Posts tagged ‘আনু’

September 4, 2016

১০ টাকা কেজির চাল সরবরাহে বিলম্বে সুশীল সমাজের ক্ষোভ

নিজস্ব মতিবেদক

‘খাদ্যবান্ধব’ কর্মসুচীর আওতায় আগামী ৭ সেপ্টেম্বর হতে দেশের ৫০ লাখ পরিবারকে ১০ টাকা কেজিতে মাসে ৩০ কেজি চাল সরবরাহের ঘোষনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে দেশের সুশীল সমাজ।

আজ ইনজিনিয়ারস ইনস্টিটিউটে আয়জিত এক সংবাদ সম্মেলনে আরও দ্রুত এই কর্মসুচী চালু না করায় সরকারকে তিরস্কার করেছেন সুশীল সমাজের প্রতিনিধি গন।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্যে সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আসিফ নজরুল ইঞ্চি বলেন, সরকার আমরার মীর কাশেম ছাহেবকে ফাসি দিল ৩ তারিখ। আর ১০ টেকা কেজির চাল বরাদ্দ শুরু করতিছে ৭ তারিখ হতে। আমরা সুশীলরা, যারা মীর কাশেম ছাহেবের মৃত্যুর পর ইয়াতীম হয়ে গেনু, তারা ৪, ৫ ও ৬ তারিখে কি খাব?

বক্তব্যে মীর কাশেমের পতৃকা নয়া দিগন্তের নিয়মিত লেখক প্রবীন অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী মীর কাশেমের ফাসির ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, আমরা যারা মীর কাশেমের পেপারে দুটু কলম লিখে খাইতুম, তাদের বিকল্প কর্ম সংস্থানের কুন রকম বন্দবস্ত না করিয়াই ফেসিবাদী বাকশাল কাশেম ছাহেবকে ফাসি দিয়া ফেলল। এতে সামাজিক নিরাপত্তা মারাত্মক রুপে বিঘ্ন হইতিছে। এতেই প্রমান হয় যে দেশে গনতন্ত্র নাই।

বিশিষ্ঠ কবি, হেকিমী চিকিতসক ও বোমারু দার্শনিক আল্লামা ফরহাদ মজহার লুংগি বলেন, ভারতীয় হিন্দু হাতি বংগ বাহাদুরকে পযন্ত এই নাস্তেক সরকার আখ ও কলাগাছ সরবরাহ করিয়াছে। অতছ আমরা কয়েক ঘর মুসলমান বুদ্ধিজীবী ৩ সেপ্টেম্বর কাল রাত্রিতে মীর কাশেম ছাহেবের ফাসির পর হতে যে বেকার হইয়া গেলুম, অনাহারে অর্ধাহারে দিন গুজরান করিলুম, উহার দিকে সরকারের কুন খেয়াল নাই। দুর্যগ ও ত্রান মন্ত্রী মায়ার মধ্যে কুন মায়াদয়া নাই। থাকলে সে আমাদের বাড়িতে কাটারিভগ চাউল, মুগ ডাইল, ঘি ও খাসির মাংস পাঠাইত। এমনকি আখ ও কলাগাছ পাঠাইলেও বুঝতাম যে তাহারা আমাদের কথা ভাবে। কিন্তু বিকাল পযন্ত আমরার বাড়িতে কিছুই যায় নাই।

বাংলাদেশের সংবিধানের প্রনেতা দলের অন্যতম সদস্য, খেতনামা আইনজীবী ও দেশের একমাত্র নির্ভরযোগ্য সাংবাদিক ডেভিড বাগমেনের বৈধ শশুড় গন ফোরামের প্রতিষ্টাতা আমীর এবং হাজার রাজনৈতিক জোটের পাটনার বেক্তিত্ব বাংলার সংবিধানের পিতা আতাসংবিধান ড. কামাল হোসেন ওরফে আইনের ময়দানে কিংবদন্তী ফুটবলার কামালহো বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আপসস করে বলেন, ১০ টেকা কেজির চাউল নিয়া আপসস করি না। কিন্তু মীর কাশেমের ফাসির পর আমার বিলাতি জামাতা ডেভিডরে লইয়া টেনশনে আছি। পুনরায় যদি উহার হাতখরচ আমায় যুগাইতে হয়, মালাই লামার নেয় বেংক লুট করা ছাড়া আমার আর কুন উপায় থাকবে না।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে হুহু করে কেদে উঠে কামালহো বলেন, ডেভিডরে ১০ টেকা কেজির চাউলের জন্য রেশন কাড করাইয়া দিব ঠিক করছিলুম, কিন্তু সালা ঘোচু শুদু পাস্তা পিজ্জার জন্যি কান্নাকাটি করে।

উপস্থিত সুশীলদের সান্তনা দিয়ে জাহাংগীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতীর অধ্যাপক ও তেল গেস খনিজ বন্দর বিদ্যুত রাজাকার বাচাও আন্দুলনের আমীর ‘আওলাদে মাও’ আল্লামা আনু মুহাম্মদ বলেন, আপনারা আমার সংগে নিকটস্থ চরে চলেন। কাটারিভগ চাউলের ভাতের বন্দবস্ত হবে। তবে বিনিময়ে বন্দুক চালনা ও তাইকেন্দু শিখতে হবে।

 

August 6, 2016

মাইলসকে জংগী প্রশিক্ষন দিব: আনু

নিজস্ব মতিবেদক

বাংলাদেশের বিখ্যেত বেন্ড সংগীত দল মাইলসকে জংগী প্রশিক্ষন দানের ঘোষনা দিয়ে রাজনীতীর মাঠে আলড়ন তুলেছেন জাহাংগীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতীর অধ্যাপক ও তেল গেস খনিজ বন্দর বিদ্যুত রাজাকার বাচাও আন্দুলনের আমীর ‘আওলাদে মাও’ আল্লামা আনু মুহাম্মদ।

বৃহস্পতি বার বাম মর্চা আয়জিত এক বিবিধ প্রতিবাদ সভায় বক্তিতা কালে এ ঘোষনা দেন আওলাদে মাও।

বক্তিতায় আল্লামা আনু বলেন, আপনাদের এই সভায় আসার পুর্বে বাসদের তালেব শাখা সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট আয়জিত আরেকটি সভায় আমি বক্তিতা দিয়াসছি। ঐ সভায় বলছি, কাজের অভাবে পুলাপান জংগী হইতেছে। আপনাদের এইখানে আসিয়া উল্টা কথা বলতে ত পারি না। তাই একই কথা এইখানেও কব। ফেসিবাদী বাকশাল সরকার কাজ দিতে পারে না বলিয়াই দেশে জংগীর এমন বাম্পার ফলন ফলতিছে।

এ সময় উপস্থিত দর্শকরা তুমুল হাততালি দিয়ে আওলাদে মাওকে উতসাহ দেন।


কতিপয় বেকারের সামনে আওলাদে মাও

আবেগঘন কণ্ঠে আওলাদে মাও বলেন, আগে বেকার হইলে পুলাপান বাসদে ঢুকত। এখন গিয়া ঢুকতিছে হিযবুদ তাহরীর, জেএমবি, আনসারুল্লা, প্রভৃতি সংগঠনে। কেন এমন হতিছে? কারন বাসদ ঐ বেকারদিগকে উপযুক্ত জংগী প্রশিক্ষন দিতে বের্থ। আর একবিংশ শতাব্দীতে কুন বেকারই বিনা প্রশিক্ষনে ফাও বসিয়া থাকবে না।

বাষ্পরুদ্ধ কণ্ঠে আল্লামা আনু বললেন, এইটুক পযন্ত বলার পরই বাসদের আমীর ঐ খালকাটা খালেক আমায় ঘেটী ধরিয়া মাইকের সম্মুখ হইতে সরাইয়া আনিয়া বলল, আওলাদে মাও তুই পুলাপানের সামনে এইসব বলিয়া খাটনি বাড়াইতেছিস কেনে? আদর্শের কথা বল নয়ত যা গিয়া। এই আচরন তার নিকট হইতে আশা করি নাই। তাই পুনরায় মাইক নিয়া বললাম, শুদু কাজের অভাবেই নহে, ভালবাসার অভাবেও পুলাপান জংগী হয়। তুমরা সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট নিয়মিত ভালবাসা কর ত?

হুহু করে কেদে উঠে আওলাদে মাও বলেন, সাদা মনে এই কথা জিগানর পরপরই ফ্রন্টের সভায় যেন ঠাডা আসিয়া পড়ল। যুবক যুবতী পরস্পরের পানে তাকাইয়া হুহু করিয়া কাদিয়া উঠল। খালেক সালা আমায় পুনরায় ঘেটী ধরিয়া চক্ষু রাংগাইয়া বলল, জানস না দুই দিন পরপর যৌন বেপার লইয়া আমার সাধের বাসদ ভাংগিয়া দুই তিন টুকরা হয়? তবে কেনে এই জিনিস ঘাটস?

আল্লামা আনুর বক্তব্যের এ পর্যায়ে সভায় উপস্থিত দর্শকদের মাঝে গুঞ্জন উঠে। কতিপয় বেয়াড়া দর্শক ডাক্তার রোকন, মোক্তার তাকী, ডেন্টিষ্ট তুষার, আইটি সুজন প্রভৃতি পেশায় বেস্ত বিবাহিত জংগীর উদাহরন দিলে আওলাদে মাও রাগারাগি করে বলেন, বেতিক্রম ত দুই তিনশ থাকবেই। পাকনা কথা না বলিয়া চুপ করিয়া বস, যা বলি শুন।

অতি সম্প্রতি ভারতের কলকাতা নগরীতে বেন্ড সংগীত পরিবেশন করতে গিয়ে বয়কটের স্বিকার মাইলস বেন্ডের উদাহরন দিয়ে আওলাদে মাও বলেন, হমীন হুজুর ও শফীন হুজুর, উভয়েই নিজ নিজ গনতান্ত্রিক অধিকার চর্চা করতে গিয়া হিন্দুস্থানের পুটু মারিয়া ফেসবুক ষ্টেটাস দিত। ইহাতে ফেসিবাদী হিন্দুস্থানীরা চেতাচেতি করিয়া উহাদিগের রিজিকে হাত দিছে। মাইলস আর কলকাতায় কনসাট করিতে পারবে না। দেশেও শাহাবাগী ফেসিবাদের পর হইতে আজ ইস্তক সরকারের গুপন ইশারায় উহাদের রোজগার বন্দ। বেকারত্বের অভিশাপে মাইলস আজ জর্জরিত। মাইলসের শিল্পিরা বয়সে আমারও মুরুব্বি, এই বয়সে ভালবাসা পাওয়া অসম্ভব না হইলেও কঠিন। তাই কাজ ও ভালবাসা, উভয়ের অভাবে উহাদের জংগী হওয়া ছাড়া আর কুন উপায় নাই। আমি হমীন হুজুর ও শফীন হুজুরকে অবিলম্বে নিকটস্থ চরে গিয়া জংগী প্রশিক্ষন লওয়ার আহোভান জানাইতেছি। প্রয়জনে আমি নিজে উহাদের বন্দুক চালনা ও তাইকেন্দু শিখাব।

হাসতে হাসতে আওলাদে মাও বলেন, রুপম ইসলাম নামক নখড়াবাজটিকে কুপাইতে পারলে ভাল হইত। কিন্তু সে মুসলমান, তাই তার গুটিবাজীর শাস্তি মালাউন হেমন্ত মুখপাধ্যায়কে দেওয়া হবে। মাইলস শিঘ্রই কলকাতায় গিয়া হেমন্তরে কিসাস করবে।

এ সময় উপস্থিত দর্শকরা হেমন্ত মুখপাধ্যায়ের মৃত্যু সংবাদ তুলে ধরলে আল্লামা আনু পুনরায় রাগারাগি করে বলেন, ভাল কাজে বাগড়া দেওয়ার জন্য আগে আগে মরিয়া গেল সালা। সুমন চট্টপাধ্যায়ের কি খবর, সে কি বাচিয়া আছে?

সুমন চট্টপাধ্যায় ইসলাম গ্রহন করে সুমন কবীর হয়েছেন শুনে আওলাদে মাও আরও রাগারাগি করে বলেন, তাইলে অঞ্জন দত্ত আর নচিকেতারেই কুপাব। এর মদ্যে মুসলমান হবি না খবরদার।

দর্শকদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এলে লড়াকু কণ্ঠে আল্লামা আনু বলেন, একটি বেকারও যেন বেকার না যায়। হয় বাসদে ঢুক, নতুবা আমাদের জাতীয় কমিটির হইয়া খেদমত খাট, নয়ত জংগী হইয়া যাও। মানি ইজ নট এ প্রবলেম।

এ সময় মঞ্চে উপস্থিত বক্তা ১১০% অরাজনৈতিক সংগঠন ‘নিখিল বাংলাদেশ জুনাইদ সংঘ’ এর নায়েবে আমীর জোনায়েদ সাকী আওলাদে মাওয়ের কানে কানে কিছু বলার পর তিনি নিজেকে সংশধন করে বলেন, একটু আগে ব্রাদারফাকার সাকার পুত্র হুকারে ডিবি ঘোচুর দল ধরিয়া লইয়া গেছে। মানি ইজ এ প্রবলেম নাউ। আপনারা সামনে কয়দিন একটু অল্প খাইয়া অভ্যাস করেন।

February 21, 2015

মমতার ভয়ে পলাতক আনু মুহাম্মদ

নিজস্ব মতিবেদক

ইনডিয়ার তৃনমুল কংগ্রেসের মহিলা আমীর ও বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর পশ্চিম বংগ শাখার আমীর আল্লামা মমতা বেনার্জি ঢাকায় আসার পর থেকে পলাতক আছেন জাহাংগীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতীর অধ্যাপক, তেল গেস খনিজ বন্দর বিদ্যুত রাজাকার বাচাও আন্দুলনের আমীর ‘আওলাদে মাওসেতুং’ আনু মুহাম্মদ।

মাওবাদীগনের প্রতি মমতা বেনার্জির আক্রোশকে হিসাবে নিয়েই আওলাদে মাও গা ঢাকা দিয়েছেন বলে বিশ্বস্ত সুত্রে জানা গেছে।

আনু অধ্যাপকের বিশ্বস্ত সুত্রের সংগে যোগাযোগ করা হলে তিনি নাম প্রকাশ না করার শর্তে মতিকণ্ঠকে বলেন, ইনডিয়ায় মাওবাদীগনের উপর মমতা বেনার্জি অত্যান্ত বিলা। মাওবাদী হাতের নাগালে পাইলে তিনি কি করেন কুন ঠিক নাই। তাই মমতা বেনার্জি যত ক্ষন ঢাকায় অবস্থান করতেছে, তত ক্ষন আওলাদে মাও ঢাকার বাইরে কুথাও পলাইয়া থাকলে বেপারটা ভাল হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেকটি সুত্র জানায়, আনু অধ্যাপক ঢাকার অদুরে তার বন্ধু বিশিষ্ঠ দার্শনিক, কবি, হেকিমী চিকিতসক ও সাংবাদিকদের উপর বোমা মারার দার্শনিক প্রবক্তা ফরহাদ মজহারের জংগি আস্তানা রিদয়পুরে চার দিন বেপী এক পেটরল বোমা প্রশিক্ষন কর্মশালায় অংশ নিতে গেছেন। মমতা বেনার্জির আগমনের সংগে তার পলায়নের কোন সম্পর্ক নাই।


মাওবাদী আনু

এ বেপারে আরও খোজ নিতে আনু মুহাম্মদের মুঠফুনে কল দিলে নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের এক অধ্যাপক মতিকণ্ঠকে বলেন, মমতার ঢাকায় আগমন বাংলার মাওবাদীদের জন্যি এক অশনী সংকেত। সারদা গ্রুপের কেলেংকারীর পর মমতা বেনার্জির মন্ত্রীসভার লোকজন সকল টেকাটুকা বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর লোকজনের হাতে আমানত হিসাবে তুলিয়া দিছে। এপার বাংলার মাওবাদীরা কুন টেকাই ভাগে পায় নাই। শাহবাগ আন্দুলনের সময় আনু মুহাম্মদ অনেক পরিশ্রম করিয়া সারদার ফান্ড হতে নিজের জন্য মাত্র কয়েক লক্ষ টেকার বখরা আদায় করতে পারলেও তার অন্যান্য মাওবাদী বন্দুরা ভাগে কিছুই পায় নাই। কিন্তু ইনডিয়ায় বিজেপি ভুটে জিতিয়া ক্ষমতায় আসার পর মমতার এখন খারাপ দিন যাইতেছে। সারদার টেকা তিনি ফিরত চাইতে পারেন, এমন আশংকাতেই আওলাদে মাও গা ঢাকা দিয়াছে।

আনু মুহাম্মদের সংগী মাওবাদী মুজাহিদদের সংগে যোগাযোগ করলে তারা কোন সরাসরি উত্তর দিতে অস্বীকৃতী জানান।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক মুজাহিদে মাও বলেন, মমতা বেনার্জি চলিয়া গেলে আওলাদে মাও আবার আসিয়া সুন্দরবনের নদীতে তেল ও মাটিতে বিদ্যুত লইয়া জিহাদে ঝাপাইয়া পড়বেন। আপাতত উনি একটু রেষ্টে আছে।

October 20, 2014

আমিষুল মন্ত্রীই আমরার উকিল বাপ: আনু

বিপ্লবী মতিবেদক

ফেসিবাদী বাকশালের আইন মন্ত্রী ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভুতত্তের অধ্যাপক তাহেরের হত্যাকারী জামায়াতি খানকির পোলাগনের আইনজীবি বেরিষ্টার আমিষুল হককে জাতির শ্রেষ্ঠ মোক্তার হিসাবে স্বিকার করে জাহাংগীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতীর অধ্যাপক, তেল গেস খনিজ বন্দর বিদ্যুত রাজাকার বাচাও আন্দুলনের আমীর ‘আওলাদে মাওসেতুং’ আনু মুহাম্মদ বলেছেন, আমিষুল মন্ত্রীই আমরার উকিল বাপ।

আজ জাহাংগীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় নিজ কোয়াটারের আংগিনায় আয়জিত এক সুধী সমাবেশে বক্তিতা কালে আমিষুল মন্ত্রীকে উকিল বাপ হিসাবে ঘোষনা দেন অধ্যাপক আনু।

বক্তব্যে আনু অধ্যাপক বলেন, আমরার বন্দু পিয়াস করিম হাগু মরার পর কতিপয় সাম্রাজ্যবাদের দালাল ঘোষনা দিল, হাগুর লাছটিকে তারা শহীদ মিনারে লইতে দিবে না। হাগুর পিতা নাকি একাত্তর সালে শান্তি কমিটির চেরমেন আছিল। তিনি নাকি ধীরেন্দ্রনাথ দত্তরে পাক বাহিনীর হাতে ধরাইয়া দিছিলেন। মুক্তিযুদ্ধারা নাকি হাগুর পিতার বাড়িতে গ্রেনেড হামলা করছিল। হাগু নাকি নিজেও রাজাকারের দালাল আছিল।

আবেগঘন কণ্ঠে আওলাদে মাও বলেন, অতছ সাম্রাজ্যবাদের দালাল ফেসিবাদী বাকশালের আইন মন্ত্রী আমিষুল সত্য কথা ফাস করিয়া দিছে। সে বলছে পিয়াস করিম হাগু মুক্তিযুদ্ধের সময় মিটিং মিছিল করত। লিপলেট বিলি করত। পোষ্টার সাটাইত। রিকশায় করিয়া মুক্তিযুদ্ধাদের পক্ষে মাইকিং করিত। নিজের বাড়িতে মেহমান খানার পালংকে ঘুমন্ত পাক বাহিনীর অফিসারদের উলংগ পুটুতে চুন কালি মাখাইত। আর হাগুর পিতাও শখ করিয়া শান্তি কমিটিতে যোগ দেন নাই। হাগুরে জিম্মি করিয়া পাক বাহিনী তারে শান্তি কমিটিতে নাম লিখাইতে বাধ্য করছে।


আমিষুলই একমাত্র হালাল বাকশাল: আনু

হুহু করে কেদে উঠে আনু অধ্যাপক বলেন, যুগ যুগ ধরিয়া বাকশালের সংগে লড়াই করতেছি। ভাবতাম তেল গেস বন্দর বিদ্যুত রাজাকার কুন কিছুই তাহাদের হাতে নিরাপদ নহে। কিন্তু এখন দেকতেছি রাজাকার বাচাইতে বাকশালের আইন মন্ত্রীই সর্বাপেক্ষা বড় আওয়াজ তুলিয়াছে। পিয়াস করিম হাগুর ভগ্নি তাহার আইন বেবসার পাটনার, ইহাতে কিছুই আসে যায় না। আমিষুল মন্ত্রী যাহা বলছে তাহাই সত্য। যদিও সে আগে অনেক মিছা কথা বলিয়াছে, এবং পরেও অনেক মিছা কথা বলিবে, কিন্তু পিয়াস করিম হাগুরে লইয়া সে যাহা বলিয়াছে তাহার উপর কুন কথা চলে না। অতএব আজ হইতে আমিষুল মন্ত্রীই আমরার উকিল বাপ।

অশ্রু মুছে আওলাদে মাও বলেন, জন্মিলে মরিতে হবে জানে গ সবাই। একদিন আসিফ নজরুল ইঞ্চি ও ফরহাদ মজহার লুংগিকেও মরিতে হইবে। আলামত দেখিয়া মনে হইতেছে উহাদের লাছ শহীদ মিনারে লওয়ার কথা বলিলে আমরা সকলেই পুটুমারা খাইব। তাই অগ্রীম সত্য কথা বলিয়া উহাদের সাইজ করিয়া লইতে হইবে। আমিষুল মন্ত্রীর দেখান রাস্তাতেই আমি চলিব। একাত্তর সালে বালক ইঞ্চি ও যুবক লুংগি দুইজনেই মুক্তিযুদ্ধা আছিল। উহারা বুকে মাইন বান্ধিয়া পাক বাহিনীর টেংকের তলে ঝাপাইয়া পড়ছিল। কিন্তু জঘন্য সাম্রাজ্যবাদী ইনডিয়ান মাইনের কুয়ালিটি খারাপ আছিল বলিয়া তাহা ফুটে নাই। কিন্তু পাক বাহিনীর টেংকের চাক্কা টেপ খাইয়া গিয়াছিল, আমিষুল মন্ত্রী সাক্ষী।

%d bloggers like this: