নিজের লেখা আইনের বিরুদ্ধে কামালের বিপ্লব

নিজস্ব মতিবেদক

১৯৭২ সালে নিজের হাতে লেখা আইনের বিরুদ্ধে বিপ্লব ঘোষনা করেছেন বাংলাদেশের সংবিধানের প্রনেতা দলের অন্যতম সদস্য, খেতনামা আইনজীবী ও দেশের একমাত্র নির্ভরযোগ্য সাংবাদিক ডেভিড বাগমেনের বৈধ শশুড় গন ফোরামের প্রতিষ্টাতা আমীর ড. কামাল হোসেন।

এ বিপ্লবে কামাল হোসেনের সংগে কাধে কাধ মিলিয়ে লড়াইয়ের অংগীকার করেছেন বিচারাধীন রাজাকার আলবদর বৃন্দের শীর্ষ মোক্তার খন্দকার মাহবুব হোসেন ও বিএনপি শাখার আইনজীবী উপশাখার আমীর মাহবুবদ্দি খোকন।

এ ছাড়া এ বিপ্লবে জায়গা করে নেওয়ার জন্য পিছনের সারি হতে ঠেলাঠেলি করছেন বেরিষ্টার রফিকুল ইসলাম মিঞাও।


কিংবদন্তী আইন ফুটবলার কামালহো

আজ শুক্রবার জুম্মার নামাজ আদায়ের পর বাইতুল মকাররমের সামনে যে যার জুতা বগলে নিয়ে এ বিপ্লবের ডাক দেন বিপ্লবী মোক্তার বৃন্দ।

এক অনল বর্ষী বক্তব্যে ড. কামাল হোসেন বলেন, সংবিধান নিয়া কুন ফুটবল খেলা ছইলত ন। আর যদি এই ফেসিবাদী বাকশালী সরকার ফুটবল খেলতেই চায়, তাহইলে তাদের জানাইয়া দিতে চাই, ফাকা ময়দানে তুমরা কুন গল দিতে পারবা না। তুমাদের লড়াই করতে হবে আইনের ময়দানে কিংবদন্তী ফুটবলার কামালহোর সংগে।

এ সময় রাজাকার আলবদরের শীর্ষ মোক্তার ও নিখিল বাংলাদেশ খন্দকার সমিতির নায়েবে আমীর খন্দকার মাহবুব হোসেন নিজেকে আরেক কিংবদন্তী ফুটবলার মাহবুবহো বলে পরিচয় দিয়ে চিতকার করে উঠেন।

এ সময় অন্যান্য বিপ্লবী মোক্তার বৃন্দের মধ্যে কতৃত্ব জাহির নিয়ে চাপা রেশারেশি ও ঠেলাঠেলি হয়।

কিছুক্ষন পর কামাল হোসেন আবারও বক্তৃতা শুরু করে বলেন, ১৯৭২ সালে আমি নিজের হাতে সংবিধানে যা লিখছিলাম, ১৯৭৫ সালে একাত্তরের রেম্ব জেনারেল জিয়া আসিয়া তা কাটিয়া কুটিয়া বরবাদ করছিল। কিন্তু আমি কিছু বলি নাই। কারন সে কাটিয়া খারাপ কিছু লিখে নাই। আমি যখন ইস্কুলে পড়তাম তখন আমার নটখাতায় অন্যান্য পুলাপানের দল আসিয়া নংরা নংরা কারটুন ও ছড়া লিখিত। আর জিয়ার কাটাকুটি ত তার তুলনায় কুন বেপারই নহে।

আবেগঘন কণ্ঠে কিংবদন্তী আইন ফুটবলার কামালহো বলেন, কিন্তু এই সালা ঘোচু বাকশাল এখন আমার ১৯৭২ সালের লেখা অবিকল কপিপেষ্ট করিয়া আবার সংবিধানে জিয়ার কাটাকুটির উপর ডবল কাটাকুটি করিয়া বসাইয়া দিতে চায়। এতে শুদু কপিরাইটই লংঘন হয় না, আরও আরও সমস্যা হয়।

আরও কি সমস্যা হয়, এ প্রশ্নের জবাবে কোন সরাসরি উত্তর না দিয়ে কামাল হোসেন বলেন, বিপ্লব বিপ্লব কামালের বিপ্লব।

নিজের লেখা আইনের বিরুদ্ধে বিপ্লব চালু করে তার অনুভুতি কি, এ প্রশ্নের জবাবে কামাল হোসেন হুহু করে কেদে উঠে বলেন, ১৯৭২ সালে কি আমি এত কিছু বুজি? ফেসিবাদী বাকশাল আমায় ভুলাইয়া ভালাইয়া সংবিধানে কি লিখাইয়া লইছিল, মনেও ত নাই। কিন্তু এখন আমি সবাত্তে বেশি বুজি। তাই সেই অতীতের কলংক আজ বিপ্লবের রবাট ঘষিয়া মোচন করিব।

ইসলামী আন্দলনের প্রবাদ পুরুষ মরহুম ফজলুল হক আমিনী সবাত্তে বেশি বুজতেন, এ কথা স্মরন করিয়ে দিলে কামাল হোসেন হাসতে হাসতে বলেন, আমিনী ছাহেব ইনতেকালের পুর্বে সবাত্তে বেশি বুজার অধিকার আমার নামে দলিল করিয়া দিয়া গেছেন।

2 Comments to “নিজের লেখা আইনের বিরুদ্ধে কামালের বিপ্লব”

  1. পারেন ও ভাই আপনেরা, একা একা হাসতেছি দেইখা ল্যাবমেটরা কি ভাবতেছে আল্লাহ ই জানে।

  2. জুম্মার নামাজ আদায়ের পর !

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: