Archive for ‘শিল্প ও সাহিত্য’

September 9, 2016

পুটুন এখন ভল্ডামটের নেয় ভয়ংকর: বাফুফে

ক্রীড়া মতিবেদক

কুরবানীর সিজনে লোকাল নন এসি বাসে অনুর্ধ-১৬ ফুটবল দলের বিজয়ী খেলয়াড় মেয়েদিগকে ময়মনসিংহে কলসিন্দুরে ফিরত পাঠানর অভিযগের জবাবে প্রভাবশালী এলাকা কারওয়ানবাজারের উপসর্দার ও আইভরী কোষ্ট ফিরত উপন্যাসিক ‘মা’র্কেজে কারওয়ানবাজার’ কুফামাষ্টার আল্লামা আমিষুল হক পুটুনদার বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযগ করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন ওরফে বাফুফে।

আজ নিজ কার্যালয়ে আয়জিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাফুফে এ অভিযগ করে।

সংবাদ সম্মেলনে বাফুফে সভাপতি ও সাবেক কৃতি ফুটবলার কাজী সালাউদ্দি বলেন, যা ঘটেছে, সবই কুফামাষ্টার পুটুনদার লীলে। ওতে আমরার কুন হাত নাই।

আবেগঘন কণ্ঠে কাজী সালাউদ্দি বলেন, কয়েক দিন পুর্বে একটি ভয়ানক বেপার আমরার দৃস্টি গচর হয়। কুফামাষ্টার পুটুন ষ্টেডিয়ামে একটি সেলফি ষ্টিক লয়ে আমাদের গর্ব অনুর্ধ ১৬ বালিকা দলের সদস্যদিগের দিকে গুটি গুটি পায়ে আগাইয়া যাইতিছে। আমরা কুন প্রতিরধ গড়ার আগেই সে মেয়েগুলুকে বগলদাবা করিয়া খচাখচ কয়েকটি সেলফি তুলিয়া লিল। আমরা কুন প্রকার বাধা দানের পুর্বেই নির্মম পুটুনদা সেলফিগুলু উহার ফেসবুকে আপ করিয়া দিল।

হুহু করে কেদে উঠে সালাউদ্দি ফুটবলার বলেন, তার পর সব ইতিহাস। কুথা হতে কি হল কিছুই পরিষ্কার মনে নাই। আবছা আবছা শুদু মনে আছে, একটি লোকাল নন এসি বাসে আমরার বাচ্চা বাচ্চা মেয়েগুলুকে মহাখালী বাস ষ্টেন্ড হতে অজানার পানে তুলিয়া দিতিছি। উহারা টেনশনে কান্নাকাটি করিয়া বলতিছে, ছার এত লম্বা জারনি আমরা বাচ্চা কতগুলু মেয়ে পথ ঘাট চিনি না গরমের মদ্যে এসি নাই এখন কি হবে? জবাবে আমি আবেগঘন কণ্ঠে বলতিছি, পুটুনদার সংগে সেলফি উঠিয়া গেছে রে এখন তুদের আল্লাহর হাতে তুলিয়া দেওন ছাড়া করার কিছু নাই। এয়ার দিছেন যিনি রে মন কন্ডিশন করবেন তিনি।

ক্ষোভঘন কণ্ঠে বাফুফে সভাপতি বলেন, পুটুনদার প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের নেয় ভয়ংকর হইয়া উঠছে। বন্যা খরা জলচ্ছাস ভুমিকম্প মহামারী সুনামী দাবানলের নেয় কুফামাষ্টার পুটুনও এখন একটি অপ্রতিরধ্য শক্তি। উহার নেয় পিশাচী শক্তি এ যাবত আর একজনের মধ্যেই দেখছি, আর সে হইতিছে ডার্ক লড ভল্ডামট।

আবারও কেদে ফেলে সালাউদ্দি বলেন, ফুটবলে বাচ্চা বাচ্চা মেয়েগুলুকে ডিফেন্স শিখাই। কিন্তু পুটুনদার মকাবিলা করতে হইলে শিখাইতে হইবে ডিফেন্স এগেনষ্ট দি ডার্ক আটস। উহা কে শিখাইবে?

এক প্রশ্নের জবাবে বুক চাপড়ে কেদে উঠে বাফুফে সভাপতি বলেন, বাফুফের সভাপতি নির্বাচনে আমি নরসিংদীর এমপি কামরুল আশরাফ পোটনকে পরাজিত করছি দেখিয়া তুমরা আমায় পুটুনের মকাবিলা করতে বল? কুথায় পোটন আর কুথায় পুটুন?


ডার্ক লড ভল্ডাপুটুন (সবুজ পাঞ্জাবী পাকনা চুল নংরা হাসি)

এদিকে ময়মনসিংহের কলসিন্দুরে গোলরক্ষক তাসলিমার পিতা সবুজ মিয়া স্থানীয় ইস্কুলের ক্রীড়া শিক্ষক জবেদ আলীর হাতে আহত হয়েছেন। এ বেপারে তার সংগে যোগাযোগ করলে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, জবেদ আলী কলসিন্দুরের ফুটবলার মেয়েদের ইস্কুল হতে বিতাড়নের হুমকী দিয়ে আমার উপর চড়াও হয়। আমি প্রতিবাদ করলে সে আমায় মারতে মারতে বলে, কুফামাষ্টার পুটুনদার সংগে তাসলিমার সেলফি উঠিয়া গিয়াছে, এখন হতে তুমায় এরুপ মাইরই খাইতে হইবে।

এদিকে লোকাল বাসে করে মেয়েদের গ্রামে ফিরত পাঠান নিয়ে সারা পৃথীবির বাংলাদেশীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃস্টি হয়েছে।

এ বেপারে আমিষুল হকের সংগে যোগাযোগ করলে তিনি হাসতে হাসতে বলেন, আর্জেন্টিনা ব্রাজিল গেল তল কলসিন্দুর কয় কত জল। কৃকেট টিমে এমন কুন পেলেয়ার নাই যারে কুফাফাই করি নাই। মেয়ে বলিয়া ফুটবলারগুলুকে ছাড় দিব কেনে? কলসিন্দুরের কলসে ইন্দুর হইয়া তাই কয়েকটি সেলফি তুলিয়ালাইলুম। সেই সাথে প্রত্যেক পেলেয়ার মেয়ের নিকট এক কপি করিয়া ফৃডম’স মাদার বিক্রয় করছি।

ভবিষ্যতে পুটুনদার কুফা হতে কিভাবে ফুটবলারদের রক্ষা করা হবে, এ প্রশ্ন নিয়ে পুনরায় বাফুফের সংগে যোগাযোগ করা হলে মুঠফুনে কাজী সালাউদ্দি কাদতে কাদতে বলেন, সাস্থ্যকে রক্ষা করে লাইপবয়, লাইপবয় যেখানে সাস্থ্য সেখানে, লাইপবয়য়য়য়য়!

 

July 26, 2016

কেমনে বুঝব তারা জঙ্গী আছিল: হান্নান

নিজস্ব মতিবেদক

সোমবার দিবাগত রাত্র হতে মঙ্গলবার ভোর পযন্ত ঢাকার কল্যানপুরে চালানা পুলিশী অভিযান “অপারেশন ষ্টম ২৬”-এ নিহত ৯ জংগী প্রকৃত জংগী কিনা, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে বৃহত্তর জামায়াতের বিএনপির শাখার স্থায়ী কমিটির সদস্য ও আপদ কালে বিজেপি নেতা অমিত শাহের ডাবল রোল বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) আ স ম হান্নান শাহ বলেছেন, কেমনে বুঝব তারা জঙ্গী আছিল?

আজ পুরানা পল্টনে বাংলাদেশ ফট জার্নালিষ্ট এশশিয়েশন মিলনায়তনে এক আলচনা সভায় প্রধান অতিথীর বক্তব্যে বিগ্রেডিয়ার হান্নান বলেন, সকালে ঘুম হতে উঠিয়া মনিং ওয়াক করিয়া বাসায় ফিরিয়া চা নাস্তা খাইয়া টিবিটা খুলিয়াই শুনলাম কল্যানপুরে পুলিশের হাতে ৯ জঙ্গী নিহত। শুনিয়াই বুঝলুম, ডাল মে বহুত কালা হায়। আমি সেনা বাহীনীতে আছিলাম, আমি এগুলি বুঝি।

সন্দেহঘন কণ্ঠে হান্নান শাহ বলেন, গুলশানে আছিল মাত্র পাচখান জংগী। তারা বুমা মারিয়া দুই পিস পুলিশ মারিয়ালাইল। দেশী বিদেশীও মারল বিশ পিস। কিন্তু রেব পুলিশ বিজিবি কুন সালা উহাদের গিয়া কানে ধরিয়া এরেষ্ট করার সাহস পাইল না। চিপায় খাড়াইয়া তারা সারা রাত গুজরান করিয়া দিল। জংগীরা আরামে রেষ্টুরেন্টে বসিয়া পিজ্জা পাস্তা পেটিস দিয়া সেহরী খাইল। আমি তখন মেডামকে মুঠফুন মারিয়া বললাম, মেডাম দেখিয়ে, ইয়ে হায় জংগী জেয়সা জংগী। চার পাচজন অন্দর মে পিজ্জা চাবা করতা, অর চার পাচ শ রেব পুলিশ বিজিবি বাহার মে ডরে কাপতা।

হাসতে হাসতে বিগ্রেডিয়ার হান্নান বলেন, সকালে সেনা বাহীনীর কমান্ডুরা আসিয়া টেংক কামান দিয়া পাচ পিস জংগীরে গুলিতে ঝাঝরা বানাইয়া বাইরে আনিয়া ফালাইল। কাজেই আমরা কি বুঝলাম? আসল জংগীরে পুলিশ দিয়া মারা সম্ভব নহে। উহার জন্য কমান্ডু লাগে। আমি সেনা বাহীনীতে আছিলাম, আমি এগুলি বুঝি।

পুলিশের প্রতি নিন্দাবাদ জানিয়ে হান্নান শাহ বলেন, পুলিশের হাতে এত বড় বড় বন্দুক কেনে? পুলিশের হাতে থাকবে লাঠি, মুখে থাকবে বাশি। তাহারা ছিচকা চোর পাকড়াও করিবে, রিকশাওলার মাজায় বাড়ি দিয়া মাঝে মধ্যে দশ বিশ টেকা ঘুষ খাইবে। হলিউডি বন্দুক হাতে ঘুরে এ কেমন পুলিশ?


হান্নান সেনা বাহীনীতে ছিল, সব বুঝে

স্মৃতিঘন কণ্ঠে হান্নান শাহ বলেন, একাত্তরের রেম্ব জিয়াউর রহমান ও পল্লীবন্ধু এরশাদের আমলে আমি সেনা বাহীনীতে আছিলাম, আমি এগুলি বুঝি। প্রকৃত জংগীরা হয় সবল, সুঠাম, সটান। পুলিশের হাতে গুলি খাইয়া কুন প্রকৃত জংগী ইন্তেকাল ফরমাইতে পারে না। অতএব কল্যানপুরের ৯ মুর্দা জংগী হতে পারে না। হয়ত উহারা পুলিশের উপর গ্রেনেড মারছে। হয়ত উহারা পুলিশের উপর গুলি চালাইছে। হয়ত উহারা জংগী বেনার ও জংগী লেবাস পড়িয়া একশনে গেছে। কিন্তু এইসব করলেই উহাদের জংগী বলিয়া চালাইয়া দিলে আমরা মানব না। জুয়ান বয়সে পুলিশের গায়ে একটু গ্রেনেড একটু গুলি কে না মারে? আমি সেনা বাহীনীতে আছিলাম, আমি এগুলি বুঝি।

পুলিশের প্রতি রাগারাগি করে বিগ্রেডিয়ার হান্নান বলেন, সালারা রাত বিরাতে গিয়া বাড়ির দরজা বাইড়াও কেনে? যে কুন ভদ্রলুকই ত রাত্রকালে পুলিশ আসিয়া দরজা বাইড়াইলে গ্রেনেড মারবে, গুলি চালাইবে। আমার বাড়িতে কুনদিন রাত্রকালে আসিয়া দরজা বাইড়াইলে আমি ষ্টোররুমে মজুদ করা সব কয়টি আর্জেস গ্রেনেড ফিক্কা মারব আগেই বলিয়া রাখলুম।

কল্যানপুরে নিহত ৯ যুবকের সংগে গুলি বিনিময়ের নিন্দা জানিয়ে হান্নান শাহ বলেন, উহারা নাহয় গুলি গ্রেনেড মারল, তাই বলিয়া তুমরাও পাল্টা গুলি চালাইবা কেনে? মাইকে ভলিউম বাড়াইয়া এস আই টুটুলের “ফিরে আয় খোকা” ছাড়লেই ত উহারা সুন্দর নিচে নামিয়া দরজা খুলিয়া দিত। সালা ঘোচুর দল গানের বদলে GUN চালাও কেনে?

October 30, 2015

বিএনপি শাখায় শুদু লাঞ্ছনা বঞ্ছনা গঞ্জনা: শমশের

নিজস্ব মতিবেদক

রাজনীতী হতে অবসর নেওয়ার ঘোষনা দিয়েছেন বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার নায়েবে খারিজি, বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার মহিলা আমীর ও জাতীয়তাবাদী শক্তির মালিক আপোষহীন দেশনেত্রী মাদারে গনতন্ত্র বেগম খালেদা জিয়া জেএসসির বিলায়েত বিষয়ক উপদেস্টা সাবেক পর রাস্ট্র সচিব ও মনির পুড়ান আন্দুলনের অন্যতম কর্নধার আল্লামা মেজর (অব.) শমশের মবিন চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার নিজ বাসভবনে আয়জিত এক সংবাদ সম্মেলনে রাজনীতী হতে অবসরের ঘোষনা দেন আল্লামা শমশের।

উপস্থিত সাংবাদিকদের হাতে তিনটি দরখাস্তের ফটকপি বিতরন করে আল্লামা শমশের বলেন, পচাত্তরের ১৫ আগষ্ট হতেই আমি বৃহত্তর জামায়াতের বিএনপি শাখার প্রতিষ্ঠাতা আমীর একাত্তরের রেম্ব ও পচাত্তরের টার্মিনেটর জেনারেল রাজ জেনারেল জিয়াউর রহমানের ঘনিস্ট সহচর। একাত্তরে তার অধীনে মুক্তিযুদ্ধ করে শরীলে বেথা পাইছিলাম। কিন্তু বাকশাল সরকার আমার বেথার কুন মুল্যায়ন করে নাই। পর রাস্ট্র মন্ত্রনালয়ে কামাল হোসেনের কামলা বানাইয়া একটি টেবিল ও একটি চেয়ার ধরাইয়া দিয়া বাকশাল সরকার আমায় বহাইয়া রাখছিল।

স্মৃতিঘন কণ্ঠে শমশের মবিন বলেন, আমার কিসমত খুলিয়া যায় পচাত্তরে ঈদুল কতলের পর। কামাল মোক্তার তখন আজকের বড় গুণ্ডের নেয় মাজার চিকিতসা করাইতে লনডনে লুকাইয়া আছিলেন। জেনারেল রাজ তাই আমায় ডাকিয়া বললেন, শমশের তুই ফরেন মিনিষ্টৃটারে সাইজ কর। টেকাটুকা যা লাগে আমি দিমু। মানি ইজ ন পবলেম। আই শেল মেক ফরেন মিনিষ্টৃ ডিফিকাল্ট ফর ফরেনারস। সেই হতে শুরু। শেখের খুনীদের দেশের বাইরে নানা এমবাসিতে চাকরী দিয়া আমিই তাদের সাইজ করিয়াছিলাম। আজও উহারা প্রতি শবে বরাতে আমায় কাড পাঠাইয়া মেহেরবানী জানায়।

দির্ঘশ্বাস ফেলে আল্লামা শমশের বলেন, তারপর ঝিলম নদীতে কত জল বহিয়া গেল। মাদারে গনতন্ত্রর আমলে পর রাস্ট্র সচিব হইলাম। তারপর মাদারে গনতন্ত্রকে কয়েক কুটি টেকা সেলামী দিয়া উনার বিলায়েত বিষয়ক উপদেস্টা হইলাম। বাকশাল সরকার পুনরায় ক্ষমতায় আসার পর বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার আওলাদে আমীর, জাতীয়তাবাদী শক্তির ভবিষ্যত মালিক ও বর্তমান আমীর এট লার্জ ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের যোগ্য উত্তরসুরী পলাতক চিকিতসাধীন তরুন নেতৃত্ব মিষ্টার ফিপটিন পারসেন্ট বড় গনতন্ত্র বড় গুন্ডে লাদেন-এ-লনডন তারেক জিয়াকে কয়েক কুটি টেকা সেলামী দিয়া উনারও বিলায়েত বিষয়ক হিটমেন হইলাম। আহা সেই সুনালী দিন।

হুহু করে কেদে ফেলে আল্লামা শমশের বলেন, কিন্তু গন আর দউজ গল্ডেন ডেজ। আজ বৃহত্তর জামায়াতের বিএনপি শাখা জুড়ে শুধু লাঞ্ছনা বঞ্ছনা গঞ্জনা। কুন সালা নায়েবের বাচ্চা মান সম্মান নিয়া দুটু ভাল মন্দ খাইতে পরতে পারে না। তাই আজ আমি দুঃখ ভারাক্রান্ত মনে বিএনপি শাখা হতে ইস্তফা দিতেছি। এক তালাক, দুই তালাক, তিন তালাক।

উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শমশের মবিন বলেন, বিএনপি শাখায় শহীদ জিয়ার আদর্শ আর নাই।

নিজের অবস্থান বেখ্যা করে আল্লামা শমশের বলেন, বৃহত্তর জামায়াতের বিএনপি শাখার জন্ম শহীদ জিয়ার হাতে। সেই আদর্শের একমাত্র বাহক আজ তার একমাত্র পুত্র বড় গুণ্ডের হাতে। তিনি দির্ঘদিন যাবত লন্ডনে চিকিতসাধীন আছেন। পিতার মত উনি শহীদ হইতে পারেন নাই, মরীজ অবস্থায় আছেন। শহীদ জিয়ার হাতে বিএনপির আদর্শ ছিল বলবান ও পরিষ্কার। কিন্তু মরীজ জিয়ার হাতে পড়িয়া এই আদর্শের সাইজ এখন ক্ষুদ্র হতে ক্ষুদ্রতর হইতেছে।

শহীদ জিয়ার আমলে বৃহত্তর জামায়াতের বিএনপি শাখার আদর্শের সাইজ

নিজের নানা চাওয়া পাওয়ার কথা তুলে ধরে শমশের মবিন বলেন, আপনারা জানেন, সারা দেশে সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারী দিগের বেতন গত দশ বছরে তিন গুনেরও বেশী বাড়িয়াছে। কিন্তু বিএনপি শাখার নায়েবদিগের বেতন এক পয়সা বাড়ে নাই। এই নিয়া দাবী দাওয়া জানাইতে গেলে মেডাম বকা দেয়। বড় গুণ্ডে গালাগালি করে। অতছ বিরুধী দলে নায়েব পদে থাকা মানেই দুই হাতে খরচ করা। আজ ইহাকে ভাড়া করিয়া পেট্রল বমা মারিয়া মনির পুড়াও রে, কাল উহাকে ভাড়া করিয়া বিদেশীর বডি ফালাও রে।

অশ্রু মুছে কান্নাঘন কণ্ঠে আল্লামা শমশের বলেন, সচিব থাকা কালে আল্লাহর বরকতে যে দুই তিন শত কুটি টেকা কামাই করছিলাম, সবই বিরুধী দলের নায়েবের চাকরি করতে গিয়া খরচ করিয়া ফেললাম। বড় গুণ্ডের নিকট পয়সা চাহিলে সে গালি দিয়া বলে, টেকা কি বলদের পুটু দিয়া বাইর হয় নাকি? যা যা, নিজের রাজনীতী নিজের টেকায় কর।

মরীজ জিয়ার আমলে বৃহত্তর জামায়াতের বিএনপি শাখার আদর্শের সাইজ

পাঞ্জাবীর হাতায় কান্না দমন করে শমশের মবিন বলেন, শহীদ জিয়ার আমলে বিএনপির আদর্শ ছিল মানি ইজ নট এ পবলেম। আজ মানিই সর্বাপেক্ষা বড় পবলেম। সকল টেকা টেন্ডার চান্দাবাজি বাকশাল ছাত্রলীগ যুবলীগ শিশুলীগ খাইয়া ফেলে। আমরা নয়টি বতসর ধরিয়া গদির বাইরে পড়িয়া কুন কারবার না করিয়া পেটে গেষ্টৃক বানাইয়া ফেলিয়াছি। এইভাবে খালি পেটে রাজনীতী আর নহে। আমি এখন অবসরে যাব।

তিনটি দরখাস্ত তুলে ধরে আল্লামা শমশের বলেন, আমার প্রথম দরখাস্ত বৃহত্তর জামায়াতের বিএনপি শাখার ভাঁড়প্রাপ্ত নায়েবে আমীর, জাতীয়তাবাদী শক্তির ‘কমপ্লান বয়’, লনডনে পলাতক চিকিতসাধীন আওলাদে আমীর বড় গুণ্ডে কতৃক ‘হাইড এন্ড সিক’ গালিতে ভুষিত ও ঈদুল কতলের টেলেন্ট হান্ট প্রতিযোগীতায় ‘ফ্লেয়ার এন্ড লাবলি’ খেতাবে সমাদৃত মির্জা বাড়ির বড় গৌরব আল্লামা মির্জা ফখরুল ইসলাম আগুনগীর ওরফে ফখা ইবনে চখা বরাবর। উহার কাছে আমি আমার দ্বীতিয় দরখাস্ত পিন মারিয়া বলছি, এই দরখাস্ত মাদারে গনতন্ত্র বরাবর ফরওয়াড করিয়া দেন।

দ্বীতিয় দরখাস্তে কি আছে, এমন প্রশ্নের জবাবে শমশের মবিন বলেন, দ্বীতিয় দরখাস্ত মাদারে গনতন্ত্র বেগম খালেদা জিয়া জেএসসি বরাবর। উনার কাছে আমি আমার তৃতীয় দরখাস্ত পিন মারিয়া বলছি, এই দরখাস্ত আওলাদে আমীর বরাবর ফরওয়াড করিয়া দেন।

তৃতীয় দরখাস্তে কি আছে, এমন প্রশ্নের জবাবে আল্লামা শমশের বলেন, বড় গুণ্ডেকে সত্য কথা বলার সাহস পাই নাই। সত্য কথা বললে সে আমায় মুঠফুন মারিয়া গালাগালি করবে। মনির পুড়ানি আন্দুলনের সময় সে পত্যেক দিন রাত্র কালে আমায় ঘুম হইতে তুলিয়া বলত, কি রে শমশের বানচুদ, আজ কয়টা মনির পুড়াইলি হিসাব না দিয়াই ঘুমাস কেরে? তারে যতই বলি বড় ভাই আজ আমি বড় টায়াড, সে ততই রাগারাগি করত। উহাকে সত্য কথা বলিয়া কুন শুটার রুবেলের গুলি খাওয়ার ইচ্ছা আমার নাই।

তৃতীয় দরখাস্তের বিষয়বস্তু সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরে শমশের মবিন বলেন, এই দরখাস্তে বলিয়াছি,

পৃয় বড় ভাই,
সালাম নিবেন। পর সমাচার এই যে, আমি একাত্তরে আপুনার পিতা একাত্তরের রেম্ব জেনারেল রাজ জিয়াউর রহমানের অধীনে যুদ্ধ করতে গিয়া আহত হই ও বেথা পাই। এর পর জীবনে অনেক কিছু করিয়াছি। যখন শেখের খুনীদের বিদেশী দুতাবাসে চাকরি দিয়া পাঠাইলাম, তখনও একাত্তরের বেথা কুন পবলেম করে নাই। পর রাস্ট্র সচিব হইয়া যখন ওয়াশিংটনে গিয়া ভরা মজলিশে দাবী করলাম একাত্তর সালে মাত্র তিন লক্ষ বাংগালী মরছে, তখনও একাত্তরের বেথা কুন পবলেম করে নাই। গত দুই বছর যখন গনতন্ত্র পতিস্ঠা করতে গিয়া শত শত মনির পুড়ানির আন্দুলন তদারকি করলাম, তখনও একাত্তরের বেথা কুন পবলেম করে নাই। কিন্তু এখন উইন্টার ইজ কামিং। গুলশানে রংপুরে বিদেশী খুনের পিছনে বড় ভাইদের হদিশ তদন্ত চলতেছে। কুন তদন্তে কি বাইর হইয়া আসে তার নাই কুন ঠিক। এমতাবস্থায় আমার শিরায় শিরায় গিরায় গিরায় শুধু একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধা খাতে খাওয়া মাইরের বেথা। এত বেথা নিয়া আর বিএনপি করতে পারতেছি না। বিদায় বড়ে মালিক। পাক সার জমিন সাদ বাদ।

ইতি
আপনার গুলামের ঘরের গুলাম শমশের।

বিএনপি শাখা তেগ করে অন্য কোন রাজনৈতিক দলে যোগ দিবেন কিনা, এমন প্রশ্নের সরাসরি উত্তর না দিয়ে আল্লামা শমশের বলেন, বিএনপি শাখায় আমি ছিলুম ভাইস চেয়ারমেন। ভাইয়ের চেয়ার কান্ধে নিয়ে ঘুরিতাম। এই বয়সে নতুন কুন রাজনৈতিক দলে যুগ দিয়া নতুন বড় ভাইদের চেয়ার কান্ধে নিয়া ঘুরার শক্তি আমার নাই।

সাংবাদিকরা আরও চাপাচাপি করলে সলজ্জ হেসে শমশের মবিন বলেন, যদি দেশে পচাত্তরের নেয় কুন মেজরের দল নতুন কুন দল খুলে, তাহলে মুরুব্বী হিসাবে হয়ত তাদের সংগে থাকব, পর রাস্ট্র নিয়া দুটু পরামিশ দিব। আর যদি তারা জুরাজুরি করে তখন নাহয় অনুরুপ কুন দলে আমীর হব। কিন্তু বদরুদ্দুজা কিংবা নজমুল হুদার মত লাফাংগার নেয় নতুন দল খুলিয়া সার্কাস খেলিবার ইচ্ছা আমার নাই।

হুহু করে কেদে ফেলে শমশের বলেন, শরীলটা ভাল না। বিএনপি শাখার আমীর আর আওলাদে আমীরের কথা বাদই দিলাম। নায়েবরা পযন্ত সকলে চিকিতসার খাতিরে বিদেশে। আল্লামা খোকা নিউ ইয়র্কে, আল্লামা সালাউদ্দিন শিলঙ্গে, আল্লামা মির্জা আব্বাস নিখোজ। জাপানী মারিয়া আল্লামা হাবু সোহেল দিল্লীতে গরুর ছদ্মবেশে খুরা রোগের চিকিতসা লইতেছে শুনছি। ভাঁড়প্রাপ্ত নায়েবে আমীর ফখা ইবনে চখা আজ যুক্ত রাস্ট্র কাল সিংগাপুর পরশু বেংককে চিকিতসা নিয়া বেড়াইতেছে। আমি শমশের কি বানের পানিতে ভাসিয়া বিএনপি শাখায় আসছি যে দেশে চিকিতসা করাইব? অতছ স্বৈরাচার বাকশাল আমায় পাসপুট দেয় না। কখন আমায় বড় ভাই বানাইয়া রিমান্ডে নিয়া ডিম দেয় তার নাই ঠিক।

মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহোভান জানিয়ে আল্লামা শমশের বলেন, পচাত্তর সালের পর হইতে মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযুদ্ধা দিগের বারটা বাজাইয়া আসিতেছি। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লুকজন যাদের হাতে সর্বাপেক্ষা পুটু মারা খায়, সেই বৃহত্তর জামায়াতের বিএনপি শাখার আমি নায়েবে খারিজি। কিন্তু এখন যেহেতু দিনকাল ভাল নহে, তাই আবার ডিগবাজি দিয়া আলমারীর নিচের তাক হইতে নেপথলীন দেওয়া মুক্তিযুদ্ধা সাটিফিকেটটি বাহির করিয়াছি। আপনারা সবাই ঐক্যবদ্ধ হন। জয় বাংলা।

অবসর জীবন কিভাবে কাটাবেন, এ প্রশ্নের জবাবে শমশের মবিন বলেন, সবার আগে নাম পাল্টাইব। সবাই জানে শমশের মবিন বাসে ট্রাকে টেম্পুতে আগুন দেয়। পথে ঘাটে মানুষের নিকট মুখ দেখাইতে পারি না। নাম পাল্টাইয়া এখন অবসর মবিন চৌধুরী হব। তারপর লিখালিখি করব। আর তেলাপুকায় খাওয়া এলবাম ঘাটিয়া মুক্তিযুদ্ধের ছবি উল্টাইয়া পাল্টাইয়া দেখিব।

কি লিখালিখি করবেন এমন প্রশ্নের উত্তরে আল্লামা শমশের হাসতে হাসতে বলেন, এরশাদ ছার কবিতা লিখেন। উনাকে এসএমএস করিয়া বলছি, আমারে নিবা মাঝি? এরশাদ ছার বলছেন, এক বুতল ব্লেক লেবেল নিয়া চলিয়া আয়, দেখি কিছু শিখাইতে পারি নাকি।

জনগনের কাছে আগাম মাফ ও দুয়া চেয়ে শমশের মবিন চৌধুরী বলেন, আছিলাম শুয়র হইলাম শায়ের।

March 4, 2015

ফারাবীকে নিয়ে দন্দে জড়িয়ে পড়লেন শফী ও ফারুকী

হাটহাজারীস্তান আল-মতিবেদক

বইমেলা হতে অদুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় মুক্তমনা লেখক ও ব্লগার অভিজিত রায় হত্যাকাণ্ডের নির্দেশদাতা ও ফেসবুকে অবিবাহিত তরুনীদের ত্রাস ছুট শফী হুজুর ফারাবী শফীউর রহমানের গ্রেফতার নিয়ে তিব্র দন্দে জড়িয়ে পড়েছেন বাংলাদেশের অভ্যন্তরে স্বাধীন রাস্ট্র হাটহাজারিস্তানের খলিফা ও অরাজনৈতিক রাজনৈতিক সংগঠন হেফাজতে ইসলামের প্রতিষ্ঠাতা আমীর, উপমহাদেশের সর্বাপেক্ষা হিট আলেম ও ১৩ দফার প্রবক্তা আল্লামা রাজ তেতুল হুজুর শাহ আহমদ শফী এবং বাংলার সেরা বিজ্ঞাপন নির্মাতা ও টেলিভিশনে ইসলামী অনুষ্ঠান উপস্থাপকদের প্রভাবশালী সংগঠন ‘এশশিয়েশন অফ ইসলামী মিডিয়া পারসনালিটি’র বর্তমান আমীর বাংলার ডেভিড ধাওয়ান আল্লামা মস্তফা সরয়ার ফারুকী।

আজ সংবাদ সম্মেলনে বিবৃতী ও পাল্টা সংবাদ সম্মেলনে পাল্টা বিবৃতী দিয়ে সারা দেশে আলচনার শির্ষে উঠে আসেন এই দুই আল্লামা।

হাটহাজারিস্তানের দারুল উলুম মইনুল ইসলাম ওরফে হাটহাজারী বড় মাদ্রাসার কুচকাওয়াজ ময়দানে আজ সশস্ত্র তালেবগনের কুচকাওয়াজ ও সালাম গ্রহনের পর আয়জিত এক সংবাদ সম্মেলনে ফারাবী শফীউর রহমানের প্রতি তিব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে আল্লামা রাজ শাহ শফী বলেন, যুক্তরাস্ট্রের নাস্তিক অভিজিত রায়রে হত্যার হুকুম দাতা এই ফারাবী শফীউর রহমান একটি অভিশাপ। উহার কারনে আমার সহজ সরল জিন্দেগী তামা তামা হইয়া গেল।

আবেগঘন কণ্ঠে আল্লামা শফী বলেন, ইন্টারনেটে নাস্তিকদের সংগে লড়াই কর, ভাল কথা। কিন্তু উহাদের কাছে নিজেরে ছুট শফী হুজুর পরিচয় দেও কুন সাহসে? এই সালা ফারাবী ঘোচুর কারনে সকলে এখন শফী হুজুররে গালি দিতেছে। মার্কিন যুক্তরাস্ট্রের ভয়ংকর নাস্তিক সংগঠন এফবিআই পযন্ত এখন আমার পিছে লাগিয়াছে। আর এর জন্য দায়ী এই আবুল ফারাবী।

হুহু করে কেদে উঠে তেতুল হুজুর বলেন, সেদিন বাদ জোহর একটু বিশ্রাম করতে লইছিলুম। আতকা মুঠফুন বাজিয়া উঠিল। ফুন তুলিয়া দেখি কে যেন ২১ টাকা ফ্লেক্সীলুট করিয়া দিছে। আমি ত মাননীয় স্পীকার হইয়া গেলুম। উল্টা সেই লাম্বারে ফুন মারিয়া বললুম, আপুনি মনে হয় ভুল করিয়া আমার লাম্বারে ২১ টেকা ফ্লেক্সীলুট করিয়াছেন। তখন একটি বেয়াদব তেতুল সুমধুর কণ্ঠে খিলখিল বেদাতের হাসি হাসিয়া বলল, না গ আমার ছুট শফী হুজুর, ২১ টেকা আমি তুমায়ই পাঠায়ছি গ তুমায়ই পাঠায়ছি। আমি থতমত খাইয়া বললুম, আস্তাগফিরুল্লাহ আপুনি কেন আমায় ২১ টেকা পাঠাইতে গেলেন? সেই তেতুল হুরপরী তখন কামনা মদির শয়তানী হাসি হাসিয়া বলল, ছয়টি মাস ধরিয়া আপুনি আমায় ফেসবুকে ইনবক্স করিয়া ২১ টেকা পাঠাইতে বলতেছেন। আইজ পাঠাইলাম যখন, এত সওয়াল করেন কেনে। আমি তখন রাগ করিয়া বললুম, আরে বেলেহাজ আওরত আমি তুকে ২১ টেকা পাঠাইতে বলব কি কারনে। মিডিল ইষ্ট হতে মাসে মাসে আমার নামে কুটি কুটি টেকা আসে। তুর ২১ টেকা দিয়া আমি কি করব বেত্তমিজ লেড়কী। তখন সে হাসতে হাসতে আমায় বলল, আপুনি মিডিল ইষ্টরেও ফেসবুকে দিষ্টাপ দেন?


যুক্তরাস্ট্রের নাস্তিক কুপাইয়া বিপদে ফালাও কেনে: আল্লামা শফী

চক্ষু মুছে আল্লামা রাজ বলেন, ২১ টেকার অপমান বাদ দিলুম। সেদিন এক জল্লাদের নেয় রাগী বেক্তি আমায় মুঠফুন দিয়া বলল, ইহা কি ছুট শফী হুজুরের লাম্বার। আমি বললাম, আমি আর ছুট নাই। মে শফী হুজুর বলতা হু। আপ কউন হায়। তখন সে বেক্তি চিক্কুর দিয়া আমায় ধমক মারিয়া কহিল, চপ সালা ঘোচুর ডিম। রোজ রাত্রে আমার মেয়েরে মুঠফুন দিয়া বিবাহের প্রস্তাব দেস কেনে? হাবিলদার সলায়মানের মেয়ের সংগে তামাশা করিতেছিস সালা মাউড়া। চড়াইয়া তুর ফেসবুক অফ করিয়া দিব।

আবারও কেদে ফেলে শফী হুজুর বলেন, এয়সে আরও বহুত বেইজ্জতির পরে আমি বুঝতে পারলাম, বাজারে আমি আর একা শফী নাই। আরও একটি ঘোচু শফী হুজুর নাম ভাংগাইয়া মেরা নাম কা বদনাম করতা হায়। ইসলামী বলগার এন্ড একটিভিষ্ট নেটওয়াকের এক তালেবরে খবর দিয়া জানতে পারলাম, উক্ত ঘোচুটির নাম ফারাবী শফী। বেয়াদব জনতা উহাকে ছুট শফী হুজুর ডাকে।

ফারাবীর প্রতি রাগারাগি করে আল্লামা রাজ বলেন, নাস্তিক মারতেছ ভাল কথা, কিন্তু মার্কিন যুক্তরাস্ট্রের নাস্তিক মার কেনে? আমরার দেশে ত ফরহাদ মজহার লুংগির নেয় নাস্তিক আছে, উহারে কিছু বল না কেনে? এখন যে এফবিআই আসিয়া আমায় তকলিফ দিবে, তার মুকাবেলা করেংগা কউন?

ফারাবীর উপর প্রয়গ করার জন্য এক ডজন রাজহাসের ডিম খরিদ করে রেব কার্যালয়ে পাঠানর ওয়াদা করে কাদতে কাদতে খাটি শফী হুজুর বলেন, জে সুইস অভিজিত।


মরা একটি ফুলকে কুপাব বলে যুদ্দ করি: আল্লামা ফারুকী

এদিকে শফী হুজুরের বিবৃতীর তিব্র বিরধিতা করে আয়জিত পাল্টা সংবাদ সম্মেলনে বাংলার ধাওয়ান আল্লামা ফারুকী বলেন, ফরহাদ মজহার একটি ভাল নাস্তিক। সে বৃহত্তর জামায়াতের সংগে আছে। শফী হুজুরের ১৩ দফারও সে একজন সমর্থক। ইসলাম সম্পর্কে ভালমত পড়ালিখা না করিয়া আন্দাজে তাহার নেয় ভদ্র নাস্তিকের বিরুদ্ধে কথা বলা উচিত নহে।

অভিজিত রায় হত্যার নির্দেশ দানের জন্য ফারাবীকে পয়েন্দাবাদ জানিয়ে ফারুকী বলেন, ছুট শফী হুজুরের কারনে দুনিয়া হতে একটি সেকুলার কমল। এতে করিয়া দুনিয়াতে অনুপাতের বিচারে ইসলামের রাহে আগুয়ান মর্দে মুজাহিদের সংখা বৃদ্দি পাইল। অতছ ছুট শফীকে কিনা খাটি শফী গালাগালি করে, রেবকে রাজহাসের ডিম খরিদ করিয়া পাঠায়। আরে ইহা কেমন ইসলাম?

আল্লামা রাজের প্রতি নিন্দাবাদ জ্ঞাপন করে আল্লামা ফারুকী রাগারাগি করে বলেন, সারাটি জীবন সেকুলার ঘোচুদের সংগে লড়াই করিয়া বৃদ্ধ বয়সে ‘এশশিয়েশন অফ ইসলামী মিডিয়া পারসনালিটি’র আমীর হইলাম। আর সেদিনের শফী হুজুর কিনা আমায় ইসলাম দেখায়। আরে ইহা কি ইরান পাইছ যে মার্কিন নাস্তিক ছাড়িয়া শুদু দেশী নাস্তিক কুপান হবে?

ফরহাদ মজহারকে সান্তনা দিয়ে ফারুকী বলেন, ফরহাদ মজহার নাস্তিক হলেও সে আমাদিগের দলের নাস্তিক। কাজেই শুদু শুদু উহার উপর ইসলাম প্রয়গ করার কুন মানে নাই। ২০১৩ সালের জিহাদে জুনাইদ বাবুনগরীর হাতে সে সারজারীর স্বিকার হইছিল। যদি প্রয়জন হয়, ২০১৫ সালে আমি নিজ হাতে তার উপর সারজারী করব। মুঠফুনে একটা কল দিয়া ইউনাইটেড হাসপাতালে আসিয়া পড়িলেই হইবে।

%d bloggers like this: