Posts tagged ‘এম কে আনোয়ার’

November 9, 2013

‘অসুস্থ’ এম কে আনোয়ারের গ্রেফতারে আনন্দ মিছিল

নিজস্ব মতিবেদক

বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার নায়েবে আমীর মুবাইলে কুকাম আনোয়ার ওরফে মতি কণ্ঠ আনোয়ার ওরফে এম কে আনোয়ারের গ্রেফতারের সংবাদে উল্লাস প্রকাশ করে আনন্দ মিছিল করেছেন জাতীয়তাবাদী গৃহিনী দলের নেতা কর্মী গন।

শনিবার বিকালে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে তারা আনন্দ মিছিল করে পরস্পরকে মিস্টি খাওয়ান ও এম কে আনোয়ারের তিনটি কুখ্যেত আংগুলের কুশ পুত্তলিকা দাহ করেন।

আনন্দ মিছিল শেষে জাতীয়তাবাদী গৃহিনী দলের নেত্রী ও জয়নাল আবদিন ফারুকের হাতে নিগৃহীত শিউলি রহমত এক বক্তব্যে বলেন, মধ্যরাত্রের আতংক মুবাইলে কুকাম আনোয়ারকে ডিবি পুলিশ গ্রেফতার করায় আমরা আনন্দিত।

শিউলি রহমত বলেন, আমরা বৃহত্তর জামায়াতের বিএনপি শাখার বিভিন্ন পাতিশাখার আমীরের ঘরনী। স্বামী সন্তান লয়ে আমরা সুখে দুঃখে সংসার করি। অবসরে টিভিতে হিন্দী সিরিয়াল দেখি, বাচ্চা কাচ্চাকে ইস্কুলে দিয়াসি নিয়াসি, বাজার করি, রান্না করি, টেলিফুনে ফেসবুকে কুটনামি করি, বিভিন্ন মার্কেটে কিনাকাটা ও খাওয়া দাওয়া করি। সারা দিন এইসব গৃহিনীর দায়ীত্ব পালনের পর মধ্য রাত্রে একটু নিদ্রার অধিকার আমাদের মানবাধিকার।


শিকারের সন্ধানে মুবাইলে কুকাম আনোয়ার

আবেগঘন কণ্ঠে শিউলি বলেন, কিন্তু মধ্যরাত্রির আতংক মুবাইলে কুকাম আনোয়ার আমাদের নিদ্রার মানবাধিকার নিয়মিত লংঘন করেন। তিনি আমাদের গৃহিনী দলের সদস্যদের নিয়মিত মুঠোফুনে কল দিয়া নংরা নংরা কথা বলেন। কখনও শুধান, তুমার জামাই তুমায় গতকাল কিরুপে লাগাইল? কখনও জানতে চান, আমাদের খসম আমাদের কুন অংগ প্রত্যংগে কামড় দিয়াছে। কখনও আবার আমাদের উপর উনার প্রবাদ প্রতিম কুখ্যেত তিনটি আংগুল প্রয়গ করতে চান।

এক পর্যায়ে কেদে ফেলে শিউলি রহমত বলেন, আমরা কাদতে আসিনি, মুবাইলে কুকাম আনোয়ারের ফাসির দাবী নিয়া এসেছি। এই আনোয়ারের নামের বৃদ্ধ জানোয়ারটিকে ফাসিকাষ্ঠে না চড়াইলে আমরা গৃহিনীরা গৃহযুদ্ধ ঘুষনা করব। জাতীয়তাবাদীদের ঘর করি বলিয়া কি আমাদের মানবাধিকার নাই?

মুবাইলে কুকাম আনোয়ারকে ‘অসুস্থ’ ও ‘রোগাক্রান্ত’ উল্লেখ করে গৃহিনী দলের অন্যান্য নেতৃ বৃন্দ বলেন, ডিবি পুলিশের অফিসে ডিমের পর ডিম দিয়া উহার অসুখ নিরাময় করতে হবে।

November 3, 2013

আনোয়ারের অডিও ফাঁসের প্রতিবাদে হরতাল

নিজস্ব মতিবেদক

মার্কিন যুক্তরাস্ট্রের মুসলমান প্রেসিডেন্ট বারাক হোসেন ওবামা কতৃক বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার নায়েবে আমীর মুবাইলে কুকাম আনোয়ার ওরফে এম কে আনোয়ারের ফোন আলাপনের অডিও ফাস হওয়ার প্রতিবাদে সোমবার থেকে ৬০ ঘন্টার হরতাল ডেকেছে বৃহত্তর জামায়াত।

আজ এক সংবাদ সম্মেলনে হরতালের কথা পাকাপাকি করেন বিএনপি শাখার ভাঁড়প্রাপ্ত নায়েবে আমীর ও জাতীয়তাবাদী শক্তির ‘কমপ্লান বয়’ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ফখা ইবনে চখা বলেন, বারাক হোসেন আমাদের নায়েবে আমীর মতি কণ্ঠ আনোয়ারের অডিও আলাপ আড়ি পাতিয়া শুনতে গেছেন কেন, আমরা জানি না। শুনছেন ভাল কথা, সেই আলাপ আবার কেন জুলিয়ান এসাঞ্জের হাতে লিক করার সুযুগ দিলেন, তাও আমরা জানি না। কিন্তু কাজটা তিনি ভাল করেন নাই।

আবেগঘন কণ্ঠে মির্জা বাড়ির গৌরব বলেন, সারাদিন রাজনীতীর ময়দানে হাড় ভাংগা খাটুনির পর তনুমন চায় একটু বিশ্রাম। একটু রুমান্টিক আলাপন। যুবক বয়সে কামান চালনাতেই তৃপ্তি বেশী। কিন্তু বৃদ্ধ বয়সে কামান চালনায় নানা সমস্যা দেখা দেয়। তাই গোলার আওয়াজেই খুশী থাকতে হয়। আনোয়ার ভাই সারা দিন পরিশ্রমের পর রাত্র কালে আর কি করবেন? টেলিভিশন ছাড়লে সব চেনেলে টক শো। সব চেনেলেই ফরহাদ মজহার লুংগি অথবা আসিফ নজরুল ইঞ্চি অথবা পিয়াস করিম হাগুর ভয়ানক কথা বার্তা শুনতে হয়। তাই একটু আওয়াজ সুখের জন্য আনোয়ার ভাই উনার এক বিবাহিত বান্ধবীকে ফুন দিয়া নিরিবিলিতে কামানের মজা গোলায় মিটানর চেস্টা করেছিলেন। আর নিগ্র ওবামা কিনা সেই গোলার আওয়াজ ফাস করিয়া দিল।

হরতাল হরতাল

মার্কিন যুক্তরাস্ট্রের এহেন আচরনের প্রতিবাদ জানিয়ে ফখা বলেন, পথ একটাই। ৬০ ঘন্টা হরতাল।

হরতালে জন জীবনে সমস্যার দিকে দৃস্টি আকর্ষন করা হলে মির্জা ফখরুল বলেন, জন জীবনে সমস্যা ত আমরা কি করব? আমাদের জীবনে ত আর কুন সমস্যা হইতেছে না। হরতালের ডাক দিয়া হয় উত্তরার বাড়িতে নয় নয়া পল্টনের কার্যালয়ে গিয়া কেচি গেটে তালা মারিয়া বসিয়া থাকব। টেলিভিশন আছে, ভিসিআর আছে, হরতালের সময়টা উত্তম সুচিত্রার কুন ছায়াছবি দেখিয়া পার করিয়া দিব।

ক্লাস এইটের জেএসসি পরীক্ষার্থী শিশুদের সমস্যার কথা তুলে ধরলে ফখা ইবনে চখা হাসতে হাসতে বলেন, আমার গুস্টিতে কেহই জেএসসি পরীক্ষা দিতেছে না। মেডামের গুস্টির লুকজনও দিতেছে না। বিএনপি শাখার কেহই জেএসসি পরীক্ষা দিতেছে না। বৃহত্তর জামায়াতের কেহই জেএসসি পরীক্ষা দিবে না। আর এত পরীক্ষা দিয়া কি হবে? ক্লাস এইট পাশ না করিলে কি ক্ষতি হবে? ইস্কুলে সময় অপচয় না করিয়া ঘরে বসে ককটেল প্রস্তুত করা শিখলেও ত হরতালে কাজ করে দুটু আয় উপার্জন করা সম্ভব।

ও লেভেল এ লেভেলের পরীক্ষার্থীদের জন্য বিগত হরতালে ছাড় দেওয়ার কথা তুলে ধরলে ফখা বলেন, ইংরাজী মাধ্যমে আমাদের অনেক নেতার ছেলেমেয়ে লিখাপড়া করে। ওদের একটা ভবিষ্যত আছে না?

বাংলা মাধ্যমে লিখাপড়া করা শিশুদের ভবিষ্যত আছে কিনা, এ প্রশ্নের সরাসরি উত্তর না দিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, বুঝেনই ত।

November 1, 2013

এনজেলা মার্কেলের পর ওবামার শিকার এম কে আনোয়ার

নিজস্ব মতিবেদক

একবিংশ শতাব্দীর প্রযুক্তি বেবহার করে জার্মানের প্রধান মন্ত্রী এনজেলা মার্কেলের মুঠোফোনে আড়ি পেতে সারা বিশ্বে কেলেংকারী ঘটিয়েছেন মার্কিন যুক্তরাস্ট্রের প্রথম মুসলমান রাস্ট্রপতি বারাক হোসেন ওবামা। এ নিয়ে ইউরুপীয় ইউনিয়নের সংগে তিব্র বাদানুবাদের মাঝেই নতুন কেলেংকারী ঘটাল ওবামার গোয়েন্দা সংস্থা এনএসএ-র গোয়েন্দারা।

আর এবার ওবামার নিষ্ঠুর প্রযুক্তির বলি হয়েছেন বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার নায়েবে আমীর আল্লামা মতি কণ্ঠ আনোয়ার।

বৃহস্পতিবার নিউজিলেন্ডের বিরুদ্ধে স্বাগতিক বাংলাদেশের কৃকেট মেচে বাংলাদেশের জয়লাভের সুসংবাদের সংগেই মতি কণ্ঠ আনোয়ারের টেলিফোনে প্রেম আলাপনে ওবামার আড়ি পাতার খবর ফাঁস করে দেয় অষ্ট্রেলিয়ার হেকার ও উইকিলিকসের আমীর জুলিয়ান এসাঞ্জ।

নিজের ওয়েবসাইটে এই দুঃসংবাদ তুলে ধরে জুলিয়ান এসাঞ্জ বলেন, বারাক হোসেন ওবামার কাজই হচ্ছে বিখ্যেত পরহেজগার বেক্তিদের মুঠোফুনে আড়ি পাতিয়া তাদের গুপন মধুর প্রেম আলাপন শুনা। আর ফাকে ফাকে আফগান বোগদাদে বুমা মারা। ওবামা একটি অভিশাপ। তার কারনে আমি বছরের পর বছর ইকুয়াডরের দুতাবাসে আটকা পড়িয়া আছি।

এ বেপারে ওবামার প্রতিক্রিয়া জানতে যোগাযোগ করা হলে ওবামা মতিকণ্ঠকে বলেন, মতি কণ্ঠ আনোয়ার বিএনপি শাখার একজন শ্রদ্ধেয় নায়েবে আমীর। নিন্দুক লোকে তাকে মস্ত খাটাশ আনোয়ার, মিথ্যা কথা আনোয়ার, মায়াবী কসাই আনোয়ার প্রভৃতি মন্দ নামে ডাকিলেও আমি জানি, তার প্রকৃত নাম মতি কণ্ঠ আনোয়ার। তিনি ইসলামী রাজনীতী বিষয়েও সুপন্ডিত। তাই ভাবলাম একদিন তার ফুনে কান পাতিয়া একজন মুসলিম প্রেসিডেন্ট হিসাবে কিছু বিদ্যা লাভ করব। কিন্তু টেলিফুনে এক বিবাহিত নারীর সংগে তার মধুর আলাপন শুনিয়া আমি বুঝতে পারলাম, আসলে তার নাম মুবাইলে কুকাম আনোয়ার। নাউযুবিল্লাহ, খুবই খারাপ খারাপ কথা শুনতে পাইছি। এনজেলা মার্কেল কিংবা বারলুসকানি ত মুবাইলে কুকাম আনোয়ারের তুলনায় নিতান্তই শিশু।

এক তাতক্ষনিক সংবাদ সম্মেলনে মতি কণ্ঠ আনোয়ার বলেন, যে মুঠোফুন আলাপনটি জুলিয়ান এসাঞ্জের কারনে ফাঁস হইছে, উহা আমার নহে। ফটশপ দিয়া আলাপনটি তৈয়ার করে আমার নামে চালাইয়া আমার সুনাম হানির চেস্টা করা হয়েছে। আমি এর তিব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমি কেন রাত্র কালে অপরের পত্নীকে ফুন করে গরম গরম সেক্সের কথা বলব?

ওবামার বক্তব্যের প্রতিবাদ করে আনোয়ার বলেন, মুবাইলে কুকাম আনোয়ার আমার নাম নহে। আমার আকীকার সময় পৃথীবিতে মুবাইল ছিল না। আমি বারাক হোসেন ওবামাকে এই ভ্রস্টাচারের রাজনীতী থেকে বের হওয়ার আহোভান জানাই। ভবিষ্যতে তিনি যেন আর আমার নামে চালান কুন মধুর আলাপন গুপনে গুপনে না শুনেন, সেই অনুরধ করি।

মিশেল ওবামার মুঠোফোন নম্বর সরবরাহের আহোভান জানিয়ে মতি কণ্ঠ আনোয়ার ওবামাকে বলেন, লাইনে আসুন।

August 11, 2013

এই শুভ্র এই: আনোয়ার

নিজস্ব মতিবেদক

বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর মানবাধিকার শাখার আমীর ও দেশের শুদ্ধতম মানবাধিকার কর্মী আদিলুর রহমান শুভ্র ওরফে ‘কানাবাবা’কে ৫ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।

আজ মুখ্য মহানগর হাকিম কানাবাবা শুভ্রকে ৫ দিনের রিমান্ডে পাঠানর হুকুম দেন।

তাতক্ষনিক প্রতিক্রিয়ায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বৃহত্তর জামায়াতের বিএনপি শাখার নায়েবে আমীর এম কে আনোয়ার ওরফে মতি কণ্ঠ আনোয়ার বলেছেন, বাকশাল প্রথমে ৫০ হাজার মুসল্লিকে গুম খুন ও ৫০ হাজার মুসল্লিকে আহত করার পর এখন সেই কুকামের সাক্ষীদের গুম খুন করার অপচেস্টা চালাইতেছে। সেই নীল নকশার প্রথম বলি আমাদের মানবাধিকার শাখার ১১০% সত্য রটনাকারী কানাবাবা শুভ্র।

এক সংবাদ সম্মেলনে মতি কণ্ঠ আনোয়ার বলেন, আমি নিজে মতিঝিলের গনহত্যার সাক্ষী। সেই কাল রাত্রে গভীর রজনীতে ক্লান্ত মুজাহিদদের উপর রজনীকান্তের সহায়তায় গনহত্যা চালায় বাকশালের পুলিশ ও রেব। চারদিকে গুলাগুলির ঠুশ ঠাশ আওয়াজ, মুজাহিদদের আর্তনাদ, রজনীকান্তের উল্লাস ও ইয়ান্না রাসকালা হুংকার আর রেব পুলিশের বুটের শব্দে আসমান সেদিন কাপতে আছিল। আমাদের কানাবাবা শুভ্র সেই ঘটনাই তুলে ধরেছে বিশ্বের সামনে। আর বেদরদী বাকশাল সরকার সারা বিশ্বের চাপের মুখে এখন তারে ধরিয়া রিমান্ডে নিল।

দেশের শুদ্ধতম মানবাধিকার কর্মী শুভ্র রিমান্ডে

আবেগঘন কণ্ঠে মতি কণ্ঠ আনোয়ার বলেন, কানাবাবা রিপট লেখার আগে আমায় মুঠোফোন মারিয়া বলল, বদ্দা ৫০ হাজার মুসল্লির কথা লিখলে কি বিশ্ব মিডিয়া তা ভক্ষন করবে? আমি তাকে বললাম, কানাবাবা! আমি সিএসপি ছিলাম। বন্যায় জলচ্ছাসে ভুমিকম্পে হাজার হাজার মানুষ মারা গেলেও সরকারী হিসাবে মৃতের সংখ্যা হিসাবে ১৭ জন, ২৯ জন, ৩৭ জন প্রভৃতি মৌলিক সংখ্যা লিখিয়া আমার অভ্যাস। ১৯৭১ সালে তিরিশ লক্ষ শহীদের সংখ্যাও বিদেশে গিয়া বৃহত্তর জামায়াতের বিএনপি শাখার পক্ষ হতে শমশের মবিন চৌধুরী তিন লক্ষ বলিয়া ঘোষনা দিছিলেন। কাজেই ৫০ হাজার লিখিও না, একটি মৌলিক সংখ্যা লিখ। কানাবাবা আমায় বলল, আপনি তবে একটি সুন্দর মৌলিক সংখ্যা বাছিয়া দিন। আমি আমার নাতনিকে ডাকিয়া বললাম, বেবী একটি মৌলিক সংখ্যা বল ত। সে বলল দাদু ৬১। আমি কানাবাবাকে বললাম, আলহামদুলিল্লাহ লিখিয়া দাও ৬১ জন বাকশালের হাতে মাডার হইছে। সে বলিল লক কর দিয়া যায়ে? আমি বলিলাম লক কর দিয়া যায়ে।

রুমালে অশ্রু মুছে মতি কণ্ঠ আনোয়ার বলেন, অথচ আজ আমাদের কানাবাবাকেই বাকশালের পুলিশ লক কর দিয়া যায়ে। সে কি আর বাচিয়া ফিরত আসবে? নাকি তাকে লইয়া রেব রাতের অন্ধকারে গুপনে অস্ত্র উদ্ধারে বাইর হইবে? আড়াল থেকে ওত পেতে থাকা বৃহত্তর জামায়াতের মানবাধিকার শাখার কর্মীরা তাদের উপর কি গুলি চালাইবে? আত্ম রক্ষার্তে কি রেব পাল্টা গুলি চালাইবে? এই গুলাগুলিতে পড়িয়া কি আমাদের কানাবাবা অকালে এন্তেকাল করবে?

এ সময় সংবাদ সম্মেলন স্থলের সামনে দিয়ে আদিলুর শুভ্রকে হাটিয়ে নিয়ে যাওয়া হলে এম কে আনোয়ার মঞ্চ ছেড়ে উঠে কান্না ভেজা কণ্ঠে ডেকে উঠেন, এই শুভ্র এই!

%d bloggers like this: