেলে খাই বেহেস্তি খানা, ট্রাইবুনালে যাওয়া মানা: নিজামী”

  1. হা হা হা!

  2. vi tor kono kam ni . tui ke manush. na bebak hen juntru

    • তুই যে ছাগল এই ব্যপারে কোন সন্দেহ নাই। এর জন্য ই জামাতিদের বিরুদ্ধে বললে খাউযানি উঠে। আর তুই বাঙ্গালি ছাগল নাকি পাকি রে। নয়ত মুরাদ টাকলা ফ্রন্টে লিখিস কেন?

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: