Posts tagged ‘ইমদুদুল’

December 3, 2013

মতিচুরকে ‘তেজপাল চেলেঞ্জ’ দিলেন তসলিমা

নিজস্ব মতিবেদক

দেশের প্রভাবশালী এলাকা কারওয়ানবাজারের সর্দার ও ১১০% অরাজনৈতিক সংগঠন ‘হেফাজতে মাহমুদুরের’ প্রতিষ্ঠাতা আমীর মতিচুর রহমান আজমীকে ‘তেজপাল চেলেঞ্জ’ দিয়ে তার যৌন সক্ষমতা পরীক্ষা করানর দাবী জানিয়েছেন সুইডেনে নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা নাসরীন।

এক নারী সহকর্মীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে ভারতের তেহেলকা মেগাজিনের প্রতিষ্ঠাতা সর্দার তরুন তেজপালকে হাসপাতালে নিয়ে যৌন সক্ষমতার পরীক্ষা করায় গোয়ার পুলিশ। সোমবার গোয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার যৌন সক্ষমতার পরীক্ষা নেওয়া হয়।

যৌন সক্ষমতার পরিমান দেখাচ্ছেন তরুন তেজপাল

গোয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. টনি ডা সুজার সংগে যোগাযোগ করা হলে তিনি মতিকণ্ঠকে বলেন, এ পরীক্ষায় সানি লিওনি, পুনম পান্ডে, ভিনা মালিক ও পাপিয়া পান্ডের ছবি প্রদর্শন করে পরীক্ষার্থীর প্রতিক্রিয়া যাচাই করা হয়।

তরুন তেজপাল যৌন সক্ষমতার পরীক্ষায় পাশ করেছেন কিনা, এ প্রশ্নের সরাসরি জবাব না দিয়ে ডা. সুজা হাসতে হাসতে বলেন, বুঝেনই ত।

তসলিমা নাসরীন এক টুইটার বার্তায় বলেন, মতিচুর রহমান বাংলাদেশের তরুন তেজপাল। তাকেও যৌন সক্ষমতার পরীক্ষায় বসান হোক।

এ বেপারে মতিচুর সর্দারের সংগে যোগাযোগ করা হলে তিনি হাসতে হাসতে বলেন, তসলিমা নাসরীন আগুন নিয়া খেলা করতে চায়। আমি প্রত্যহ সুবেহ সাদিকের সময় উঠিয়া বেয়াম করি। বুট খাই ডিম খাই কমপ্লান খাই। ঘন্টায় ঘন্টায় সানি লিওনি ও পুনম পান্ডের স্থিরচিত্র অবলোকন করি। বাংলাদেশের দুই গর্ব বিজয় টেবলেট ও শক্তি দই, উভয়ই আমি ফৃ পাই। আমার সংগে তরুনরাও পাল্লা দিয়া পারে না, আর তসলিমা কিনা আমার সংগে বুড়া তরুন তেজপালের জোড়া দেয়। তেজপাল আমার নিকট তেজপাতা।

তসলিমা নাসরীনকে পাল্টা চেলেঞ্জ দিয়ে মতিচুর বলেন, আমিও তরুন তেজপালের নেয় গোয়ায় যৌন সক্ষমতার পরীক্ষা ‘তেজপাল টেষ্ট’ দিতে প্রস্তুত। কে আছ জুয়ান হও আগুয়ান।

তসলিমা নাসরীনের এই চেলেঞ্জকে স্বাগত জানিয়ে বসুন্ধরার সর্দার ইমদুদুল হক মেলন মতিকণ্ঠকে বলেন, তসলিমা সঠিক বেক্তিকে সঠিক চেলেঞ্জটি দিয়াছে। তবে বৃহত্তর জামায়াতের অবরোধ চলার সময় পরীক্ষা নেওয়া ঠিক হবে না।

কারওয়ানবাজারের উপসর্দার ও আইভরী কোষ্ট ফিরত উপন্যাসিক আমিষুল হক নিজের ফেসবুকে ষ্টেটাসে লিখেন, আমিষ তেজপাল নামটি তুমাদের কেমন লাগে?

May 20, 2013

গঠিত হল ‘হেফাজতে মাহমুদুর’

নিজস্ব মতিবেদক

বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর খানকির পোলায়ে সালাফিয়ে আমীর এবং ইসলাম ও জ্বালানী বিশেষজ্ঞ ‘বংগ ছুছুন্দর’ মাহমুদুর রহমানের মুক্তির দাবীতে গঠিত হল নতুন অরাজনৈতিক সংগঠন ‘হেফাজতে মাহমুদুর’।

রবিবার কারওয়ানবাজারের সর্দার ও মতিসংঘের সভামতি মতিচুর রহমান আফৃদীর বিলাস বহুল আরাম দায়ক কার্যালয়ে নারিকেল ভেংগে ‘হেফাজতে মাহমুদুর’ এর কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়।

‘হেফাজতে মাহমুদুর’ এর প্রতিষ্ঠাতা আমীর হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন মতিচুর রহমান সয়ং। তার নায়েবে আমীর হিসাবে যোগ দিয়েছেন দেশের অন্যান্য প্রভাবশালী এলাকার সর্দার বৃন্দ। এরা হলেন সর্দার মাহবুবুল আলম, সর্দার গোলাম সারওয়ার, কারওয়ানবাজারের ইংরাজী সর্দার মহাফুজ আনাম, সর্দার রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ, বসুন্ধরার সর্দার ইমদুদুল হক মিলন, ভাঁড়প্রাপ্ত সর্দার মুনীরুজ্জামান, সর্দার মতিউর রহমান চৌধুরী, সর্দার নুরুল কবীর, সর্দার এ এম এম বাহাউদ্দিন, সর্দার আলমগীর মহিউদ্দিন, সর্দার এ এইচ এম মোয়াজ্জেম হোসেন, সর্দার নঈম নিজাম, সর্দার মোস্তফা কামাল মজুমদার, নির্বাহী সর্দার সাইফুল আলম ও সর্দার ইন চিফ আলমগীর হোসেন।

এক যৌথ বিবৃতিতে সর্দার বৃন্দ বলেন, মাহমুদুর রহমান জেলে থাকায় বেবসায় ধস নেমেছে। টেকাটুকা রুজগারের রাস্তা বন্ধ। এভাবে চলতে পারে না।

মতিচুর রহমান আফৃদী বলেন, মাহমুদুর যখন নিজ কার্যালয়ে সক্রিয় ছিল, প্রতিদিন কুন না কুন খুনাখুনি গুলাগুলি হানাহানি কাটাকাটি চলত। কারওয়ানবাজারের বেবসা তখন ছিল তুংগে। ইসলামী বেংক পাতায় পাতায় বিজ্ঞাপন দিত। আজ মাহমুদুর জেলে, বেবসা আবার মন্দা। ইসলামী বেংকে বিজ্ঞাপন চাহিয়া ফুন দিলে তারা আরবী ভাষায় খানকির পুলা বলিয়া গালাগালি করে। এভাবে গনতন্ত্র চলতে পারে না। মাহমুদুরের মুক্তি চাই।

আবেগঘন কণ্ঠে কারওয়ানবাজারের ইংরাজী সর্দার মহাফুজ আনাম বলেন, এ কুইক ব্রাউন ফক্স জাম্পড ওভার এ লেজি ডগ।

বসুন্ধরা সর্দার ইমদুদুল হক মিলন বলেন, আগে প্রতিদিন সকালে উঠিয়া দাত মাজিয়া মুখ মুছিয়া চায়ের কাপে চুমুক দিয়া প্রথমেই দেখতাম মাহমুদুর আজ কুথায় কুথায় খুন জখম ঘটাইল। এখন আর চায়ে কুন সোয়াদ পাই না। সারাদিন মাথা ঘুরায়, বুমি বুমি লাগে। রাত্র কালে সমস্যা হয়। মাহমুদুরকে মুক্তি না দিলে বেশী দিন বাচব না।

পাল্টা সংবাদ সম্মেলনে ‘হেফাজতে মাহমুদুর’এর বক্তব্যের বিরোধীতা করে বিশিষ্ঠ কবি, দার্শনিক ও হেকিমী চিকিৎসক ফরহাদ মজহার লুংগি বলেন, মাহমুদুরকে মুক্তি দিলে শাহবাগী রেপিষ্টরা তাকে নির্যাতন করবে। বেচারা সারা দিন হাসপাতালে চাদ্দরের নিচে দুই হাতে নিজের পুটু আড়াল করে বসে থাকে। নার্স বেড পেন বদলাইতে আসলে সে কান্না কাটি শুরু করে। তার উপর আছে কাশিমপুর কারাগার হতে ব্রাদারফাকার সাকার মধুর আমন্ত্রনের চাপ। তাছাড়া মুক্তি পাইলে সে আমার আর ফরিদার বাসায় আত্মগুপনের চেষ্ঠা করতে পারে। তখন নানা সমস্যা দেখা দিবে। বন্যেরা বনে সুন্দর বংগ ছুছুন্দর কারাগারে।

October 26, 2012

পনির খেলে সেক্স কমে: বিজ্ঞান

নিজস্ব মতিবেদক

বিজ্ঞানীদের গবেষনায় আবিষ্কৃত হয়েছে, পনির খেলে সেক্স কমে যায়।

এই গবেষনার সাথে একমত পোষন করে সংবাদ সম্মেলন করেন বসুন্ধরার সর্দার ইমদুদুল হক মেলন।

মেলন সর্দার বলেন, বিজ্ঞানীদের গবেষনায় আসল সত্য বের হয়ে এসেছে। পনির খেলে সেক্স কমে যায়। যারা খায় পনির, তাদের দশা হয় শনির।

আবেগঘন কণ্ঠে ইমদুদুল হক মেলন বলেন, আমি পনির খাই না, পনিরের দোকানে যাই না। আল্লাহর রহমতে আমার দুইটি কন্যা।

কম্পাস দেখে কারওয়ানবাজারের দিকে অংগুলি নির্দেশ করে মেলন বলেন, কিন্তু কারওয়ানবাজারের সর্দার মতিচুর রহমান ও উপসর্দার আমিষুল হক পনিরের যম। তারা ভাত দিয়ে পনির খায়, রুটি দিয়ে পনির খায়, মুড়ি দিয়ে পনির খায়।

উচ্ছসিত কণ্ঠে মেলন বলেন, মতিচুর ও আমিষুলের মাত্র একটি করে সন্তান।

বিজ্ঞানীদের গবেষনার সাথে দ্বিমত পোষন করে কারওয়ানবাজারের সর্দার মতিচুর রহমান বলেন, পনির খেলে সেক্স কমে না। সানি লিওনি প্রত্যেক দিন সকালে দুইশত গ্রাম পনির ভক্ষন করে। বিজ্ঞান আমাদের দিয়েছে বেগ, কিন্তু কেড়ে নিয়েছে আবেগ।

উপসর্দার আমিষুল হক বলেন, পনির ভক্ষনে মুক্তি সো হামারা নহি।

সাবেক স্বৈরাচার রাষ্ট্রপতি পল্লীবন্ধু আলহাজ্জ্ব হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেন, এখন বাজারে এসেছে বিজয় টেবলেট।

হাসতে হাসতে পল্লীবন্ধু বলেন, আমি জব্বারের কাছ থেকে টেবলেট পেয়েছি, আমায় আর পনিরের ভয় দেখিয়ে কুন লাভ নেই।

September 3, 2012

নিরাপত্তা চেয়ে জিডি করেছেন মতিচুর, আমিষুল ও মেলন

নিজস্ব মতিবেদক

আক্রমনের আশংকার কথা উল্লেখ করে তেজগাঁও থানায় নিরাপত্তা চেয়ে জিডি করেছেন কারওয়ানবাজারের সর্দার মতিচুর রহমান, উপসর্দার আমিষুল হক ও বসুন্ধরার সর্দার ইমদুদুল হক মেলন।

মতিচুর রহমান বলেন, পাকিস্তানে করাচী শহরে একটি ইংরেজী পত্রিকার সম্পাদককে টিভি দেখা ও কাওয়ালী শোনার অপরাধে চার বেক্তি প্রহার করেছে। তারা সম্পাদকের বাড়িতে গিয়ে দরজায় লাথি মারে। দরজা খুলে সম্পাদক বেরিয়ে এলে তারা সম্পাদককে লাথি মারে।

মতিচুর আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, আমি টিভি দেখি। কাওয়ালী শুনি। ইন্টারনেটে পুনম পান্ডে ও সানি লিওনের স্থির চিত্র ও চলচ্চিত্র দেখি। কবে আমাকে ঘরে গিয়ে লাথি মারে, আমি সেই ভয়ে আছি।

উপসর্দার আমিষুল হক বলেন, আমি টিভি দেখি না, কিন্তু টিভির জন্য নাটক লিখি। কাওয়ালী শুনি না কিন্তু কাওয়ালীর জন্য লিরিকস লিখি। আর পুনম পান্ডে ও সানি লিওনে তো আছেই।

ইমদুদুল হক মেলন বলেন, মতিচুর রহমান আজমী ও আমিষুল হককে কেউ বাড়িতে গিয়ে লাথি মারলে তা হবে কমেডি। কিন্তু টিভি দেখা ও কাওয়ালী শোনার অপরাধে ইমদুদুল হক মেলনকে লাথি মারলে তা হবে ট্রেজেডি। এ ট্রেজেডি যাতে না ঘটে, সে জন্যই তিনি তেজগাঁও থানায় জিডি করেছেন।

কারওয়ানবাজারের ইংরেজী সর্দার মহাফুজ রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি টিভি দেখি না। কাওয়ালীও শুনি না। আমার কোন ভয় নাই।

উপমহাদেশের ইসলামী আন্দোলনের প্রানপুরুষ ও গৃহবন্দী নেতা মুফতি ফজলুল হক আমিনীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তার সহকারী মাওলানা ইদরিস বলেন, মুফতি আমিনী আরও তিনজন পালোয়ান বেক্তিকে নিয়ে কারওয়ানবাজার গিয়েছেন। কেন গিয়েছেন জানতে চাইলে তিনি সরাসরি উত্তর না দিয়ে বলেন, বুঝেনই তো।

%d bloggers like this: