Posts tagged ‘পিয়াস করিম’

October 20, 2014

আমিষুল মন্ত্রীই আমরার উকিল বাপ: আনু

বিপ্লবী মতিবেদক

ফেসিবাদী বাকশালের আইন মন্ত্রী ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভুতত্তের অধ্যাপক তাহেরের হত্যাকারী জামায়াতি খানকির পোলাগনের আইনজীবি বেরিষ্টার আমিষুল হককে জাতির শ্রেষ্ঠ মোক্তার হিসাবে স্বিকার করে জাহাংগীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতীর অধ্যাপক, তেল গেস খনিজ বন্দর বিদ্যুত রাজাকার বাচাও আন্দুলনের আমীর ‘আওলাদে মাওসেতুং’ আনু মুহাম্মদ বলেছেন, আমিষুল মন্ত্রীই আমরার উকিল বাপ।

আজ জাহাংগীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় নিজ কোয়াটারের আংগিনায় আয়জিত এক সুধী সমাবেশে বক্তিতা কালে আমিষুল মন্ত্রীকে উকিল বাপ হিসাবে ঘোষনা দেন অধ্যাপক আনু।

বক্তব্যে আনু অধ্যাপক বলেন, আমরার বন্দু পিয়াস করিম হাগু মরার পর কতিপয় সাম্রাজ্যবাদের দালাল ঘোষনা দিল, হাগুর লাছটিকে তারা শহীদ মিনারে লইতে দিবে না। হাগুর পিতা নাকি একাত্তর সালে শান্তি কমিটির চেরমেন আছিল। তিনি নাকি ধীরেন্দ্রনাথ দত্তরে পাক বাহিনীর হাতে ধরাইয়া দিছিলেন। মুক্তিযুদ্ধারা নাকি হাগুর পিতার বাড়িতে গ্রেনেড হামলা করছিল। হাগু নাকি নিজেও রাজাকারের দালাল আছিল।

আবেগঘন কণ্ঠে আওলাদে মাও বলেন, অতছ সাম্রাজ্যবাদের দালাল ফেসিবাদী বাকশালের আইন মন্ত্রী আমিষুল সত্য কথা ফাস করিয়া দিছে। সে বলছে পিয়াস করিম হাগু মুক্তিযুদ্ধের সময় মিটিং মিছিল করত। লিপলেট বিলি করত। পোষ্টার সাটাইত। রিকশায় করিয়া মুক্তিযুদ্ধাদের পক্ষে মাইকিং করিত। নিজের বাড়িতে মেহমান খানার পালংকে ঘুমন্ত পাক বাহিনীর অফিসারদের উলংগ পুটুতে চুন কালি মাখাইত। আর হাগুর পিতাও শখ করিয়া শান্তি কমিটিতে যোগ দেন নাই। হাগুরে জিম্মি করিয়া পাক বাহিনী তারে শান্তি কমিটিতে নাম লিখাইতে বাধ্য করছে।


আমিষুলই একমাত্র হালাল বাকশাল: আনু

হুহু করে কেদে উঠে আনু অধ্যাপক বলেন, যুগ যুগ ধরিয়া বাকশালের সংগে লড়াই করতেছি। ভাবতাম তেল গেস বন্দর বিদ্যুত রাজাকার কুন কিছুই তাহাদের হাতে নিরাপদ নহে। কিন্তু এখন দেকতেছি রাজাকার বাচাইতে বাকশালের আইন মন্ত্রীই সর্বাপেক্ষা বড় আওয়াজ তুলিয়াছে। পিয়াস করিম হাগুর ভগ্নি তাহার আইন বেবসার পাটনার, ইহাতে কিছুই আসে যায় না। আমিষুল মন্ত্রী যাহা বলছে তাহাই সত্য। যদিও সে আগে অনেক মিছা কথা বলিয়াছে, এবং পরেও অনেক মিছা কথা বলিবে, কিন্তু পিয়াস করিম হাগুরে লইয়া সে যাহা বলিয়াছে তাহার উপর কুন কথা চলে না। অতএব আজ হইতে আমিষুল মন্ত্রীই আমরার উকিল বাপ।

অশ্রু মুছে আওলাদে মাও বলেন, জন্মিলে মরিতে হবে জানে গ সবাই। একদিন আসিফ নজরুল ইঞ্চি ও ফরহাদ মজহার লুংগিকেও মরিতে হইবে। আলামত দেখিয়া মনে হইতেছে উহাদের লাছ শহীদ মিনারে লওয়ার কথা বলিলে আমরা সকলেই পুটুমারা খাইব। তাই অগ্রীম সত্য কথা বলিয়া উহাদের সাইজ করিয়া লইতে হইবে। আমিষুল মন্ত্রীর দেখান রাস্তাতেই আমি চলিব। একাত্তর সালে বালক ইঞ্চি ও যুবক লুংগি দুইজনেই মুক্তিযুদ্ধা আছিল। উহারা বুকে মাইন বান্ধিয়া পাক বাহিনীর টেংকের তলে ঝাপাইয়া পড়ছিল। কিন্তু জঘন্য সাম্রাজ্যবাদী ইনডিয়ান মাইনের কুয়ালিটি খারাপ আছিল বলিয়া তাহা ফুটে নাই। কিন্তু পাক বাহিনীর টেংকের চাক্কা টেপ খাইয়া গিয়াছিল, আমিষুল মন্ত্রী সাক্ষী।

October 18, 2013

বাকশালের প্রতি বাবুনগরীর সশস্ত্র সংগ্রামের হুমকিকে স্বাগত জানালেন বিশিষ্ঠ বাবুনাগরিক বৃন্দ

নিজস্ব মতিবেদক

বাকশালের মহিলা আমীর শেখ হাসিনা ও বাকশালী অর্থ মন্ত্রী মালাই লামার হাত ভেংগে দেওয়ার হুমকির মাধ্যমে সশস্ত্র সংগ্রামী হুমকি ধমকির রাজনীতীর সুচনা করায় সদ্য গঠিত রাজনৈতিক দল বাবুনাগরিক শক্তির আমীর, বাংলাদেশের একমাত্র নোবেল বিজয়ী অর্থনীতীবীদ ও গ্রামীন বেংকের বিতাড়িত মালিক কায়েদে নোবেল ড. ইউনূস বাবুনগরীর প্রসংশা করে তাকে স্বাগত জানিয়েছেন তিন বিশিষ্ঠ বাবুনাগরিক।

আজ চট্টগ্রামে এক মহিলা সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে নগদে শেখ হাসিনা ও মালাই লামার হাত ভাংগার হুমকি দেন বাবুনগরী।

এর প্রতিক্রিয়ায় আয়জিত এক সংবাদ সম্মেলনে উপমহাদেশের বিশিষ্ঠ ইতিহাসবীদ, কলামিষ্ট ও গান্ধীবাদী আন্দলনের প্রবাদ পুরুষ সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, ইউনূস বাবুনগরী এতদিন শান্তির নোবেলটির দিকে তাকাইয়া চুপচাপ আছিল। কিন্তু সরকারের হালাল আয়ু এখন বাকি আছে আর মোটে সাত দিন। তাই এখন তর্জন গর্জন করলে কুন সমস্যা নাই। শান্তি যেথা ক্ষিন দুর্বলতা, হে আল্লাহ, দুই ঠেং যেন ভেংগে দেই তথা। কায়েদে নোবেলের হাত ভেংগে দেওয়ার সংগে শান্তির কুন সংঘর্ষ নাই। শান্তি বজায় রাখিয়াই শেখের বেটী ও মালাই লামার হাত ভাংগা সম্ভব।

বিশিষ্ঠ চিন্তাবীদ ও বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আমীর আল্লামা আসিফ নজরুল ইঞ্চি বলেন, যে মানুষটির কারনে বিশ্বে আমরা একটা মান সম্মান নিয়া চলাফিরা করতে পারি, সেই মানুষটিকেই বাকশালী সরকার উপ্তা করে পুটু মেরে চলতেছে। যেখানে বাংলাদেশের পাসপুটে তার ছবি ছাপা হওয়ার কথা, যেখানে বাংলাদেশে ৫০০ টেকার নুটে বাঘের জলছাপের পাশে তার হাসিমুখ ছাপা হওয়ার কথা, সেখানে বাকশালের আমীর শেখের বেটী তার নিকট হতে আয়কর দাবী করে। যেখানে তার গ্রামীন বেংকের গদিটিতে অতিরিক্ত ফোম ও তুলা যোগ করিয়া আরও আরামদায়ক করিয়া দেওয়ার কথা, সেখানে তাহাকে ঘেটী ধরিয়া গদিহারা করা হইল। কাজেই তিনি হাত কেন, সংগে আইন ভাংগিলেও আমাদের বলার কিছু নাই। আমি ইউনূস বাবুনগরীর সশস্ত্র সংগ্রামকে স্বাগত জানাই। ভিভা লা রেভোলুশিওন, হে মাকারেনা।

বিশিষ্ঠ টেলিভিশন বেক্তিত্ব, টক শো শিল্পী ও নোবেল না পাওয়া অর্থনীতীবীদ আল্লামা পিয়াস করিম হাগু বলেন, ইউনূস এতদিন শুধু গড়েছেন। তিনি গ্রামীন বেংক গড়েছেন, নোবেল পেয়ে রেকড গড়েছেন, ৮৪ লক্ষ নারীর খামার গড়েছেন, দেশী বিদেশী প্রতিষ্ঠানের সংগে সামাজিক বেবসা গড়েছেন, ইস্পেনের রানী ইসাবেলা, যুক্তরাস্ট্রের রানী হিলারি রডহাম ক্লিনটন ও হলিউডের রানী শেরন স্টনের সংগে মধুর বন্ধুত্ব গড়েছেন। এত কিছু গড়ার পর দুই চাইরটা হাত ভাংলে সমাজের কুন ক্ষতি নাই। আমি তাকে সাবাশি দিয়া বলতে চাই, বাবুদা তুমি এগিয়ে চল, রংগের ঢংগের কথা বল।

সংবাদ সম্মেলনে শেষে তিন বিশিষ্ঠ বাবুনাগরিক কোরাসে “হাত ভেংগে দাও হাত ভেংগে দাও হাত ভেংগে দাও ভাআআআআংগো” গান পরিবেশন করেন। এ সময় সৈয়দ আবুল মকসুদের পোষা ছাগল পুটুও তাদের সংগে যোগ দেন।

%d bloggers like this: