আমিষুল একটি খবিশ ও চরিত্রহীন: তুষার

সাহিত্য মতিবেদক

দেশের প্রভাবশালী এলাকা কারওয়ানবাজারের উপসর্দার ও আইভরী কোষ্ট ফিরত উপন্যাসিক কুফামাষ্টার আমিষুল হক পুটুনদাকে ‘খবিশ’ ও ‘চরিত্রহীন’ বলে গালি দিয়েছেন খেতনামা ড্রন বিশেষজ্ঞ, মস্তফা অনুরাগী, কাপড় বেবসায়ী ও ইসলামী বেংকের সমঝদার হরলিকস পাগলা বিতর্ক রাজ আল্লামা আবদুন নুর তুষার।

আজ সকালে নিজ বাসভবনে আয়জিত এক সংবাদ সম্মেলনে আমিষুল হকের বিরুদ্ধে কবিতা চুরির অভিযোগ এনে এ গালি দেন বিতর্ক রাজ।

সংবাদ সম্মেলনে আল্লামা তুষার বলেন, আমি যে কি, তা আমায় দেখিয়া বুঝা মুশকিল। কেহ ভাবে আমি নায়ক, কেহ ভাবে গায়ক। কেহ ভাবে আমি শতাব্দীর সেরা ইসলামী বেংক বেক ষ্টেজ উপস্থাপক। কিন্তু আমার প্রকৃত পরিচয়, আমি একজন মরমী কবি।

আবেগঘন কণ্ঠে তুষার কবি বলেন, কিছুদিন বাদেই চোথমা প্রকাশনী হতে প্রকাশিত হইবে আমার কাব্য গ্রন্থ ‘একলা খাব ডুবিয়ে নুলু’। আমার ভক্ত মুরিদ প্রভৃতিদিগের জন্য এই কাব্য গ্রন্থ হতে কিছু আগুন আগুন কবিতা আমি ফেসবুকে পেশ করি। অনেক অবুঝ মধ্যবয়সী নারী আসিয়া তাতে লাইক টিপিয়া যায়। তুমরার ভাবী আসিয়া আমার সংগে কাজিয়া ফেসাদ করে। কিন্তু কি করব? আমি যে কবি।


টেরম টেরম যুদ্দ হবে: তুষার

হুহু করে কেদে উঠে হরলিকস পাগলা বলেন, কিন্তু এই মধ্যবয়সী নারীর লাইকের মধু হাইজেক করতে সম্প্রতি কতিপয় খবিশ চরিত্রহীন আমার কবিতা চুরি করা শুরু করছে। কয়েকদিন আগে সাবেক স্বৈরাচার রাস্ট্রপতি পল্লীবন্ধু অভিশাপটি আমার একটি আগুন কবিতা দাড়ি কমা সহ চুরি করিয়া লক্ষ্মীপুরের ত্রাস তাহেরপুত্র বিপ্লবের নববধু সানজিদা আক্তার পিউকে গায়ে হলুদ উপলক্ষে গিফট করিয়া দিছে। বিপ্লব এখন জেলে। কত সম্ভাবনাময় একটি পরিস্থিতি। অতছ আমার কবিতা দিয়া লাইকের মধু খাইয়ালাইল হারামজাদা পল্লীবন্ধু। এ ত খাড়ার উপরে লছ।

অশ্রু মুছে লছঘন কণ্ঠে মস্তফা অনুরাগী তুষার বলেন, এ লছই শেষ লছ নয়। কিছুদিন পুর্বে আরেকটি আগুন কবিতা রচনা করছিলাম। দুইদিন আগে কুফামাষ্টার পুটুনদা সে কবিতা হাইজেক করিয়া লইল। খবিশ চরিত্রহীনটি আমার কবিতাটি কপি পেষ্ট করিয়া তার আদরের উতপল শুভ্ররে গিফট করিয়া দিছে। আরে সালা ঘোচু, নারী পটানর কবিতা তুই বেটাছেলেকে দিলি কেনে?


‘একলা খাব ডুবিয়ে নুলু’ কাব্যগ্রন্থের আগুন কবিতা ‘নিষিদ্ধ পথে লোভের যাত্রা’

আমিষুল হকের প্রতি রাগারাগি করে তুষার কবি বলেন, আমার কবিতায় লিখা ছিল ‘ব এর ত্রিভুজে একলা মাত্রা’। অতছ পুটুন অভিশাপটি সেটিকে বিকৃত করিয়া লিখছে ‘পু এর ত্রিভুজে একলা মাত্রা’। এইখানেই বুঝা যায় সে কতবড় ঘোচু। পবিত্র মনলভা ‘ব’ হইতে সরিয়া সে নাপাক নিকৃস্ট ‘পু’-তে চলিয়া গেছে। আচ্ছা তুমরাই বল, পু কুনদিন ত্রিভুজাকৃতী হয়? ইহা কি সম্ভব?

কুফামাষ্টার পুটুনকে ক্ষতিপুরন হিসাবে এক বয়াম হরলিকস পরিশোধের আহোভান জানিয়ে বিতর্ক রাজ বলেন, হয় হরলিকস দেও, নয়ত আমি কবিরাইট লংঘনের জন্য তুমার বিরুদ্ধে লং মার্চ করব। টেরম টেরম যুদ্দ হবে।

এ বেপারে আমিষুল হকের সংগে যোগাযোগ করলে তিনি নাম প্রকাশ না করার শর্তে হাসতে হাসতে বলেন, আল্লামা তুষারের কবিতাটি আমি পাঠ করিয়াছি। ভালই লিখছে। তবে উহার সংগে আমার কুপাকাবানার কুপাকাব্যের দৃস্টিকটু মিল আছে। আর ‘ব এর ত্রিভুজে একলা মাত্রা’ মানে কি? এখানে ‘ব’ দ্বারা কি বুঝান হইতেছে? নিশ্চয়ই কুন খারাপ কথা। আর একসাথে মিলিয়া ‘ত্রিফলা’ হইতে গেলে ত কমপক্ষে তিনজন লাগবে। সে কি গননা করতে ভুলিয়া গেছে, নাকি এখানে অন্য কুন বেপার আছে? তুষার কবি আবার নিষিদ্ধ পথের কথাও লিখিয়াছে। হুয়াট ইজ গয়িং অন?

পু এর আকৃতী বিষয়ে তুষারের অভিযোগকে উড়িয়ে দিয়ে পুটুনদা বলেন, তুষার কবি শুদু জনমিতি কানাই নহে, সে জেমিতি কানাও বটে। জেমিতি কানা তুষার পু এর কি বুঝে? কারওয়ানবাজারে দুই দশক ক্রীড়া সর্দারি করলে পু ত্রিভুজ চতুর্ভুজ পঞ্চভুজ সবই হইতে পারে।

তুষারকে খারাপ কথা বলা হতে বিরত থাকার আহোভান জানিয়ে আমিষুল হক পুটুনদা বলেন, খারাপ কথা দিয়া কবিতা হয় না। শুদু সমাজে বিশৃংখলা হয়। লাইনে আসুন।

2 Comments to “আমিষুল একটি খবিশ ও চরিত্রহীন: তুষার”

  1. অশ্রু মুছে লছঘন কণ্ঠে মস্তফা অনুরাগী তুষার বলেন, এ লছই শেষ লছ নয়। — Mati baba ar koto hasbo?

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: