Posts tagged ‘আসিফ নজরুল’

September 4, 2016

১০ টাকা কেজির চাল সরবরাহে বিলম্বে সুশীল সমাজের ক্ষোভ

নিজস্ব মতিবেদক

‘খাদ্যবান্ধব’ কর্মসুচীর আওতায় আগামী ৭ সেপ্টেম্বর হতে দেশের ৫০ লাখ পরিবারকে ১০ টাকা কেজিতে মাসে ৩০ কেজি চাল সরবরাহের ঘোষনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে দেশের সুশীল সমাজ।

আজ ইনজিনিয়ারস ইনস্টিটিউটে আয়জিত এক সংবাদ সম্মেলনে আরও দ্রুত এই কর্মসুচী চালু না করায় সরকারকে তিরস্কার করেছেন সুশীল সমাজের প্রতিনিধি গন।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্যে সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আসিফ নজরুল ইঞ্চি বলেন, সরকার আমরার মীর কাশেম ছাহেবকে ফাসি দিল ৩ তারিখ। আর ১০ টেকা কেজির চাল বরাদ্দ শুরু করতিছে ৭ তারিখ হতে। আমরা সুশীলরা, যারা মীর কাশেম ছাহেবের মৃত্যুর পর ইয়াতীম হয়ে গেনু, তারা ৪, ৫ ও ৬ তারিখে কি খাব?

বক্তব্যে মীর কাশেমের পতৃকা নয়া দিগন্তের নিয়মিত লেখক প্রবীন অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী মীর কাশেমের ফাসির ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, আমরা যারা মীর কাশেমের পেপারে দুটু কলম লিখে খাইতুম, তাদের বিকল্প কর্ম সংস্থানের কুন রকম বন্দবস্ত না করিয়াই ফেসিবাদী বাকশাল কাশেম ছাহেবকে ফাসি দিয়া ফেলল। এতে সামাজিক নিরাপত্তা মারাত্মক রুপে বিঘ্ন হইতিছে। এতেই প্রমান হয় যে দেশে গনতন্ত্র নাই।

বিশিষ্ঠ কবি, হেকিমী চিকিতসক ও বোমারু দার্শনিক আল্লামা ফরহাদ মজহার লুংগি বলেন, ভারতীয় হিন্দু হাতি বংগ বাহাদুরকে পযন্ত এই নাস্তেক সরকার আখ ও কলাগাছ সরবরাহ করিয়াছে। অতছ আমরা কয়েক ঘর মুসলমান বুদ্ধিজীবী ৩ সেপ্টেম্বর কাল রাত্রিতে মীর কাশেম ছাহেবের ফাসির পর হতে যে বেকার হইয়া গেলুম, অনাহারে অর্ধাহারে দিন গুজরান করিলুম, উহার দিকে সরকারের কুন খেয়াল নাই। দুর্যগ ও ত্রান মন্ত্রী মায়ার মধ্যে কুন মায়াদয়া নাই। থাকলে সে আমাদের বাড়িতে কাটারিভগ চাউল, মুগ ডাইল, ঘি ও খাসির মাংস পাঠাইত। এমনকি আখ ও কলাগাছ পাঠাইলেও বুঝতাম যে তাহারা আমাদের কথা ভাবে। কিন্তু বিকাল পযন্ত আমরার বাড়িতে কিছুই যায় নাই।

বাংলাদেশের সংবিধানের প্রনেতা দলের অন্যতম সদস্য, খেতনামা আইনজীবী ও দেশের একমাত্র নির্ভরযোগ্য সাংবাদিক ডেভিড বাগমেনের বৈধ শশুড় গন ফোরামের প্রতিষ্টাতা আমীর এবং হাজার রাজনৈতিক জোটের পাটনার বেক্তিত্ব বাংলার সংবিধানের পিতা আতাসংবিধান ড. কামাল হোসেন ওরফে আইনের ময়দানে কিংবদন্তী ফুটবলার কামালহো বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আপসস করে বলেন, ১০ টেকা কেজির চাউল নিয়া আপসস করি না। কিন্তু মীর কাশেমের ফাসির পর আমার বিলাতি জামাতা ডেভিডরে লইয়া টেনশনে আছি। পুনরায় যদি উহার হাতখরচ আমায় যুগাইতে হয়, মালাই লামার নেয় বেংক লুট করা ছাড়া আমার আর কুন উপায় থাকবে না।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে হুহু করে কেদে উঠে কামালহো বলেন, ডেভিডরে ১০ টেকা কেজির চাউলের জন্য রেশন কাড করাইয়া দিব ঠিক করছিলুম, কিন্তু সালা ঘোচু শুদু পাস্তা পিজ্জার জন্যি কান্নাকাটি করে।

উপস্থিত সুশীলদের সান্তনা দিয়ে জাহাংগীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতীর অধ্যাপক ও তেল গেস খনিজ বন্দর বিদ্যুত রাজাকার বাচাও আন্দুলনের আমীর ‘আওলাদে মাও’ আল্লামা আনু মুহাম্মদ বলেন, আপনারা আমার সংগে নিকটস্থ চরে চলেন। কাটারিভগ চাউলের ভাতের বন্দবস্ত হবে। তবে বিনিময়ে বন্দুক চালনা ও তাইকেন্দু শিখতে হবে।

 

November 15, 2015

আপন মুক্তিই এখন মান্নার তামান্না: নাগরিক ঐক্য

নিজস্ব মতিবেদক

রাজনীতীর নতুন তামাশা তৃতীয় শক্তি নাগরিক ঐক্যের প্রতিষ্ঠাতা আমীর ও বৃহত্তর জামায়াতের ভাইবার শাখার আমীর আল্লামা মাহমুদুর রহমান মান্নার নিঃশর্ত মুক্তি দাবী করে রাজধানীর তোপখানায় বাংলাদেশ শিশু কল্যান পরিষদ মিলনায়তনে বাদ জুম্মা এক মোজাহিদ সমাবেশ করেছে দলটি।

মোজাহিদ সমাবেশে ক্ষমতাসীন ফেসিবাদী বাকশাল সরকারের কঠর সমালচনা করেন নাগরিক ঐক্যের নেতৃ বৃন্দ।

নাগরিক ঐক্যের ঢাকা মহানগর উত্তরের আমীর শহীদুল্লা কায়সার বলেন, আজ এই ঐতিহাসিক মোজাহিদ সমাবেশটি নানা কারনে তাতপর্য পুর্ন। প্রথমেই ধরেন গিয়া এর লুকেশন। শিশু কল্যান পরিষদে আমরা নাগরিক ঐক্যের মোজাহিদ সমাবেশ করি। এতদ্বারা কি বুঝা যায়? বুঝা যায় যে নাগরিক ঐক্য রাজনীতীর ময়দানে আভি তক শিশু। আরও বুঝা যায় যে এই ঢাকা শহরে কুন নাগরিক কল্যান পরিষদ মিলনায়তন নাই, যাহা আমরা ভাড়া লইবার পারি।

আবেগঘন কণ্ঠে শহীদুল্লা আমীর বলেন, শিশু কল্যান পরিষদ মিলনায়তনটিও অত্যান্ত তাতপর্য পুর্ন স্থানে অবস্থিত। ইহা তোপখানায়। তোপখানায় আগে তোপ আছিল। এখন তোপ নাই, খানা আছে। আজ আমরা এইখানে হুদাহুদি আসি নাই। বাদ জুম্মা কিছু খানার বন্দবস্ত আছে দেখিয়াই আসিয়াছি। খানার পুর্বে কিছু বক্তিতা দিলে ক্ষুদা বাড়ে, হজম ভি ভাল হয়। তাই আজ আমরা কিংবদন্তী ভাইবার শিল্পী মান্না ভাইকে লইয়া কিছু কথা কব।


রহস্যময় কৌটা হাতে মান্না

বাকশাল সরকারের ফেসিবাদী পুলিশের হাতে আটক মান্নার একটি ছবি প্রদর্শন করে শহীদুল্লা বলেন, আপনারা দেখতে পাইতেছেন যে কিংবদন্তী ভাইবার শিল্পী মান্না ভাইয়ের হাতে একটি রহস্যময় কৌটা আছে। এক বুক আশা লই আমরার মান্না ভাই এক কৌটা জেল নিয়া জেলে গিয়াছিলেন। কিন্তু এই স্বৈরাচার বাকশাল সরকার উনাকে কুন ডিভিশন দেয় নাই। বিনা ডিভিশনে জেলে আলাল মিলে না। সরকার মান্না ভাইয়ের মানবাধিকার ত লংঘন করছেই, সাথ সাথ আলালাধিকার ভি লংঘন কিয়া।

হুহু করে কেদে ফেলে শহীদুল্লা আমীর বলেন, মান্না ভাইয়ের কৌটার জেল যে একেবারেই কামে আসে নাই, উহা আমি বলব না। বিস্তারিত সব কথা খুলিয়া বলিয়া নাগরিক ঐক্যে ফাটল ধরাইতে চাই না। এক বুক বেথা বুকে লই শুদু বলতে চাই, ডিভিশন না পেলে, জেল নিও না জেলে।

ভাইবারে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার মার্কিন যুক্তরাস্ট্র পলাতক নায়েবে আমীর, অবিভক্ত ঢাকা মহানগরীর সাবেক মেয়র ও ৫মে শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের জেহাদে গাজী ও শহীদদের বকেয়া ১৭৫০ কুটি টেকা মজুরি খেলাপী আল্লামা সাদেক হোসেন খোকার সংগে একটি আলাপে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদের লাশ ফেলার পরিকল্পনা করাঅজ্ঞাত পরিচয় অষ্ট্রেলীয়া নিবাসী বেক্তির সংগে সেনা বাহীনীর উচ্চ পদস্ত কর্মকর্তাদের লাইনে আনার বেপারে ষড়যন্ত্র করার কারনে মান্নাকে বাকশাল সরকার অন্যায় ভাবে গ্রেফতার করেছে জানিয়ে শহীদুল্লা বলেন, ভাইবারে ত আমরা কত কথাই বলি। কত লুকের লাশই ত ফেলতে চাই, কত জেনারেলরে দুস্ত বানাইয়াই ত গদি হাছেল করতে চাই। রাত্র কালে খাইবার পর ভাইবার করলে হজমটা ভাল হয়, সকাল সকাল ছুট ঘরে আন্দুলনটা আরামের হয়। তাই বলিয়া উহাকে রাস্ট্রদ্রহ বানাইয়া দিলি রে বাকশাল?

নাগরিক ঐক্যের ঢাকা দক্ষিনের আমীর আবু বকর সিদ্দিক বলেন, এই খানে বসিয়া পেনপেন করিয়া আমরা মান্নাদাকে মুক্ত করতে পারব না। মান্নাদার মুক্তি মানে জাতির মুক্তি, আমাদের স্বপ্নের মুক্তি। তৃতীয় শক্তি ছাড়া এই জালেমের দেশে কুন কালে শান্তি শৃংখলা আসবে না। আর তৃতীয় শক্তির জন্যি চাই মান্নাদার মুক্তি। মান্নাদারে মুক্ত করতে আমরারে টেকনাফ হতে তেতুলিয়া পযন্ত মোজাহিদ বাহীনী গড়ে তুলতে হবে। সবাইরে খানা দিবার পারুম না, আপাতত বাসা হইতে ভাত খাইয়া আসিয়াই যা জেহাদ করনের করতে হইবে। কিন্তু একবার মান্নাদা মুক্ত হইয়া তৃতীয় শক্তি লইয়া গদিতে গেলেই শুদু খানা আর খানা। তখন আমরা আবার তোপখানায় তোপের বেবস্থা করব। তবে জাতির মুক্তি নিয়া আপাতত মান্নাদার কুন মাথাবেথা নাই। আপন মুক্তিই মান্নাদার তামান্না।

মোজাহিদ সমাবেশে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার নায়েবে জামদানী গনসাস্থ্যের প্রতিষ্ঠাতা ও নিপীড়ীত জাফর ঐক্যের উপদেষ্টা জাফরুল্লাহ চৌধুরী এবং বিশিষ্ঠ চিন্তাবীদ ও বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আমীর পর্নষ্টার আল্লামা আসিফ নজরুল ইঞ্চি অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও তারা আসেননি জানিয়ে আবু বকর সিদ্দিক বলেন, কয়েক পেকেটে বিরিয়ানী বাচিয়া গেল। উহা নাগরিক ঐক্যের আমীর ওমরাহদিগের কাজে লাগবে। ভালই হইল উনারা আসেন নাই।

এ বেপারে নায়েবে জামদানী জাফরুল্লাহ চৌধুরীর সংগে মুঠফুনে যোগাযোগ করা হলে তিনি মতিকণ্ঠকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, মান্না নামে একজন আমার নিকট হতে এই বছরের গোড়ার দিকে এক কৌটা জেল খরিদ করিয়াছিল। এর চেয়ে বেশি কিছু জানি না, তারে ভালমত চিনিও না। তার মুক্তির দাবীতে মোজাহিদ সমাবেশে হুদাই কেন যাব? তবে আমার নামে বরাদ্দ বিরিয়ানী কুন শহীদুল্লা বা বকরে যদি খায়, আমি তাদের বিরুদ্ধে রাস্ট্রদ্রহ মকদ্দমা ঠুকিয়া দিব। খুব সাবধান।

পর্নষ্টার আল্লামা আসিফ নজরুল ইঞ্চির সংগে যোগাযোগ করা হলে তিনি মুঠফুনে বলেন, মান্না নামে কাউরে আমি জীবনে কুন দিন চিনতাম না। ছুটকাল হতেই আমি ১১০% মান্না মুক্ত জীবন যাপন করতেছি। মান্নার সাথে আমার কুথাও কুন ভিডিও নাই। একদল লুক তোপখানায় গিয়া তার মুক্তি চাহিয়া মোজাহিদ সমাবেশ করলেই আমি যাব নাকি? মান না মান মান্না মেরা মেহমান, ইহা ত কুন ইনসাফের কথা হতে পারে না। তবে বিরিয়ানীর কয়েক পেকেট আমার বাসায় পাঠাইয়া দিলে ভাল হয়।

October 29, 2014

গোলাম আজমের নেয় এত সহজে হাল ছাড়তাম না: নিজামী

নিজস্ব মতিবেদক

ট্রাইবুনালের রায়ে গোলাম আজমের নেয় ৯০ বতসর আরামদণ্ড দিলে পুর্ন মেয়াদ খেটে দৈনিক ২১ পদের খানা ভক্ষন করে বাংলাদেশ সরকারের তহবিল ফাক করার অংগীকার জানিয়ে একাত্তরের আলবদর সর্দার ও বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর খানকির পোলায়ে আমীর আল্লামা মতিউর রহমান নিজামী বলেছেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল কতৃক ৯০ বতসরের আরামদন্ড প্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধী ও বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর সাবেক খানকির পোলায়ে আমীর ভাষা সৈনিক অধ্যাপক গোলাম আজমের নেয় দুবলা আমি নহি। এত সহজে হাল ছাড়তাম না। ৯০ বতসর আরামদণ্ড দিলে কাটায় কাটায় ৯০ বতসরই মেয়াদ খাটব। ব্রিঙ্গ ইট অন বেবী।

রায়ের আগের দিবাগত সন্ধায় কাশিমপুর কারাগারে ফাসির আসামীর জন্য বরাদ্দ কনডম সেলে আয়জিত এক খবর মহাফিলে এ অংগীকার করেন আলবদর সর্দার নিজামী।

খবর মহাফিলে বৃহত্তর জামায়াতের খানকির পোলায়ে আমীর বলেন, গোলাম আজম সারা জীবন ডাল ভাত লাল শাক ছুট মাছ দিয়া মুটা চাউলের ভাত খাইল। কিন্তু ফেসিবাদী বাকশালী সরকার তারে জেলে ঢুকানর পর সে সিদ্ধান্ত লইল, মরার আগে ইহাদের তহবিল সে ফাক করিবে। তখন সে দৈনিক ২১ পদের খাওনের জন্যি অনশন শুরু করল। তার আন্দুলনের ঠেলায় কারাগার কতৃপক্ষ তাহাকে মগল বাদশাদিগের খানা সরবরাহ শুরু করল। সকালের নাস্তা হিসেবে তাকে দেওয়া হতো লাল আটার তৈরি চার-পাঁচটি পাতলা রুটি, ডিম ভাজি, আলু ছাড়া সব্জি ভাজি, ভুনা মুরগির মাংস, মিষ্টি, এনসিউর কোম্পানির দুধ ও কলা। দুপুরের খাবার হিসেবে দেওয়া হতো, চিকন চালের ভাত, করলা ভাজি, টাকি অথবা চিংড়ি মাছের ভর্তা, বেগুন ভাজি অথবা ভর্তা, ছোট চিংড়ি ও ছোট মাছ ভুনা, সালাদ, লেবু, মাল্টা, বরই ও নাশপাতি। সন্ধ্যার নাশতা হিসেবে দেওয়া হতো- লাড্ডু, নিমকি বিস্কুট, হরলিকস কিংবা স্যুপ। রাতের খাবার হিসেবে দেওয়া হতো চিকন চালের ভাত, করলা ভাজি, বেগুন ভাজি অথবা ভর্তা, ঢেঁড়শ, মিষ্টিকুমড়া ও পেঁপে ভাজি, গরু অথবা খাসির ভুনা মাংস, সালাদ ও লেবু, কমলা, মাল্টা, নাশপাতি, আঙ্গুর ও বরই। সম্রাট শাজাহান যখন ফেসিবাদী আওরংগজেবের হাতে তাজমহলে বন্দী হইছিল, উহাকে শুধু বুট মুড়ি ও কলা খাইতে দেওয়া হইত। আর ঈদের দিন এক বাটি সেমাই। গোলাম আজম মগল বাদশাদিগেরেও হালকাইয়া খাইছে।

হাসতে হাসতে নিজামী বলেন, ৯২ বতসর বয়সে এত এত খাইয়া গোলাম আজম সাহেব বদহজমে এন্তেকাল করলেন। শুনিয়াছি ডেলি ডেলি উনার এক চামুচ করিয়া অলিভ অয়েল লাগত, উহা ছাড়া হাগা হইত না।


আরামদণ্ডের জন্য প্রস্তুত নিজামী

৯০ বতসরের আরামদণ্ডের জন্য নিজেকে সম্পুর্ন প্রস্তুত ঘোষনা করে নিজামী বলেন, গোলামদা সংযমের অভাবে ৯০ বতসরের মেয়াদের দেড় বতসর কাটাইতে না কাটাইতেই আযাব খাইতে কবরে চলিয়া গেল। কিন্তু আমি এত সহজে হাল ছাড়ব না। আমায় বরইয়ের পরিবর্তে হজমী সরবরাহ করলেই আমি হাসিয়া খেলিয়া ৯০ বতসর কাটাইয়া দিব। আর অলিভ অয়েল ত আছেই।

এ সময় নিজামী হাসতে হাসতে ‘আই এম পপাই দি সেইলর মেন’ গানটি গুনগুন করে গেয়ে উঠেন।

বাংগালী জাতিকে মধ্যমা প্রদর্শন করে বৃহত্তর জামায়াতের খানকির পোলায়ে আমীর বলেন, কত মুক্তিযুদ্ধা আদাড়ে বাদাড়ে ধুকিয়া মরল। উহারা জীবনে মাল্টা চুখেও দেখছে কিনা সন্দেহ। কিন্তু উহাদের রক্তে খরিদ করা স্বাধীন বাংলায় উহাদের বালবাচ্চার টেকশের টেকায় আমার জন্য মাল্টা খরিদ করা হবে। মুক্তিযুদ্ধ করিয়া তারা পাইল বালটা, আর আমি পাব মাল্টা। ভিভা লা রেভলুশিওন, হে মাকারেনা।

আদালতের মনের ভুলে দুর্ঘটনা বশত ফাসি হয়ে গেলে শ্রদ্ধা জানানর জন্য লাশ রায়েরবাজার বধ্যভুমি ও শহীদ মিনারে নিয়ে যাওয়ার খায়েশ প্রকাশ করে আলবদর সর্দার নিজামী বলেন, আমার অবৈধ পুত্র আসিফ নজরুল ইঞ্চি পুলাটা খুব খাটতেছে। উহাকে কি সরকার এক ডজন মাল্টা খরিদ করিয়া দিবে না?

October 18, 2013

বাকশালের প্রতি বাবুনগরীর সশস্ত্র সংগ্রামের হুমকিকে স্বাগত জানালেন বিশিষ্ঠ বাবুনাগরিক বৃন্দ

নিজস্ব মতিবেদক

বাকশালের মহিলা আমীর শেখ হাসিনা ও বাকশালী অর্থ মন্ত্রী মালাই লামার হাত ভেংগে দেওয়ার হুমকির মাধ্যমে সশস্ত্র সংগ্রামী হুমকি ধমকির রাজনীতীর সুচনা করায় সদ্য গঠিত রাজনৈতিক দল বাবুনাগরিক শক্তির আমীর, বাংলাদেশের একমাত্র নোবেল বিজয়ী অর্থনীতীবীদ ও গ্রামীন বেংকের বিতাড়িত মালিক কায়েদে নোবেল ড. ইউনূস বাবুনগরীর প্রসংশা করে তাকে স্বাগত জানিয়েছেন তিন বিশিষ্ঠ বাবুনাগরিক।

আজ চট্টগ্রামে এক মহিলা সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে নগদে শেখ হাসিনা ও মালাই লামার হাত ভাংগার হুমকি দেন বাবুনগরী।

এর প্রতিক্রিয়ায় আয়জিত এক সংবাদ সম্মেলনে উপমহাদেশের বিশিষ্ঠ ইতিহাসবীদ, কলামিষ্ট ও গান্ধীবাদী আন্দলনের প্রবাদ পুরুষ সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, ইউনূস বাবুনগরী এতদিন শান্তির নোবেলটির দিকে তাকাইয়া চুপচাপ আছিল। কিন্তু সরকারের হালাল আয়ু এখন বাকি আছে আর মোটে সাত দিন। তাই এখন তর্জন গর্জন করলে কুন সমস্যা নাই। শান্তি যেথা ক্ষিন দুর্বলতা, হে আল্লাহ, দুই ঠেং যেন ভেংগে দেই তথা। কায়েদে নোবেলের হাত ভেংগে দেওয়ার সংগে শান্তির কুন সংঘর্ষ নাই। শান্তি বজায় রাখিয়াই শেখের বেটী ও মালাই লামার হাত ভাংগা সম্ভব।

বিশিষ্ঠ চিন্তাবীদ ও বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আমীর আল্লামা আসিফ নজরুল ইঞ্চি বলেন, যে মানুষটির কারনে বিশ্বে আমরা একটা মান সম্মান নিয়া চলাফিরা করতে পারি, সেই মানুষটিকেই বাকশালী সরকার উপ্তা করে পুটু মেরে চলতেছে। যেখানে বাংলাদেশের পাসপুটে তার ছবি ছাপা হওয়ার কথা, যেখানে বাংলাদেশে ৫০০ টেকার নুটে বাঘের জলছাপের পাশে তার হাসিমুখ ছাপা হওয়ার কথা, সেখানে বাকশালের আমীর শেখের বেটী তার নিকট হতে আয়কর দাবী করে। যেখানে তার গ্রামীন বেংকের গদিটিতে অতিরিক্ত ফোম ও তুলা যোগ করিয়া আরও আরামদায়ক করিয়া দেওয়ার কথা, সেখানে তাহাকে ঘেটী ধরিয়া গদিহারা করা হইল। কাজেই তিনি হাত কেন, সংগে আইন ভাংগিলেও আমাদের বলার কিছু নাই। আমি ইউনূস বাবুনগরীর সশস্ত্র সংগ্রামকে স্বাগত জানাই। ভিভা লা রেভোলুশিওন, হে মাকারেনা।

বিশিষ্ঠ টেলিভিশন বেক্তিত্ব, টক শো শিল্পী ও নোবেল না পাওয়া অর্থনীতীবীদ আল্লামা পিয়াস করিম হাগু বলেন, ইউনূস এতদিন শুধু গড়েছেন। তিনি গ্রামীন বেংক গড়েছেন, নোবেল পেয়ে রেকড গড়েছেন, ৮৪ লক্ষ নারীর খামার গড়েছেন, দেশী বিদেশী প্রতিষ্ঠানের সংগে সামাজিক বেবসা গড়েছেন, ইস্পেনের রানী ইসাবেলা, যুক্তরাস্ট্রের রানী হিলারি রডহাম ক্লিনটন ও হলিউডের রানী শেরন স্টনের সংগে মধুর বন্ধুত্ব গড়েছেন। এত কিছু গড়ার পর দুই চাইরটা হাত ভাংলে সমাজের কুন ক্ষতি নাই। আমি তাকে সাবাশি দিয়া বলতে চাই, বাবুদা তুমি এগিয়ে চল, রংগের ঢংগের কথা বল।

সংবাদ সম্মেলনে শেষে তিন বিশিষ্ঠ বাবুনাগরিক কোরাসে “হাত ভেংগে দাও হাত ভেংগে দাও হাত ভেংগে দাও ভাআআআআংগো” গান পরিবেশন করেন। এ সময় সৈয়দ আবুল মকসুদের পোষা ছাগল পুটুও তাদের সংগে যোগ দেন।

%d bloggers like this: