Posts tagged ‘পাকিমন পেয়ারু’

August 29, 2013

রুবাইয়াতের গুপন শুটিং!

বিনোদন মতিবেদক

দেশের সব চেয়ে বড় আবুলের কন্যা রুবাইয়াৎ হুসেন উরফে ‘ছুপাইয়াৎ পাকি’ বাংলাদেশে গুপনে শুটিং করছেন বলে জানা গেছে। `বাংলাস্তান: আন্ডার কনস্ট্রাকশন` নামে একটি ছবি বানাচ্ছেন তিনি। বলিউড অভিনেতা রাহুল বোসকে নিয়ে বর্তমানে কড়া গুপনীয়তার মাঝে শুটিং করছেন ঢাকার বিভিন্ন জায়গা-কুজায়গায়।

এরই মাঝে কয়েকটি টিভি চেনেল ও সংবাদ মাধ্যম রাহুল বোসের সঙ্গে যুগাযুগ করতে চাইলে রুবাইয়াতের এক সহকারি জানান, রাহুলের চরিত্র খারাপ। আমি তারে যখন ডাকি, রাহুল বোস, সে শুইয়া পড়ে। এরে মিডিয়ার সামনে আনলে আমাদের সব পিলান সে ফাস করে দিবে। বাংলাস্তান বানাইতে হয় গুপনে। বুঝেনই তো।

আমাদের মতিবেদক ‘মেহেরজান: মেরি জান পাকিস্তান’ ছবি বানায়ে খ্যেতি অর্জন করা পরিচালিকা রুবাইয়াৎ হুসেনকে ফুন মেরে জিগ্যেস করেন, ভারতীয় শিল্পি ও কলা কুশলিদের দেশে এনে শুটিং করতে সরকারি অনুমোদন লাগে, তা আপনি জানেন? উত্তরে তিনি বলেন, হুয়াট ইজ দি প্রবলেম? আমাকে তা জানতে হবে কেন? আমার আব্বু আবুল আছে না! সে সব মেনেজ করবে। যুগাযুগ মন্ত্রির পদ হারালেও চার দিকে তার যুগাযুগ যুগ যুগ ধরে অটুট থাকবে।

আপনি ফিলিম বানান পাকিতেলানি, কিন্তু মালাউন দেশ থেকে মালাউন অভিনেতা আনেন কেন? এর জবাবে তিনি বলেন, বেলেন্স। বেলেন্স ছাড়া দুনিয়া অচল। এ ছাড়া সেতু বন্ধনের বেপার তো আছেই। তবে এই সেতু কিন্তু পদ্মা সেতু নহে।

পদ্মাসেতুর পাজি আবুল আব্বুর কন্যা ছুপাইয়াৎ পাকি

সেতুর কথা ওঠলে টেকার কথা আসে। মেহেরজান বানায়ে পুরা ধরা খেয়েও আরেক ফিলিম বানানোর টেকা কুথায় পেলেন জানতে চাওয়ায় তিনি বলেন, আচ্ছা, পিপিপি মানে জানেন না? পদ্মাসেতু প্রকল্প পার্সেন্ট। আরো খুলে বলতে হবে? একটা কথা জানেন, মানিক বন্দোপাধ্যায় বেচে থাকলে আব্বুকে নিয়ে ‘পদ্মাসেতুর পাজি’ নামে একটা উপন্যাস লিখতেন নিশ্চয়। নায়কের নাম হতো ধনকুবের।

মেহেরজান নির্মান, পাকি প্রপাগাণ্ডা ও প্রাসংগিক প্রচারনার সাথে প্রত্যখ্য ভাবে জড়িত ও প্রথম আলো কর্পুরেটে কর্মরত বাম পন্থী বিপ্লবী ফারুক গুয়াসিফ এবং তার পুজিবাদি পন্যভক্ত পত্নি এখন ‘বাংলাস্তান’ নির্মানের সুমায় কি ভুমিকা পালন করছে জানতে চাইলে রুবাইয়াৎ তার বাম পন্থী বন্ধু ষ্টাইলে উত্তর দেন: ধনতান্ত্রিক বুর্জোয়া সমাজের অর্থনৈতিক আধিপত্যের প্রায়োগিক আদলে আমাদেরকে চিন্তা করতে হবে। কেননা আধিপত্য মানে দান্দিক চেতনার দন্দ কিংবা সংশ্লিষ্টতা ভাবদর্শগত কারনে ক্ষমতার সয়ংচালিত নিরংকুশ সম্ভাবনার সেতু, যা ভাষা এবং প্রকাশের অষ্পষ্টতার কারনে বিপদ হয়ে দেখা দেয়…

শুনে আমাদের মতিবেদক জ্ঞেন হারিয়ে ফেলার আগে কুন মতে `বাংলাস্তান: আন্ডার কনস্ট্রাকশন` এর শুটিং ষ্পটে আসার ইচ্ছা বেক্ত করলে রুবাইয়াৎ বলেন, কিছু শুটিং থাক না গুপন!

June 29, 2013

পাকিপ্রেমের পতপত পতাকা

প্রথমালু ক্রিড়া ডেস্ক

আমাদের ক্রিড়া পাতায় আজ পাকি প্রেমরস পুর্ন দুটি লেখা আলো ছড়াচ্ছে।

১. বেবসায়ী আফৃদি

আমাদের ক্রিড়া ডেস্কের নয়ন মনি শহিদ আফৃদি ইদিয়ান নামের একটি বুটিক হাউসের প্রতিষ্ঠাতা। তিনি কুয়েত, কাতার, যুক্তরাস্ট্র, কানাডার পর এবার ঢাকায় ফেশন হাউসটির শো রুম উদভোদন করলেন কাল।

তিনি বলেন, আমি এর আগেও ঢাকায় এসেছি। এবার নতুন পরিচয়ে এলাম। আমার এই বেবসার আসল উদ্দেশ্য অন্য যে কুন বেবসার মতই – টেকাটুকা কামান। আরো অনেক দেশ থাকতে বাংলাদেশে আসার কারন হল, এই দেশে আছে কুটি কুটি পাকচোদ, যারা পাকিস্তান বা আমার নাম শুনলেই মাখায়া ফেলে। এই পাকচোদ গুলার দৌলতে আমার বেবসা রমরমা হবে ইনশাল্লা।

মুনাফাঘন কন্ঠে তিনি বলেন, বিশিষ্ট পাকচোদ নেতা মতিচুর রহমান আফৃদি তার পত্রিকা বেবহার করে আমার বেবসা প্রসারে হেল্প করতে শুরু করেছে। এর জন্যে অবশ্য তাকে কিছু এডভান্স দিতে হয়েছে।

আশরাফুলের ইস্পট ফিকসিং কেলেংকারি বিষয়ে তিনি বলেন, বাঙালি এত দিনে লাইনে এসেছে। পাকিস্তানি ক্রিকেটারগন > যে পথে করে গমন > হয়েছে কারাবরনীয়, আশরাফুল সেই পথেই চলেছে। বাঙালিদের সঠিক উপলব্ধি হয়েছে বলেই বাংলাদেশের রাজনিতিও এখন মাশাল্লা পাকিস্তানকে অনুসরন করছে।

পরবর্তিতে বাংলাদেশে আরো কুন বেবসা প্রতিষ্ঠান খুলবেন কিনা, জানতে চাইলে আফৃদি বলেন, আমি জানি, মেহেরজানের মত অনেক বাঙালি জেনানা পাকিস্তানি তাগড়া জওয়ানদের রুপগুন মুগ্ধ। তাই ‘মেরি মি, আফৃদি’ নামে একটা শাদি এজেন্সি চালু করার পরিকল্পনা আমার আছে। এর মাধ্যমে পাকিধনপেয়ারু বাঙালি জেনানারা পাকি জওয়ানদের শাদি করতে না পারলেও স্বাদ নিতে পারবে অন্তত।

তিনি আরো জানান, একাত্তর সালের নয় মাস পাকি সেনাদের নিবির সান্যিধ্যে কাটিয়ে সেটার সুখ স্রিতি আজ পর্যন্ত বহন করে চলা এক রাজনৈতিক নেত্রি এই শাদি এজেন্সি উদভোদন করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তবে তাকে কুন কারনে না পাওয়া গেলে আবুল বা মখাকে দিয়েও কাজ চলবে।

২. হাসি মুখে ক্ষমা চাইলেন বাট

বেবাকেই জানে, বিশ্ব জুড়ে দুই নম্বরি কাজে পাকিস্তানিরা এক নম্বর। ক্রিকেটেও এর বেতিক্রম নহে। ইস্পট ফিকসিং করে ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ হওয়া ও ইংলেন্ডের জেলে সাত মাস বাটমারা খাওয়া পাকিস্তানি বেটসমেন সালমান বাট অবশেষে বাটে পড়ে নিজের বাট বাচাতে প্রকাশ্যে অপরাধ স্বিকার করে বলেছেন, আমি দুষ করেছি, বাট আবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরতে চাই। ইস্পট ফিকসিং পাকিস্তানের জাতীয় ক্রিড়া। এই খেলা হতে নিজেকে দুরে রাখা সম্ভব নহে।

হাসি মুখে ক্ষমা চাইছেন বাট, তার চেহারায় পষ্ট অনুশোচনার ছাপ

দুই নম্বরি আবেগঘন কন্ঠে তিনি বলেন, আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী ও নিরাপত্তা ইউনিটকে (আকসু) একটা অভিশাপ। আরাম করে টেকাটুকা কামাইতে দেয় না। আরে, দরকার হইলে তোরা পার্সেন্টেজ নে। বেটারা বুজে না: ষোল আনা থেকে যদি চার আনা যায়, হিশেব দাড়ায় এসে বার আনায়, কিন্তু বার আনাতে আমরা খুশি…

এর আগ পর্যন্ত বাট অবশ্য বরাবরই নিজেকে নির্দুষ দাবি করে এসেছেন। তাকে প্রশ্ন করা হয়, এত দিন অপরাধের কথা স্বিকার করেননি কেন নিজের মুখে? উত্তরে তিনি বলেন, বাট থাকতে মুখ কেন?

 

March 23, 2012

প্রিয় দলের টানে মাঠে এলেন খালেদা জিয়া

নিজস্ব মতিবেদক

বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার প্রধান খালেদা জিয়া বাংলাদেশ-পাকিস্তান ক্রিকেট ফাইনালে ষ্টেডিয়ামে এসেছিলেন তাঁর প্রিয় দলকে সমর্থন জোগাতে। তাঁকে সর্বক্ষনই হাস্যোৎফুল্ল দেখাচ্ছিল। খেলা শেষে তিনি বলেন, আমার সমর্থন বৃথা যায়নি। আজ আমি মাঠে এসেছিলাম প্রিয় দলের টানে।

মতিকণ্ঠের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে খালেদা জিয়া বলেন, আজ মাঠে পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের দেখেই আমি মধুর স্মৃতিভারাক্রান্ত হয়ে পড়েছিলাম। ফিরে গিয়েছিলাম সুদুর একাত্তরে। কী তৃপ্তির সময় ছিলো সেটা! আর খেলার শেষে আনন্দ ভাগাভাগি করতে প্রিয় দলের ড্রেসিং রুমে যাওয়ার জন্য যে টান অনুভব করেছিলাম, তার সাথে তুলনা চলে শুধু প্রবল ডায়রিয়ার সময় হাগনকুঠিতে যাওয়ার টানের। তাগড়া পাকি জওয়ানদের সান্নিধ্যে কিছুটা সময় অতিবাহনের মাধ্যমে সুখস্মৃতিচারনের ইচ্ছা আমাকে দমন করতে হয়েছে লজ্জার কারণে। কারণ লজ্জা নারীর ভুষন। ইচ্ছা থাকলেও সব ভুষন ত্যাগ করে সম্পূর্ন বিবসনা হওয়া যায় না।

আপনি বাংলাদেশের বিরোধী দলীয় নেত্রী হওয়া সত্বেও পাকিস্তানের সমর্থক কেন? মতিকণ্ঠের এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমার সুখের কাল একাত্তরের কথা কি ভোলা সম্ভব? জানেন, আমার প্রসাধনচর্চিত শরীরটাই শুধু এই পোড়ার দেশে রয়ে গেছে, আর মন-দিল পড়ে আছে সোনার পাকিস্তানে। আর তাছাড়া তারা আমাকে যখন তখন কুটি কুটি রুপি দেয়। আমার মধ্যে কৃতজ্ঞতাবোধ আছে। আমি রুপিহারামি না।

বাঙালি হয়েও যারা পাকিস্তানের সমর্থন করে তাদেরকে ‘বাংপাকি’ বা ‘পাকচোদ’ বলে ডাকা হয়, এ কথা শুনে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন। তিনি জোর গলায় বলেন, আমাদেরকে যারা ‘বাংপাকি’ বা ‘পাকচোদ’ বলে ডাকে, তাদের বিরুদ্ধে আমরা হাইকোর্টে রিট আবেদন করবো আমাদের পাকি-অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার অভিযোগে।

February 3, 2012

মুক্ত আলোয় আমির, দ্বিতীয় আলোয় উৎসব

দ্বিতীয় আলো, পাকি-আরিফুর রহমান

আমার মতো বাঙালি পাকচোদদের জন্য সুসংবাদ। কিছুদিন ধরে চলা গুঞ্জনটাই সত্যি হল। ভালো আচরণের জন্য অর্ধেক সাজা ভোগ করেই পার পেয়ে গেলেন মোহাম্মদ আমির। সর্বশেষ ইংল্যান্ড-পাকিস্তান সিরিজের ‘কীর্তিতে’ জেলে যেতে হয়েছিল, ছাড়া পেলেন আরেকটি ইংল্যান্ড-পাকিস্তান সিরিজের মাঝামাঝি। গত ৩ নভেম্বর লন্ডনের সাউথওয়ার্ক ক্রাউন আদালত দুর্নীতি ও প্রতারণার জন্য ছয় মাসের জেল দিয়েছিলেন আমিরকে। তিন মাস শেষেই পরশু ছাড়া পেয়েছেন ডোরসেটের পোর্টল্যান্ড ইয়াং অফেন্ডারস ইনস্টিটিউশন থেকে।

এই আনন্দসংবাদে দ্বিতীয় আলো অফিস আলোকিত হয়ে ওঠে। সন্ধ্যাবেলা ক্রীড়া বিভাগে একটি মিলাদ মহফিলের আয়োজন করা হয়। পত্রিকার পক্ষ থেকে আগে মানত করা একটি গরু ও দুটি খাসি অচিরে জবাই করে কাঙালি ভোজের আয়োজন করা হবে। খবরটা পেয়েই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়, জানুটার ছবি প্রথম পৃষ্ঠায় প্রকাশ করা তো হবেই এবং খেলাধুলা পাতায় বিশদ একটি লেখাও প্রকাশ করা হবে। আজ আমাদের পত্রিকার ক্রীড়া সাংবাদিকদের দুজন প্রতিনিধি আনন্দ শেয়ার করার জন্য পাকি দূতাবাসে রাত্রিযাপন করবে। পাকি খেলোয়াড়দের ইন্টিমেট ছবির সবচেয়ে বড় সংগ্রাহক উটপোঁদ শুভ্র এবং পুরাতন ও পরীক্ষিত পাকচোদ হিসেবে আমি দূতাবাস ভ্রমণের মানসিক ও শারীরিক প্রস্তুতি নিচ্ছি।

আমাদের প্রানপ্রিয় তিন পাকি খেলোয়াড়কে অন্যায় সাজা দেওয়ার বিরুদ্ধে আমাদের পত্রিকা সব সময়ই সোচ্চার ছিল। আমাদের এতদিনের আহাজারি বৃথা যায়নি। এখন থেকে আমাদের পাতায় ঐতিহ্যবাহী পাকিবন্দনা আরো জোরদার করা হবে।

%d bloggers like this: