নামের শুরুতে ‘খন্দকার’ যোগ করতে আগ্রহী মওদুদ

সাহিত্য মতিবেদক

আবারও পুস্তক রচনা করে রাজনীতীর ময়দানে ঘুর্নি ঝড় তুলেছেন বাকশাল আমলের পোষ্ট মাষ্টার জেনারেল, একাত্তরের রেম্ব জেনারেল জিয়ার উপ প্রধান মন্ত্রী, সাবেক স্বৈরাচার ও পল্লীবন্ধু জেনারেল এরশাদের উপ রাস্ট্র পতি, বৃহত্তর জামায়াতের আইনমন্ত্রী ও বিএনপি শাখার উকিলে আমীর রাজনৈতিক পর্যটক বেরিষ্টার আল্লামা মওদুদ আহমদ।

মওদুদের এবারের চাঞ্চল্য কর পুস্তকের নাম ‘বাংলাদেশ: ইমারজেন্সী এন্ড দি আফটারমেথ: ২০০৭-২০০৮’। পুস্তকটি ইউপিএল হতে প্রকাশিত হয়েছে।

এ পুস্তকের পাতায় পাতায় মওদুদ নিজ বর্তমান দল বৃহত্তর জামায়াতের বিএনপি শাখা এবং বিএনপি শাখার মহিলা আমীর ও জাতীয়তাবাদী শক্তির মালিক আপোষহীন দেশনেত্রী মাদারে গনতন্ত্র বেগম খালেদা জিয়া জেএসসিকে তুলাধুনা করেছেন।


চেতাইলেই বই লিখি: মওদুদ

সোমবার সুপৃম কুট এনেক্স ভবনের সামনে আয়জিত এক সংবাদ সম্মেলনে রাজনৈতিক পর্যটক আল্লামা মওদুদ বলেন, তুমাদের দুয়ায় আমি আবারও একটি পুস্তক রচনা করিয়াছি। এই পুস্তকে বিএনপি শাখার অনেক অজানা গুপন কাহিনী আছে। সময় থাকতে নিজেদের কপি খরিদ কর। ইষ্টক সীমীত।

আবেগঘন কণ্ঠে বেরিষ্টার মওদুদ বলেন, আমি এক একটা গ্রন্থ লেখি, আর বিএনপি শাখার উপর যেন একবার করিয়া আর্জেস গ্রেনেড আসিয়া পড়ে। এর আগে রচনা করিয়াছিলাম ‘এ ষ্টাডি অব পলিটিকেল এন্ড মিলিটারী ইন্টারভেনশন ইন বাংলাদেশ’। ঐ পুস্তকে কর্নেল তাহের হত্যার পিছনে জেনারেল জিয়ার চক্রান্ত ফাস করিয়াছিলাম। আমার ঐ পুস্তকটি হাইকুটের মামলায় সাবুদ হিসাবে জমা হইছিল। তখনও বিএনপি শাখার নায়েবরা কাউকাউ করিয়াছিল। আমি বই লিখলেই সালারা পাগল হইয়া যায়।

হাসতে হাসতে আল্লামা মওদুদ বলেন, তুমাদের দুয়ায় আমি বাংলাদেশের সকল বড় বড় রাজনৈতিক দলেই আছিলাম। বংগবন্ধু আমায় বানাইছিল পোষ্ট মাষ্টার জেনারেল। বংগবন্ধুর কতলের পর জেনারেল জিয়া আসিয়া আমায় বলল, আমিও জেনারেল তুমিও জেনারেল, তুমি আমার দলে আসিয়া পড়। দুই জেনারেল মিলিয়া লেটস মেক পলিটিকস ডিফিকাল্ট ফর পলিটিশিয়ানস। তারপর জেনারেল জিয়ার বিএনপি শাখায় ঢুকিয়া কি হয় না হয় দেখলাম। পরে যখন এরশাদ ছারের উপ রাস্ট্রপতি হওয়ার তুচ্ছ অপরাধে মাদারে গনতন্ত্র আমায় জেলে ঢুকাইল, তখন কায়দা করিয়া একটি পুস্তকে জিয়ার সকল কিচ্ছা ফাস করিয়া দিলাম।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মওদুদ বলেন, বৃহত্তর জামায়াতে যোগদান করিয়া কি পাইলাম এ জীবনে? শুদু শুদু লাঞ্ছনা বঞ্ছনা গঞ্ছনা। টেকাটুকা মারল বড় গনতন্ত্র বড় গুণ্ডে তারেক জিয়া, আর সেনা বাহীনী আসিয়া আমার ঘরে মদের বুতল খুজিয়া পাইল। আমি তাদের যতই বুঝাই যে উহা মদ নহে, বড় হরলিকস, মদ চাও ত হাওয়া ভবনের বুতলের তলানী পরীক্ষা করিয়া দেখ গিয়া, তারা আমায় ততই নেংটা করিয়া পিটায়। বৃহত্তর জামায়াতের সকল মধু খাইল বড় গুণ্ডে, আর আমায় কয়েদ খাটিয়া হয়রান হইতে হইল।

হুহু করে কেদে উঠে মওদুদ বলেন, কারাগারে গেলেই আমার পুস্তক রচনা করতে ইচ্ছা করে। তারেক জিয়ার চুরামির দুষে যখন সকল পিটানী আমায় খাইতে হইল, তখন ঠিক করলাম, পুর্বের নেয় আবারও একটি পুস্তক রচিয়া সকল কথা ফাস করিয়া দিব।

অশ্রু মুছে আল্লামা মওদুদ বলেন, সব সরকারের আমলেই অল্প অল্প হালুয়া রুটি ভক্ষন করছি, নামের গোড়ায় একটি খন্দকার না লাগাইলে কেমনে চলব? এই বিষয়ে আইনে কি লিখা আছে তার খোজ লইতেই আজ সুপৃম কুটে আইলাম।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: