Archive for July, 2014

July 26, 2014

ইউনূসের কবর উড়িয়ে দিল আইসিস

ইরাক মতিনিধি

ইরাকের দ্বীতিয় বৃহত্তম নগরী মশুলে অবস্থিত প্রাচীন মসজিদ ও মসজিদ সংলগ্ন ইউনূস নবীর কবর বোমা দিয়ে উড়িয়ে দিল ইরাকের বিপ্লবী জংগী সংগঠন আইসিস।

পবিত্র লাইলাতুল কদরে ইউনূস নবীর কবর উড়িয়ে দেয় আইসিস।

এ বেপারে আইসিসের মুখপাত্রের সংগে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ইউনূস নবীর কবরে বেলাল্লাপনা সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছিল। তাই উড়াইয়া দিলাম।

পবিত্র কোরানে বর্নিত একজন নবীর কবর উড়িয়ে দেওয়া ইসলামের দৃস্টিতে অপরাধ কিনা, এ প্রশ্নের জবাবে আইসিস মুখপাত্র বলেন, বন্দুক কার হাতে?

বন্দুক আইসিসের হাতে, এমন উত্তর দেওয়ার পর আইসিস মুখপাত্র বলেন, বোমা কার হাতে?

বোমা আইসিসের হাতে, এমন উত্তর দেওয়ার পর আইসিস মুখপাত্র হাসতে হাসতে বলেন, তাহলে ইসলামের দৃস্টি কার হাতে?

আইসিসের বোমায় হযরত ইউনূসের কবর ও মসজিদ উড়ানর দৃশ্য

ইউনূস নবীর কবর উড়িয়ে দেওয়ার প্রতিক্রিয়া জানতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে স্বাধীন রাস্ট্র হাটহাজারিস্তানের নায়েবে খলিফা আল্লামা জুনাইদ বাবুনগরীর সংগে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, যেহেতু মুসলমানের হাতে ইউনূস নবীর কবর ধ্বংস হইয়াছে, তাই এই বেপারে আমরা কুন উচ্চবাচ্চ করব না। কুন হিন্দু, বৌদ্ধ বা খৃষ্ঠান এই কাম করলে আমরা আবার ১৩ দফার ডাক দিয়া শাপলা চত্বরে খাড়াইতাম।

জিহাদের প্রকৃতি অদ্ভুদ, এ মত বেক্ত করে বাবুনগরী বলেন, জিহাদে নামলে মাঝে মধ্যে সংগী মোজাহিদের পুটুও বিনাশ হয়ে যায়।

ইউনূস নবীর কবরের প্রতি আল্লাহর রহমত ছিল না জানিয়ে বাবুনগরী বলেন, ইউনূস নবীর কবরের উপর আল্লাহর রহমত থাকলে আইসিস সে কবর উড়াইয়া দিতে পারত না। এখানে আল্লাহর মাল আল্লাহ নিয়া গেছেন ধরিয়া নিয়া খুশী থাকতে হবে।

আইসিসের উপর অসন্তষ প্রকাশ করে জুনাইদ বাবুনগরী বলেন, সৌদী হতে জিহাদ বাবদ দিরহাম পাওয়া যাইত, সেই দিরহামে আইসিস টান দিতেছে। সালাদের কারনে আমরার এইদিকে কুন দিরহাম আইতেছে না। বিনা দিরহামে জিহাদ পুষায় না, তাই আমরা আপাতত চুপচাপ আছি।

এদিকে ইউনূস নবীর কবর উড়ানর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সদ্য গঠিত রাজনৈতিক দল বাবুনাগরিক শক্তির আমীর, বাংলাদেশের একমাত্র নোবেল বিজয়ী অর্থনীতীবীদ ও গ্রামীন বেংকের বিতাড়িত মালিক ‘অর্থনীতীর সানি লিওনি’ কায়েদে নোবেল ড. মুহম্মদ ইউনূস বাবুনগরী বলেছেন, এ ত খাড়ার উপরে কায়েদে নোবেলের অপমান।

আবেগঘন কণ্ঠে অর্থনীতীর সানি লিওনি বলেন, ইউনূসরা কবরে গিয়াও শান্তি পায় না, ঘোচুর দল সে কবরে এটাক করে। আমি শিউর আইসিসের সংগে বাকশালের সম্পর্ক আছে।

তবে ইরাক দখল করতে পারলে আইসিসের সংগে সামাজিক বেবসার আগ্রহ জানিয়ে বাবুনগরী বলেন, দিরহাম ছাড়া শান্তি সম্ভব নহে। ইরাকে আইসিসের তত্তাবধানে গ্রামীন-নান্দুজ যৌথ চিকেন বেবসা করতে পারলে আমরা উভয় পক্ষই লাভবান ও লাল হব। ১১ হাজার টেকায় চিকেন বিক্রয় করতে পারলে দারিদ্রকেও ইউনূস নবীর কবরের নেয় উড়াইয়া দেওয়া সম্ভব।

July 24, 2014

জেনারেলের কবরে জেনানার তাণ্ডব

নিজস্ব মতিবেদক

বিএনপি শাখার প্রতিষ্ঠাতা একাত্তরের রেম্ব জেনারেল জিয়াউর রহমানের কবরে পুষ্প মালা অর্পনের সময় বেপক তাণ্ডবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার ঢাকা মহানগর উপশাখার নতুন মজলিশে শুরা।

আজ সংসদ ভবনের নকশা বিনস্ট করে নিকটস্থ চন্দৃমা উদ্যানে নির্মিত জিয়ার মাজারে পুষ্প দিতে গিয়ে এই তাণ্ডবের সুত্রপাত করেন বিএনপি শাখার কতিপয় উত্তেজিত নেতা নেত্রী।

এর আগে ঢাকা মহানগর উপশাখার নতুন মজলিশে শুরার আমীর ‘বংগ মলটভ’ মির্জা বাড়ির মেজ গৌরব মির্জা আব্বাস ও বিএনপি শাখার ভাঁড়প্রাপ্ত নায়েবে আমীর, জাতীয়তাবাদী শক্তির ‘কমপ্লান বয়’ ও মির্জা বাড়ির বড় গৌরব আল্লামা মির্জা ফখরুল ইসলাম আগুনগীর ওরফে ফখা ইবনে চখা কাধে কাধ মিলিয়ে চন্দৃমা উদ্যান অভিমুখে গাড়িতে করে লং মার্চ করেন।

একাত্তরের রেম্বর কবরে পুষ্প মালা অর্পনের সময় এক ভয়াবহ তাণ্ডবের সৃস্টি হয়।

বিএনপি শাখার হিন্দু উপশাখার আমীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় জিয়ার কবরে মাল্য দানের সময় ফখা ইবনে চখার পাশে দাড়াতে চাইলে তাকে বাধা দেন মহানগর শাখার নতুন মজলিশে শুরার নায়েবে আমীর হাবিবুননবী খান সোহেল ওরফে হাবু সোহেল। তিনি গয়েশ্বরকে ঘাড়ে ধরে সরিয়ে মির্জা ফখরুলের পাশে এসে দাড়ালে গয়েশ্বর তীব্র তাণ্ডবের সুত্রপাত করেন।

এ সময় হাবু সোহেল গয়েশ্বরকে কাফের বলে সম্বোধন করলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। গয়েশ্বরও ইসলামের দৃস্টিতে পবিত্র রমজানে মুর্দা বেক্তির কবরে পুষ্প মালা দিয়ে পুজার কুফলের বেপারে ইংগিত করলে সমগ্র মাজারে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

এরপর কে আগে গয়েশ্বরকে আঘাত করবেন, এ নিয়ে বিশেষ নৃশংস স্কোয়াড ফেন্টাষ্টিক ফাইভের সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য নীলু পাণ্ডের সংগে ছাত্রদলের কেয়া পাণ্ডের সংঘাত সৃস্টি হলে কেয়া পাণ্ডে নীলু পাণ্ডের চুল ধরে টানাটানি করেন ও তাকে ঘুষি মারেন। এ ছাড়া মহিলা দলের আমীর নুরী পাণ্ডের ওপরও কতিপয় নাম না জানা পাণ্ডে ঝাপিয়ে পড়লে বিএনপি শাখার অন্যান্য নায়েব বৃন্দ আতংকে ছুটাছুটি শুরু করেন।

 

জেনারেলের কবরে জেনানার তাণ্ডব

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনার জন্য ভাঁড়প্রাপ্ত নায়েবে আমীর ফখা ইবনে চখা কোন চেস্টা না করে নীরবে পুষ্প মালা হাতে দাড়িয়ে থাকেন। এ সময় তাকে মিটিমিটি হাসতে দেখা যায়।

এ বেপারে তার বক্তব্য জানতে চাইলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে আগুনগীর মতিকণ্ঠকে বলেন, সামনে আন্দুলন। আমাদের নেতা নেত্রীদের শরীলে এখন হাতির বল। তাছাড়া একাত্তরের রেম্বর সমাধি ছুট, আর আমরা কতগুলু নায়েব। একটু ঠেলাঠেলি ধাক্কাধাক্কি ত হবেই। কিন্তু রাজপথে যখন নামব তখন জায়গার অভাব হবে না, আর মাইরগুলুও তখন একে অন্যকে না দিয়া পুলিশ ও পাবলিককে দিব।

বিশেষ নৃশংস স্কোয়াড ফেন্টাষ্টিক ফাইভের ফর্ম পড়ে যাচ্ছে কিনা, এ বেপারে নীলু পাণ্ডের সংগে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, পেকটিশের অভাবে আজ কেয়া পাণ্ডের হাতে মাইর খাইলাম। তবে এ সকলই ফ্রেন্ডলী ফায়ার।

হাবু সোহেলের হাতে আহত নায়েবে আমীর গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের সংগে যোগাযোগ করা হলে তিনি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বিএনপি শাখায় লাথি ঘুষি খাইয়া কুনমতে টিকিয়া আছি। ঈদের সেলামীর জন্য লাইন দিলে ফখরুল আর খোকা মারে, আর একাত্তরের রেম্বর কবরে মালা দিতে গেলে হাবু সোহেল মারে। ইসরাইলও ফিলিস্তিনিদের এইভাবে মারে না। লাঞ্ছনা বঞ্ছনা গঞ্জনা ইজ মাই মিডিল নেম। জেনারেল জিয়ার কবরে মালা না দিয়া এই পবিত্র রমজানে বিশেষ নফল নামাজ ও ফাতেহা পাঠের আয়জন করার কথা বলায় আজ আমি নির্যাতিত। এতদিন জানতাম কবরের আযাব কবরের ভিতরে হয়, কিন্তু কবরের বাইরেও যে এইরুপ আযাবের মুখমুখী হব, তা আগে বুঝি নাই।

হুহু করে কেদে উঠে গয়েশ্বর বলেন, রমজানের পবিত্রতা রক্ষা করুন।

July 24, 2014

ভরপেট না-ও খাই, আয়কর দেওয়া চাই

July 23, 2014

‘পাখী ড্রেস’ না পেয়ে অসন্তুষ্ট সু চি

রেংগুন মতিনিধি

আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগে আগে বেবসা বানিজ্য সম্প্রসারনের উদ্দেশ্যে বার্মা সফরে গিয়ে বার্মার শান্তিতে নোবেল বিজয়ী আপোষহীন বিরোধী দলীয় নেত্রী ও নেশনাল লীগ ডেমক্রেসির মহিলা আমীর অং সান সু চির ক্ষোভের শিকার হয়েছেন সদ্য গঠিত রাজনৈতিক দল বাবুনাগরিক শক্তির আমীর, বাংলাদেশের একমাত্র নোবেল বিজয়ী অর্থনীতীবীদ ও গ্রামীন বেংকের বিতাড়িত মালিক ‘অর্থনীতীর সানি লিওনি’ কায়েদে নোবেল ড. মুহম্মদ ইউনূস বাবুনগরী।

আজ এক সংবাদ সম্মেলনে বাবুনগরীর প্রতি ক্ষোভের কথা বেক্ত করেন বার্মার লীগ নেত্রী সু চি।

সংবাদ সম্মেলনে সু চি বলেন, এখন রমজান মাস চলতেছে। দুইদিন পরে ঈদুল ফিতর। এর মধ্যে রোহিংগা রাজ ইউনূস বাবুনগরী আসিয়া হাজির। সে আমায় বার্মায় গ্রামীন বেংকের বেবসা বানিজ্য সম্প্রসারনের প্রস্তাব দিয়া বলল, হাম ভি নোবেল তুম ভি নোবেল। চল একত্রে দারিদ্র দুর করে দুটু আয় রুজগার করি। লেটস পেয়ার আপ এন্ড ডু সাম বিজনেশ টুগেদার। আমি তাকে বললাম, বাবুদা ধীরে চল না, পেয়ার মে জারা সমহলনা। হাঁ বড়ে ধোকে হায়, বড়ে ধোকে হায় ইস রাহা মে। বিজনেশ যে করবা, আমার জন্য কুন গিফট আনছনি?

আবেগঘন কণ্ঠে সু চি বলেন, অর্থনীতীর সানি লিওনি তখন তার গ্রামীন চেকের পাঞ্জাবীর পকেট হতে একটি পলিথিনের পেকেট বাহির করিয়া আমার হস্তে দিয়া বলল, তোফা তোফা তোফা হাঁ আ আ লায়া লায়া লায়া। পেকেট খুলিয়া আমি দেখি সে আমার জন্য একটি বেবি ডল ড্রেস খরিদ করিয়া আনছে।

হুহু কান্নায় ভেংগে পড়ে সু চি বলেন, কায়েদে নোবেলের বিবেচনা দেখিয়া আমি হতবাক। এখন সবখানে চলতেছে পাখী ড্রেস, আর সে কিনা আমায় বেবি ডল ড্রেস গছাইতে চায়। এই ভাবে কি শান্তি হয়, নাকি বিজনেশ হয়? রোহিংগা রাজের নোবেল আছে, কিন্তু মন বলতে কিছু নাই।

অশ্রু মুছে সু চি বলেন, বাংলাদেশের লীগের মহিলা আমীর শেখের বেটী বাবুদাকে ঘেটী ধরিয়া গদি হতে বিতাড়ন করিয়াছে। কিন্তু বার্মার লীগের মহিলা আমীর এই আমি এত নিষ্ঠুর নহি। বাবুদাকে চা বিস্কুট খাইতে দিয়া বললাম, আনছইন যখন রাখিয়া যাইন। কিন্তু এই ড্রেস আমি পরবাম না। লুংগি পরিয়াই এইবারের ঈদ করবাম।

এ বেপারে বাবুনগরীর সংগে যোগাযোগ করা হলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি বলেন, রমনীর মন, সহস্র বর্ষের সখা সাধনার ধন। আমার তাই এখনও নয়শত ছাব্বিশটি বসন্ত সাধনা বাকি। মগ মহারানী সু চি বেশী বেশী দাবী করে। বেবি ডল ড্রেসটি কুন দিক দিয়াই খারাপ নহে। আমি ত তবুও তারে গিফট দিলাম। সে কি আমায় একটি চুড়িদার পাইজামা কিনিয়া দিতে পারত না? অতছ সে আমায় দিল এক পেকেট বার্মিজ আচার। তার আচার-আচরনে আমি ক্ষুব্ধ।

সু চির প্রতি পাল্টা ক্ষোভ প্রকাশ করে ইউনূস বলেন, লীগ করা নারী, বড় অত্যাচারী। বাংলাদেশ বার্মা দুই জায়গার লীগই অভিশাপ।

%d bloggers like this: