কস্ট করে ধৈর্য্য ধরে চালাও অবরোধ: সেলিমা

নিজস্ব মতিবেদক

দেশের জন সাধারনকে অনির্দিস্ট কাল ‘কস্ট করে ধৈর্য্য ধরে’ অবরোধ চালিয়ে যেতে হুকুম দিয়েছেন বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার নায়েবে আমীর বেগম সেলিমা রহমান।

আজ এক বিবৃতীতে গুলশান কার্যালয়ে ‘অবরুদ্ধ’ বৃহত্তর জামায়াতের বিএনপি শাখার মহিলা আমীর ও জাতীয়তাবাদী শক্তির মালিক আপোষহীন দেশনেত্রী মাদারে গনতন্ত্র বেগম খালেদা জিয়া জেএসসির পক্ষে এই বিবৃতী পাঠান বেগম সেলিমা।

বিবৃতীতে সেলিমা রহমান বলেন, দেশ ও জাতি এক ক্রান্তিকালের ভিতর দিয়া যাইতেছে। দেশে বড় গনতন্ত্র নাই, ছুট গনতন্ত্র নাই, কুন গনতন্ত্র নাই। গনতন্ত্রদিগেরে ফিরাইয়া আনার ও ফাসিকাষ্ঠে খাড়া রাজাকার আলবদর নেতাদিগেরে মুক্তির লক্ষে বৃহত্তর জামায়াতের জাতীয়তাবাদী শাখা ও জামাতীয়তাবাদী শাখা মিলে মিশে আন্দুলন সংগ্রামে নামছে। এবারের সংগ্রাম গদ্দির সংগ্রাম।

আবেগঘন ফন্টে বেগম সেলিমা বিবৃতীতে বলেন, স্বৈরাচার সরকাররে কুন মতেই আমরা সাইজ করতে পারতেছি না। কারন সরকারী ঘোচুগুলি বাসেও উঠে না, ট্রেনেও উঠে না। তারা সর্বদা দুই ডজন পুলিশ রেব লইয়া এদিক হইতে ওদিকে যায়। তাদের সহিত পাংগা লইতে গেলে আমরা বিপদে পড়ব। গদিতে না থাকার কারনে ও সকল আর্জেস গ্রেনেড অসময়ে খরচ করিয়া ফেলার কারনে তাই আপাতত পেট্রল ও ককটেলই আমাদিগের আন্দুলনের সম্বল। গদি না পাওয়া পযন্ত আমরা বাস পুড়াইব, ট্রেন ফালাইব, লঞ্চ ডুবাইব। এতে করিয়া তুমরা যারা জন সাধারন আছ, তাদের একটু কস্ট হবে। হয়ত তুমাদের বাপ-মা কিংবা ভাইবইন আমাদিগের দেওয়া আগুনে মনিরপুড়া হইবে। হয়ত আমাদিগের উপড়ান লাইনের কারনে ট্রেন উলটাইয়া উহারা মাথা ফাটিয়া মরবে। কিংবা আমাদিগের নিক্ষিপ্ত ককটেলে উহারা ফাটিয়া টুকরা টাকরা হইবে। কিন্তু গনতন্ত্রের স্বার্থে, বিশেষ করিয়া বড় গনতন্ত্রের স্বার্থে এইসব কস্ট মানিয়া তুমাদের ধৈর্য্য ধারন করতে হবে। কস্ট করে, ধৈর্য্য ধরে এই অবরোধে কামিয়াব হতে হবে।


জন সাধারনকে আরও কস্ট করতে হবে, ধৈর্য্য ধরতে হবে: সেলিমা

হুহু করে কান্নার ইমটিকন ( :’) ) দিয়ে বিবৃতীতে সেলিমা রহমান বলেন, ও গ জন সাধারন, তুমাদের কস্ট আমরা বুঝি। আমরাও কি কস্ট করতেছি না? মাদারে গনতন্ত্র এগার দিন ধরিয়া নিজ কার্যালয়ে বন্দীনী। বই পড়িয়া, গল্প করিয়া আর টেলিভিশনে জীবন মানে জী বাংলা অবলোকন করিয়া মাদারে গনতন্ত্র এই দুঃসহ দিন কাটাইতেছেন। অবরোধের কারনে তুমাদের অনেকে বেকার হইয়া না খাইয়া দিন কাটাইতেছ, আমরা জানি। তুমাদের উচিত ছিল রিয়ার এডমিরাল মাহবুব আলী খানের সংগে আত্মীয়তা স্থাপন করা। তাহলে উনার বাড়ি হতে তুমাদের জন্য সকালে আটার রুটি, সুজির হালুয়া, মাখন, কলা, ফলের রস, কুসুম ছাড়া ডিম ভাজি আর রাত্র কালে বাসমতী চাউলের নরম ভাত, মুরগী কিংবা মাছের ঝোল, ফুলকপি কিংবা শিম ভাজী আর মুরগির শুপ সরবরাহ করা হইত। যেহেতু তুমরা তা করতে পার নাই, আর মাদারে গনতন্ত্র পারছেন, তাই উনার খাওন দাওনের কস্ট তুমাদের নেয় হইতেছে না। উনার পুত্ররা লনডন ও বেংককে থাকে, আর সেই খানে বাসে আগুন দেওয়া হয় না বলিয়া তুমাদের পুলাদের নেয় উহারা আগুনে পুড়িয়া মরতেছে না। কিন্তু উনার বাকি সব কস্টই তুমাদের কস্টের মত। উনি ধৈর্য্য ধরতে পারলে তুমরাও পারবা।

অবরোধের চাপে এই অত্যাচারী স্বৈরাচার বাকশাল গদি তেগ করতে বাধ্য হবে, এই আশাবাদ বেক্ত করে বেগম সেলিমা বলেন, তখন বৃহত্তর জামায়াত গদিতে উঠবে। তারপর আবার দেশে গনতন্ত্র, বিশেষ করিয়া বড় গনতন্ত্র, ফিরিয়া আসবে। তখন কি হয় দেখিও। এখন তুমরা অবরোধ নিয়া পেনপেন কর, তখন তুমাদের মনে হবে, আহা অবরোধই ভালা আছিল।

হাসির ইমটিকন ( :)) ) দিয়ে সেলিমা রহমান বিবৃতীতে বলেন, শরীলের নাম মহাশয় যা সহাইবা তাহাই সয়।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: