আছিলাম সুশীল হইলাম উদ্বিগ্ন: মান্না

নিজস্ব মতিবেদক

বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার মার্কিন যুক্তরাস্ট্র পলাতক নায়েবে আমীর, অবিভক্ত ঢাকা মহানগরীর সাবেক মেয়র ও ৫মে শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের জেহাদে গাজী ও শহীদদের বকেয়া ১৭৫০ কুটি টেকা মজুরি খেলাপী আল্লামা সাদেক হোসেন খোকার সংগে বাকশাল হতে বিতাড়িত হয়ে তৃতীয় শক্তি নাগরিক ঐক্যের প্রতিষ্ঠাতা আমীর ও বৃহত্তর জামায়াতের ভাইবার শাখার আমীর আল্লামা মাহমুদুর রহমান মান্নার একটি মুঠফুন কথপকথন ফাঁস হয়ে যাওয়ার পর প্রতিক্রিয়ায় পলাতক মান্না বলেছেন, আছিলাম সুশীল হইলাম উদ্বিগ্ন।

আজ অজ্ঞাত স্থানে আয়জিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন আল্লামা মান্না।

সংবাদ সম্মেলনে মান্না বলেন, বিজ্ঞান আমাদিগেরে দিছে বেগ আর কাড়িয়া লইছে আবেগ। আবেগ বাদ দিয়া মুঠফুনে আল্লামা খোকা ভাইয়ের সংগে দুটু রাজনীতীর আলাপ করছিলুম। কিন্তু স্বৈরাচার বাকশালের ফেসিবাদী গোয়েন্দারা উক্ত আলাপ রেকড করিয়া পতৃকায় ছাড়িয়া দিল। বিজ্ঞানের সংগে কেন এই অনাচার?

আবেগঘন কণ্ঠে মান্না বলেন, আল্লামা খোকার নিকট দশ হাজার জনগন হাওলাত চাইতেই আমি তাহাকে ফুন মারিয়াছিলুম। কিন্তু রাজনীতী এমন জটিল বিষয় যে কথায় কথায় যে কত কিছু বলিয়া ফেলি তার কুন ঠিক নাই। আর ইহাকেই গোয়েন্দা আমীর ও পতৃকা আমীরের দল মিলিয়া জুড়াতালি দিয়া এমন এক জিনিস বানাইল যে শুনিয়া মনে হবে আমি রাজনীতী বুঝি।


মান্না

হুহু করে কেদে উঠে মান্না বলেন, ছয়টি বতসর ধরিয়া বৃহত্তর জামায়াতের ছাতির তলে বসিয়া তিলে তিলে নাগরিক ঐক্য গড়িয়া তুলছি। বাংলাদেশের সংবিধানের প্রনেতা দলের অন্যতম সদস্য, খেতনামা আইনজীবী ও দেশের একমাত্র নির্ভরযোগ্য সাংবাদিক ডেভিড বাগমেনের বৈধ শশুড় গন ফোরামের প্রতিষ্টাতা আমীর ড. কামাল হোসেন, সুশাসনের জন্য নাগরিকের আমীর বদি মজুমদার, কারওয়ানবাজারের বেবসায়ী রোকেয়া আফজল রহমান, তত্তাবধায়ক সরকারের মুখপোড়া নায়েবে আমীর ড. আকবর আলী খানসহ অনেক সুশীলরেও নাগরিক ঐক্যে আনছিলাম। বাকশাল ও বৃহত্তর জামায়াতের মারামারি হানাহানিতে জনগন অতিষ্ট। তারা শান্তি চাই। শান্তির জন্য প্রয়জন আগুনে পুড়া মনিরের পক্ষে বাকশাল ও মনির পুড়ান দুর্বৃত্তের পক্ষে বৃহত্তর জামায়াতের সংলাপ। আর এই সংলাপের পাইকার হিসাবেই একটি মিছিল ডাকিয়াছিলুম। নাগরিক ঐক্যের মিছিলে কুন ভদ্র লোক আসে না বলিয়া মার্কিন যুক্তরাস্ট্র পলাতক খোকাদাকে ফুন মারিয়া বললুম, দশটি হাজার লোক পাঠাও, বাকশালের গদি ফালাইয়া দিব। কিন্তু কি হইতে কি হইয়া গেল, আমার আর শান্তি ও সংলাপের জন্য মিছিল করা হল না।

কাদতে কাদতে সব কিছুর জন্য আল্লামা খোকাকে দোষ দিয়ে আল্লামা মান্না বলেন, ঐ সালা ঘোচুই এই অডিও ফাস করিয়া দিছে। আমি মেয়র পদে খাড়াইছি ইহা তার পছন্দ নহে। গালকাটা খোকার পেটে পেটে শুদু হিংসা।

বিশ্ববিদ্যালয়ে লাশ ফেলার প্রসংগে আত্ম পক্ষ সমর্থন করে মান্না বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তিরিশ হাজার ছাত্র ছাত্রী। পাচ দশটার লাশ পড়লে কি এমন ক্ষতি? আমরা যখন কেম্পাসে রাজনীতী করতুম তখন এমন কুন মাস যায় নাই যে গায়েবানা জানাজার তবারক খাই নাই। স্বৈরাচার বাকশালের অত্যাচারে সেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ শুদু কাপুরুষ নিরবতা। সহপাঠীর জানাজায় খাড়াইয়া দুটু সুয়াব কামানির সুযুগ হতেও ছাত্ররা বঞ্চিত হইতেছে।

কেন তিনি পুলিশের হাতে ধরা না দিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন, উপস্থিত সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের জবাবে মান্না রাগারাগি করে বলেন, আমি ত অডিও ফাস হওয়ার সংগে সংগে ধানমন্ডি থানায় গিয়া বললাম, ফেসিবাদী ওসি তুই আমায় এরেষ্ট করিয়া কারাগারে লিয়ে চল। ওসি হারামজাদা হাসতে হাসতে বলল, তুমার নামে নাই কুন মামলা, নিজের পুটু নিজেই সামলা।

কাদতে কাদতে মান্না বলেন, পতৃকার ষড়যন্ত্রে সারা দেশের লোক এখন জানে যে মনির পুড়ানির ফুসলি আমিই দেই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তিরিশ হাজার ছাত্র ছাত্রী আমায় পাইলে পিটাইবে। সাধারন লোক আমায় মারিয়া গায়ে আগুন ধরাইয়া দিতে পারে। এমতাবস্থায় আমি ছুট মানুষ বাইরে একা একা ঘুরাঘুরি করব কিভাবে? আর বৃহত্তর জামায়াতের লোক এই ঘোলা পানিতে আমায় পিটাইয়া মারিয়া বাকশালের উপর যে দুষ ফালাইবে না, তাহারই বা কি নিশ্চয়তা?

বাকশাল সরকারকে চেলেঞ্জ জানিয়ে আল্লামা মান্না বলেন, সাহস থাকলে এই অডিও গ্রামে গঞ্জে মাইক দিয়া শুনানির বেবস্থা করুন। জনগনকে সিদ্ধান্ত লইতে দিন। জনগন আজ শান্তি চায়, সংলাপ চায়। আমার আর খোকাদার সংলাপ শুনিয়া উহারা অনেক শান্তি পাইবে।

One Comment to “আছিলাম সুশীল হইলাম উদ্বিগ্ন: মান্না”

  1. পাবলিক পুড়ে মরে, পানি খাইয়া মরে, গুলি খাইয়া মরে , পিটা খাইয়া মরে , সুইসাইড খাইয়া ও মরে তবু হাসে । বাকশালী সরকার গুপনে গুপনে লাফিং গ্যাস ছিটাইতাছে কিনা কে জানে ।
    এদিকে গত কাল জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার মহিলা আমীর ও জাতীয়তাবাদী শক্তির আপোষহীন দেশনেত্রী মাদারে গনতন্ত্র বেগম খালেদা জিয়া জেএসসির গুলশান কার্যালয়ে এমনিতে খানা খাদ্যনাই তার উপরে দুনিয়ার পাতি আরছাতি নেতা রা ফ্রি খাওনের লোভে আসিয়া গাদাগাদী করিয়া দিন রাত্রি যাপন করিতেছে এর মধ্যে কারা যেনো হাইব্রিড ফুলকপি আর মূলা দিয়ে তরকারী আর ইরি চাউলের ভাত পাঠাইছিলো । রাতে শুরু হয় এক নিদারুন মর্মান্তিক গন্ধ প্রতিযোগিতা । অন্ধকারে দিকবিদিক শুন্য নেতা নেত্রিরা ত্রাহি ত্রাহি রবে ম্যাতকারের সহিত ছুটিয়া বাহির হইতে যাইয়া অনেকেই হাত পা ভাঙাগিয়া পুটু ছিলিয়া ধজভঙ্গ হইয়া গিয়াছে । পরের দিন একটি চিকিৎসকের দল খোজ নিতে গিয়াছিলো । চিকিৎসক দলের কার্যালয় পরিদর্শনের খবর আপনি হয়তো পত্রিকায় পেয়েছেন । সব বাকশাল চক্রান্ত ।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: