Posts tagged ‘জামায়াত’

September 3, 2016

কাশিমপুর-২ কারাগারের নাম পরিবর্তন করে “কাশেমঝুল” রাখার আবদার

কারাগার মতিবেদক

রাস্ট্রপতির কাছে প্রান ভিক্ষা না চাওয়ায় শিঘ্রই ফাঁসিতে ঝুলান হবে একাত্তরে চট্টগ্রামের ত্রাস আলবদর সর্দার ও ইসলামী ছাত্র শিবিরের প্রতিষ্ঠাতা খানকির পোলায়ে আমীর “বাংগালী খান” মীর কাশেম আলীকে।

এরই প্রেক্ষিতে কারা কতৃপক্ষ কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের দ্বীতিয় ইউনিটের নাম কাশিমপুর-২ হতে পরিবর্তন করে “কাশেমঝুল” রাখার আবদার বেক্ত করেছেন।

কারা মহা পরিদর্শক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল কাতেল খান নাম প্রকাশ না করার শর্তে মতিকণ্ঠকে বলেন, একটি পুর্নাংগ কারাগারকে শুদুশুদু নামের পিছে ২ লাগাইয়া ডাকা মানে কারাগারের অপমান। যেহেতু ঐখানে কাশেমরে ঝুলান হবে, তাই কাশিমপুর-২ হতে পাল্টাইয়া কাশেমঝুল রাখলে সবার জন্য মংগল।


ভি ফর ভিকারুন্নিসা দেখিয়ে ফাসিতে ঝুলল কাশেম

কাশিমপুর-২ কারাগারের সুপার আকমল হোসেন শিকদার মতিকণ্ঠকে বলেন, কাশিমপুর-২ একটি অপমান জনক নাম। ফালু সাহেবকে কি কেহ জিয়া-২ বলিয়া ডাকে? শামা পাণ্ডেকে কি কেহ পাপিয়া-২ বলিয়া ডাকে? তাহলে আমরা কেন ২ নম্বর হয়ে থাকব? কাশেমঝুল ডাকলে আমাদের কুন আপত্তি নাই।

কনডম সেলে বন্দী মীর কাশেমের বেপারে প্রশ্ন করলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে সুপার বলেন, জান নিয়া তার কুন আপসস নাই। জন্মিলে মরিতে হবে। কিন্তু ট্রাইবুনেলে ফাসির দণ্ড পাওয়ার পর ভি ফর ভিকারুন্নিসা প্রদর্শনের আপসসে সে জারেজার। মৃত্যু দন্ডের রায় পড়িয়া শুনাইতে উহার কনডম সেলে গেছিলুম। সে দুই লাইন শুনে আর হাউমাউ কান্দিয়া বলে, কসাই কাদের ভাই ভি ভি ফর ভিকারুন্নিসা দেখলায়া। অতপ্পর ফাসি মে ঝুলা। কিন্তু ইহা হতে মে কুছ নাহি শিখা। মুঝে কুন পিপিলিকা কামড়ায়া যে ভি ফর ভিকারুন্নিসা প্রদর্শন কিয়া? এখন ত ইস কচি বয়সে ফাসিতে ঝুলুংগা।

আবেগঘন কণ্ঠে সুপার বলেন, আলবদরের আংগুলে ভি মানে ভিকারুন্নিসা নহে, বরং “ভরে দাও”। বাংগালী ভরে দিছে। এখন আর কান্দিয়া কুন ফয়দা নাই।

December 3, 2015

নিজামীর সাটিফিকেটে বানান পরীক্ষা নিয়ে বৃহত্তর জামায়াতে আলচনা

নিজস্ব মতিবেদক

সর্বচ্চ আদালতে একাত্তরের আলবদর সর্দার ও বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর খানকির পোলায়ে আমীর আল্লামা মতিউর রহমান নিজামীর ফাসির রায় নিয়ে বাহাস চলা কালে নিজামীর জাল সাটিফিকেটে বানান পরীক্ষা নিয়ে আলচনায় বসেছে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামী।

আজ এ আলচনায় অংশ নেন বৃহত্তর জামায়াতের বিএনপি শাখার উকিলে আমীর বেরিষ্টার খন্দকার মাহবুব হোসেন ওরফে ‘সাটিফিকেট খন্দকার’ ও বৃহত্তর জামায়াতের খানকির পোলায়ে আমীর ওমরাহ বৃন্দ।

আলচনা শেষে এক সাংবাদিক সম্মেলনে আলচনার বিষয় বস্তু সম্পর্কে উপস্থিত সাংবাদিকদের অবহিত করে সাটিফিকেট খন্দকার বলেন, সামনে নিজামীর মামলায় আপিলের রায় হইবে। যা বুঝতেছি, নিজামীর কুন আশা নাই। সাকার নেয় তারেও জাল সাটিফিকেট দিয়া উদ্ধার করার চেস্টা করার ইচ্ছা আছে। তাই নিজামীর সাটিফিকেটে বানান পরীক্ষা লইয়া বৃহত্তর জামায়াতের খানকির পুলাদের সংগে আলচনা করলুম।

আবেগঘন কণ্ঠে খন্দকার মক্তার বলেন, সুদীর্ঘ পাচ দশকের মক্তারি জীবনে কত রকম ভেজাল সাটিফিকেট দাখিল করিয়া আইলুম, কুন সমস্যা হইল না। সাকার মামলায় কি করিয়া যেন ফেসিবাদী জজের দল সাটিফিকেটে বানানের সমস্যা ধরিয়া ফেলল। দেশে আমার আরও যত মক্কেল আছে, তাহাদের মুঠফুন মারার জ্বালায় আমি হয়রান হইয়া গেলুম। উহারা সকলেই যে যার পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ের সাটিফিকেট ট্রাংকের তলা হইতে বাইর করিয়া আমার সংগে মুঠফুনে রাগারাগি করতেছে। তাই এইবার নিজামীর সাটিফিকেটটি যত্ন করিয়া বানাইতে দিব। বৃহত্তর জামায়াতের আমীর ওমরাহ দিগের নিকট হতে ইস্পেল চেকার নামে একবিংশ শতাব্দীর চেলেঞ্জ মুকাবেলা করার মত একটি টেকনলজীর কথা জানতে পারলাম। নিজামীর বেলায় উহা প্রয়গ করা নিয়া আলচনা চলতেছে। এক মাসের মধ্যেই এ বেপারে একটি ফয়সলা হইবে।


নিজামীর কুন আশা নাই: সাটিফিকেট খন্দকার

আবেগঘন কণ্ঠে সাটিফিকেট খন্দকার বলেন, নিজামীরে লইয়া কুন আশা দেখি না। খানকির পুলা একাত্তরে যেরুপে আওয়াজ দিয়া খুন খারাবি করিয়াছে, সাটিফিকেট দিয়া উহার গর্দান রক্ষা করা যাইবে না। তাছাড়া উহার দলের পাতি নেতাগুলিও উহাকে এই চামে কুরবানী দিয়া নিজেরা আমীর হইতে বেশী আগ্রহী।

এর কারন জিজ্ঞাসা করলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে খন্দকার মক্তার বলেন, বৃহত্তর জামায়াতীরা নিজামীকে প্রকৃত জামায়াতী মনে করে না। উহার বাড়ি পাবনা, সুচিত্রা সেনের বাড়ির নিকটেই। শৈশব হইতেই নিজামী সুচিত্রা সেনের বাড়িতে যাতায়াত করত। সুচিত্রা সেনের মার নিকট গিয়া আবদার করিয়া বলত, মাসিমা মালপো খাপো। এখন আপনারাই বলেন, প্রকৃত জামায়াতী কি কুনদিন মালাউনের বাড়িতে গিয়া মালপো ভক্ষন করতে পারে? এইসব হিন্দুয়ানী চালচলনের কারনে নিজামীর দলের লুকজনই তার উপর বিলা।

তারপরও মামলার খাতিরে নিজামীর প্রান ভিক্ষা চাইবেন জানিয়ে সাটিফিকেট খন্দকার বলেন, জামায়াতের খানকির পুলাদের কেস লইয়া মার্কেটে আমার নাম ডুবতেছে। তারপরও বয়সের অজুহাত দিয়া উহার ফাসি থামাইতে আবদার করব। বৃদ্ধ বয়সের কারনে উহাকে যেন ফাসি না দিয়া দৈনিক এক চামুচ অলিভ অয়েল বরাদ্দ করিয়া আমরন আরামদণ্ড দেওয়া হয়, সেই বাবদ দরখাস্ত খসড়া করিয়া ফালাইয়া থুইলুম।

ফাসির বয়স পার হয়ে গেলে নিজামী এখনও কিভাবে বৃহত্তর জামায়াতের খানকির পোলায়ে আমীরের পদ আকড়ে পড়ে আছেন, এ প্রশ্নের সরাসরি উত্তর না দিয়ে হাসতে হাসতে খন্দকার মক্তার বলেন, ফাসি কি পদে দেয়? ফাসি দেয় গর্দানে। যেহেতু মায়ের পেট হতে গর্দান আগে ও পদ পরে বাইর হয়, তাই গর্দানের বয়স পদের বয়স হতে বেশী। তাই নিজামী এই বৃদ্ধ বয়সে পদে থাকলেও গর্দানে ফাসি দেনা নাহি চাহিয়ে।

November 5, 2015

নিহত কনষ্টেবলকেই দুষলেন সুশীল সমাজ

নিজস্ব মতিবেদক

আশুলিয়ায় পুলিশ চেক পোষ্টে দায়িত্ব রত অবস্থায় বৃহত্তর জামায়াতের মুজাহিদ গনের চাপাতি আক্রমনে নিহত কনষ্টেবল মুকুল হোসেনকেই দুষলেন বাংলাদেশের সুশীল সমাজ।

বুধবার গভীর রাত্রে এই প্রতিবেদন লিখার সময় পযন্ত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা প্রতিকৃয়ায় মুকুল হোসেনের প্রতি নানা অভিযোগ তুলে ধরেন দেশের বরেন্য বেক্তিত্ব বৃন্দ।

নিহত কনষ্টেবল মুকুল হোসেনকে তিরস্কার জানিয়ে খেতনামা ড্রন বিশেষজ্ঞ, মস্তফা অনুরাগী, কাপড় বেবসায়ী ও ইসলামী বেংকের সমঝদার হরলিকস পাগলা বিতর্ক রাজ ও আত্মস্বিকৃত ‘ফেসবুক গু-বাবা’ আল্লামা আবদুন নুর তুষার বলেন, পুলিশ অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি শুরু করছে। কনষ্টেবল মুকুল হোসেনের ইন্তেকালের জন্য সে নিজেই দায়ী।

আবেগঘন ফন্টে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আল্লামা তুষার বলেন, ইসলামে চেকপষ্ট বলিয়া কুন বিষয় নাই। জেহাদী ভাইরা মটর সাইকেলে করিয়া এক আস্তানা হতে অন্য আস্তানায় হিযরত করিয়া থাকেন। জনে জনে ত আর মটর সাইকেল দেওন যায় না। প্রত্যেক জেহাদীকে একটি করিয়া মটর সাইকেল দিতে গেলে ইসলামী বেংকের পরবর্তী মহাফিলে উপস্থাপক হিসাবে আমার হরলিকসের টেকাটুকায় টান পড়িয়া যাইবে। এক মটর সাইকেলে তাই তিন জন করিয়া জেহাদী ভাইকে চাপাচাপি করিয়া চলাফিরা করতে হয়।

হুহু করে কেদে ফেলার ইমটিকন দিয়ে হরলিকস পাগলা বলেন, কনষ্টেবল মুকুলের এত বড় সাহস, সে এমতাবস্থায় মটর সাইকেল থামাইয়া জেহাদী ভাইদিগকে চেক করতে গেছিল। ইসলামের কুথাও মটর সাইকেল থামাইয়া চেক করার কথা বলা নাই। এই কাম করিয়া সে শুধু জেহাদী ভাইদের ধর্মানুভুতিতেই আঘাত করে নাই, দেশের আপামর আল্লাহপ্রেমী মুসলিম বান্দার মনেও চরম আঘাত দিছে। তাই জেহাদী ভাইয়েরা উহাকে মৃদু আট দশটি কুপ কুপাইয়া আবার জেহাদের রাস্তায় চলিয়া গেছেন। এইখানে দুষ কার? আর কারও নহে, কনষ্টেবল মুকুলেরই।

হাসির ইমটিকন দিয়ে ফেসবুক গু-বাবা বলেন, কতিপয় কাফের মশরেক ইয়াহুদীদের টেকা খাইয়া কনষ্টেবল মুকুলকে হিরু বানাইতে চায়। উহাদের মকাবিলার জন্যি আমি আজ হতে পুর্ন উদ্যমে মাঠে নামলাম। এতদিন আছিলাম ভাল তুষার। আজ হতে আমি চাপাতুষার। যখন দরকার চাপা চালাইব, যখন দরকার চাপাতি চালাইব। দিন রাত্র চব্বিশ ঘন্টা সপ্তায় সাতদিন আমি কল রেডী। পথে ঘাটে ঘরে বাইরে কুথাও চাপাতির কুপ খাইয়া কেউ মরলে আমায় কল দিও। চুলচিরা তর্ক করিয়া প্রমান করিয়া দিব যে সকল দুষ যে মরছে তারই।

আমিও এখন কল রেডী: চাপাতুষার

এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাংলার সেরা বিজ্ঞাপন নির্মাতা ও টেলিভিশনে ইসলামী অনুষ্ঠান উপস্থাপকদের প্রভাবশালী সংগঠন ‘এশশিয়েশন অফ ইসলামী মিডিয়া পারসনালিটি’র বর্তমান আমীর বাংলার ডেভিড ধাওয়ান আল্লামা মস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেন, নাস্তিক পুলিশ এইভাবে ইসলামের আর কত অপমান করবে? দিনে দুপুরে উহারা মজাহিদ ভাইদিগের মটর সাইকেল থামায়। জেহাদের বাহনের সংগে তারা মুক্তমনাপনা করে। আজ কনষ্টেবল মুকুল হোসেন চেকপষ্টে চেক করে, কাল হয়ত কুন এসআই কুন আলেমের ফেসবুক পাসওয়াড লুণ্ঠন করিবেক। পরশু কি হয় আল্লাহ মাবুদ জানেন। তাই পরিস্কার ফয়সালা করিয়া বলি, দুষ কনষ্টেবল মুকুলেরই। চেকপষ্ট খুলিয়া বসা বাংলাদেশের পুলিশ লইয়া আমরা কি করিব?

আবেগঘন ফন্টে আল্লামা ফারুকী বলেন, শুনলাম আবদুন নুর তুষার এখন জেহাদের ঠেলায় পড়িয়া চাপাতুষার হইছে। সারাটি জীবন সেকুলার ঘোচুদের সংগে লড়াই করিয়া বৃদ্ধ বয়সে ‘এশশিয়েশন অফ ইসলামী মিডিয়া পারসনালিটি’র আমীর হইলাম আমি, আর চাপাতি নামটি লইল কিনা তুষার। শুন হরলিকস পাগলা, আজ হতে আমি মস্তফা তলয়ার ফারুকী। তুমি চাপাতি চালাইলে আমি তলয়ার চালাইব। আর কে না জানে, চাপাতি হতে তলয়ার বড়।

নিজের অতীতকে কবর দেওয়ার ঘোষনা দিয়ে তলয়ার ফারুকী বলেন, ইরানের শিয়া জাহান্নামী আব্বাস কিয়ারুস্তমী আর মাজেদ মাজেদীর ওয়াসওয়াসায় ভুলিয়া আমি কিছু চলচিত্র বানাইয়াছিলুম। ভুল সবই ভুল। আমার পরবর্তী চলচিত্রে আমি শুরুতেই মুরতাদ কিয়ারুস্তমী ও মাজেদীর উপর বদদুয়া দিয়া লব। আছিলাম সরয়ার ফারুকী, হইলাম তলয়ার ফারুকী।

পুলিশ বাহিনীর প্রধান আইজিপি আলহাজ শহীদুল হক বলেন, পুলিশদের সীমা লংঘন করা ঠিক নহে। চেকপষ্ট খুলছ ভাল কথা, ভিতরে বসিয়া দুটু পান বিড়ি খাও। আবার মটর সাইকেল থামাইয়া ধর্মানুভুতিতে আঘাত দেও কেনে?

এদিকে স্বরাস্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল কনষ্টেবল মুকুল হোসেনের উপর হামলার খবর পেয়ে সাভারের এনাম মেডিকেলে উপস্থিত হয়ে বলেন, দেশের পরিস্থিতি ভাল আছে। কুপাইয়া পুলিশ খুন বিচ্ছিন্ন ঘটনা মাত্র। আর পুলিশেরও উচিত আরও সংযত হওয়া। দেশের মটর সাইকেল আরহীদের ধর্মানুভুতিতে আঘাত দেয়, এমন চেকপষ্ট উহাদের চালনা করা ঠিক নহে।

বক্তব্যের পর কামাল মন্ত্রী পকেট হতে নিরাপত্তার চাদর বের করে আশুলিয়া এলাকা ঢেকে দেন।

May 16, 2014

ওপারে তুমি রাধে এপারে আমি, মাঝে মদী বহে রে: মুনাওয়ার

করাচী মতিনিধি

ভারতের লোকসভা নির্বাচনে বৃহত্তর বিজেপির খানকির পোলায়ে আমীর নরেন্দ্র মদীর জয়লাভের আনুষ্ঠানিক ঘোষনার আগেই হুড়াহুড়ি করে মদীকে অভিনন্দন জানানর কারনে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার মহিলা আমীর, জাতীয়তাবাদী শক্তির বর্তমান মালিক ও আপোষহীন দেশনেত্রী মাদারে গনতন্ত্র বেগম খালেদা জিয়া জেএসসিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে পাকিস্তান জামায়াতের খানকির পোলায়ে আমীর সৈয়দ মুনাওয়ার হাসান বলেছেন, ওপারে তুমি রাধে এপারে আমি, মাঝে মদী বহে রে।

আজ করাচীতে নরেন্দ্র মদীর লোকসভা নির্বাচনে জয়লাভ উপলক্ষে আয়জিত এক মহাফিলে সৈয়দ মুনাওয়ার এ কথা বলেন।

মহাফিলে পাকিস্তান জামায়াতের খানকির পোলায়ে আমীর বলেন, আল্লাহ যাকে দেন তাকে ছাপ্পর ভরিয়া দেন। পুরা হিন্দুস্তানে মদী আজ লাঠি ঘুরাইতেছে। হিন্দুস্তানের মুসলমান ভাইবনেরা এখন পাইবে টের, কত শক্তি ধরে মদী নরেন্দ্রের।

আবেগঘন কণ্ঠে সৈয়দ মুনাওয়ার বলেন, আমরার পাকিস্তানে যত মালাউন ছিল মারিয়া পিটিয়া খতম কইরালাইছি। তাই ওপারে মদী মুসলমান পিটাইলে আমরা জবাবে পিটানর জন্য হিন্দু খুজিয়া পাব না। তবে কতিপয় কাদিয়ানী আছে, উহা লইয়াই কাম চালাইয়া লইব। আমরার দেশে কাদিয়ানী ইজ দি নিউ হিন্দু। কাদিয়ানী ফুরাইলে এরপর শিয়াদিগকে নতুন হিন্দু বানাইয়া পিটান চলিবে।

মাদারে গনতন্ত্রকে অভিনন্দন জানিয়ে সৈয়দ মুনাওয়ার বলেন, মদী জয়লাভ করায় মদী অপেক্ষা মাদারে বেশী খুশী হইয়াছেন। মদীর সংগে পাল্লা দিয়া উনি এখন মনির পুড়ানর উছিলা পাইলেন। আমার এখন আপসস হইতেছে, কেনে পাকিস্তানে জন্ম লইলাম, কেনে বাংলাদেশে বৃহত্তর জামায়াতের রাজনীতী করার চাঞ্ছ পাইলাম না। লাইপ ছাক্স।

হিন্দুস্তানের মুসলমান ও বাংলাদেশের হিন্দুকে পিঠে ছালা বাধার পরামর্শ দিয়ে সৈয়দ মুনাওয়ার বলেন, অনাচার কর যদি, মনির পুড়াবে মদী। সংখ্যালঘুর পাপ, ক্ষমা চেয়ে নাহি মাফ। যারা সংখ্যায় ভারী, দিবে তুমাদের পুটু মারি। নাই কুন পরিত্রান, বাচতে চাইলে মরিয়া যান।

এক প্রতিক্রিয়া মহাফিলে মাদারে গনতন্ত্র সৈয়দ মুনাওয়ার হাসানকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আমরার লাগিয়া দুয়া করবেন।

আরেক প্রতিক্রিয়া মহাফিলে আমীরে বিজেপি নরেন্দ্র মদী হাসতে হাসতে বলেন, ইলেকশনে জিতিয়া সারি নাই, পাকিস্তান জামায়াত হিন্দুস্তান জামায়াত বাংলাদেশ জামায়াত মুঠোফুন মারিয়া আমায় লাল করিল। এত অভিনন্দন রাখি কই? ধন্যবাদ ভাই সব। খেলা সবে শুরু। গান পাউডার লাগলে মিসকল দিও।

%d bloggers like this: