Posts tagged ‘ছাত্রলীগ’

June 26, 2013

ছাত্রলীগের হাতে প্রানঘাতী নয় এমন অস্ত্র দেওয়া হবে

নিজস্ব মতিবেদক

চট্টগ্রামে টেন্ডার নিয়ে হানাহানির এক পর্যায়ে গুলিতে ২ পথচারী নিহত হওয়ার পর ছাত্রলীগের টেন্ডার যুদ্ধাদের হাতে প্রানঘাতী নয় এমন অস্ত্র দেওয়ার কথা ভাবছে ছাত্রলীগের মজলিশে শুরা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ছাত্রলীগের এক কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর জানান, টেন্ডার নিয়ে হানাহানির ঘটনায় পথচারী নিহত হওয়ার ঘটনা একই সংগে দুঃখের ও আনন্দের। দুঃখ এই যে এ ঘটনার পর সবাই স্বাধীনতা সংগ্রামে গৌরবময় ভুমিকা পালন কারী এ সংগঠনের নামে বদনাম করবে, নানা কালিমা লেপন করবে। আর আনন্দ এই যে এত গুলাগুলির পরও ছাত্রলীগের কেউ আহত নিহত না হইয়া ২টি খুচরা পথচারী নিহত হয়েছে। তবে ভবিষ্যতে ছাত্রলীগের টেন্ডার যুদ্ধাদের নিশানা আরও উন্নত করার বেপারে প্রশিক্ষনের চিন্তা ভাবনা চলছে বলে তিনি জানান।

ছাত্রলীগের নিজেদের কোন্দল মিমাংসা না হওয়া পর্যন্ত টেন্ডার প্রকৃয়া বন্ধ রাখতে তিনি কতৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাকশালের এক কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর বলেন, বিএসএফ যেমন সীমান্তে আর বাংলাদেশী হত্যা করবে না বলেছে, ছাত্রলীগও তেমন টেন্ডার যুদ্ধে নামিয়া আর বাংলাদেশী হত্যা না করার ওয়াদা করেছে। তারা প্রানঘাতী মারনাস্ত্রের বদলে আরও নরম কুমল দুদভাত অস্ত্র চেয়েছে। আমরাও তাদের সেইরুপ অস্ত্র সরবরাহ করার কথা ভাবছি।

এ বেপারে ভারতীয় সীমান্ত বাহিনী বিএসএফের মহাপরিচালকের সংগে যোগাযোগ করা হলে তিনি নাম প্রকাশ না করার শর্তে হাসতে হাসতে মুঠোফোনে বলেন, আমরা ত কত কথাই বলি। ছাত্রলীগও যদি আমাদের মত কথা বলে, তবে টেন্ডার যুদ্ধের সময় আশে পাশে না যাওয়াই ভাল।

December 10, 2012

ছাত্রলীগ নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার উপযুক্ত: জলি

সদ্দ ইসলাম গ্রহনকারি হলিউড তারকা আঞ্জুমান আরা জলি শান্তি শৃংখলা রক্ষায় আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ভূয়সি প্রশংসা করেছেন।  তার বিবেচনায় ছাত্রলীগ নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার উপযুক্ত। সম্প্রতি মতিকণ্ঠের কাছে মুঠোফোনে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে হরতাল-অবরোধকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয়ায় ছাত্রলীগের প্রশংসা করে জলি বলেন, এ দেশে কোন কাজই ঠিকমত হয় না। যে কাজ দেশের মিলিটারি, বিজিবি, পুলিশ, আনসার, ভিডিপির করার কথা সে কাজ করতে হয় ছাত্রলীগের সোনার ছেলেদের। তিনি বলেন, “সত্যি মির্জা আব্বাস! কী বিচিত্র এই দেশ!”

গত ৯ ডিসেম্বর বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামের ডাকা অবরোধ কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা জজকোর্ট এলাকায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সোনার ছেলেরা নিরপরাধ পথচারি বিশ্বজিৎ দাসকে কুপিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনায় ছাত্রলীগের প্রশংসা করে জলি বলেন, দেশ থেকে একটা মালাউন কমানোর জন্য এ ঘটনায় জড়িত সোনার ছেলেদের প্রত্যেককে সরকারি তহবিল থেকে পুরস্কৃত করা উচিত।

এদিকে নিহত বিশ্বজিৎ দাসকে নিজেদের কর্মি দাবি করেছেন বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামের বিএনপি শাখার ভাঁড়প্রাপ্ত নায়েবে আমির মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তার বক্তব্যের বিরোধিতা করে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর ভাঁড়প্রাপ্ত খানকির পোলায়ে নায়েবে আমির মো. শফিকুর রহমান বলেন, ছাত্রলীগের হাতে কারো প্রান গেলে নিঃসন্দেহে সে জামায়াত-শিবিরের কর্মি।

প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী ভাষা কন্যা গনতন্ত্রের মানস কন্যা ড. শেখ হাসিনার কার্যালয় থেকে নিহত বিশ্বজিতের পরিবারকে একটি ছাগল দেওয়া হতে পারে বলে জানা গেছে।

January 15, 2012

শেখ হাসিনার ডিলিটের দাবিতে ঢাবিতে ছাত্রলীগের তাণ্ডব

বিশেষ মতিবেদক

রাজধানীতে আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এখনও সম্মানসূচক ডিলিট না করার প্রতিবাদে মণিপুর, মিজোরাম ও নাগালেন্ডের মুখ্যমন্ত্রীদের কুশ পুত্তলিকা পুড়িয়েছে বাংলাদেশের সরকারী জংগী সংগঠন ছাত্রলীগ।

ছাত্রলীগের উন্মত্ত নেতাকর্মীরা এ সময় কুশ পুত্তলিকাগুলির পুটু মারার চেষ্টা করেন। কুশ পুত্তলিকাগুলির সাথে মণিপুর, মিজোরাম ও নাগালেন্ডের মুখ্যমন্ত্রীদের চেহারার সাদৃশ্য ছিল না, বরং প্রতিটি কুশপুত্তলিকার মুখে শাকিব খানের ছবি আটকান ছিল।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় মিছিল শেষে টিএসসি প্রাংগনে এক বক্তৃতায় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জনৈক ছাত্রলীগ নেতা বলেন, শুধু ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ভাষাকন্যা গণতন্ত্রের মানসকন্যা শেখ হাসিনাকে সম্মানসূচক ডিলিট করেছে। কিন্তু মণিপুর বিশ্ববিদ্যালয়, মিজোরাম বিশ্ববিদ্যালয়, নাগালেন্ড বিশ্ববিদ্যালয় সামান্য ভদ্রতা জ্ঞান নাই। তারা শেখ হাসিনাকে সম্মানসূচক ডিলিট করেনি। অথচ আমরা তিতাস নদীর উপর বাধ দিয়ে তাদের জন্য মালামাল পার করে দিচ্ছি। নিজেদের পুটু মেরে আমরা তাদের পুটু বাচাচ্ছি।

অবিলম্বে শেখ হাসিনাকে সম্মানসূচক ডিলিট না করলে মণিপুর, মিজোরাম ও নাগালেন্ড অভিমুখে লং মার্চ ও রোড মার্চের ঘোষনা দেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এই নেতা।

মিছিল শেষে ছাত্রলীগ নেতারা পুটু মারার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের চেয়ারমেন আসিফ নজরুলকে খোজাখুজি করেন। আসিফ নজরুল আত্মরক্ষার্থে দেশের প্রভাবশালী এলাকা কারওয়ানবাজারে আত্মগোপন করেছেন বলে একটি সুত্র মতিকণ্ঠকে নিশ্চিত করেছে।

January 11, 2012

দুই প্রানীবিদ ও এক দার্শনিককে হারালো জাতি: জাবি উপাচার্য

বিশেষ মতিবেদক

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শরীফ এনামুল কবির দুদু মিঞা বলেছেন, উচ্ছৃঙ্খল ছাত্রছাত্রীদের জ্বালাও-পোড়াওয়ের পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অপার সম্ভাবনাময় তিন ছাত্রকে আজীবন বহিষ্কার করতে বাধ্য হয়েছেন তিনি।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে উপাচার্য দুদু মিঞা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়লে একটু আধটু মারপিট মদ্যপান মাগীবাজী হয়ই। সবাই করে। আমরাও করেছি। কিন্তু তার জের ধরে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করার মত বড় শাস্তি কেন দিতে হবে?

দুদু মিঞা বলেন, তাদের একমাত্র অপরাধ তারা ছাত্রলীগ করে। সব মাছই গু খায় কিন্তু দোষ পড়ে টাকী মাছের উপর।

নিহত জুবায়ের আহমেদ সম্পর্কে উপাচার্য বলেন, সে ছিল একটি অভিশাপ। সে নিজেও ছিল ছাত্রলীগের একটি বড় সন্ত্রাসী। সে সবসময় একটি পানির গ্যালনে করে মদ সঙ্গে রাখতো। উপাচার্যের বাড়ির বারান্দায় পিশাব করত। কামান বন্দুক নিয়ে সাধারন ছাত্রদের দৌড়ানি দিত। অজ্ঞাত পরিচয় কিছু লোক তাকে সেদিন আচমকা ধরে ছুরি মারে। উপাচার্য বলেন, সামান্য ছুরির ঘায়ে সে মুর্ছা যায়। মস্তানি করতে গেলে কাঠবডি নয়, ইস্টিলের বডি থাকতে হবে।

শরীফ এনামুল কবির বলেন, কতিপয় বেয়াদব ছাত্রছাত্রী জুবায়েরের মৃত্যুর পর তুমুল ভাংচুর গন্ডগোল করে। ফলে দুইজন অপার সম্ভাবনাময় প্রানীবিদ ও একজন কালজয়ী দার্শনিককে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করতে হয়।

দুদু মিঞা আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, পাপীকে নয়, পাপকে ঘৃনা করতে হবে। খুনীকে নয়, খুনকে ঘৃনা করতে হবে।

তিনি মতিবেদকের হাতে একটা গোলাপ ফুল দিয়ে বলেন, মোরা একটি ফুলকে বাঁচাব বলে যুদ্ধ করি।

%d bloggers like this: