তিনি ছিলেন সালাই লামা: বিএনপি

নিজস্ব মতিবেদক

সর্বচ্চ আদালতের রায়ে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার নায়েবে আমীর ‘রাউজানের রসপুটিন’ ব্রাদারফাকার সাকার ফাসির রায়ের রিভিউ আবেদন খারিজ হয়ে যাওয়ার পর মৃত্যু দন্ড বহাল থাকার সিদ্ধান্তের প্রতিকৃয়ায় বৃহত্তর জামায়াতের বিএনপি শাখার তরজুমানে আমীর আল্লামা ড. আছাদুজ্জামান রিপন বলেছেন, সর্বচ্চ আদালত ইয়ে বিলকুল ভুল কিয়া। একাত্তর সালে আমরার সাকা ভাই আছিলেন শান্তির পায়রা।

আবেগঘন কণ্ঠে আছাদুজ্জামান রিপন বলেন, একাত্তর সালে উনার নাম সালাউদ্দি হইলেও পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয় কেম্পাসে সবাই উনাকে ডাকত সালাই লামা। উনি আছিলেন এমনই শান্তির পারাবদ।

হুহু করে কেদে উঠে তরজুমানে আমীর বলেন, বৃহত্তর জামায়াত করার অপরাধে সালাই লামার ফাসি হইতেছে। একাত্তর সালে উনি ত দেশেই আছিলেন না। পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ে উনি তখন শান্তির বানী প্রচারে বেস্ত আছিলেন। তবে কেন এই ঝুলাঝুলি?

অশ্রু মুছে আছাদুজ্জামান রিপন বলেন, আমরার উকিলে আমীর খন্দকার মাহাবুব ওরফে সাটিফিকেট খন্দকার নিজ হাতে নীলক্ষেত হতে একটি পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ের সাটিফিকেট ছাপাইয়া লইয়া সর্বচ্চ আদালতে জমা দিলেন। তারপরও উনারা খুশী না। সাটিফিকেটে নাকি বানান ভুল আছে। উহাতে নাকি ১৯ আকারে বড় আর ৭১ আকারে ছুট। সই মহরেও নাকি ঘাপলা আছে। এইসব সমস্যা কুথায় না থাকে? গুলাপেও আছে কাটা, চাদেও আছে কলংক। এই সাটিফিকেট পছন্দ না হইলে বলেন, আরেকটা সাটিফিকেট ছাপাইয়া দিতাম। তাই বলিয়া ফাসি দিয়া দিলাইন?

লাজুক হেসে তরজুমানে আমীর বলেন, ব্রাদারফাকার সাকাদারে লইয়া কত মদুর মদুর স্মৃতি। বিস্তারিত বলিয়া লজ্জায় পড়তে চাই না। ছয় বার উনি এমপি নির্বাচিত হইয়াছিলেন। সত, পরিচ্ছন্ন বেক্তি উনি। আলিংগনের সময় উনার বক্ষে মুখ গুজিলেই লাক্স সাবানের গন্ধ পাওয়া যাইত। আদর করিয়া তিনি আমায় পাছাদুজ্জামান বলিয়া ডাকতেন। সেই সাকাদারে ফেসিবাদী বাকশাল লটকাইয়া দিতেছে, ভাবতেই জলে চুখ ভিজে যায়।


ব্রাদারফাকার সাকার কমিটমেন্টের আকার দেখাচ্ছেন আছাদুজ্জামান রিপন

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে ব্রাদারফাকার সাকার কমিটমেন্ট ছিল উল্লেখ করে আছাদুজ্জামান রিপন বলেন, পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ে বসিয়া বসিয়া উনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে বিরাট কমিটমেন্ট চাষ করিয়াছিলেন। পাকিস্তানী খান সেনাদের পুত্র কন্যারা তখন পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়িত লিখিত। উহাদের নিকট উহাদের পিতাগনের কান্ড কারখানা শুনিয়া সালাই লামা কেম্পাসের দেয়াল পতৃকায় একটি প্রবন্ধ লিখিয়া বলছিলেন, মিয়া মিয়ার জায়গায় আছি আব জারা সোনা কাটিয়া লাল বানা দে।

এ সময় আছাদুজ্জামান রিপনের পাশে উপবিষ্ট বৃহত্তর জামায়াতের বিএনপি শাখার অন্যান্য আমীর ওমরাহ বৃন্দ হুহু করে কেদে উঠেন।

নিজের রুমালে অন্যের অশ্রু মুছিয়ে দিয়ে তরজুমানে আমীর বলেন, আজ সালাই লামার এক পদ কবরে, আরেক পদ বিএনপি শাখার স্থায়ী কমিটিতে। এইভাবে যদি একাত্তরের সকল শান্তির পায়রাগুলিরে লটকাইয়া দেওয়া হয়, বিএনপি শাখায় হায়ার করিয়া নেতা আনতে হইবে।

ব্রাদারফাকার সাকাকে সংসদ ভবন প্রাংগনে কবর দেওয়ার আহোভান জানিয়ে আছাদুজ্জামান রিপন বলেন, অতীতে বড় বড় রাজাকার গুলুরে ঐখানেই পুতা হইছে। সালাই লামাই বা বাদ যাইবেন কেনে?

4 Comments to “তিনি ছিলেন সালাই লামা: বিএনপি”

  1. এই সাটিফিকেট পছন্দ না হইলে বলেন, আরেকটা সাটিফিকেট ছাপাইয়া দিতাম। তাই বলিয়া ফাসি দিয়া দিলাইন? হা হা হা 😀

  2. মতিকন্ঠ ইজ বেক ভেভি!!! 😀

  3. ব্রাদারফাকার সাকাকে সংসদ ভবন প্রাংগনে কবর দেওয়ার আহোভান জানিয়ে আছাদুজ্জামান রিপন বলেন, অতীতে বড় বড় রাজাকার গুলুরে ঐখানেই পুতা হইছে। সালাই লামাই বা বাদ যাইবেন কেনে? 😁😜

  4. you use this “আবেগঘন কণ্ঠে” phrase too much. Takes the fun out of the post.

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: