Posts tagged ‘কাদের’

August 2, 2016

শেখের বেটীর কারনে সংসারে শান্তি নাই: ঘেঁটুপুত্র কাদেরা

নিজস্ব মতিবেদক

নিজের ভাগ্যের পাশাপাশি বাকশালের আমীর প্রধানমন্ত্রী ভাষা কন্যা গনতন্ত্রের মানস কন্যা শেখের বেটী শেখ হাসিনার প্রতি দোষারপ করে ঘেঁটুনাগরিক শক্তির আমীর রংগবীর কাদের সিদ্দিকী ওরফে ঘেঁটুপুত্র কাদেরা বলেছেন, শেখের বেটীর কারনেই এই মধ্য বয়সে আসিয়া সংসার লইয়া বিপদে পড়িয়াছি। উনার কারনেই আমার সংসারে শান্তি নাই।

আজ জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়জিত এক সভায় ঘেঁটুপুত্র কাদেরা এ কথা বলেন। এ সময় তাঁর স্ত্রী নাসরীন সিদ্দিকী তাঁর পাশে বসা ছিলেন।

নিজের ভাগ্যকে দোষারপ করে রংগবীর বলেন, বীর উত্তম আছিলুম। কিন্তু মাঝ বয়সে আতকা কুন জ্বিনে ধরল, চলিয়া গেলাম বৃহত্তর জামায়াতের দিগন্ত টিবিতে রাজাকারের পুটু চাটিতে। আমার স্ত্রী আমায় বাধা দিয়া বলছিলেন, শুন লম্বা গাধা, বীর উত্তম হইয়া তুমি রাজাকারের পুটু চাটিও না। উনার কথা না শুনিয়া আমি গলায় গামছা বান্ধিয়া বলিয়াছিলুম, শুন বাবুর মা কথা কম বলবা। রাজনীতীতে শেষ কথা বলিয়া কিছু নাই। আজ যা ডিম, কাল তাহাই মুরগী। আজ আমি বীর উত্তম, কাল হয়ত হব নিশানে পাকিস্তান। এইবার যাও ভাল করিয়া চিনি গুলাইয়া এক কাপ চা লইয়াস।

হুহু করে কেদে উঠে ঘেঁটুপুত্র কাদেরা বলেন, নিশানে পাকিস্তান ত দুরের কথা, দিগন্ত টিবির নিশানাই এখন আর নাই। রাজাকারদের ঘেটীতে শেখের বেটী ফাসি লাগাইয়া দিল। ঘরের লম্বা গাধা ঘরে ফিরিয়া আসতে গিয়া পাইলাম লাঞ্ছনা বঞ্ছনা গঞ্জনা। বউ আমায় চক্ষু রাংগাইয়া বলল, সত্য করিয়া বল মিনসে তুই কি মুক্তিযুদ্ধা নাকি রাজাকারের ডিম?

এ সময় উপস্থিত শ্রোতাদের মাঝে গুঞ্জন উঠে। এক পর্যায়ে কাদের সিদ্দিকীর পাশে বসা বৃহত্তর জামায়াতের বিএনপি শাখার কুতুবে আমীর ডাক্তার এমাজুদ্দি একটি ১ টাকার মুদ্রা দিয়ে পাশে বসা আবদুল্লাহ আল নোমানকে “শাপলা না শেখ মুজিব” জিজ্ঞাসা করে বাজি ধরেন।

চক্ষু মুছে মেজাজঘন কণ্ঠে রংগবীর বলেন, আমি সালা GUN গলায় না ঝুলাইয়া যদি গান ঝুলাইতুম, বাকশালের মন্ত্রী হইতে পারতুম। কুথাকার কুন মমতাজ জিয়ার নামে গান গাইয়া আজ বাকশালের এমপি। চেস্টা করলে আমি কি জিয়ারে লইয়া দুটু গান বানতে পারতুম না?

আবেগ সংবরন করতে না পেরে ঘেঁটুপুত্র কাদেরা এ সময় ‘জিয়া জ্বলে জাঁ জ্বলে’ বলে গুনগুন করে উঠলে ডাক্তার এমাজুদ্দি ও আবদুল্লাহ আল নোমান টেবিলে তাল দিয়ে তার সংগে গলা মিলান। এ সময় উপস্থিত শ্রোতাদের মাঝে পুনরায় গুঞ্জন উঠে।


পরীনীতী সিদ্দিকী

এক পর্যায়ে নিজেকে সামলে গলায় ঝুলান গামছা দিয়ে নিজের অশ্রু ও এমাজুদ্দির অশ্রু মুছে রংগবীর বলেন, দিগন্ত টিবি শাট ডাউনের পর পরই আমি বউরে গিয়া বললাম, বাবুর মা তুমি পরটা পরে ভাজিও, আগে গিয়া আপার সংগে দেখা করিয়া আস। উনাকে বলবা আমার দীর্ঘ মেয়াদী টাইফইড হইছিল, মাঝে কয়েক বছর কি উল্টুপাল্টা বলছি সেগুলি ধরার কুন দরকারই নাই। বাবুর মা বাবুরে নিয়া আপার সংগে দেখা করতে গেল। কিন্তু আপা দেখা দিলেন না। উহাদের ঘন্টার পর ঘন্টা বাইরে রইদের মধ্যে বহাইয়া রাখলেন। জাতির কাছে আমার প্রশ্ন, ইহা কি ঠিক হইল? টাইফইডের রুগীর ইস্ত্রীর সাথে ইহা কেমন বেবহার?

পুনরায় হুহু করে কেদে উঠে ঘেঁটুপুত্র কাদেরা বলেন, উপযুক্ত বউ অনেকেই পায় না। বীর উত্তম জিয়া পায় নাই। আমিও পাই নাই। তবে ভাল বউ পাইয়াছি। কিন্তু উপযুক্ত বউ যদি পাইতাম, তবে ঘটনা অন্যরকম হইত। উপযুক্ত বউরে শেখের বেটী গেটের বাইরে খাড়া করাইয়া রাখলে সে ফিরিয়া আসনের সময় ভবনের ইট খুলিয়া সংগে নিয়াসত।

পরীনীতী চোপড়ার একটি চিত্র স্লাইডের মাধ্যমে প্রদর্শন করে উতসাহঘন কণ্ঠে রংগবীর বলেন, হায়াত মউত শাদী আল্লাহর হাতে। আপনারা জবরদস্তি করলে না বলব না।

November 22, 2015

টেনশনে আছি: ঘেঁটুপুত্র কাদেরা

নিজস্ব মতিবেদক

সর্বচ্চ আদালতের রায়ে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার নায়েবে আমীর ‘রাউজানের রসপুটিন’ ব্রাদারফাকার সাকা ও বৃহত্তর জামায়াতের নায়েবে আমীর আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের ফাসি কার্যকর হওয়ায় দুশ্চিন্তায় পড়ে গেছেন জানিয়ে ঘেঁটুনাগরিক শক্তির আমীর রংগবীর কাদের সিদ্দিকী ওরফে ঘেঁটুপুত্র কাদেরা বলেছেন, টেনশনে আছি।

আজ নিজ বাসভবনে আয়জিত এক সংবাদ সম্মেলনে ঘেঁটুপুত্র কাদেরা বলেন, এই ফেসিবাদী বাকশাল সরকার কাদের-বিদ্দ্যেষী। গত দুই বছরে উহারা দুই জন কাদেরকে ফাসি দিয়া দিল। আন্তর্জাতিক মহলের কুন আপত্তিই তারা কানে লয় নাই। তাই একজন কাদের হিসাবে আমি বলতে চাই, টেনশনে আছি।

আবেগঘন কণ্ঠে ঘেঁটুপুত্র কাদেরা বলেন, ফাসি খাওয়া কাদের দ্বয় উভয়েই সম্ভ্রান্ত বংশের কাদের। একজন মোল্লা বাড়ির কাদের, আরেক জন চৌধুরী বাড়ির কাদের। এ থেকেই প্রমানিত হয়, বাকশাল সরকার সাধারন আবুল ছাবুল কাদেরের পিছে লাগে নাই। উহারা দেশ হতে সকল সম্ভ্রান্ত কাদের দিগেরে লটকাইয়া বিলপ করতে চায়। আর কে না জানে, আমি সিদ্দিকী বাড়ির সম্ভ্রান্ত কাদের।

হুহু করে কেদে উঠে রংগবীর বলেন, সরকার যখন ট্রাইবুনাল গঠনের উদ্যগ লইল, আমি সংগে সংগে দিগন্ত টিভিতে নাম লিখাইয়া ‘এশশিয়েশন অফ ইসলামী মিডিয়া পারসনালিটি’র মেম্বর হইলুম। ইচ্ছা আছিল সংগঠনটির আমীর বনিব। কিন্তু কুথাকার কুন এক মস্তফা সরয়ার ফারুকী আসিয়া বলল, ইসলামী মিডিয়া পারসনালিটি হইতে চাইলে শুদু গলায় গামছা দিলেই চলবে না, মাথায় টুপি ভি দিতে হইবে। আপনার মাথায় টুপি নাই, আমার মাথায় টুপি আছে। অতএব আমিই আমীর।

অশ্রু মুছে ঘেঁটুপুত্র কাদেরা বলেন, অতঃপর সাধারন ইসলামী মিডিয়া পারসনালিটি হইয়াই দিগন্ত টিভিতে বসিয়া সরকারকে প্রতি রাত্রে কথার চাপাতি দিয়া জবেহ দেওয়া শুরু করলাম। এই কামে কামিয়াবও হইয়াছিলুম। কিন্তু এখন পরিস্থিতি খারাপ। এখন আবার মুক্তিযুদ্ধা মুডে খেলিতে হইবে। না হইলে কখন সম্ভ্রান্ত কাদের হিসাবে ট্রাইবুনালে চালান হইয়া যাই কুন ঠিক নাই। তাই ঠিক করছি সামনে কিছুদিন আবার বত্রিশ লাম্বারে বংগবন্ধুর বাড়ি জিয়ারত করব, টুংগীপাড়াতেও যাব, সাভারে শহীদ স্মৃতি সৌধেও আনাগনা বাড়াব।


ঘেঁটুপুত্র কাদেরাকে সতর্ক করে দিলেন ওবায়দুল কাদের

বাকশাল সরকারের যোগাযোগ মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের প্রতি ইংগিত করে ঘেঁটুপুত্র কাদেরা বলেন, ওবায়দুল কাদের বাংলার অন্যতম সম্ভ্রান্ত ওবায়দুল বংশের সন্তান। ওবায়দুল বংশের কাছে সিদ্দীকী মির্জা খান সৈয়দ সবই তুচ্ছ। তাই যদি ফাসিতে ঝুলাইতে হয়, ওবায়দুল কাদেররে ঝুলান। আমি নিতান্ত ছুটমুট সিদ্দীকী বংশের কাদের। মুঝে ছোড় দ।

এদিকে এক পৃথক সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের ঘেঁটুপুত্র কাদেরাকে তিরষ্কার করে বলেন, টাংগাইল ডিশটিকে শত শত সেতুর টেকা মারিয়া পলাইছ, সেই কথা ভুলি নাই। গামছা ত গলায় ঝুলাইয়াই রাখছ, তাই আমায় আর কস্ট করিয়া বাসা হইতে গামছা আনতে হইবে না। তুমার গলায় গামছা দিয়া সকল সেতুর টেকা আদায় না করছি ত আমি ওবায়দুল বাড়ির পুলাই নহি।

December 14, 2013

আখেরাতের প্রথম দিবসে

আখেরাত মতিনিধি

মতিকন্ঠের আখেরাত মতিনিধি নিশ্চিত করেছেন, ফাসির রায় কার্যকর করার পর ইহজগত হতে বিতাড়িত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল ও আপীল বিভাগের নির্মম বলি, মেধাবী শিক্ষক, খেতনামা রবিন্দ্র সংগিত শীল্পী ও বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর খানকির পোলায়ে নায়েব আবদুল কাদের মোল্লা ওরফে কসাই কাদের নিরাপদে পরকালে পৌছেছে।

আখেরাতে প্রবেশ কালে তাকে এক দল ফেরেশতা স্বাগত জানায়। আজরাইল ফেরেশতা কাদের কসাইয়ের পা ছুয়ে সালাম করে বলে, আমি আল্লাহর আদেশে মানুষের জান কবচ করি। ইহাই আমার অবৈতনিক চাক্রি। কিন্তু আপনি ছিলেন মানুষাজরাইল। অন্য মানুষের জান কবচ করায় আপনার দক্ষতাই আপনাকে কসাই এর খেতি দিয়েছে। আপনাকে ওস্তাদ মানলাম। এর পরে কসাই কাদেরের গলা থেকে ফাসির দড়ি খুলে নিয়ে আজরাইল নিজের কাছে রেখে দেয় সুভেনির হিসেবে।

জানা গেছে, কসাই কাদের তার জন্যে বরাদ্দ ৭২ হুর ও অগনিত গেলমান এখনো বুঝে পায় নাই। এমতাবস্থায় ইসলামী আন্দোলনের বীর নির্ভিক সিপাহসালার বাংলাদেশের উলামায়ে কেরামের অবিসংবাদিত নেতা মরহুম মুফতি ফজলুল হক্ব আমিনী তার নিজস্ব কিছু হুর ও কতিপয় গেলমান দিয়ে আখেরাতে নবাগত কাদেরকে আপ্যায়ন করে চলেছে।

তবে সারাটা সময় কসাই কাদের একবারও বসে নাই। ধারনা করা হচ্ছে, আখেরাতের অনন্ত কাল তাকে না বসেই কাটাতে হবে। কারন তার ডান হাতের তর্জনী ও মধ্যমা তার নিজের পুটুতে পোক্তভাবে প্রবিষ্ট হয়ে আছে।

November 15, 2013

বাজারে আসছে ‘বিজয় জোট’

নিজস্ব মতিবেদক

বৃহত্তর জামায়াতে ইসলাম ও বাকশাল, উভয় বৃহত রাজনৈতিক শক্তিকে ‘অভিশাপ’ উল্লেখ করে সাবেক স্বৈরাচার রাস্ট্রপতি ও পল্লীবন্ধু রহস্যপুরুষ আলহাজ্জ জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, আর কুন অভিশাপের খেদমত খাটব না। বাজারে আসবে আমাদিগের নতুন জোট, ‘বিজয় জোট’।

শুক্রবার বাদ জুম্মা নিজ বাসভবনে আয়জিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষনা দেন পল্লীবন্ধু।

সংবাদ সম্মেলনে এরশাদ বলেন, জীবনে অনেক কিছু দেখেছি। কিন্তু বৃহত্তর জামায়াত ও বাকশালের নেয় বৃহত অভিশাপ দেখি নাই। উহাদের কারনেই দেশে আজ এত দুঃখ, এত কান্না, এত জ্বালাও পোড়াও। আমি আর ইহাদের খেদমত খাটব না। নিজেই নিজের জোট গড়ব।

আবেগঘন কণ্ঠে পল্লীবন্ধু বলেন, নয়টি বতসর স্বৈরাচার আছিলাম। কঠর হাতে ছাত্র পিটাইছি, কুমল হাতে মধ্যবয়স্কা নারীদের আদর করেছি। কুমলে কঠরে মিশান ছিল আমার অন্তর। এইসব করতে গিয়া কিছু ভুলচুক যে হয় নাই, তা না। কিন্তু তাই বলিয়া আদালতে মামলার উপর মামলা দেওয়ার কি কুন দরকার আছিল?

এ সময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ঘেঁটুনাগরিক শক্তির আমীর ঘেঁটুপুত্র কাদেরা নিজের গলা হতে গামছা খুলে এগিয়ে দিলে এরশাদ তাতে অশ্রু মুছেন।

বড় দুই দলের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে এরশাদ বলেন, দুই দলই আমায় মুলা দেখায়, বলে আস এরশাদ, তুমায় তিন প্রহরের বিল দেখাব, রাস্ট্রপতি বানাব। আরে নাদের আলীর বাচ্চারা, আর কবে আমায় তিন প্রহরের বিল দেখাইবা তুমরা? তুমরা কবে পুনরায় আমায় রাস্ট্রপতি বানাইবা, তার জন্য আমি বসিয়া থাকব না। এই দেখ নিজেই নিজের জোট গঠন করলাম। সামনের ইলেকশনে আমাদের জোট ক্ষমতায় গিয়া সরকার গঠন করবে। তখন আমি আবার রাস্ট্রপতি হব। জিনাত মশাররফ, নাশীদ কামাল, শাকিলা জাফর, তুমরা জামাকাপড় ইস্ত্রী করা শুরু কর।


শুরু হল গেম অফ গদি

বিকল্প ধারার আমীর ডাক্তার বদরুদ্দুজা চৌধুরী, ঘেঁটুনাগরিক শক্তির আমীর কাদের সিদ্দিকী, গনফোরামের আমীর ডাক্তার কামাল হোসেন ও জাসদের আমীর আসম আবদুর রবের সংগে জাতীয় পার্টির মিলনে উতপন্ন জোটকে ‘বিজয় জোট’ নাম দিয়ে পল্লীবন্ধু বলেন, আমরা কুন দলের সংখ্যা উল্লেখ করিয়া জোটের নাম রাখায় বিশ্বাসী নহি। ১৪ দলীয় ১৮ দলীয় এইসব কুন ভদ্র জোটের নাম হতে পারে না। রাজনীতীতে শেষ কথা বলিয়া কিছু নাই, তাই যে কুন মুহুর্তে জোটে দলের সংখ্যা পাল্টাইতে পারে। তাই আমাদের জোটের নাম ‘বিজয় জোট’।

বিজয় জোটের সংগে বিজয় টেবলেটের কোন সম্পর্ক আছে কিনা, এমন প্রশ্নের সরাসরি উত্তর না দিয়ে পল্লীবন্ধু হাসতে হাসতে বলেন, আমাদের জোটের আমীরগনের বয়স ত কম হইল না।

‘বিজয় জোট’ উপলক্ষে জোটের শিজিল ও মট উদ্ভোদন করে এরশাদ বলেন, হাউস পল্লীবন্ধুই বাংলাদেশের গেম অফ গদিতে সর্বাপেক্ষা শক্তিশালী হাউসে পরিনত হবে।

‘বিজয় জোটে’ সদ্য গঠিত রাজনৈতিক দল বাবুনাগরিক শক্তির আমীর, বাংলাদেশের একমাত্র নোবেল বিজয়ী অর্থনীতীবীদ ও গ্রামীন বেংকের বিতাড়িত মালিক কায়েদে নোবেল ‘অর্থনীতীর সানি লিওনি’ ড. মুহম্মদ ইউনূস বাবুনগরী যোগ দিবেন কিনা, এ প্রশ্নের জবাবে এরশাদ বলেন, উনি আসতে চাইলে আমি বাধা দিব না। তবে জোটের নাম ‘বিজয় জোট’ই ফাইনেল, ইহা পাল্টাইয়া ‘শক্তি জোট’ হবে না।

%d bloggers like this: