বড় বাঁচা বাঁচিয়া গেলুম: ফখা

নিজস্ব মতিবেদক

বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার মুজাহিদদের হাতে বিএনপি শাখার নায়েবে আমীর রিয়াজ রহমান গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় বিএনপি শাখার ভাঁড়প্রাপ্ত নায়েবে আমীর, জাতীয়তাবাদী শক্তির ‘কমপ্লান বয়’, লনডনে পলাতক চিকিতসাধীন আওলাদে আমীর বড় গুণ্ডে কতৃক ‘হাইড এন্ড সিক’ গালিতে ভুষিত ও ঈদুল কতলের টেলেন্ট হান্ট প্রতিযোগীতায় ‘ফ্লেয়ার এন্ড লাবলি’ খেতাবে সমাদৃত মির্জা বাড়ির বড় গৌরব আল্লামা মির্জা ফখরুল ইসলাম আগুনগীর ওরফে ফখা ইবনে চখা বলেছেন, আল্লাহ পাক যা করেন, ভালর জন্য করেন। সময় মত জেলে ঢুকিয়া বড় বাঁচা বাঁচিয়া গেলুম।

আজ সকালে কাশিমপুর কারাগারে প্রথম শ্রেনীর কয়েদীর আরাম দায়ক বিলাস বহুল কারা কক্ষে আয়জিত এক সংবাদ সম্মেলনে আগুনগীর এ কথা বলেন।

সংবাদ সম্মেলনে ফখা ইবনে চখা বলেন, গনতন্ত্র উদ্ধারের আন্দুলনের চার চাক্কায় পাম গেছে গিয়া। এখন সংগী মুজাহিদগনের মধ্যে দুই চারজনের লাশ না পড়লে আন্দুলন বেগবান হবে না। রিয়াজ রহমান ফ্রেন্ডলী ফায়ারের স্বিকার। যদি আমরা বড় বড় নায়েব গন সময় মত বুদ্ধি করিয়া জেলখানায় ঢুকিয়া না পড়তাম, হয়ত যে গুলি রিয়াজ রহমানের পুটুতে করা হইছে, তা আমাদের পুটুতে করা হইত।

আবেগঘন কণ্ঠে ফ্লেয়ার এন্ড লাবলি বলেন, বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার আওলাদে আমীর, জাতীয়তাবাদী শক্তির ভবিষ্যত মালিক ও বর্তমান আমীর এট লার্জ ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের যোগ্য উত্তরসুরী পলাতক চিকিতসাধীন তরুন নেতৃত্ব মিষ্টার ফিপটিন পারসেন্ট বড় গনতন্ত্র বড় গুন্ডে লাদেন-এ-লনডন তারেক জিয়ার সংগে আমার মনমালিন্য চলতেছে, আপনারা ত সবই জানেন। প্রেস ক্লাবে গিয়াছিলুম জাতীয়তাবাদী বক্তিতা দিতে। ফেসিবাদী সরকারের পাণ্ডারা আমায় প্রেস ক্লাব হইতে টানিয়া খেদাইতে চেস্টা করল। নিরুপায় হইয়া এক রাত প্রেস ক্লাবের সোফায় শুইয়া কাটাইলাম। শওকত মাহমুদ, রুহুল আমীন গাজী প্রভৃতি বৃহত্তর জামায়াতী সাংবাদিকরা আমায় অনেক আদর যত্ন করল। বালিশ, মশারী, লুংগি আনিয়া দিল। সকালে উঠিয়া পরটা দিয়া গরুর মাংস খাইতে দিয়া বলল, ফখাদা প্রেস ক্লাবে আপনার যত্নের কুন ত্রুটি হইত না। পরটা খাইতে বসার পর লনডন হতে বড় গুণ্ডের ফুন আসিল। মুঠফুন তুলিয়া বললাম হেলু ফখা ইস্পীকিং। হেলু বলিয়া সারতারি নাই, ঐপাশ হতে লাদেন-এ-লনডন অকথ্য ভাষায় আমায় গালি দিয়া বলল, এই সালা ঘোচু ফখা বেঈমান, তুই আমার আন্দুলনের পুটুতে ছুরি মারিস কেনে? আমি বললাম, তারেক সাহেব আপনি আমায় বেঈমান বললেন? দিনের পর দিন রাতের পর রাত আপনার খেদমত খাটিয়া গেলুম, শুদু পাও দাবাইতে বাকি রাখছি, বলিলে তাও করিয়া দিব, অতছ আমায় বেঈমান বললেন? তখন বড় গুণ্ডে ফুন কাটিয়া দিল। আর শওকত মাহমুদ, রুহুল আমীন গাজী প্রভৃতি বৃহত্তর জামায়াতী সাংবাদিকরা চক্ষু লাল করিয়া আমায় বলল, বড় গুণ্ডে যখন তুকে বেঈমান বলছে, এইখানে আর পরটা গরুর মাংস নাহি চলেগা। আভি নিকাল হিঁয়াসে। এই বলিয়া তারা আমায় ঘাড়ে ধরিয়া বাইরে আনিয়া পুলিশের হস্তে তুলিয়া দিয়া বলল, অনাচার কর যদি, ফখা তবে ছাড় গদি। তারেকে জুলুম পাপ, ক্ষমা চেয়ে নাহি মাফ। তুমি যার ধামাধারী, সে দিল তুমার পুটু মারি। নাই কুন পরিত্রান, ফখা ইবনে চখা বেঈমান।


সময় মত জেলে গেলেন আগুনগীর

আনন্দে হুহু করে কেদে উঠে মির্জা বাড়ির বড় গৌরব বলেন, তখন মন খারাপ হইলেও এখন বুঝতে পারতেছি, বড় বাঁচা বাঁচিয়া গেলুম। এখন যদি জেলের বাইরে থাকতাম, রিয়াজ রহমানের নেয় সংগী মুজাহিদের হাতে পুটুতে গুলি খাইয়া ইউনাইটেড হাসপাতালে পড়িয়া থাকতাম। গাড়ীখানিও মুজাহিদগন জ্বালাইয়া দিত। জেলে আছি, ভাল আছি। কাশিমপুরে আরাম আয়েশের বেহেস্তি বন্দবস্ত আছে আলহামদুলিল্লাহ। টিভি, রেডিও, ফৃজ, মাইক্রওয়েব, এমনকি একটি আলালও সরবরাহ করা হইছে। ইউনাইটেড হাসপাতালে কি এইসব পাইতাম?

রিয়াজ রহমানের পুটুতে গুলি করার সিদ্ধান্তের সমালচনা করে আগুনগীর বলেন, আমার বন্দু উকিলে আমীর মওদুদ আহমদ যখন বলল, রাজধানী কেন্দৃক ভিন্নধর্মী কর্মসুচী নেওয়া হইবে, তখনই বুঝিয়া গেছিলুম যে কুন অভাগা নায়েবের পুটুতে গুলি ঢুকবে। এই ভয়েই মির্জা আব্বাস মাদারে গনতন্ত্রের বাসভবনে লুকাইয়া বসিয়া মজীনা গাছে পানি দিতে বেস্ত

রিয়াজ রহমানের রাজনৈতিক আক্কেলের সমালচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, মেডাম নিজ কার্যালয়ে অবরুদ্ধ হওয়ার দশদিন পরে সালা ঘোচু মেডামের দরবারে হাজিরা দিতে গেছে। পয়লা দিনই যদি সে এই কাম করিয়া গা ঢাকা দিতে পারত, তাহলে আজ তাকে কোরবানী দেওয়া হইত না। বাতাস যখন খারাপের দিকে, তখন সে গেছে মেডামের সামনে। এই হইল তার বুদ্ধির নমুনা। হাইড্রজেন বমা বুঝ, মেডাম বুঝ না।

আন্দোলনে বেস্ত সকল নায়েবকে সাবধানে থাকার পরামর্শ দিয়ে ফখা ইবনে চখা বলেন, আপনারা সকলে নিরাপদ আশ্রয়ে চলিয়া যান। রাস্তাঘাটে বাইর হবেন না। সম্ভব হইলে কাশিমপুরে চলিয়া আসেন। গনতন্ত্র উদ্ধার করতে গিয়া পুটুতে গুলি খাইলে পরে গদিতে বসতে কস্ট হবে।

7 Comments to “বড় বাঁচা বাঁচিয়া গেলুম: ফখা”

  1. তাজা খবর : বিএনপি অফিসে নতুন হারমোনিয়াম কেনা হয়েছে । মেডাম গান শিখবেন, টেলিফোন পাওয়ার chance আছে…

  2. ফখা ইবনে চখা

  3. super like…fokha ibne cokha…

  4. ফখা চিনলাম কিন্তু চখা চিনলাম না ।

  5. ফখার বাবার নাম চখা

  6. তুমি যার ধামাধারী, সে দিল তুমার পুটু মারি। You are great Moti !!!

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: