Posts tagged ‘জলি’

March 23, 2013

রাস্ট্রপতি হতে চান জিল্লুর ও জলি

নিজস্ব মতিবেদক

প্রয়াত রাস্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের মৃত্যুর পর তার শুন্য আসনে বসার অভিলাশ বেক্ত করেছেন মিডিয়া বেক্তিত্ব ও বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর চেনেল আই শাখা আমীর উপস্থাপক জিল্লুর রহমান।

একই সাথে নারী কোটায় রাস্ট্রপতি পদে প্রতিদন্দিতার কথা জানিয়েছেন সদ্য ইসলাম গ্রহন কারিনী হলিউডি সুপার ষ্টার আঞ্জুমান আরা জলি।

জিল্লুর বলেন, প্রয়াত রাস্ট্রপতির নেয় আমার নামও জিল্লুর রহমান। আমি রাস্ট্রপতি হলে বহু জায়গায় আর নাম পরিবর্তন করতে হবে না। শুধু ১৯ তম রাস্ট্রপতির জায়গায় ২০ তম রাস্ট্রপতি লিখতে হবে। এই সামান্য উনিশ বিশ করলেই বংগভবনের কুটি কুটি টেকা ছাপার খরচ বাচান যাবে।

দ্বীতিয় জিল্লুর

আবেগঘন কণ্ঠে জিল্লুর বলেন, আমি গত দশ বতসর যাবত চেনেল আইতে তৃতীয় মাত্রা অনুষ্ঠানে নিরপেক্ষ ভুমিকায় কাজ করেছি। দুই পক্ষের বিবাদের মাঝখানে আমায় কখনও পাগল কখনও শিশুর নেয় আচরন করতে হয়েছে। তাই আমার রয়েছে নিরপেক্ষতার দশ বতসরের অভিজ্ঞতা। আমি রাস্ট্রপতি না হলে আর কে হবে?

এক সংবাদ সম্মেলনে তাতক্ষনিক প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আঞ্জুমান আরা জলি বলেন, বাংলাদেশে প্রধান মন্ত্রী নারী, সংসদের উপ নেতা নারী, বিরুধী দলীয় নেতা নারী, রাজপথে ফেন্টাষ্টিক ফাইভ নারী। তাই রাস্ট্রপতিও নারী হওয়া উচিত। আমি একজন ১১০% নারী। বিশ্বাস না হলে ইন্টারনেটে সার্চ করে দেখুন। অতএব আমি রাস্ট্রপতি হব।

জিল্লুর রহমান সম্পর্কে জলি বলেন, জিল্লুর নিরপেক্ষ নয়, সে নির। চেনেল আইতে দুই পক্ষের বক্তারা যখন আগুন লাগায়, নিরর নেয় জিল্লুর তখন বাশি বাজায়। সালা ঘোচু।

December 10, 2012

ছাত্রলীগ নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার উপযুক্ত: জলি

সদ্দ ইসলাম গ্রহনকারি হলিউড তারকা আঞ্জুমান আরা জলি শান্তি শৃংখলা রক্ষায় আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ভূয়সি প্রশংসা করেছেন।  তার বিবেচনায় ছাত্রলীগ নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার উপযুক্ত। সম্প্রতি মতিকণ্ঠের কাছে মুঠোফোনে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে হরতাল-অবরোধকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয়ায় ছাত্রলীগের প্রশংসা করে জলি বলেন, এ দেশে কোন কাজই ঠিকমত হয় না। যে কাজ দেশের মিলিটারি, বিজিবি, পুলিশ, আনসার, ভিডিপির করার কথা সে কাজ করতে হয় ছাত্রলীগের সোনার ছেলেদের। তিনি বলেন, “সত্যি মির্জা আব্বাস! কী বিচিত্র এই দেশ!”

গত ৯ ডিসেম্বর বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামের ডাকা অবরোধ কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা জজকোর্ট এলাকায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সোনার ছেলেরা নিরপরাধ পথচারি বিশ্বজিৎ দাসকে কুপিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনায় ছাত্রলীগের প্রশংসা করে জলি বলেন, দেশ থেকে একটা মালাউন কমানোর জন্য এ ঘটনায় জড়িত সোনার ছেলেদের প্রত্যেককে সরকারি তহবিল থেকে পুরস্কৃত করা উচিত।

এদিকে নিহত বিশ্বজিৎ দাসকে নিজেদের কর্মি দাবি করেছেন বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামের বিএনপি শাখার ভাঁড়প্রাপ্ত নায়েবে আমির মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তার বক্তব্যের বিরোধিতা করে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর ভাঁড়প্রাপ্ত খানকির পোলায়ে নায়েবে আমির মো. শফিকুর রহমান বলেন, ছাত্রলীগের হাতে কারো প্রান গেলে নিঃসন্দেহে সে জামায়াত-শিবিরের কর্মি।

প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী ভাষা কন্যা গনতন্ত্রের মানস কন্যা ড. শেখ হাসিনার কার্যালয় থেকে নিহত বিশ্বজিতের পরিবারকে একটি ছাগল দেওয়া হতে পারে বলে জানা গেছে।

September 24, 2012

সাঈদ এস্কেন্দারের মৃত্যু নিয়ে তর্কের ঝড়

নিজস্ব মতিবেদক

নিউ ইয়র্কের এক সম্ভ্রান্ত হাসপাতালে সাঈদ এস্কেন্দারের মৃত্যুর খবর দেশে ছড়িয়ে পড়ার পর তর্কের ঝড় উঠেছে সর্বত্র। তার মৃত্যুর জন্য রাজনীতিবীদগন একে অন্যকে দায়ী করছেন।

থিম্ফু মতিনিধি সুত্রে জানা যায়, গতকাল রাতে থিম্ফুর এক সম্ভ্রান্ত হটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সদ্য বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহনকারী ও ধর্ম বেবসায়ী আল-লামা জোকাই লামা বলেন, জাতিসংঘের কাজে শেখ হাসিনা নিউ ইয়র্ক যাওয়ার কিছু ক্ষনের মধ্যেই সাঈদ এস্কেন্দার ইনতেকাল করেন। এ থেকে প্রমানিত হয়, শেখ হাসিনা একটি কুফা।

জোকাই লামার বক্তব্যের প্রতিবাদে তাতক্ষনিক প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন ডাকেন গত বছর ইসলাম ধর্ম গ্রহনকারিনী হলিউডি সুপার ষ্টার আঞ্জুমান আরা জলি। জলি বলেন, বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার মহিলা আমীর বেগম খালেদা জিয়া গুলশানে সাঈদ এস্কেন্দারের প্রাসাদপম বাড়িটিতে ভাড়া থাকেন। কিন্তু ভাড়া পরিশোধ করেন নাই। গত কয়েক বছরে কুটি কুটি টেকা বাড়ি ভাড়া বাকি পড়ার শোক সামলাতে না পেরে অকালে আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর মিলিটারী শাখার আমীর সাঈদ এস্কেন্দার।

উপমহাদেশের ইসলামী আন্দোলনের অগ্র পুরুষ ও গৃহবন্দী ইসলামী নেতা মুফতি ফজলুল হক আমিনী সাঈদ এস্কেন্দারের মৃত্যুর জন্য তথ্য মন্ত্রী হাসানুল হক ইনুকে দায়ী করে বলেন, ইনু জাসদের নেতা ও শেখ হাসিনার মন্ত্রী। আর সবাই জানে জাসদের লোকজনের নিশানা খারাপ। তারা কাক মারতে গিয়ে বক মেরে ফেলে। হাসানুল হক ইনু মন্ত্রী হওয়ার জন্য গত এক বছর ধরে রোজ সকালে খালেদা জিয়াকে মনে মনে মাইনাস করে আসছেন। কিন্তু তার নিশানা খারাপ হওয়ায় সেই বদদুয়ার বাতাস লেগেছে সাঈদ এস্কেন্দারের গায়ে। আর তাতেই তিনি মাত্র ৫৯ বছর বয়সে আল্লাহর পেয়ারা হলেন।

মুফতি আমিনীর বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে মন্ত্রী ইনু বলেন, আমি ৭৫ সালে জিয়াউর রহমানকে উদ্ধার না করলে সাঈদ এস্কেন্দার রুটি ভাজি বিক্রি করে পেট চালাইত। আমার কারনেই সে আজ কুটি কুটি ডলারের মালিক হিসাবে মৃত্যু বরন করেছে।

হায়াত মউত আল্লাহর হাতে উল্লেখ করে ইনু বলেন, মুফতি আমিনী বেশী কথা বললে আমি তার বড় বোনদের মনে মনে মাইনাস করা শুরু করব।

সাঈদ এস্কেন্দারের মৃত্যুতে গভীর শোক বেক্ত করে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার মহিলা আমীরের নায়েবে খাস মোসাদ্দেক আলী ফালু এক শোক বার্তায় বলেন, তিনি আমার আপন ভাই না হলেও ভাইয়ের মত ছিলেন। তিনি আমার এক বিশেষ প্রকারের ভাই।

August 26, 2012

আর্মষ্ট্রংকে নুহাশ পল্লীতে দাফনের আবেদন শাওনের

নিজস্ব মতিবেদক

মানব জাতির ইতিহাসে প্রথম চন্দ্র বিজয়ী নভচারী মোহাম্মদ লাল আর্মষ্ট্রংকে নুহাশ পল্লীতে দাফনের ফরিয়াদ জানিয়েছেন বাংলাদেশের ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের বিধবা স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন।

হৃদপিন্ডে অস্ত্রপচারের পর সৃষ্ঠ জটিলতায় গতকাল বাদ ঈশায় মোহাম্মদ লাল আর্মষ্ট্রং এর মৃত্যুর পর আজ এক সংবাদ সম্মেলনে শাওন এই ফরিয়াদ জানান।

মোহাম্মদ লাল আর্মষ্ট্রং ১৯৬৯ সালের ২০ জুলাই চন্দ্র পৃষ্ঠে অবতরন করেন। সেখানে অবতরনের কিছু সময় পর তিনি চাঁদের বুকে মহানবী (সাঃ) এর ইশারায় সৃষ্ঠ ফাটল দেখতে পান ও আযানের শব্দ শুনতে পান। আর্মষ্ট্রং ততক্ষনাত কলমা পড়ে মুসলমান হয়ে যান, এবং নিজের খৃষ্ঠান নাম নীল আর্মষ্ট্রং পরিবর্তন করে মোহাম্মদ লাল আর্মষ্ট্রং নাম ধারন করেন। চাঁদের বুকে কিছু ক্ষন পদচারনার পর মোহাম্মদ লাল আর্মষ্ট্রং পৃথিবীর ছবি তুলতে গিয়ে পৃথিবী পৃষ্ঠে মক্কা ও মদীনা নগরী থেকে উজ্জল আলো বিচ্ছুরিত হতে দেখেন। অভিভুত হয়ে তিনি চাঁদের শুস্ক বালু দিয়ে তায়াম্মুম সাধন করে ক্কাবা শরীফের অভিমুখে দুই রাকাত নফল নামাজ আদায় করেন ও খোদার কাছে শোকরানা মোনাজাত করেন।

পৃথিবীতে ফিরে আসার পর মোহাম্মদ লাল আর্মষ্ট্রং ইহুদিদের অর্থ পরিচালিত নাছারা সংগঠন নাছা পরিত্যেগ করেন ও ইসলামের বানী প্রচারে মনোনিবেশ করেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি নিজ শহর ছিনছিনাটিতে চন্দ্র বিজয়ের পুরস্কারের অর্থে প্রতিষ্ঠিত ছিনছিনাটি জামে মসজিদে খন্ডকালীন ইমামের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন।

শাওন সংবাদ সম্মেলনে বলেন, মোহাম্মদ লালকে অন্য কোথাও কবর দিলে সে একা একা ভয় পাবে। তাকে নুহাশ পল্লীতে দাফন করা হোক।

শাওন আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, ওনাকে আর কষ্ট দিয়েন না।

মোহাম্মদ লাল আর্মষ্ট্রং এর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে নওমুসলিম বিজ্ঞানী আল্লামা আবদুল হকিং ও হলিউডের প্রাক্তন সুপার ষ্টার আঞ্জুমান আরা জলি বলেছেন, লালকে নুহাশ পল্লীতেই দাফন করা উচিত।

%d bloggers like this: