শেখের বেটীর কারনে সংসারে শান্তি নাই: ঘেঁটুপুত্র কাদেরা

নিজস্ব মতিবেদক

নিজের ভাগ্যের পাশাপাশি বাকশালের আমীর প্রধানমন্ত্রী ভাষা কন্যা গনতন্ত্রের মানস কন্যা শেখের বেটী শেখ হাসিনার প্রতি দোষারপ করে ঘেঁটুনাগরিক শক্তির আমীর রংগবীর কাদের সিদ্দিকী ওরফে ঘেঁটুপুত্র কাদেরা বলেছেন, শেখের বেটীর কারনেই এই মধ্য বয়সে আসিয়া সংসার লইয়া বিপদে পড়িয়াছি। উনার কারনেই আমার সংসারে শান্তি নাই।

আজ জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়জিত এক সভায় ঘেঁটুপুত্র কাদেরা এ কথা বলেন। এ সময় তাঁর স্ত্রী নাসরীন সিদ্দিকী তাঁর পাশে বসা ছিলেন।

নিজের ভাগ্যকে দোষারপ করে রংগবীর বলেন, বীর উত্তম আছিলুম। কিন্তু মাঝ বয়সে আতকা কুন জ্বিনে ধরল, চলিয়া গেলাম বৃহত্তর জামায়াতের দিগন্ত টিবিতে রাজাকারের পুটু চাটিতে। আমার স্ত্রী আমায় বাধা দিয়া বলছিলেন, শুন লম্বা গাধা, বীর উত্তম হইয়া তুমি রাজাকারের পুটু চাটিও না। উনার কথা না শুনিয়া আমি গলায় গামছা বান্ধিয়া বলিয়াছিলুম, শুন বাবুর মা কথা কম বলবা। রাজনীতীতে শেষ কথা বলিয়া কিছু নাই। আজ যা ডিম, কাল তাহাই মুরগী। আজ আমি বীর উত্তম, কাল হয়ত হব নিশানে পাকিস্তান। এইবার যাও ভাল করিয়া চিনি গুলাইয়া এক কাপ চা লইয়াস।

হুহু করে কেদে উঠে ঘেঁটুপুত্র কাদেরা বলেন, নিশানে পাকিস্তান ত দুরের কথা, দিগন্ত টিবির নিশানাই এখন আর নাই। রাজাকারদের ঘেটীতে শেখের বেটী ফাসি লাগাইয়া দিল। ঘরের লম্বা গাধা ঘরে ফিরিয়া আসতে গিয়া পাইলাম লাঞ্ছনা বঞ্ছনা গঞ্জনা। বউ আমায় চক্ষু রাংগাইয়া বলল, সত্য করিয়া বল মিনসে তুই কি মুক্তিযুদ্ধা নাকি রাজাকারের ডিম?

এ সময় উপস্থিত শ্রোতাদের মাঝে গুঞ্জন উঠে। এক পর্যায়ে কাদের সিদ্দিকীর পাশে বসা বৃহত্তর জামায়াতের বিএনপি শাখার কুতুবে আমীর ডাক্তার এমাজুদ্দি একটি ১ টাকার মুদ্রা দিয়ে পাশে বসা আবদুল্লাহ আল নোমানকে “শাপলা না শেখ মুজিব” জিজ্ঞাসা করে বাজি ধরেন।

চক্ষু মুছে মেজাজঘন কণ্ঠে রংগবীর বলেন, আমি সালা GUN গলায় না ঝুলাইয়া যদি গান ঝুলাইতুম, বাকশালের মন্ত্রী হইতে পারতুম। কুথাকার কুন মমতাজ জিয়ার নামে গান গাইয়া আজ বাকশালের এমপি। চেস্টা করলে আমি কি জিয়ারে লইয়া দুটু গান বানতে পারতুম না?

আবেগ সংবরন করতে না পেরে ঘেঁটুপুত্র কাদেরা এ সময় ‘জিয়া জ্বলে জাঁ জ্বলে’ বলে গুনগুন করে উঠলে ডাক্তার এমাজুদ্দি ও আবদুল্লাহ আল নোমান টেবিলে তাল দিয়ে তার সংগে গলা মিলান। এ সময় উপস্থিত শ্রোতাদের মাঝে পুনরায় গুঞ্জন উঠে।


পরীনীতী সিদ্দিকী

এক পর্যায়ে নিজেকে সামলে গলায় ঝুলান গামছা দিয়ে নিজের অশ্রু ও এমাজুদ্দির অশ্রু মুছে রংগবীর বলেন, দিগন্ত টিবি শাট ডাউনের পর পরই আমি বউরে গিয়া বললাম, বাবুর মা তুমি পরটা পরে ভাজিও, আগে গিয়া আপার সংগে দেখা করিয়া আস। উনাকে বলবা আমার দীর্ঘ মেয়াদী টাইফইড হইছিল, মাঝে কয়েক বছর কি উল্টুপাল্টা বলছি সেগুলি ধরার কুন দরকারই নাই। বাবুর মা বাবুরে নিয়া আপার সংগে দেখা করতে গেল। কিন্তু আপা দেখা দিলেন না। উহাদের ঘন্টার পর ঘন্টা বাইরে রইদের মধ্যে বহাইয়া রাখলেন। জাতির কাছে আমার প্রশ্ন, ইহা কি ঠিক হইল? টাইফইডের রুগীর ইস্ত্রীর সাথে ইহা কেমন বেবহার?

পুনরায় হুহু করে কেদে উঠে ঘেঁটুপুত্র কাদেরা বলেন, উপযুক্ত বউ অনেকেই পায় না। বীর উত্তম জিয়া পায় নাই। আমিও পাই নাই। তবে ভাল বউ পাইয়াছি। কিন্তু উপযুক্ত বউ যদি পাইতাম, তবে ঘটনা অন্যরকম হইত। উপযুক্ত বউরে শেখের বেটী গেটের বাইরে খাড়া করাইয়া রাখলে সে ফিরিয়া আসনের সময় ভবনের ইট খুলিয়া সংগে নিয়াসত।

পরীনীতী চোপড়ার একটি চিত্র স্লাইডের মাধ্যমে প্রদর্শন করে উতসাহঘন কণ্ঠে রংগবীর বলেন, হায়াত মউত শাদী আল্লাহর হাতে। আপনারা জবরদস্তি করলে না বলব না।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: