Posts tagged ‘ইউনূস’

November 13, 2015

দরজা খুলছেন না বাবুনগরী

নিজস্ব মতিবেদক

মিয়ানমারে ঐতিহাসিক নির্বাচনে মিয়ানমারের গৃহবন্দীনী দেশনেত্রী ও নেশনেল লীগ ফর ডেমক্রেসির মহিলা আমীর নোবেল বিজয়ীনী অং সান সুচির ভুমিধস বিজয়ের সংবাদ প্রকাশের পর হতে নিজের সরকারী আরাম দায়ক বিলাস বহুল বাসভবনের শয়ন কক্ষের দরজা ভিতর হতে বন্ধ করে দিয়েছেন সদ্য গঠিত রাজনৈতিক দল বাবুনাগরিক শক্তির আমীর, বাংলাদেশের একমাত্র নোবেল বিজয়ী অর্থনীতীবীদ ও গ্রামীন বেংকের বিতাড়িত মালিক ‘অর্থনীতীর সানি লিওনি’ কায়েদে নোবেল রোহিংগা রাজ ড. মুহম্মদ ইউনূস বাবুনগরী।

আজ মিরপুরের কাশিমবাজারে অবস্থিত কুঠিবাড়ির গদি গ্রামীন বেংক ভবনের একাংশ জবর দখল করে স্থাপিত ‘বাবুনগরী সেন্টারে’ আয়জিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান বাবুনগরীর সেন্টারের কর্মকর্তা মোশারফ হোসেন।

সংবাদ সম্মেলনে মোশারফ বলেন, মিয়ানমারের নেশনেল লীগের আমীর অং সান সুচি ও আমাদিগের কায়েদে নোবেল, উভয়েই নোবেল পদক লাভ করিয়াছেন। দুইজনের নোবেল পদকই শান্তির জন্যি দেওয়া। অং সান সুচি বছরের পর বছর নিজের আরাম দায়ক বিলাস বহুল বাসভবনে গৃহবন্দী আছিলেন। আর কায়েদে নোবেল লক্ষ লক্ষ দরিদ্র নারীকে শতে চল্লিশ টেকা রেটে সুদ দিয়াছেন। পৃথীবিতে শান্তি প্রতিস্ঠার জন্যি উভয়ের ভুমিকা তাই সমান। অতছ আজ অং সান সুচি মিয়ানমারের গদি পাইলেন। আর আমরার কায়েদে নোবেলের পিছে গুজিবার মত কুন গদি খালি নাই।

আবেগঘন কণ্ঠে মোশারফ বলেন, কেউ পাবে, কেউ পাবে না, তা হবে না, তা হবে না। এই বৈশম্যের প্রতিবাদ জানাতেই অর্থনীতীর সানি লিওনি আপন শয়ন কক্ষে ঢুকিয়া দুয়ার লাগাইয়া দিছেন। এবারের সংগ্রাম ইজ্জতের সংগ্রাম।


বাবুনগরীর শয়ন কক্ষের দরজা ভিতর হতে বন্ধ

উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে বাবুনগরীর শয়ন কক্ষের দরজার সম্মুখ হতে একটি লাইভ ফিড প্রচার করা হয়।

লাইভ ফিডে কায়েদে নোবেল বন্ধ দরজার অপর পাশ হতে বলেন, নোবেল ও বন্দুক যখন পরস্পরের হাতে হাত ধরে, কাধে কাধ রেখে, বুকে বুক মিলিয়ে এগিয়ে চলে, তখন গনতন্ত্রের বাগিচায় লক্ষ কুটি গুলাপ ফুটে। মিয়ানমারে আজ এ গুলাপ ফুটেছে। আমাদের দেশেও তা ফুটতে পারত। ২০০৭ সালে আমি সে চেস্টাই করেছিলুম। কিন্তু বাংলার আপামর ঘোচু জনগন আমায় সমর্থন দেয় নি। তাই আজ নোবেলভাই হয়েও আমার গদি নাই, সুচির গদি আছে। এই বৈশম্য মেনে নেওন যায় না।

হুহু করে কেদে ফেলে ইউনূস বলেন, আমিও নোবেল সুচিও নোবেল। অতছ আজ দেশের গদি ত দুরের কথা, গ্রামীন বেংকের গদিটিও আমার নীচ হতে কেড়ে নেওয়া হইছে। হয় আমায় ভি গদি দে দে, নয় সুচির গদি কেড়ে লে লে। পাশাপাশি দুই দেশে এক নোবেল ভুখা রবে, অন্য নোবেল গদি লবে, ইয়ে নেহি চলেগি।

দরজা বন্ধ করে কিভাবে আন্দুলন হবে, এ প্রশ্নের জবাবে বাবুনগরী বলেন, আমি শান্তিতে নোবেল পাইছি। চিরদিনই আমি শান্তির পক্ষে। রাস্তাঘাটে গিয়া অনশন অবরধ জ্বালাও পুড়াওয়ে আমি নাই। উহা বৃহত্তর জামায়াতের অন্যান্য লুকজন করবে। আমি আপন ঘরে দুয়ার দিয়া অবস্থান ধর্মঘট করব। উভয় নোবেলের গদির উচ্চতা সমান না হওয়া পযন্ত আমি ইহা চালাইয়া যাব।

মিয়ানমারের সেনা বাহীনীর ভুয়সী প্রসংশা করে কায়েদে নোবেল বলেন, উহাদের দেশে কি সুন্দর বেবস্থা। সেনা বাহীনীরে গদির চার ভাগের এক ভাগ দিয়া দিছে। বাকি তিন ভাগ লইয়া জনগন কামড়া কামড়ি করবে। য জিতা ওহি শিকান্দর। আইন কানুন সংবিধান কুন কিছুই সেনা বাহীনীর মর্জির বিপক্ষে যাইবে না। নোবেল আর বন্দুক সে দেশে বেডফেলু। আষ্ট বছর আগে আমি আর মঈন উ এমনই করতে গিয়াছিলুম। কিন্তু বাংলার খাটে শুদু কন্টক।

আবেগঘন কণ্ঠে বাবুনগরী বলেন, মগের মুল্লুক প্রমান করিয়া দিল যে শান্তি ও গুল্লি পরস্পরের বন্ধু। আমরার দেশটা কবে মগের মুল্লুক হবে?

সুচির প্রতি তিরষ্কার জানিয়ে রোহিংগা রাজ বলেন, ভোটে জয় লাভের ফুটানী কর না ও গ মগ মহারানী। দেখিস একদিন আমরাও।

মিয়ানমারের প্রতি সাবধান বানী জ্ঞাপন করে ইউনূস বলেন, লীগরে ভোট দিয়াছ। পৃথীবির যে দেশে লীগ ক্ষমতায় গেছে, সে দেশই যুগে যুগে ধংস হয়েছে।

এদিকে ভোটে জয় লাভ করে ইউনূসের প্রতি এক শুভেচ্ছা বার্তায় অং সান সুচি বলেন, ও গ রোহিংগা রাজ, গদি ত পাইয়া গেলুম। তুমি আছ কেমন?


অং সান সুচিকে সুযুগ পেলেই শুভেচ্ছা চুম্বন দেন ওবামা

অং সান সুচির ভোটে জয়লাভের খবর পেয়ে ওয়াশিংটনে মার্কিন যুক্তরাস্ট্রের রাস্ট্রপতি বারাক হোসেন ওবামা উচ্ছাস প্রকাশ করে বলেন, অতি শিঘ্রই সুচি বেগমরে শুভেচ্ছা চুম্বন চুমাইতে মিয়ানমার যাব। কই গ মিশেল, আমার হইলদা ছুটকেছটা গুছাইয়া দেও ছে।

November 20, 2014

বড় গুণ্ডের জন্মদিনে বাবুনগরীর শুভেচ্ছা

October 10, 2014

মালালার নোবেল জয়ে অসন্তুষ্ট ইউনূস

নোবেল মতিবেদক

তালেবানের গুলি খাওয়া পাকিস্তানী কিশোরী মালালা ইউসুফজাইকে নোবেল পুরস্কার দেওয়ায় রাগারাগি করেছেন সদ্য গঠিত রাজনৈতিক দল বাবুনাগরিক শক্তির আমীর, বাংলাদেশের একমাত্র নোবেল বিজয়ী অর্থনীতীবীদ ও গ্রামীন বেংকের বিতাড়িত মালিক ‘অর্থনীতীর সানি লিওনি’ কায়েদে নোবেল রোহিংগা রাজ ড. মুহম্মদ ইউনূস বাবুনগরী।

আজ ওয়াশিংটনের একটি অভিজাত হোটেলের আরাম দায়ক বিলাস বহুল কক্ষে আয়জিত সংবাদ সম্মেলনে এ রাগারাগি করেন কায়েদে নোবেল।

সংবাদ সম্মেলনে ‘অর্থনীতীর সানি লিওনি’ বলেন, দক্ষিন এশিয়ায় নোবেল বিতরনে নোবেল কমিটি চরম অদক্ষতার পরিচয় দিতেছে। ইহা মটেও কাম্য নহে।

ক্ষুব্ধ কণ্ঠে রোহিংগা রাজ বলেন, মগের মুল্লুকে আমরা বান্দভী অং সান সু চি বছরের পর বছর ঘরের মধ্যে আটক রহিয়া শান্তিতে নোবেল পাইয়ালাইল। ভারতে আমার বন্দু অমর্ত্য সেন অর্থনীতী নিয়া বছরের পর বছর গবেষনা করিয়া পুস্তক লিখিয়া বক্তিতা দিয়া অর্থনীতীতে নোবেল পাইয়ালাইল। আর আজ নোবেল কমিটি নোবেল দিল তালেবানের গুলি হজম করা মালালারে।


আমায় দুসরা নবেল কাব দোগে?

হুহু করে কেদে উঠে বাবুনগরী বলেন, আর ইহাদের পাশে আমায় দেখ। গৃহবন্দী থাকা ত দুরের কথা, ফেসিবাদী শেখের বেটী আমায় গ্রামীন বেংকের গদি হতে ঘেটী ধরিয়া বিদায় করার পরও সরকারী বাড়িতে গায়ের জুরে বসবাস করতেছি। গৃহবন্দীর দৌড়ে সু চির সংগে কুনদিন পারব না। অর্থনীতী বিষয়টা কম বুঝি বলিয়া এই বিষয়ে কুন পুস্তক লিখার ভরসা পাই না। অর্থনীতীর পুস্তক লিখার দৌড়ে অমর্ত্য সেনের সংগে কুনদিন পারব না। আর বাংলার তালেবানরা আমায় গুলির বদলে গুলদস্তাঁ দেয়। গুলি হজমের দৌড়ে মালালার সংগে কুনদিন পারব না।

অশ্রু মুছে বাবুনগরী বলেন, উহাদিগের পাশে আমায় একটি খামাখা নোবেলভাই মনে হয়।

অবিলম্বে দ্বীতিয় নোবেল পুরস্কার হস্তান্তরের দাবী জানিয়ে ইউনূস বলেন, এক নোবেল দিয়া আট বছর টানলাম। আর কত? ইস ওয়াক্ত তো আমায় দুসরা নোবেল দেনা চাহিয়ে।

মালালাকে বেবসা বানিজ্য সাবধানে করার পরামর্শ দিয়ে ইউনূস বলেন, নোবেল যখন পাইয়ালাইছ, এখন একটু সাবধানে থাক। একা একা খেতে চাও, দরজা বন্দ করে খাও। যে দেশে বাকশাল আছে, সে দেশে কভু বেবসা খুলিও না।

August 7, 2014

উপস্থাপনা পেশায় নামছেন ইউনূস, তুষারের উদ্বেগ

নিজস্ব মতিবেদক

ফেসিবাদী বাকশালী সরকারের মহিলা আমীর জননেত্রী ভাষাকন্যা গনতন্ত্রের মানস কন্যা ড. শেখ হাসিনার হাতে ঘাড়ধাক্কা খাওয়ার পর গ্রামীন বেংকের গদি হারিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে উপস্থাপনা পেশায় নামছেন সদ্য গঠিত রাজনৈতিক দল বাবুনাগরিক শক্তির আমীর, বাংলাদেশের একমাত্র নোবেল বিজয়ী অর্থনীতীবীদ ও গ্রামীন বেংকের বিতাড়িত মালিক ‘অর্থনীতীর সানি লিওনি’ কায়েদে নোবেল ড. মুহম্মদ ইউনূস বাবুনগরী।

কয়েক দিন পুর্বে পলেন্ডের বিখ্যেত উডষ্টক অনুষ্ঠানে উপস্থাপনার মাধ্যমে এ পেশায় হাতেখড়ি করেন বাবুনগরী।

উডষ্টক অনুষ্ঠানে কয়েক লক্ষ তরুন তরুনীর সামনে সাবলীল ভাবে নেচে গেয়ে উপস্থাপনা করে তাদের মনরঞ্জন করেন অর্থনীতীর সানি লিওনি।

অনুষ্ঠানে তিনি তরুনদের উদ্দেশ করে বলেন, তুমরাই পৃথীবির ভবিষ্যত। বুড়াদের দিন শেষ। পৃথীবিতে তরুনরা যুগে যুগে বুড়াদের ঘাড়ধাক্কা দিয়া গদি হইতে সরাইয়া দিছে। আমায় দেখ। কেবল মাত্র বুড়া হওয়ার অপরাধে আমায় গ্রামীন বেংকের গদি হতে শেখের বেটী ঘেটী ধরিয়া বিতাড়ন করল। কাজেই বুড়াদের পাত্তা দিও না। ষ্টে হাংরী, ষ্টে ফুলিশ। বন্ধুয়ারে কর তুমার মনে যাহা লয়। টেকা লাগলে ক্ষুদ্র ঋন লইও।

বাবুনগরীর উপস্থাপনায় উডষ্টক অনুষ্ঠানে উত্তেজনার ঢেউ বয়ে যায়। লক্ষ লক্ষ তরুনী ‘ইষ্ট অর ওয়েষ্ট, বাবুনগরী দি বেষ্ট’ স্লগানে চারদিক মুখরিত করে তুলে।


উপস্থাপনা পেশায় নামলেন বাবুনগরী

এদিকে বাবুনগরী উপস্থাপনা পেশায় নামায় উদ্বেগ প্রকাশ করে নিজ বাসভবনে আয়জিত এক সংবাদ সম্মেলনে খেতনামা ড্রন বিশেষজ্ঞ, মস্তফা অনুরাগী, কাপড় বেবসায়ী ও ইসলামী বেংকের সমঝদার হরলিকস পাগলা বিতর্ক রাজ আল্লামা আবদুন নুর তুষার বলেছেন, বাবুনগরী মহাজন বেবসা হারাইয়া এখন উপস্থাপনা বেবসায় বাম হাত ঢুকাইতেছে। এগুলু ঠিক নহে।

সংবাদ সম্মেলনে আল্লামা তুষার বলেন, বাংলাদেশে উপস্থাপনা পেশার বাজার অত্যান্ত ছুট। এই বাজারে আমি গত তিরিশ বতসর ধরিয়া উপস্থাপনা করিয়া দুটু আয় রুজগার করতেছি। মেগাজিন অনুষ্ঠান শুভেচ্ছা দিয়া পেট চালাইছি দির্ঘ দশটি বতসর। তারপর একদিন আমায় ঘেটী ধরিয়া বিটিভি হতে বিতাড়ন করা হল।

আবেগঘন কণ্ঠে তুষার বলেন, এরপর রইদে পুড়ে বিস্টিতে ভিজে মাথার ঘাম নাভিতে ফেলিয়া উপস্থাপনা পেশায় টিকিয়া রইছি। আমার নেয় গুলগাল নাদুস উপস্থাপক রাখিয়া সালা ঘোচুর দল কুথাকার কুন নওশীন মুনমুনরে দিয়া উপস্থাপনা করায়।

হুহু করে কেদে উঠে হরলিকস পাগলা বলেন, হরলিকস জুনিয়র আর ইসলামী বেংক আছে বলিয়া দুটু খাইতে পরতে পাই। এর মধ্যে আবার আমার সাজান বাগান তছনছ করতে মাঠে নামছে বাবুনগরী। আমার হক্কের উডষ্টক অনুষ্ঠানে উপস্থাপনার টেন্ডার বাবুদা খাইয়ালাইল। রাজার হস্ত করে সমস্ত কাংগালের ড্রন চুরি।

এ বেপারে ইউনূস বাবুনগরীর প্রতিক্রিয়া জানতে যোগাযোগ করা হলে তিনি নাম প্রকাশ না করার শর্তে মতিকণ্ঠকে হাসতে হাসতে বলেন, উপস্থাপকদের নামে চারটি অক্ষর থাকা জরুরী। যেমন নওশীন, মুনমুন, ইউনূস। অতছ আল্লামা তুষারের আছে তিনটি। এই কারনেই আজ তার এই দুরাবস্থা।

আনন্দঘন কণ্ঠে ইউনূস বলেন, আমি পর্দার সামনে উপস্থাপনা করি, আর রাজনীতী করি পর্দার আড়ালে। ইহাই বুদ্ধিমানের কাম। অতছ তুষার বলদা পর্দার আড়াল হতে উপস্থাপনা করে, আর রাজনীতী করে পর্দার সামনে। আমি শুদু জানতে চাই, সে ভাত খায় কুন পথে?

%d bloggers like this: