Posts tagged ‘জংগী’

August 27, 2016

কেমনে বুঝব উহা তামিম আছিল: হান্নান

নিজস্ব মতিবেদক

নারায়নগঞ্জের পাইকপাড়ায় বন্দুকযুদ্ধে আইন শৃংখলা রক্ষা বাহীনীর হাতে নিহত জংগী নেতা তামিম চৌধুরীর নিহত হওয়ার সংবাদের প্রতি সন্দেহ জ্ঞাপন করে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার নায়েবে আমীর বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) হান্নান শাহ বলেছেন, ফেসিবাদী বাকশালী সরকারের হাতে আরও তিনটি তাজা জংগী প্রান ঝড়ে গেল। পুলিশ বলতিছে তিনজনের মধ্যে একজন তামিম চৌধুরী। কিন্তু আমরা কি করিয়া বুঝব উহা সহীহ তামিম চৌধুরী আছিল?

নিজ বাসভবনে আয়জিত এক সংবাদ সম্মেলনে তামিমের নিহত হওয়ার ঘটনা নিয়ে গভীর সন্দেহ প্রকাশ করে হান্নান শাহ বলেন, পতৃকায় প্রকাশিত ছবি দেখিয়া পরিস্কার বুঝা যায় যে উহা তামিম চৌধুরী নহে, বরং কুমার বিশ্বজিত।

সংবাদ সম্মেলনে বিগ্রেডিয়ার হান্নান আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, যে যুবক কেনাডার ওয়াসওয়াসায় আচ্ছন্ন জীবনের মায়া তেগ করিয়া এই ভরা যৌবনে বাংলাদেশের নেয় নিরানন্দ ফুর্তি বঞ্চিত দেশে আসিয়া খেলাফতের খেলায় ফতে হইল, যার নেতৃত্বে এত এত কাফের মোশরেকরে কিসাস করা হইল, পুলিশ কুটনীতীর নাকের আগায় বসিয়া যে গুলশানে বিশ পিস বিদেশী ও দুই পিস পুলিশ হত্যার সফল মিশন পরিচালনা করল, শোলাকিয়ায় যে যুবক বেয়াড়া আলেম আল্লামা মাসউদকে হত্যার লক্ষে মুজাহিদ পাঠাইয়া আপামর মুসলিমের ঈদের আনন্দে পানি ঢালিয়া দিল, সে কি এত সহজে নিরিহ বাছুরের নেয় গোয়ালে পুলিশের গুলি গোয়ায় বিদ্ধ করিয়া মৃত্যু বরন করতে পারে?

হাসতে হাসতে হান্নান বলেন, এতেই ত প্রমানিত হয় যে ঐ বেক্তি তামিম নহে। বরং ছবিতে প্রকাশিত দাড়ির নকশা দেখিয়া পরিস্কার বুঝা যায় যে উহা বখাটে শিল্পি কুমার বিশ্বজিত। বাকশাল জংগী মারার নাম করিয়া বাংলাদেশের কৌমার্য হরন করল। ইসকা বিচার করেংগা কউন?


কুমার বিশ্বজিত ও তামিম চৌধুরীর দাড়ি একই মডেলের

এ বেপারে পুলিশের সংগে যোগাযোগ করা হলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে পুলিশের এক উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা মতিকণ্ঠকে বলেন, গত কয়েকটি দিন ধরিয়া আমরার কন্ট্রল রুমে একটি বয়স্ক বান্দর প্রকৃতির লুক ফুন মারিয়া বহুত তেক্ত করতিছে। তার দেওয়া তথ্যে আমরা তামিম চৌধুরীরে ধরতে ঢাকা ও চট্টগ্রামের কয়েকটি হটেল ও বারে অভিযান চালাইয়া প্রত্যেক বার কুমার বিশ্বজিতরে পাইছি।

ক্ষোভ প্রকাশ করে পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, প্রত্যেক বারই আমরা কুমার বিশ্বজিতের নিকট হইতে ডিএনএ সংগ্রহের জন্যি ১০০ সিসি করিয়া রক্ত সংগ্রহ করছি। আমরার ফ্রিজ এখন সেই সব বুতল দ্বারা ভর্তি। সেই মিথ্যাবাদী বয়স্ক বানচুদ পুনরায় ফুন করিয়া আবার আমরারে হয়রান করতে লইছিল, আমরা উহাকে কঠর তিরস্কার করছি। তখন সে হাসতে হাসতে আমাদের বলল, চন্দনা গ রাগ কর না অভিমান করে বল আর কি হবে।

এ বেপারে কুমার বিশ্বজিতের সংগে যোগাযোগ করা হলে তিনি রাগারাগি করে মতিকণ্ঠকে বলেন, পুলিশ দুই দিন পর পর হটেল-বারে আমায় পাকড়াও করিয়া সুই ফুটাইয়া রক্ত টানিয়া লইতেছে। জানি না কুন ভেম্পায়ার উহাদিগকে এই বুদ্ধি দিয়াছে। যতই তাদের বলি আমি তামিম চৌধুরী নহি, তারা ততই আমার দাড়ি টানিয়া পরীক্ষা নীরীক্ষা করে।

হুহু করে কেদে উঠে কুমার বিশ্বজিত বলেন, ফ্রেন্স কাট দাড়ি রাখা কি অপরাধ?

August 6, 2016

মাইলসকে জংগী প্রশিক্ষন দিব: আনু

নিজস্ব মতিবেদক

বাংলাদেশের বিখ্যেত বেন্ড সংগীত দল মাইলসকে জংগী প্রশিক্ষন দানের ঘোষনা দিয়ে রাজনীতীর মাঠে আলড়ন তুলেছেন জাহাংগীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতীর অধ্যাপক ও তেল গেস খনিজ বন্দর বিদ্যুত রাজাকার বাচাও আন্দুলনের আমীর ‘আওলাদে মাও’ আল্লামা আনু মুহাম্মদ।

বৃহস্পতি বার বাম মর্চা আয়জিত এক বিবিধ প্রতিবাদ সভায় বক্তিতা কালে এ ঘোষনা দেন আওলাদে মাও।

বক্তিতায় আল্লামা আনু বলেন, আপনাদের এই সভায় আসার পুর্বে বাসদের তালেব শাখা সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট আয়জিত আরেকটি সভায় আমি বক্তিতা দিয়াসছি। ঐ সভায় বলছি, কাজের অভাবে পুলাপান জংগী হইতেছে। আপনাদের এইখানে আসিয়া উল্টা কথা বলতে ত পারি না। তাই একই কথা এইখানেও কব। ফেসিবাদী বাকশাল সরকার কাজ দিতে পারে না বলিয়াই দেশে জংগীর এমন বাম্পার ফলন ফলতিছে।

এ সময় উপস্থিত দর্শকরা তুমুল হাততালি দিয়ে আওলাদে মাওকে উতসাহ দেন।


কতিপয় বেকারের সামনে আওলাদে মাও

আবেগঘন কণ্ঠে আওলাদে মাও বলেন, আগে বেকার হইলে পুলাপান বাসদে ঢুকত। এখন গিয়া ঢুকতিছে হিযবুদ তাহরীর, জেএমবি, আনসারুল্লা, প্রভৃতি সংগঠনে। কেন এমন হতিছে? কারন বাসদ ঐ বেকারদিগকে উপযুক্ত জংগী প্রশিক্ষন দিতে বের্থ। আর একবিংশ শতাব্দীতে কুন বেকারই বিনা প্রশিক্ষনে ফাও বসিয়া থাকবে না।

বাষ্পরুদ্ধ কণ্ঠে আল্লামা আনু বললেন, এইটুক পযন্ত বলার পরই বাসদের আমীর ঐ খালকাটা খালেক আমায় ঘেটী ধরিয়া মাইকের সম্মুখ হইতে সরাইয়া আনিয়া বলল, আওলাদে মাও তুই পুলাপানের সামনে এইসব বলিয়া খাটনি বাড়াইতেছিস কেনে? আদর্শের কথা বল নয়ত যা গিয়া। এই আচরন তার নিকট হইতে আশা করি নাই। তাই পুনরায় মাইক নিয়া বললাম, শুদু কাজের অভাবেই নহে, ভালবাসার অভাবেও পুলাপান জংগী হয়। তুমরা সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট নিয়মিত ভালবাসা কর ত?

হুহু করে কেদে উঠে আওলাদে মাও বলেন, সাদা মনে এই কথা জিগানর পরপরই ফ্রন্টের সভায় যেন ঠাডা আসিয়া পড়ল। যুবক যুবতী পরস্পরের পানে তাকাইয়া হুহু করিয়া কাদিয়া উঠল। খালেক সালা আমায় পুনরায় ঘেটী ধরিয়া চক্ষু রাংগাইয়া বলল, জানস না দুই দিন পরপর যৌন বেপার লইয়া আমার সাধের বাসদ ভাংগিয়া দুই তিন টুকরা হয়? তবে কেনে এই জিনিস ঘাটস?

আল্লামা আনুর বক্তব্যের এ পর্যায়ে সভায় উপস্থিত দর্শকদের মাঝে গুঞ্জন উঠে। কতিপয় বেয়াড়া দর্শক ডাক্তার রোকন, মোক্তার তাকী, ডেন্টিষ্ট তুষার, আইটি সুজন প্রভৃতি পেশায় বেস্ত বিবাহিত জংগীর উদাহরন দিলে আওলাদে মাও রাগারাগি করে বলেন, বেতিক্রম ত দুই তিনশ থাকবেই। পাকনা কথা না বলিয়া চুপ করিয়া বস, যা বলি শুন।

অতি সম্প্রতি ভারতের কলকাতা নগরীতে বেন্ড সংগীত পরিবেশন করতে গিয়ে বয়কটের স্বিকার মাইলস বেন্ডের উদাহরন দিয়ে আওলাদে মাও বলেন, হমীন হুজুর ও শফীন হুজুর, উভয়েই নিজ নিজ গনতান্ত্রিক অধিকার চর্চা করতে গিয়া হিন্দুস্থানের পুটু মারিয়া ফেসবুক ষ্টেটাস দিত। ইহাতে ফেসিবাদী হিন্দুস্থানীরা চেতাচেতি করিয়া উহাদিগের রিজিকে হাত দিছে। মাইলস আর কলকাতায় কনসাট করিতে পারবে না। দেশেও শাহাবাগী ফেসিবাদের পর হইতে আজ ইস্তক সরকারের গুপন ইশারায় উহাদের রোজগার বন্দ। বেকারত্বের অভিশাপে মাইলস আজ জর্জরিত। মাইলসের শিল্পিরা বয়সে আমারও মুরুব্বি, এই বয়সে ভালবাসা পাওয়া অসম্ভব না হইলেও কঠিন। তাই কাজ ও ভালবাসা, উভয়ের অভাবে উহাদের জংগী হওয়া ছাড়া আর কুন উপায় নাই। আমি হমীন হুজুর ও শফীন হুজুরকে অবিলম্বে নিকটস্থ চরে গিয়া জংগী প্রশিক্ষন লওয়ার আহোভান জানাইতেছি। প্রয়জনে আমি নিজে উহাদের বন্দুক চালনা ও তাইকেন্দু শিখাব।

হাসতে হাসতে আওলাদে মাও বলেন, রুপম ইসলাম নামক নখড়াবাজটিকে কুপাইতে পারলে ভাল হইত। কিন্তু সে মুসলমান, তাই তার গুটিবাজীর শাস্তি মালাউন হেমন্ত মুখপাধ্যায়কে দেওয়া হবে। মাইলস শিঘ্রই কলকাতায় গিয়া হেমন্তরে কিসাস করবে।

এ সময় উপস্থিত দর্শকরা হেমন্ত মুখপাধ্যায়ের মৃত্যু সংবাদ তুলে ধরলে আল্লামা আনু পুনরায় রাগারাগি করে বলেন, ভাল কাজে বাগড়া দেওয়ার জন্য আগে আগে মরিয়া গেল সালা। সুমন চট্টপাধ্যায়ের কি খবর, সে কি বাচিয়া আছে?

সুমন চট্টপাধ্যায় ইসলাম গ্রহন করে সুমন কবীর হয়েছেন শুনে আওলাদে মাও আরও রাগারাগি করে বলেন, তাইলে অঞ্জন দত্ত আর নচিকেতারেই কুপাব। এর মদ্যে মুসলমান হবি না খবরদার।

দর্শকদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এলে লড়াকু কণ্ঠে আল্লামা আনু বলেন, একটি বেকারও যেন বেকার না যায়। হয় বাসদে ঢুক, নতুবা আমাদের জাতীয় কমিটির হইয়া খেদমত খাট, নয়ত জংগী হইয়া যাও। মানি ইজ নট এ প্রবলেম।

এ সময় মঞ্চে উপস্থিত বক্তা ১১০% অরাজনৈতিক সংগঠন ‘নিখিল বাংলাদেশ জুনাইদ সংঘ’ এর নায়েবে আমীর জোনায়েদ সাকী আওলাদে মাওয়ের কানে কানে কিছু বলার পর তিনি নিজেকে সংশধন করে বলেন, একটু আগে ব্রাদারফাকার সাকার পুত্র হুকারে ডিবি ঘোচুর দল ধরিয়া লইয়া গেছে। মানি ইজ এ প্রবলেম নাউ। আপনারা সামনে কয়দিন একটু অল্প খাইয়া অভ্যাস করেন।

July 26, 2016

কেমনে বুঝব তারা জঙ্গী আছিল: হান্নান

নিজস্ব মতিবেদক

সোমবার দিবাগত রাত্র হতে মঙ্গলবার ভোর পযন্ত ঢাকার কল্যানপুরে চালানা পুলিশী অভিযান “অপারেশন ষ্টম ২৬”-এ নিহত ৯ জংগী প্রকৃত জংগী কিনা, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে বৃহত্তর জামায়াতের বিএনপির শাখার স্থায়ী কমিটির সদস্য ও আপদ কালে বিজেপি নেতা অমিত শাহের ডাবল রোল বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) আ স ম হান্নান শাহ বলেছেন, কেমনে বুঝব তারা জঙ্গী আছিল?

আজ পুরানা পল্টনে বাংলাদেশ ফট জার্নালিষ্ট এশশিয়েশন মিলনায়তনে এক আলচনা সভায় প্রধান অতিথীর বক্তব্যে বিগ্রেডিয়ার হান্নান বলেন, সকালে ঘুম হতে উঠিয়া মনিং ওয়াক করিয়া বাসায় ফিরিয়া চা নাস্তা খাইয়া টিবিটা খুলিয়াই শুনলাম কল্যানপুরে পুলিশের হাতে ৯ জঙ্গী নিহত। শুনিয়াই বুঝলুম, ডাল মে বহুত কালা হায়। আমি সেনা বাহীনীতে আছিলাম, আমি এগুলি বুঝি।

সন্দেহঘন কণ্ঠে হান্নান শাহ বলেন, গুলশানে আছিল মাত্র পাচখান জংগী। তারা বুমা মারিয়া দুই পিস পুলিশ মারিয়ালাইল। দেশী বিদেশীও মারল বিশ পিস। কিন্তু রেব পুলিশ বিজিবি কুন সালা উহাদের গিয়া কানে ধরিয়া এরেষ্ট করার সাহস পাইল না। চিপায় খাড়াইয়া তারা সারা রাত গুজরান করিয়া দিল। জংগীরা আরামে রেষ্টুরেন্টে বসিয়া পিজ্জা পাস্তা পেটিস দিয়া সেহরী খাইল। আমি তখন মেডামকে মুঠফুন মারিয়া বললাম, মেডাম দেখিয়ে, ইয়ে হায় জংগী জেয়সা জংগী। চার পাচজন অন্দর মে পিজ্জা চাবা করতা, অর চার পাচ শ রেব পুলিশ বিজিবি বাহার মে ডরে কাপতা।

হাসতে হাসতে বিগ্রেডিয়ার হান্নান বলেন, সকালে সেনা বাহীনীর কমান্ডুরা আসিয়া টেংক কামান দিয়া পাচ পিস জংগীরে গুলিতে ঝাঝরা বানাইয়া বাইরে আনিয়া ফালাইল। কাজেই আমরা কি বুঝলাম? আসল জংগীরে পুলিশ দিয়া মারা সম্ভব নহে। উহার জন্য কমান্ডু লাগে। আমি সেনা বাহীনীতে আছিলাম, আমি এগুলি বুঝি।

পুলিশের প্রতি নিন্দাবাদ জানিয়ে হান্নান শাহ বলেন, পুলিশের হাতে এত বড় বড় বন্দুক কেনে? পুলিশের হাতে থাকবে লাঠি, মুখে থাকবে বাশি। তাহারা ছিচকা চোর পাকড়াও করিবে, রিকশাওলার মাজায় বাড়ি দিয়া মাঝে মধ্যে দশ বিশ টেকা ঘুষ খাইবে। হলিউডি বন্দুক হাতে ঘুরে এ কেমন পুলিশ?


হান্নান সেনা বাহীনীতে ছিল, সব বুঝে

স্মৃতিঘন কণ্ঠে হান্নান শাহ বলেন, একাত্তরের রেম্ব জিয়াউর রহমান ও পল্লীবন্ধু এরশাদের আমলে আমি সেনা বাহীনীতে আছিলাম, আমি এগুলি বুঝি। প্রকৃত জংগীরা হয় সবল, সুঠাম, সটান। পুলিশের হাতে গুলি খাইয়া কুন প্রকৃত জংগী ইন্তেকাল ফরমাইতে পারে না। অতএব কল্যানপুরের ৯ মুর্দা জংগী হতে পারে না। হয়ত উহারা পুলিশের উপর গ্রেনেড মারছে। হয়ত উহারা পুলিশের উপর গুলি চালাইছে। হয়ত উহারা জংগী বেনার ও জংগী লেবাস পড়িয়া একশনে গেছে। কিন্তু এইসব করলেই উহাদের জংগী বলিয়া চালাইয়া দিলে আমরা মানব না। জুয়ান বয়সে পুলিশের গায়ে একটু গ্রেনেড একটু গুলি কে না মারে? আমি সেনা বাহীনীতে আছিলাম, আমি এগুলি বুঝি।

পুলিশের প্রতি রাগারাগি করে বিগ্রেডিয়ার হান্নান বলেন, সালারা রাত বিরাতে গিয়া বাড়ির দরজা বাইড়াও কেনে? যে কুন ভদ্রলুকই ত রাত্রকালে পুলিশ আসিয়া দরজা বাইড়াইলে গ্রেনেড মারবে, গুলি চালাইবে। আমার বাড়িতে কুনদিন রাত্রকালে আসিয়া দরজা বাইড়াইলে আমি ষ্টোররুমে মজুদ করা সব কয়টি আর্জেস গ্রেনেড ফিক্কা মারব আগেই বলিয়া রাখলুম।

কল্যানপুরে নিহত ৯ যুবকের সংগে গুলি বিনিময়ের নিন্দা জানিয়ে হান্নান শাহ বলেন, উহারা নাহয় গুলি গ্রেনেড মারল, তাই বলিয়া তুমরাও পাল্টা গুলি চালাইবা কেনে? মাইকে ভলিউম বাড়াইয়া এস আই টুটুলের “ফিরে আয় খোকা” ছাড়লেই ত উহারা সুন্দর নিচে নামিয়া দরজা খুলিয়া দিত। সালা ঘোচুর দল গানের বদলে GUN চালাও কেনে?

July 24, 2016

জঙ্গীবাদের পথ থেকে ফিরে আসার ঘোষনা দিলেন জাফরুল্লা

নিজস্ব মতিবেদক

জঙ্গীবাদের পথ থেকে ফিরে আসার ঘোষনা দিয়ে রাজনীতীর ময়দানে চাঞ্চল্যের সৃস্টি করেছেন জাতীয়তাবাদী শক্তির বেড বয় ও জামদানীর সমঝদার ডাক্তার জাফরুল্লা।

শনিবার দিবাগত রাত্রে নিজ বাসভবনে আয়জিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ চাঞ্চল্যকর ঘোষনা দেন ডাক্তার জাফরুল্লা।

সংবাদ সম্মেলনে জাতীয়তাবাদী শক্তির বেড বয় বলেন, জঙ্গীবাদ এক ধরনের প্রতিবাদ। ফেসিবাদী বাকশাল সরকারের নিষ্ঠুর পুলিশের অত্যাচারে দিশাহারা নিপীড়ীত মজলুম জনতার পুলাপানই জঙ্গীবাদের মাধ্যমে প্রতিবাদ জানাইতেছে। আর আপনারা জানেন, আমিও একজন চির প্রতিবাদী। তাই এই জালেম সরকারের বিরুদ্ধে আমিও জঙ্গীবাদের পথে রওনা দিয়াছিলুম। কিন্তু আজ আমি সেই পথ হতে ফিরত আসার ঘোষনা দিলুম।

উপস্থিত সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আবেগঘন কণ্ঠে জাফরুল্লা বলেন, জঙ্গীবাদ যে প্রতিবাদ, এই থিউরি দিলে তুমাদের এত পুটু জ্বলে কেনে? জঙ্গী নিরবাস, জঙ্গী রোহান, জঙ্গী মবাশ্বেরের পিতাদের কুনদিন পুলিশ পিটায় নাই, এই ফেক্ট দিয়া তুমরা আমার সুন্দর থিউরিতে মুতার জন্য এত বেচেইন কেনে? আর তুমরা কেমনে জান কারা তাদের আসল পিতা? হয়ত গুপনে গুপনে জাতীয়তাবাদী শক্তির জাতির পিতা জয়নাল আবেদীন ফারুকই তাদের আসল পিতা। আর কে না জানে যে জয়নাল আবেদীন ফারুকরে হারুন এসপি অতীতে পিটাইয়া পাউডার বানাইয়াছিল?

জঙ্গীবাদের পথ হতে ফিরে এলে রেব কতৃক দশ লক্ষ টাকা পুরস্কারের ঘোষনা তাকে কোন প্রকারে এ সিদ্ধান্ত নিতে অনুপ্রেরনা দিয়েছে কিনা জানতে চাইলে প্রতিবাদঘন কণ্ঠে বেড বয় বলেন, রিজিক আল্লাহর হাতে। পিয়াস করিম হাগু, ফরহাদ মজহার লুংগি ও আসিফ নজরুল ইঞ্চি আমায় পাচ লক্ষ টেকার প্রলভন দেখাইয়া জঙ্গীবাদের রাস্তায় টানিয়া লইয়া গিয়াছিল। অতছ আজ জঙ্গীবাদের রাস্তায় উল্টাদিকে হাটা ধরায় রেব আমায় দশ লক্ষ টেকা দিবে। তবে এই টেকার সাথে আমার সিদ্ধান্তের কুন সম্পর্ক নাই।


ফিরে এল খোকা

সাংবাদিকরা সিদ্ধান্তের পিছনে আসল কারন জানতে চাপাচাপি করলে এক পর্যায়ে হুহু করে কেদে উঠে জাফরুল্লা বলেন, এস আই টুটুলের গান “ফিরে আয় খোকা” শুনিয়া আমি জঙ্গীবাদের রাস্তা হতে ফিরিয়া আসার ডিশিশনটা লইছি। এইভাবে ডাকলে কুন জঙ্গী না ফিরিয়া পারে? যদিও আমি খোকা নহি, কিন্তু আমি বোকাও নহি। এখন রেব পুলিশ বিজিবি মাইর শুরু করছে। এই মাইরের সিজনে জঙ্গীবাদ দিয়া প্রতিবাদ করে কাচ্চে খিলাড়িরা। আমি কাচ্চে নহি, পাক্কে।

কিন্তু উপস্থিত সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে এক পর্যায়ে জাফরুল্লা নতি স্বিকার করে বলেন, শাকিলা জাফরের কারনেই আমি জংগী হইয়াছিলুম।

শাকিলা জাফর কি করেছিলেন জানতে চাইলে অভিমানঘন কণ্ঠে জাফরুল্লা বলেন, কাজী জাফরের ইন্তেকালের পর যখন আমি নিপীড়ীত জাফর ঐক্যের আমীরের দায়িত্ব লইলাম, তখন একদিন গভীর রাত্রে শাকিলা জাফররে মুঠফুন মারিয়া কইলুম, কি গ শাকিলা জাফর কাইফা হালুকা? চল একদিন লিরিবিলি অন্তাকশরী খেলি। সে তখন আমায় বকাবকি করিয়া বলল, মিনসে আমি আর জাফর নাই, শর্মা হইয়া গিয়াছি। জাফরদের সংগে আমি এখন আর কথা বলি না। নাম পাল্টাইয়া শর্মাউল্লা হইতে পারিস যদি, তবেই কেবল রাত্রকালে মুবিলে কল দিস।

হুহু করে কেদে উঠে বেড বয় বলেন, অতছ আমি সেই এরশাদের আমল হতে তক্কে তক্কে আছিলুম। আমি মিথুন রাশির ছেলে, আর সে তুলা রাশির মেয়ে। কিন্তু পিশাচীনী শাকিলা কুন এক শর্মা হাউসের মালিকরে বিবাহ করিয়া শর্মা হইয়া গেল। তাই রাগে দুঃখে আমি ঠিক করলুম, এর প্রতিবাদে আমি জঙ্গী হইয়া যাব।

জঙ্গী জীবনে নিজের নাম পাল্টানোর কথা জানিয়ে জাফরুল্লা বলেন, আমার জঙ্গী নাম আছিল “আবু গনতন্ত্র।” এই নাম লইয়াই শাকিলারে জঙ্গী চুম্বন চুমাইয়া আইএসের ঘাড়ে দায় ফালানর পরিকল্পনা লইছিলুম। কিন্তু আজ সিদ্ধান্ত লইলুম, বহুত হুয়া, জঙ্গীবাদের পথে আর নহে। জাফর নামেই শাকিলারে যা করার করব। পিশাচীনী তুলা রাশি শাকিলার শর্মানুভুতি আমি তুলাধুনা করিয়া ছাড়ব।

এত নাম রেখে কেন “আবু গনতন্ত্র” নাম নিলেন, এ প্রশ্নের সরাসরি উত্তর না দিয়ে লজ্জায় দুহাতে মুখ ঢেকে রহস্য করে বেড বয় বলেন, জামদানীতে মেডামকে যা সুন্দর লাগে না!

%d bloggers like this: