Archive for July, 2014

July 30, 2014

লাইনে এলুম: ফারুকী

বিনোদন মতিবেদক

পবিত্র রমজান সমাপ্ত হওয়ার পর টেলিভিশনে জাতির উদ্দেশে ঘোষনা দিয়ে লাইনে এসেছেন বাংলার সেরা বিজ্ঞাপন নির্মাতা ও বাংলার ডেভিড ধাওয়ান আল্লামা মস্তফা সরয়ার ফারুকী।

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আয়জিত এক টেলিভিশন অনুষ্ঠানে ঘোষনা দিয়ে লাইনে আসেন বাংলার ডেভিড ধাওয়ান।

অনুষ্ঠানে ফারুকী বলেন, বাংলার সংস্কৃতি হতে ইসলামকে নির্বাসিত করেছে বাংলার তথাকথিত সেকুলার গোষ্ঠী। এই গোষ্ঠীর কারনে নাটক সিনামায় কুন ইসলাম দেখান যায় না। আমার বানান কুন নাটক, কুন সিনামা, কুন বিজ্ঞাপনে ইসলামের বেপার সেপার দেখাইতে সাহস পাই না। কারন আমি জানি, একবার যদি আমি নাটক সিনামায় ইসলাম করিয়া ফেলি, এই সেকুলার গোষ্ঠী এক জোট হইয়া মারিয়া আমার সরু পুটু প্রশস্ত করিয়া দিবে।

আবেগঘন কণ্ঠে বাংলার ডেভিড ধাওয়ান বলেন, আমার পরবর্তী সিনামায় আমি নায়কের খতনার দৃশ্য, নায়িকার হায়েজ নেফাসের দৃশ্য, নায়কের পিতার অযু করার দৃশ্য, নায়িকার পিতার বালু দিয়া তায়াম্মুম করার দৃশ্য, নায়কের মাতার শবে বরাতে হালুয়া পাকানর দৃশ্য, নায়িকার মাতার শবে কদরে তারাবাজি ফুটানর অপরাধে নায়িকার ছুট ভাইকে প্রহারের দৃশ্য, নায়কের চাচার বকরির ঈদে কুরবানী দেওয়ার দৃশ্য, নায়িকার চাচার রমজানের রাত্রে মহল্লায় বাড়ি বাড়ি গিয়া গেট বাইড়ানর দৃশ্য, মাদ্রাসায় হুজুরের হাতে নায়কের বালক চাচাত ভাইয়ের পুটু মারা খাওয়ার দৃশ্য সহ আরও অনেক ইসলামী দৃশ্য ঢুকাব। দেখি কুন সালা সেকুলার ঘোচু আমায় আটকায়।


জিন্নাহ টুপি মাথায় দিয়ে লাইনে এসেছেন ফারুকী

হুহু করে কেদে উঠে ফারুকী বলেন, সেকুলারদের ফান্দে পড়িয়া আমি আমার নাটক সিনামায় লিটনের ফ্লেট দেখাইতে বাধ্য হইছিলাম। কিন্তু বহুত হইছে, আর নহে। লিটনের ফ্লেট ইজ ন মর। আমার আগামী নাটক সিনামা বিজ্ঞাপনে আমি দেখাব লিটনের তাবু।

ইসলামী বেংক ও দৈনিক সংগ্রামকে ইসলামী দৃশ্য দেখানর জন্য ইসলামী পুরস্কার ঘোষনার আহোভান জানিয়ে ফারুকী বলেন, খালি পেটে ইসলাম করিয়া পুষায় না। সেকুলারদের মুখমুখী হতে গেলে চাই আন্তর্জাতিক ও দেশীয় পুরস্কার। সৌদী আমিরাত কাতার প্রভৃতি দেশে আপনাদের বসদিগকে বলিয়া আমায় কিছু আন্তর্জাতিক পুরস্কার যুগাড় করিয়া দিন।

এ সময় টেলিফুনে এক দর্শক ইসলামের দৃস্টিতে নাটক সিনামা বিজ্ঞাপন নির্মান জায়েজ কিনা, এ প্রশ্ন করলে সরাসরি উত্তর না দিয়ে বাংলার ডেভিড ধাওয়ান বলেন, অতিরিক্ত ইসলাম স্বাস্থের জন্য ক্ষতিকর। লাইনে আসুন।

July 29, 2014

বেদ্বীনের আবার কিসের ঈদ: তুষার

নিজস্ব মতিবেদক

বাংলার মাটিতে বেদ্বীনের কোন ঈদ নাই বলে ঘোষনা দিয়েছেন খেতনামা ড্রন বিশেষজ্ঞ, মস্তফা অনুরাগী, কাপড় বেবসায়ী ও ইসলামী বেংকের সমঝদার হরলিকস পাগলা বিতর্ক রাজ আল্লামা আবদুন নুর তুষার।

আজ পবিত্র ঈদুল ফিতরে নিজ বাস ভবনে আয়জিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ফতোয়া জারী করেন মুফতি তুষার।

সংবাদ সম্মেলনে তুষার বলেন, পবিত্র ঈদুল ফিতরকে ইতর লোকে যেমনে খুশী তেমনে বেবহার করতেছে। পথে ঘাটে শত শত বেদ্বীন আসিয়া হাসি মুখে বলতেছে, ঈদ মবারক। অতছ ঈদুল ফিতর কুন হেজিপেজি বিষয় নহে। এক মাস কঠর সংযম সাধনার পর নামাজ আদায় করিয়া, নারায়ে তাকবীর দিয়া ঈদুল ফিতর পালন করতে হয়। আর বাংলাদেশে নারায়ে তাকবীর বলার গনতান্ত্রিক অধিকার একমাত্র বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীরই আছে।

আবেগঘন কণ্ঠে মুফতি তুষার বলেন, কাজেই বৃহত্তর জামায়াত ছাড়া আর কেউ ঈদ পালন করতে পারবে না।


রমজানে দিনে দুপুরে বড় হরলিকস পান করে সংযম সাধনা করছেন হরলিকস পাগলা তুষার

বেদ্বীন ও নাস্তিকদের হুঁশিয়ার করে দিয়ে বিতর্ক রাজ বলেন, আল্লাহ বিশ্বাস যে করে না, গোলাম আজমকে যে ভাষা সৈনিক বলিয়া মানে না, তার ঈদ পালনের কুন অধিকার নাই। সে ঈদ মবারক বললে তাকে খাড়ার উপর ৫০ টেকা জরিমানা করতে হবে। এ ৫০ টেকার ১৫% বড় গনতন্ত্র বড় গুণ্ডের হাওয়া ফাণ্ডে জমা দিতে হবে।

হাসতে হাসতে আল্লামা তুষার বলেন, ফেসবুকে আমি অনেক গুলু বেদ্বীন ও নাস্তিককে সনাক্ত করিয়াছি। প্রতিটি ঈদ মবারকের জন্য উহাদের নিকট হতে ৫০ টেকা ঈদি আদায় করব। ইউ কেন রান বাট ইউ কেন্ট হাইড।

তবে বেদ্বীনদের উতসবে অংশ গ্রহনের জন্য বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর কোন বাধা নেই জানিয়ে হরলিকস পাগলা বলেন, ইসলামী বেংকের নিকট হতে ভাতা পাওয়ার পর বিলাত গিয়াছিলাম। সেখানে ঈষ্টার উপলক্ষে ঈষ্টার বানির নিকট হতে অনেক গুলি সিদ্ধ ডিম নিয়া ভক্ষন করিয়াছি। ইহা সম্পুর্ন রুপে হালাল। কারন ডিমের কুন ধর্ম নাই।

ঈদ বিষয়ে ফতোয়া দেওয়ার অধিকার তিনি কোথায় পেলেন, এ প্রশ্নের জবাবে তুষার বলেন, আমি ইসলামী বেংকের অনুষ্ঠানে বেক ষ্টেজ হতে উপস্থাপনা ও ডিজেপনা করি। যে কারনে ইনডিয়ার গরু হিন্দু গরু, সে একই কারনে আমিও ইসলাম বিষয়ে সব জানি।

সবাত্তে বেশী বুঝা আলেম মুফতি আমিনী বেহেস্তে থাকায়, এটিএন বাংলার ফতোয়া তারকা বাচ্চু রাজাকার পলাতক থাকায় ও ইসলামের বাগানে ফুটন্ত গোলাপ বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর খানকির পোলায়ে নায়েব আল্লামা দেলাওয়ার হোসেন সাঈদী কনডম সেলে থাকায় ফতোয়ার জগতে শুন্যতা সৃস্টি হয়েছে জানিয়ে মুফতি তুষার বলেন, প্রকৃতি শুন্যতা পসন্দ করে না। আমি বিতর্ক পারি, উপস্থাপনা পারি, ফতোয়াও পারব।

বৃহত্তর জামায়াতের সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে তুষার বলেন, মেশিন চলবে।

July 27, 2014

ইউনূসের কবর ধ্বংসের পিছনের কারন উদঘাটিত

ইরাক মতিনিধি

বাইবেল ও কোরানে বর্নিত ইউনূস নবীর ২৮০০ বতসরের পুরাতন কবরের পাশে নির্মিত মসজিদ ধ্বংসের পিছনের কারন উদঘাটন করেছে উগ্র জংগীবাদী সংগঠন আইসিস।

আজ আইসিসের বিজ্ঞান শাখার আমীর শায়খ আব্বাস বাগদাদী আইসিস কতৃক দখলকৃত মশুল শহরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে আয়জিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কারন উদঘাটন করেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্বাস বাগদাদী বলেন, হযরত ইউনূসের কবর ও কবরের পাশে নির্মিত মসজিদ উড়াইয়া দিতে আমাদের কুন কস্ট হয় নাই। মার্কিন যুক্তরাস্ট্র ইরাক সরকারকে বোমা ও বিষ্ফরক খরিদ বাবদ বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ছদকা দিয়াছে। সেই টেকায় ইরাক সরকার ইরাক সেনা বাহিনীর জন্য মার্কিন কম্পানী হইতে বোমা পটকা খরিদ করিয়াছে। আর ইরাক সেনা বাহিনী সেই সকল বোমা পটকা আমাদিগের হাতে তুলিয়া দিয়া পলায়ন করিয়াছে।

আবেগঘন কণ্ঠে বাগদাদী বলেন, দুই চারটা মসজিদ ধ্বংস করা আইসিসের জন্য কুন বেপারই নহে। আমরা জানি, কেউ কুন প্রতিবাদ করবে না। কারন মুসলমান যদি মুসলমানকে মারে, কুন মুসলমানের ধর্মানুভুতিতে ফুলের টুকাও লাগে না। কিন্তু যদি কুন অমুসলমান আসিয়া কুন মুসলমানকে কাতুকুতুও দেয়, তবে দুই চারটা মন্দির পেগডা গির্জা চুরমার করা ফরজ হইয়া দাড়ায়।

হাসতে হাসতে আব্বাস বাগদাদী বলেন, পবিত্র রমজান মাসে হযরত ইউনূসের কবর যে মসজিদের সংগে উড়াইয়া দিলাম, কুন মমিন কুন আওয়াজ করে নাই। কারন বোমা বন্দুক ও কামান আমাদিগের হাতে। এতেই প্রমানিত হয়, কামান > ঈমান।


কুফামাষ্টার পুটুন ইজ বেক

হযরত ইউনূসের কবর ধুলিসাতের পিছনে আসল কারন বেখ্যা করে আব্বাস বাগদাদী বলেন, এই ২৮০০ বতসরের পুরাতন কবর আমরা যে কেন উড়াইলাম, তা আমাদিগের নিকটও পরিষ্কার আছিল না। কিন্তু আজ ফেসবুকে ঢুকিয়াই দেখলাম বাংলাদেশের প্রভাবশালী এলাকা কারওয়ানবাজারের উপসর্দার ও আইভরী কোষ্ট ফিরত উপন্যাসিক মা’র্কেজে কারওয়ানবাজার কুফামাষ্টার আল্লামা আমিষুল হক পুটুনদা কিছুদিন আগে ইউনূসের কবরের সামনে সেলফি তুলিয়া গেছে। তখন সব পরিষ্কার হইল।

আনন্দঘন কণ্ঠে আব্বাস বাগদাদী বলেন, পুটুনদা যার সংগে সেলফি তুলে, তার সানডে মানডে সকলই কোলজ হইয়া যায়। হযরত ইউনূস তিমি মাছের পেটে ঢুকিয়া রক্ষা পাইছিলেন আলহামদুলিল্লাহ। কিন্তু কুফামাষ্টার একাই একশটি তিমি মাছের নেয় ভয়ংকর। তাই আইসিস এই ঘটনায় উছিলা মাত্র।

সকলই আল্লাহর ইচ্ছা, এমন মত বেক্ত করে আব্বাস বাগদাদী বলেন, আল্লাহ পাকের ইশারা ছাড়া গাছের পাতাটিও নড়ে না। আর একজন নবীর কবর ও মসজিদ ধ্বংস উনার ইশারা ছাড়া কিভাবে হবে?

July 27, 2014

দীপু মনিকে হেফাজতের ভর্ৎসনা

হাটহাজারী আল-মতিবেদক

সাবেক পর রাস্ট্র মন্ত্রী দীপু মনিকে কর্তব্যে গাফিলতির জন্য তিব্র ভর্ৎসনা করেছেন বাংলাদেশের অভ্যন্তরে স্বাধীন রাস্ট্র হাটহাজারিস্তানের দেওয়ানে আমীর ও হাটহাজারিস্তানের একমাত্র অরাজনৈতিক রাজনৈতিক দল হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমীর আল্লামা মাইনুদ্দীন রুহী।

আজ হাটহাজারিস্তানের রাজধানী দারুল উলুম মইনুল ইসলামের দরবার কক্ষে আয়জিত এক সংবাদ সম্মেলনে দীপু মনিকে ভর্ৎসনা করেন আল্লামা রুহী।

সংবাদ সম্মেলনে রুহী বলেন, সাবেক পর রাস্ট্র মন্ত্রী দীপু মনি কুন কামেরই নহে। সে শুদু বিমানে করিয়া উড়িয়া ঘুরিয়া বেড়াইছে। যদি সে কর্তব্যে মনযোগ দিত, আজ বাংলাদেশে ঘেরাও করার জন্য একখান ইসরাইলী দুতাবাস থাকত।

আবেগঘন কণ্ঠে আল্লামা রুহী বলেন, ফিলিস্তিনে ইসরাইল হাজার হাজার মুসলমানকে হত্যা করিতেছে। এর প্রতিবাদে যে আমরা হেফাজতে ইসলামের পক্ষ হতে বাংলাদেশে ইসরাইল দুতাবাস ঘেরাও দিব, তার কুন উপায় নাই। কারন দীপু মনি বাংলাদেশে ইসরাইল দুতাবাস স্থাপনের জন্য কুন চেস্টা করে নাই। পাচ পাচটি বতসর সে দায়িত্বে আছিল, এই পাচ বছরে সে কি পারত না, হাটহাজারীতে একটি ইসরাইলী দুতাবাস স্থাপনের উদ্যগ নিতে?

অশ্রু মুছে রুহী বলেন, সে একটি জাহেল তেতুল।


ঘেরাও-পুড়াওয়ের জন্য হাটহাজারীতে ইসরাইল দুতাবাস চান রুহী

ইসরাইল দুতাবাস কেন ঢাকার পরিবর্তে হাটহাজারীতে স্থাপন করতে হবে, সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের জবাবে আল্লামা রুহী বলেন, হাটহাজারীতে ইসরাইলী দুতাবাস থাকলে জোহরের নামাজ পড়িয়া, ভাত খাইয়া, একটু চৌকিতে গড়াগড়ি দিয়া, তারপর উঠিয়া একটু চা বিস্কুট কেক কুক সেবন করিয়া গিয়া ইসরাইলী দুতাবাসে দুই চারটা আধলা ইট প্রয়গ করতে পারতাম। ঢাকায় ইসরাইল দুতাবাস স্থাপন করলে হাটহাজারী হতে ভাংগা রাস্তা দিয়া পাজেরু যোগে চট্টগ্রাম ও চট্টগ্রাম হতে হেলিকপ্টার যোগে ঢাকা যাইতে হয়। অনেক খাটনি, অনেক কস্ট। জিহাদের পথে এত কস্ট ভাল লাগে না।

সৌদী আরবের প্রতি ধিক্কার জানিয়ে আল্লামা রুহী বলেন, জিহাদের বাজেটে সকল বরাদ্দ তারা ইরাকের আইসিসরে দিয়া দিছে। আমরা কত চিঠি কত ইমেল কত খুদেবার্তা পাঠালুম, খানকির পুলারা একটা দিরহামও পাঠাইল না। অতছ শুনলাম বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার মহিলা আমীর আপোষহীন দেশনেত্রী মাদারে গনতন্ত্র বেগম খালেদা জিয়া জেএসসি ও বিএনপি শাখার আওলাদে আমীর শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের যোগ্য উত্তরসুরী পলাতক চিকিতসাধীন তরুন নেতৃত্ব মিষ্টার ফিপটিন পারসেন্ট বড় গনতন্ত্র বড় গুণ্ডে আল্লামা তারেক জিয়ার সংগে সাক্ষাত করিয়া ইসলামী ডেবেলপমেন্ট বেংকের আমীর তাহাদিগকে জিহাদের টেকাটুকা যুগানর আবদার মঞ্জুর করিয়াছেন। আরে বেটা, তেতুলের নেতৃত্বে কখনও জিহাদ হয়? এইটা কি কারবালা পাইছ? সঠিক মোজাহিদকে দিরহাম না দিয়া বেঠিক মোজাহিদের তেলা মাথায় তেল দেও সালা ঘোচু।

সৌদী আরবকে হুঁশিয়ারী জানিয়ে আল্লামা রুহী বলেন, ঈদের আগে আগে দিরহাম না দিলে পুরা হেফাজতে ইসলাম গিয়া সিপিবিতে যুগদান করব।

%d bloggers like this: