Archive for ‘অর্থ ও বাণিজ্য’

September 4, 2016

১০ টাকা কেজির চাল সরবরাহে বিলম্বে সুশীল সমাজের ক্ষোভ

নিজস্ব মতিবেদক

‘খাদ্যবান্ধব’ কর্মসুচীর আওতায় আগামী ৭ সেপ্টেম্বর হতে দেশের ৫০ লাখ পরিবারকে ১০ টাকা কেজিতে মাসে ৩০ কেজি চাল সরবরাহের ঘোষনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে দেশের সুশীল সমাজ।

আজ ইনজিনিয়ারস ইনস্টিটিউটে আয়জিত এক সংবাদ সম্মেলনে আরও দ্রুত এই কর্মসুচী চালু না করায় সরকারকে তিরস্কার করেছেন সুশীল সমাজের প্রতিনিধি গন।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্যে সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আসিফ নজরুল ইঞ্চি বলেন, সরকার আমরার মীর কাশেম ছাহেবকে ফাসি দিল ৩ তারিখ। আর ১০ টেকা কেজির চাল বরাদ্দ শুরু করতিছে ৭ তারিখ হতে। আমরা সুশীলরা, যারা মীর কাশেম ছাহেবের মৃত্যুর পর ইয়াতীম হয়ে গেনু, তারা ৪, ৫ ও ৬ তারিখে কি খাব?

বক্তব্যে মীর কাশেমের পতৃকা নয়া দিগন্তের নিয়মিত লেখক প্রবীন অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী মীর কাশেমের ফাসির ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, আমরা যারা মীর কাশেমের পেপারে দুটু কলম লিখে খাইতুম, তাদের বিকল্প কর্ম সংস্থানের কুন রকম বন্দবস্ত না করিয়াই ফেসিবাদী বাকশাল কাশেম ছাহেবকে ফাসি দিয়া ফেলল। এতে সামাজিক নিরাপত্তা মারাত্মক রুপে বিঘ্ন হইতিছে। এতেই প্রমান হয় যে দেশে গনতন্ত্র নাই।

বিশিষ্ঠ কবি, হেকিমী চিকিতসক ও বোমারু দার্শনিক আল্লামা ফরহাদ মজহার লুংগি বলেন, ভারতীয় হিন্দু হাতি বংগ বাহাদুরকে পযন্ত এই নাস্তেক সরকার আখ ও কলাগাছ সরবরাহ করিয়াছে। অতছ আমরা কয়েক ঘর মুসলমান বুদ্ধিজীবী ৩ সেপ্টেম্বর কাল রাত্রিতে মীর কাশেম ছাহেবের ফাসির পর হতে যে বেকার হইয়া গেলুম, অনাহারে অর্ধাহারে দিন গুজরান করিলুম, উহার দিকে সরকারের কুন খেয়াল নাই। দুর্যগ ও ত্রান মন্ত্রী মায়ার মধ্যে কুন মায়াদয়া নাই। থাকলে সে আমাদের বাড়িতে কাটারিভগ চাউল, মুগ ডাইল, ঘি ও খাসির মাংস পাঠাইত। এমনকি আখ ও কলাগাছ পাঠাইলেও বুঝতাম যে তাহারা আমাদের কথা ভাবে। কিন্তু বিকাল পযন্ত আমরার বাড়িতে কিছুই যায় নাই।

বাংলাদেশের সংবিধানের প্রনেতা দলের অন্যতম সদস্য, খেতনামা আইনজীবী ও দেশের একমাত্র নির্ভরযোগ্য সাংবাদিক ডেভিড বাগমেনের বৈধ শশুড় গন ফোরামের প্রতিষ্টাতা আমীর এবং হাজার রাজনৈতিক জোটের পাটনার বেক্তিত্ব বাংলার সংবিধানের পিতা আতাসংবিধান ড. কামাল হোসেন ওরফে আইনের ময়দানে কিংবদন্তী ফুটবলার কামালহো বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আপসস করে বলেন, ১০ টেকা কেজির চাউল নিয়া আপসস করি না। কিন্তু মীর কাশেমের ফাসির পর আমার বিলাতি জামাতা ডেভিডরে লইয়া টেনশনে আছি। পুনরায় যদি উহার হাতখরচ আমায় যুগাইতে হয়, মালাই লামার নেয় বেংক লুট করা ছাড়া আমার আর কুন উপায় থাকবে না।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে হুহু করে কেদে উঠে কামালহো বলেন, ডেভিডরে ১০ টেকা কেজির চাউলের জন্য রেশন কাড করাইয়া দিব ঠিক করছিলুম, কিন্তু সালা ঘোচু শুদু পাস্তা পিজ্জার জন্যি কান্নাকাটি করে।

উপস্থিত সুশীলদের সান্তনা দিয়ে জাহাংগীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতীর অধ্যাপক ও তেল গেস খনিজ বন্দর বিদ্যুত রাজাকার বাচাও আন্দুলনের আমীর ‘আওলাদে মাও’ আল্লামা আনু মুহাম্মদ বলেন, আপনারা আমার সংগে নিকটস্থ চরে চলেন। কাটারিভগ চাউলের ভাতের বন্দবস্ত হবে। তবে বিনিময়ে বন্দুক চালনা ও তাইকেন্দু শিখতে হবে।

 

August 6, 2016

মাইলসকে জংগী প্রশিক্ষন দিব: আনু

নিজস্ব মতিবেদক

বাংলাদেশের বিখ্যেত বেন্ড সংগীত দল মাইলসকে জংগী প্রশিক্ষন দানের ঘোষনা দিয়ে রাজনীতীর মাঠে আলড়ন তুলেছেন জাহাংগীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতীর অধ্যাপক ও তেল গেস খনিজ বন্দর বিদ্যুত রাজাকার বাচাও আন্দুলনের আমীর ‘আওলাদে মাও’ আল্লামা আনু মুহাম্মদ।

বৃহস্পতি বার বাম মর্চা আয়জিত এক বিবিধ প্রতিবাদ সভায় বক্তিতা কালে এ ঘোষনা দেন আওলাদে মাও।

বক্তিতায় আল্লামা আনু বলেন, আপনাদের এই সভায় আসার পুর্বে বাসদের তালেব শাখা সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট আয়জিত আরেকটি সভায় আমি বক্তিতা দিয়াসছি। ঐ সভায় বলছি, কাজের অভাবে পুলাপান জংগী হইতেছে। আপনাদের এইখানে আসিয়া উল্টা কথা বলতে ত পারি না। তাই একই কথা এইখানেও কব। ফেসিবাদী বাকশাল সরকার কাজ দিতে পারে না বলিয়াই দেশে জংগীর এমন বাম্পার ফলন ফলতিছে।

এ সময় উপস্থিত দর্শকরা তুমুল হাততালি দিয়ে আওলাদে মাওকে উতসাহ দেন।


কতিপয় বেকারের সামনে আওলাদে মাও

আবেগঘন কণ্ঠে আওলাদে মাও বলেন, আগে বেকার হইলে পুলাপান বাসদে ঢুকত। এখন গিয়া ঢুকতিছে হিযবুদ তাহরীর, জেএমবি, আনসারুল্লা, প্রভৃতি সংগঠনে। কেন এমন হতিছে? কারন বাসদ ঐ বেকারদিগকে উপযুক্ত জংগী প্রশিক্ষন দিতে বের্থ। আর একবিংশ শতাব্দীতে কুন বেকারই বিনা প্রশিক্ষনে ফাও বসিয়া থাকবে না।

বাষ্পরুদ্ধ কণ্ঠে আল্লামা আনু বললেন, এইটুক পযন্ত বলার পরই বাসদের আমীর ঐ খালকাটা খালেক আমায় ঘেটী ধরিয়া মাইকের সম্মুখ হইতে সরাইয়া আনিয়া বলল, আওলাদে মাও তুই পুলাপানের সামনে এইসব বলিয়া খাটনি বাড়াইতেছিস কেনে? আদর্শের কথা বল নয়ত যা গিয়া। এই আচরন তার নিকট হইতে আশা করি নাই। তাই পুনরায় মাইক নিয়া বললাম, শুদু কাজের অভাবেই নহে, ভালবাসার অভাবেও পুলাপান জংগী হয়। তুমরা সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট নিয়মিত ভালবাসা কর ত?

হুহু করে কেদে উঠে আওলাদে মাও বলেন, সাদা মনে এই কথা জিগানর পরপরই ফ্রন্টের সভায় যেন ঠাডা আসিয়া পড়ল। যুবক যুবতী পরস্পরের পানে তাকাইয়া হুহু করিয়া কাদিয়া উঠল। খালেক সালা আমায় পুনরায় ঘেটী ধরিয়া চক্ষু রাংগাইয়া বলল, জানস না দুই দিন পরপর যৌন বেপার লইয়া আমার সাধের বাসদ ভাংগিয়া দুই তিন টুকরা হয়? তবে কেনে এই জিনিস ঘাটস?

আল্লামা আনুর বক্তব্যের এ পর্যায়ে সভায় উপস্থিত দর্শকদের মাঝে গুঞ্জন উঠে। কতিপয় বেয়াড়া দর্শক ডাক্তার রোকন, মোক্তার তাকী, ডেন্টিষ্ট তুষার, আইটি সুজন প্রভৃতি পেশায় বেস্ত বিবাহিত জংগীর উদাহরন দিলে আওলাদে মাও রাগারাগি করে বলেন, বেতিক্রম ত দুই তিনশ থাকবেই। পাকনা কথা না বলিয়া চুপ করিয়া বস, যা বলি শুন।

অতি সম্প্রতি ভারতের কলকাতা নগরীতে বেন্ড সংগীত পরিবেশন করতে গিয়ে বয়কটের স্বিকার মাইলস বেন্ডের উদাহরন দিয়ে আওলাদে মাও বলেন, হমীন হুজুর ও শফীন হুজুর, উভয়েই নিজ নিজ গনতান্ত্রিক অধিকার চর্চা করতে গিয়া হিন্দুস্থানের পুটু মারিয়া ফেসবুক ষ্টেটাস দিত। ইহাতে ফেসিবাদী হিন্দুস্থানীরা চেতাচেতি করিয়া উহাদিগের রিজিকে হাত দিছে। মাইলস আর কলকাতায় কনসাট করিতে পারবে না। দেশেও শাহাবাগী ফেসিবাদের পর হইতে আজ ইস্তক সরকারের গুপন ইশারায় উহাদের রোজগার বন্দ। বেকারত্বের অভিশাপে মাইলস আজ জর্জরিত। মাইলসের শিল্পিরা বয়সে আমারও মুরুব্বি, এই বয়সে ভালবাসা পাওয়া অসম্ভব না হইলেও কঠিন। তাই কাজ ও ভালবাসা, উভয়ের অভাবে উহাদের জংগী হওয়া ছাড়া আর কুন উপায় নাই। আমি হমীন হুজুর ও শফীন হুজুরকে অবিলম্বে নিকটস্থ চরে গিয়া জংগী প্রশিক্ষন লওয়ার আহোভান জানাইতেছি। প্রয়জনে আমি নিজে উহাদের বন্দুক চালনা ও তাইকেন্দু শিখাব।

হাসতে হাসতে আওলাদে মাও বলেন, রুপম ইসলাম নামক নখড়াবাজটিকে কুপাইতে পারলে ভাল হইত। কিন্তু সে মুসলমান, তাই তার গুটিবাজীর শাস্তি মালাউন হেমন্ত মুখপাধ্যায়কে দেওয়া হবে। মাইলস শিঘ্রই কলকাতায় গিয়া হেমন্তরে কিসাস করবে।

এ সময় উপস্থিত দর্শকরা হেমন্ত মুখপাধ্যায়ের মৃত্যু সংবাদ তুলে ধরলে আল্লামা আনু পুনরায় রাগারাগি করে বলেন, ভাল কাজে বাগড়া দেওয়ার জন্য আগে আগে মরিয়া গেল সালা। সুমন চট্টপাধ্যায়ের কি খবর, সে কি বাচিয়া আছে?

সুমন চট্টপাধ্যায় ইসলাম গ্রহন করে সুমন কবীর হয়েছেন শুনে আওলাদে মাও আরও রাগারাগি করে বলেন, তাইলে অঞ্জন দত্ত আর নচিকেতারেই কুপাব। এর মদ্যে মুসলমান হবি না খবরদার।

দর্শকদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এলে লড়াকু কণ্ঠে আল্লামা আনু বলেন, একটি বেকারও যেন বেকার না যায়। হয় বাসদে ঢুক, নতুবা আমাদের জাতীয় কমিটির হইয়া খেদমত খাট, নয়ত জংগী হইয়া যাও। মানি ইজ নট এ প্রবলেম।

এ সময় মঞ্চে উপস্থিত বক্তা ১১০% অরাজনৈতিক সংগঠন ‘নিখিল বাংলাদেশ জুনাইদ সংঘ’ এর নায়েবে আমীর জোনায়েদ সাকী আওলাদে মাওয়ের কানে কানে কিছু বলার পর তিনি নিজেকে সংশধন করে বলেন, একটু আগে ব্রাদারফাকার সাকার পুত্র হুকারে ডিবি ঘোচুর দল ধরিয়া লইয়া গেছে। মানি ইজ এ প্রবলেম নাউ। আপনারা সামনে কয়দিন একটু অল্প খাইয়া অভ্যাস করেন।

July 25, 2016

সরকার বিএনপি শাখাকে যৌন হয়রানী করছে: ফখা

নিজস্ব মতিবেদক

সম্প্রতি হাইকুটের রায়ে টাকা পাচারের মামলায় বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার আওলাদে আমীর, জাতীয়তাবাদী শক্তির ভবিষ্যত মালিক ও বর্তমান আমীর এট লার্জ ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের যোগ্য উত্তরসুরী পলাতক চিকিতসাধীন তরুন নেতৃত্ব মিষ্টার ফিপটিন পারসেন্ট বড় গনতন্ত্র বড় গুন্ডে লাদেন-এ-লনডন তারেক জিয়ার সাত বছরের জেল ও বিশ কুটি টেকা জরিমানা হওয়ার প্রতিবাদে জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে বৃহত্তর জামায়াতের বিএনপি শাখার ঢাকা মহানগর পাতিশাখা আয়জিত এক এত্রাজ মহাফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি শাখার ভাঁড়প্রাপ্ত নায়েবে আমীর, জাতীয়তাবাদী শক্তির ‘কমপ্লান বয়’, লনডনে পলাতক চিকিতসাধীন আওলাদে আমীর বড় গুণ্ডে কতৃক ‘হাইড এন্ড সিক’ গালিতে ভুষিত ও ঈদুল কতলের টেলেন্ট হান্ট প্রতিযোগীতায় ‘ফ্লেয়ার এন্ড লাবলি’ খেতাবে সমাদৃত মির্জা বাড়ির বড় গৌরব আল্লামা মির্জা ফখরুল ইসলাম আগুনগীর ওরফে ফখা ইবনে চখা বলেছেন, সরকার বিএনপি শাখারে যৌন হয়রানী করা শুরু করছে।

বক্তব্যের মঞ্চে উঠে আগুন ঝরা বক্তিতায় আগুনগীর বলেন, হাইকুটের এই রায় প্রমান করে, সরকার বিএনপির বুকে হাত দিছে। ইতিপুর্বে তারা বেংককে পলাতক ছুট গনতন্ত্র আল্লামা আরাফাত কোকোরেও সাত বতসরের জেল আর উনিশ কুটি টেকা জরিমানা করছিল। সেই রায়ের হয়রানীতে আমরার ছটে মালিক তিলে তিলে কাহিল হয়ে একদিন ইনতেকাল ফরমাইতে বাধ্য হন। আমি তখন বলছিলাম, ফেসিবাদী বাকশাল সরকার বিএনপির বাম বুকে হাত দিল।

হুহু করে কেদে উঠে কমপ্লান বয় বলেন, ছুট গনতন্ত্র বেংককে পলাতক থাকায় তার সাজা লইয়া কুন উচ্চবাচ্চ হয় নাই। ইন ফেক্ট উনি দেশে থাকলেও হইত না। রাজনীতীর ময়দানে উনি আছিলেন দুদভাত। কিন্তু সরকার দুদভাতে হাত দেওনের পরেও আমরা উপযুক্ত পরিমানে মনির পুড়াইতে কামিয়াব হই নাই। আর এতে করিয়া বখাটে বাকশালের সাহস আরও বাড়িয়া গেছে। তার নমুনা আপনারা এখন দেখতেছেন, কেমনে হাইকুট বড়ে মালিকরেও সাত বতসরের জেল আর বিশ কুটি টেকা জরিমানা করিয়া দিল। আমি এখন বলতেছি, ফেসিবাদী বাকশাল সরকার এখন বিএনপির ডান বুকেও বুংগী বাজাইয়া দিল।


ফুটন্ত ফখরুল

অশ্রু মুছে পুনরায় আগুন ঝরা বক্তব্যে ফ্লেয়ার এন্ড লাবলি বলেন, হাইকুটের এই রায়ে প্রমান হইছে, সরকারের চোখে বিএনপির দুই বুকের মধ্যে পার্থক্য মাত্র এক কুটি টেকার। অতছ আমরা জানি, বিএনপি শাখার দুই বুক কখনই সমান নহে। বাম বুক আরাফাত কোকো রাজনীতীর ময়দানে কেইরা নাইটলি, আর ডান বুক তারেক জিয়া কিম কারদাশিয়ান। কিন্তু কথা সেটা নহে। কথা হচ্ছে সরকার বিএনপির বুকে হাত দিয়া দিছে। অতছ আমরা কি করতেছি? হাম লগ ত চীনা বাদাম চাবা রাহা হু। ১৯৫২ সালেও হাম লগ চীনা বাদাম চাবা করতা থা, ১৯৭১ সালে ভি। এখন পযন্ত আমরা চীনা বাদাম চাবাকে চলতা হু। এইভাবে চলবে না ভাইলগ। বুকের রক্ত দিয়া অধিকার আদায় করতে হবে।

এ সময় মিলনায়তনে গুঞ্জন উঠলে হাইড এন্ড সিক নিজেকে সংশোধন করে বলেন, এই বুক বিএনপির বুক নহে, নিজের বুক। রক্ত দিলে নিজের বুকের রক্তই দিতে হবে, বিএনপির বুক ওরফে বড় গনতন্ত্রের রক্ত আপাতত এভিলেবিল নহে। এই বিষয়ে সংশয়ের কুন অবকাশই নাহি মিলেংগে।

সামনে কঠিন দিনের প্রতি ইংগিত করে ফখা ইবনে চখা বলেন, ডান বুক বাম বুক দুই বুকেই সরকার হাত দিয়া দিল। সামনে মহিলা আমীরের ইয়াতীমের টেকা মারার কেসেও রায় হবে, মনির পুড়ানির মামলায় আমরা যারা নায়েবরা আছি তাদেরও রায় হবে। সরকার বিএনপির অবশিস্ট বুকগুলুরেও হাতাফাই করিবে। যে করিয়াই হউক উহা ঠেকাইতে হবে। তা না হলে এনি বুলু টুকু ফালু প্রভৃতি নাবালকদের হাতে বিএনপি শাখার মালিকানা চলে যাবে।

বিএনপির বুকের সংখ্যা দুই এর অধিক কেন, মিলনায়তনে এ প্রশ্ন গুঞ্জন আকারে ছড়িয়ে পড়লে রাগারাগি করে আগুনগীর বলেন, ফেক্ট দিয়া আমার সুন্দর থিউরিটারে বরবাদ করতে চাও কেনে? চুপ করিয়া সীটে বসিয়া যা বলি শুন।

অবিলম্বে এ যৌন হয়রানীর বিরুদ্ধে তিব্র আন্দলন গড়ে তুলার আহোভান জানিয়ে ফখা বলেন, সরকার যা করছে, কুন ইসলামী কানটৃতে তাহা করলে সরকাররে মাজা পযন্ত মাটিতে গাড়িয়া পাত্থর মারা হইত। কিংবা সরকাররে একশত দররা মারা হইত। দিনকাল যা পড়ছে, তাতে সরকাররে কিসাস করলেও কেহ আপত্তি করত না। কিন্তু আমরার দেশে সালা নাছারাদিগের প্রবর্তিত গনতন্ত্র চলে, তাই উহার আলকে আমার ফয়সালা একটিই।

আবেগঘন কণ্ঠে ফখা ইবনে চখা বলেন, সরকারকে বিএনপি শাখার সংগে বিবাহ দিয়া দিতে হবে।

July 24, 2016

জঙ্গীবাদের পথ থেকে ফিরে আসার ঘোষনা দিলেন জাফরুল্লা

নিজস্ব মতিবেদক

জঙ্গীবাদের পথ থেকে ফিরে আসার ঘোষনা দিয়ে রাজনীতীর ময়দানে চাঞ্চল্যের সৃস্টি করেছেন জাতীয়তাবাদী শক্তির বেড বয় ও জামদানীর সমঝদার ডাক্তার জাফরুল্লা।

শনিবার দিবাগত রাত্রে নিজ বাসভবনে আয়জিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ চাঞ্চল্যকর ঘোষনা দেন ডাক্তার জাফরুল্লা।

সংবাদ সম্মেলনে জাতীয়তাবাদী শক্তির বেড বয় বলেন, জঙ্গীবাদ এক ধরনের প্রতিবাদ। ফেসিবাদী বাকশাল সরকারের নিষ্ঠুর পুলিশের অত্যাচারে দিশাহারা নিপীড়ীত মজলুম জনতার পুলাপানই জঙ্গীবাদের মাধ্যমে প্রতিবাদ জানাইতেছে। আর আপনারা জানেন, আমিও একজন চির প্রতিবাদী। তাই এই জালেম সরকারের বিরুদ্ধে আমিও জঙ্গীবাদের পথে রওনা দিয়াছিলুম। কিন্তু আজ আমি সেই পথ হতে ফিরত আসার ঘোষনা দিলুম।

উপস্থিত সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আবেগঘন কণ্ঠে জাফরুল্লা বলেন, জঙ্গীবাদ যে প্রতিবাদ, এই থিউরি দিলে তুমাদের এত পুটু জ্বলে কেনে? জঙ্গী নিরবাস, জঙ্গী রোহান, জঙ্গী মবাশ্বেরের পিতাদের কুনদিন পুলিশ পিটায় নাই, এই ফেক্ট দিয়া তুমরা আমার সুন্দর থিউরিতে মুতার জন্য এত বেচেইন কেনে? আর তুমরা কেমনে জান কারা তাদের আসল পিতা? হয়ত গুপনে গুপনে জাতীয়তাবাদী শক্তির জাতির পিতা জয়নাল আবেদীন ফারুকই তাদের আসল পিতা। আর কে না জানে যে জয়নাল আবেদীন ফারুকরে হারুন এসপি অতীতে পিটাইয়া পাউডার বানাইয়াছিল?

জঙ্গীবাদের পথ হতে ফিরে এলে রেব কতৃক দশ লক্ষ টাকা পুরস্কারের ঘোষনা তাকে কোন প্রকারে এ সিদ্ধান্ত নিতে অনুপ্রেরনা দিয়েছে কিনা জানতে চাইলে প্রতিবাদঘন কণ্ঠে বেড বয় বলেন, রিজিক আল্লাহর হাতে। পিয়াস করিম হাগু, ফরহাদ মজহার লুংগি ও আসিফ নজরুল ইঞ্চি আমায় পাচ লক্ষ টেকার প্রলভন দেখাইয়া জঙ্গীবাদের রাস্তায় টানিয়া লইয়া গিয়াছিল। অতছ আজ জঙ্গীবাদের রাস্তায় উল্টাদিকে হাটা ধরায় রেব আমায় দশ লক্ষ টেকা দিবে। তবে এই টেকার সাথে আমার সিদ্ধান্তের কুন সম্পর্ক নাই।


ফিরে এল খোকা

সাংবাদিকরা সিদ্ধান্তের পিছনে আসল কারন জানতে চাপাচাপি করলে এক পর্যায়ে হুহু করে কেদে উঠে জাফরুল্লা বলেন, এস আই টুটুলের গান “ফিরে আয় খোকা” শুনিয়া আমি জঙ্গীবাদের রাস্তা হতে ফিরিয়া আসার ডিশিশনটা লইছি। এইভাবে ডাকলে কুন জঙ্গী না ফিরিয়া পারে? যদিও আমি খোকা নহি, কিন্তু আমি বোকাও নহি। এখন রেব পুলিশ বিজিবি মাইর শুরু করছে। এই মাইরের সিজনে জঙ্গীবাদ দিয়া প্রতিবাদ করে কাচ্চে খিলাড়িরা। আমি কাচ্চে নহি, পাক্কে।

কিন্তু উপস্থিত সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে এক পর্যায়ে জাফরুল্লা নতি স্বিকার করে বলেন, শাকিলা জাফরের কারনেই আমি জংগী হইয়াছিলুম।

শাকিলা জাফর কি করেছিলেন জানতে চাইলে অভিমানঘন কণ্ঠে জাফরুল্লা বলেন, কাজী জাফরের ইন্তেকালের পর যখন আমি নিপীড়ীত জাফর ঐক্যের আমীরের দায়িত্ব লইলাম, তখন একদিন গভীর রাত্রে শাকিলা জাফররে মুঠফুন মারিয়া কইলুম, কি গ শাকিলা জাফর কাইফা হালুকা? চল একদিন লিরিবিলি অন্তাকশরী খেলি। সে তখন আমায় বকাবকি করিয়া বলল, মিনসে আমি আর জাফর নাই, শর্মা হইয়া গিয়াছি। জাফরদের সংগে আমি এখন আর কথা বলি না। নাম পাল্টাইয়া শর্মাউল্লা হইতে পারিস যদি, তবেই কেবল রাত্রকালে মুবিলে কল দিস।

হুহু করে কেদে উঠে বেড বয় বলেন, অতছ আমি সেই এরশাদের আমল হতে তক্কে তক্কে আছিলুম। আমি মিথুন রাশির ছেলে, আর সে তুলা রাশির মেয়ে। কিন্তু পিশাচীনী শাকিলা কুন এক শর্মা হাউসের মালিকরে বিবাহ করিয়া শর্মা হইয়া গেল। তাই রাগে দুঃখে আমি ঠিক করলুম, এর প্রতিবাদে আমি জঙ্গী হইয়া যাব।

জঙ্গী জীবনে নিজের নাম পাল্টানোর কথা জানিয়ে জাফরুল্লা বলেন, আমার জঙ্গী নাম আছিল “আবু গনতন্ত্র।” এই নাম লইয়াই শাকিলারে জঙ্গী চুম্বন চুমাইয়া আইএসের ঘাড়ে দায় ফালানর পরিকল্পনা লইছিলুম। কিন্তু আজ সিদ্ধান্ত লইলুম, বহুত হুয়া, জঙ্গীবাদের পথে আর নহে। জাফর নামেই শাকিলারে যা করার করব। পিশাচীনী তুলা রাশি শাকিলার শর্মানুভুতি আমি তুলাধুনা করিয়া ছাড়ব।

এত নাম রেখে কেন “আবু গনতন্ত্র” নাম নিলেন, এ প্রশ্নের সরাসরি উত্তর না দিয়ে লজ্জায় দুহাতে মুখ ঢেকে রহস্য করে বেড বয় বলেন, জামদানীতে মেডামকে যা সুন্দর লাগে না!

%d bloggers like this: