Posts tagged ‘পুলিশ’

August 27, 2016

কেমনে বুঝব উহা তামিম আছিল: হান্নান

নিজস্ব মতিবেদক

নারায়নগঞ্জের পাইকপাড়ায় বন্দুকযুদ্ধে আইন শৃংখলা রক্ষা বাহীনীর হাতে নিহত জংগী নেতা তামিম চৌধুরীর নিহত হওয়ার সংবাদের প্রতি সন্দেহ জ্ঞাপন করে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার নায়েবে আমীর বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) হান্নান শাহ বলেছেন, ফেসিবাদী বাকশালী সরকারের হাতে আরও তিনটি তাজা জংগী প্রান ঝড়ে গেল। পুলিশ বলতিছে তিনজনের মধ্যে একজন তামিম চৌধুরী। কিন্তু আমরা কি করিয়া বুঝব উহা সহীহ তামিম চৌধুরী আছিল?

নিজ বাসভবনে আয়জিত এক সংবাদ সম্মেলনে তামিমের নিহত হওয়ার ঘটনা নিয়ে গভীর সন্দেহ প্রকাশ করে হান্নান শাহ বলেন, পতৃকায় প্রকাশিত ছবি দেখিয়া পরিস্কার বুঝা যায় যে উহা তামিম চৌধুরী নহে, বরং কুমার বিশ্বজিত।

সংবাদ সম্মেলনে বিগ্রেডিয়ার হান্নান আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, যে যুবক কেনাডার ওয়াসওয়াসায় আচ্ছন্ন জীবনের মায়া তেগ করিয়া এই ভরা যৌবনে বাংলাদেশের নেয় নিরানন্দ ফুর্তি বঞ্চিত দেশে আসিয়া খেলাফতের খেলায় ফতে হইল, যার নেতৃত্বে এত এত কাফের মোশরেকরে কিসাস করা হইল, পুলিশ কুটনীতীর নাকের আগায় বসিয়া যে গুলশানে বিশ পিস বিদেশী ও দুই পিস পুলিশ হত্যার সফল মিশন পরিচালনা করল, শোলাকিয়ায় যে যুবক বেয়াড়া আলেম আল্লামা মাসউদকে হত্যার লক্ষে মুজাহিদ পাঠাইয়া আপামর মুসলিমের ঈদের আনন্দে পানি ঢালিয়া দিল, সে কি এত সহজে নিরিহ বাছুরের নেয় গোয়ালে পুলিশের গুলি গোয়ায় বিদ্ধ করিয়া মৃত্যু বরন করতে পারে?

হাসতে হাসতে হান্নান বলেন, এতেই ত প্রমানিত হয় যে ঐ বেক্তি তামিম নহে। বরং ছবিতে প্রকাশিত দাড়ির নকশা দেখিয়া পরিস্কার বুঝা যায় যে উহা বখাটে শিল্পি কুমার বিশ্বজিত। বাকশাল জংগী মারার নাম করিয়া বাংলাদেশের কৌমার্য হরন করল। ইসকা বিচার করেংগা কউন?


কুমার বিশ্বজিত ও তামিম চৌধুরীর দাড়ি একই মডেলের

এ বেপারে পুলিশের সংগে যোগাযোগ করা হলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে পুলিশের এক উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা মতিকণ্ঠকে বলেন, গত কয়েকটি দিন ধরিয়া আমরার কন্ট্রল রুমে একটি বয়স্ক বান্দর প্রকৃতির লুক ফুন মারিয়া বহুত তেক্ত করতিছে। তার দেওয়া তথ্যে আমরা তামিম চৌধুরীরে ধরতে ঢাকা ও চট্টগ্রামের কয়েকটি হটেল ও বারে অভিযান চালাইয়া প্রত্যেক বার কুমার বিশ্বজিতরে পাইছি।

ক্ষোভ প্রকাশ করে পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, প্রত্যেক বারই আমরা কুমার বিশ্বজিতের নিকট হইতে ডিএনএ সংগ্রহের জন্যি ১০০ সিসি করিয়া রক্ত সংগ্রহ করছি। আমরার ফ্রিজ এখন সেই সব বুতল দ্বারা ভর্তি। সেই মিথ্যাবাদী বয়স্ক বানচুদ পুনরায় ফুন করিয়া আবার আমরারে হয়রান করতে লইছিল, আমরা উহাকে কঠর তিরস্কার করছি। তখন সে হাসতে হাসতে আমাদের বলল, চন্দনা গ রাগ কর না অভিমান করে বল আর কি হবে।

এ বেপারে কুমার বিশ্বজিতের সংগে যোগাযোগ করা হলে তিনি রাগারাগি করে মতিকণ্ঠকে বলেন, পুলিশ দুই দিন পর পর হটেল-বারে আমায় পাকড়াও করিয়া সুই ফুটাইয়া রক্ত টানিয়া লইতেছে। জানি না কুন ভেম্পায়ার উহাদিগকে এই বুদ্ধি দিয়াছে। যতই তাদের বলি আমি তামিম চৌধুরী নহি, তারা ততই আমার দাড়ি টানিয়া পরীক্ষা নীরীক্ষা করে।

হুহু করে কেদে উঠে কুমার বিশ্বজিত বলেন, ফ্রেন্স কাট দাড়ি রাখা কি অপরাধ?

November 7, 2015

আবুর পিস্তল নিয়ে হাবুর পলায়ন

জামালপুর মতিনিধি

জামালপুরে সরিষাবাড়ি উপজেলার তারাকান্দিতে আবু পুলিশের পিস্তল নিয়ে পলায়ন করেছে হাবু আসামী।

শনিবার তারাকান্দিতে এই রোমহর্ষক ঘটনা ঘটে।

ঘটনার পর এক সংবাদ সম্মেলনে জামালপুরের পুলিশ সুপার নিজাম উদ্দীন এই রোমহর্ষক ঘটনার বর্ননা দেন। এ সময় তিনি বারবার আতংকে শিউরে উঠছিলেন ও ঘন ঘন হরলিকস পান করছিলেন।

নিজাম সুপার বলেন, শনিবার এস আই আবু সাঈদের নেতৃত্বে তারাকান্দি তদন্ত কেন্দ্রের একটি চৌকশ পুলিশ দল মাদক মামলায় ছয় মাসের সাজাপ্রাপ্ত কুখ্যেত আসামী দুর্ধর্ষ দুশমন হাফিজুর রহমান হাবুকে তার বাড়ি হতে গ্রেফতার করে। কিন্তু তখনই ঘটে এক রোমহর্ষক ঘটনা।

এক গ্লাশ হরলিকস পান করে ধাতস্থ হয়ে নিজাম সুপার বলেন, হাবু আসামীর বাড়িতে যে এত কুংফু পাণ্ডে থাকে, সে কথা আবু এসআই জানত না। সে হেলতে দুলতে হাবু আসামীর লুংগি ও গেঞ্জি পাকড়াও করিয়া তারে টানতে টানতে থানায় লইয়া আসতেছিল। আতকা কুথা হতে হাবু আসামীর স্ত্রী মিসেস হাবু আসিয়া উল্টা আবু এসআইরে ধরিয়া টানা হেচড়া আরম্ভ করে। হাবু আসামীর বাড়ির অন্যান্য সদস্যরাও তখন দুর্ধর্ষ নিনজা টারটলের নেয় উড়িয়া আসিয়া জুড়িয়া বসিয়া আবু এসআইরে কিল ঘুষি মারা শুরু করে।

বক্তব্যের এ পর্যায়ে নিজাম সুপার হুহু করে কেদে ফেলেন।

উপস্থিত সাংবাদিকদের সহায়তায় তাকে আরও এক গ্লাশ হরলিকস গুলিয়ে পান করানর পর তিনি শক্তি ফিরে পেয়ে বলেন, মারপিটের এ পর্যায়ে কি হইতে কি হইল, হাবু আসামী আবু এসআইয়ের কমরে বান্ধা পিস্তলখানি এক টানে খুলিয়া দিল দৌড়। সে দৌড়ের কাছে হুসাইন বল্ট কিছুই না। পিছে পড়িয়া রইল হাবুর স্ত্রী মিসেস হাবুর হাতে নাজেহাল আবু এসআই ও আবু এসআইয়ের হাতে নাজেহাল হাবুর লুংগি ও গেঞ্জি।

অশ্রু মুছে আবেগঘন কণ্ঠে নিজাম সুপার বলেন, কিন্তু আমরা হাল ছাড়ি নাই। আবু এসআই এর পিস্তল যেমন হাবুর কবলে, হাবুর লুংগি ও গেঞ্জিও তেমনি আবু এসআইয়ের কবলে। চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে যদি হাবু আবুর পিস্তল আবুর নিকট ফিরাইয়া না দেয়, হি কেন কিস হিজ লুংগি গুডবাই।

গর্বের সংগে হাবু আসামীর আটক কৃত লুংগি ও গেঞ্জি দেখিয়ে নিজাম সুপার বলেন, হাবু রে হাবু, হবিই হবি কাবু। পিস্তল ফিরাইয়া না দিয়া তুই কুণ্ঠে যাবু?

এভাবে আসামীর হাতে পিস্তল খোয়ানোর দায়ে এসআই আবু সাঈদের বিরুদ্ধে কোন বেবস্থা নেওয়া হয়েছে কিনা, এ প্রশ্নের জবাবে নিজাম সুপার বলেন, আবু এসআই এর পিস্তলের খাপটি ঢোলা হইয়া গেছিল, উহা সিলাইয়া টাইট করার বেবস্থা নেওয়া হইছে। আবু এসআইরেও সিলাইয়া টাইট করা গেলে ভাল হইত, কিন্তু সাময়িক বরখাস্ত ছাড়া আর বেশী কিছু করার রেওয়াজ নাই।

মিসেস হাবুর ভুয়সী প্রসংশা করে নিজাম সুপার বলেন, মিসেস হাবুরে সারদায় কুংফু প্রশিক্ষক হিসাবে নিয়গ দেওয়ার জন্য সরকার বাহাদুরের মর্জি হয়।

November 5, 2015

নিহত কনষ্টেবলকেই দুষলেন সুশীল সমাজ

নিজস্ব মতিবেদক

আশুলিয়ায় পুলিশ চেক পোষ্টে দায়িত্ব রত অবস্থায় বৃহত্তর জামায়াতের মুজাহিদ গনের চাপাতি আক্রমনে নিহত কনষ্টেবল মুকুল হোসেনকেই দুষলেন বাংলাদেশের সুশীল সমাজ।

বুধবার গভীর রাত্রে এই প্রতিবেদন লিখার সময় পযন্ত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা প্রতিকৃয়ায় মুকুল হোসেনের প্রতি নানা অভিযোগ তুলে ধরেন দেশের বরেন্য বেক্তিত্ব বৃন্দ।

নিহত কনষ্টেবল মুকুল হোসেনকে তিরস্কার জানিয়ে খেতনামা ড্রন বিশেষজ্ঞ, মস্তফা অনুরাগী, কাপড় বেবসায়ী ও ইসলামী বেংকের সমঝদার হরলিকস পাগলা বিতর্ক রাজ ও আত্মস্বিকৃত ‘ফেসবুক গু-বাবা’ আল্লামা আবদুন নুর তুষার বলেন, পুলিশ অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি শুরু করছে। কনষ্টেবল মুকুল হোসেনের ইন্তেকালের জন্য সে নিজেই দায়ী।

আবেগঘন ফন্টে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আল্লামা তুষার বলেন, ইসলামে চেকপষ্ট বলিয়া কুন বিষয় নাই। জেহাদী ভাইরা মটর সাইকেলে করিয়া এক আস্তানা হতে অন্য আস্তানায় হিযরত করিয়া থাকেন। জনে জনে ত আর মটর সাইকেল দেওন যায় না। প্রত্যেক জেহাদীকে একটি করিয়া মটর সাইকেল দিতে গেলে ইসলামী বেংকের পরবর্তী মহাফিলে উপস্থাপক হিসাবে আমার হরলিকসের টেকাটুকায় টান পড়িয়া যাইবে। এক মটর সাইকেলে তাই তিন জন করিয়া জেহাদী ভাইকে চাপাচাপি করিয়া চলাফিরা করতে হয়।

হুহু করে কেদে ফেলার ইমটিকন দিয়ে হরলিকস পাগলা বলেন, কনষ্টেবল মুকুলের এত বড় সাহস, সে এমতাবস্থায় মটর সাইকেল থামাইয়া জেহাদী ভাইদিগকে চেক করতে গেছিল। ইসলামের কুথাও মটর সাইকেল থামাইয়া চেক করার কথা বলা নাই। এই কাম করিয়া সে শুধু জেহাদী ভাইদের ধর্মানুভুতিতেই আঘাত করে নাই, দেশের আপামর আল্লাহপ্রেমী মুসলিম বান্দার মনেও চরম আঘাত দিছে। তাই জেহাদী ভাইয়েরা উহাকে মৃদু আট দশটি কুপ কুপাইয়া আবার জেহাদের রাস্তায় চলিয়া গেছেন। এইখানে দুষ কার? আর কারও নহে, কনষ্টেবল মুকুলেরই।

হাসির ইমটিকন দিয়ে ফেসবুক গু-বাবা বলেন, কতিপয় কাফের মশরেক ইয়াহুদীদের টেকা খাইয়া কনষ্টেবল মুকুলকে হিরু বানাইতে চায়। উহাদের মকাবিলার জন্যি আমি আজ হতে পুর্ন উদ্যমে মাঠে নামলাম। এতদিন আছিলাম ভাল তুষার। আজ হতে আমি চাপাতুষার। যখন দরকার চাপা চালাইব, যখন দরকার চাপাতি চালাইব। দিন রাত্র চব্বিশ ঘন্টা সপ্তায় সাতদিন আমি কল রেডী। পথে ঘাটে ঘরে বাইরে কুথাও চাপাতির কুপ খাইয়া কেউ মরলে আমায় কল দিও। চুলচিরা তর্ক করিয়া প্রমান করিয়া দিব যে সকল দুষ যে মরছে তারই।

আমিও এখন কল রেডী: চাপাতুষার

এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাংলার সেরা বিজ্ঞাপন নির্মাতা ও টেলিভিশনে ইসলামী অনুষ্ঠান উপস্থাপকদের প্রভাবশালী সংগঠন ‘এশশিয়েশন অফ ইসলামী মিডিয়া পারসনালিটি’র বর্তমান আমীর বাংলার ডেভিড ধাওয়ান আল্লামা মস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেন, নাস্তিক পুলিশ এইভাবে ইসলামের আর কত অপমান করবে? দিনে দুপুরে উহারা মজাহিদ ভাইদিগের মটর সাইকেল থামায়। জেহাদের বাহনের সংগে তারা মুক্তমনাপনা করে। আজ কনষ্টেবল মুকুল হোসেন চেকপষ্টে চেক করে, কাল হয়ত কুন এসআই কুন আলেমের ফেসবুক পাসওয়াড লুণ্ঠন করিবেক। পরশু কি হয় আল্লাহ মাবুদ জানেন। তাই পরিস্কার ফয়সালা করিয়া বলি, দুষ কনষ্টেবল মুকুলেরই। চেকপষ্ট খুলিয়া বসা বাংলাদেশের পুলিশ লইয়া আমরা কি করিব?

আবেগঘন ফন্টে আল্লামা ফারুকী বলেন, শুনলাম আবদুন নুর তুষার এখন জেহাদের ঠেলায় পড়িয়া চাপাতুষার হইছে। সারাটি জীবন সেকুলার ঘোচুদের সংগে লড়াই করিয়া বৃদ্ধ বয়সে ‘এশশিয়েশন অফ ইসলামী মিডিয়া পারসনালিটি’র আমীর হইলাম আমি, আর চাপাতি নামটি লইল কিনা তুষার। শুন হরলিকস পাগলা, আজ হতে আমি মস্তফা তলয়ার ফারুকী। তুমি চাপাতি চালাইলে আমি তলয়ার চালাইব। আর কে না জানে, চাপাতি হতে তলয়ার বড়।

নিজের অতীতকে কবর দেওয়ার ঘোষনা দিয়ে তলয়ার ফারুকী বলেন, ইরানের শিয়া জাহান্নামী আব্বাস কিয়ারুস্তমী আর মাজেদ মাজেদীর ওয়াসওয়াসায় ভুলিয়া আমি কিছু চলচিত্র বানাইয়াছিলুম। ভুল সবই ভুল। আমার পরবর্তী চলচিত্রে আমি শুরুতেই মুরতাদ কিয়ারুস্তমী ও মাজেদীর উপর বদদুয়া দিয়া লব। আছিলাম সরয়ার ফারুকী, হইলাম তলয়ার ফারুকী।

পুলিশ বাহিনীর প্রধান আইজিপি আলহাজ শহীদুল হক বলেন, পুলিশদের সীমা লংঘন করা ঠিক নহে। চেকপষ্ট খুলছ ভাল কথা, ভিতরে বসিয়া দুটু পান বিড়ি খাও। আবার মটর সাইকেল থামাইয়া ধর্মানুভুতিতে আঘাত দেও কেনে?

এদিকে স্বরাস্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল কনষ্টেবল মুকুল হোসেনের উপর হামলার খবর পেয়ে সাভারের এনাম মেডিকেলে উপস্থিত হয়ে বলেন, দেশের পরিস্থিতি ভাল আছে। কুপাইয়া পুলিশ খুন বিচ্ছিন্ন ঘটনা মাত্র। আর পুলিশেরও উচিত আরও সংযত হওয়া। দেশের মটর সাইকেল আরহীদের ধর্মানুভুতিতে আঘাত দেয়, এমন চেকপষ্ট উহাদের চালনা করা ঠিক নহে।

বক্তব্যের পর কামাল মন্ত্রী পকেট হতে নিরাপত্তার চাদর বের করে আশুলিয়া এলাকা ঢেকে দেন।

September 16, 2014

মন্ত্রী নাহিদের উপর নাখোশ পুলিশ পরিদর্শক বৃন্দ

নিজস্ব মতিবেদক

সিপিবির সাবেক নেতা ও বর্তমানে ফেসিবাদী বাকশালের শিক্ষা মন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের উপর নাখোশ হয়ে আছেন ঢাকা মেট্রপলটন পুলিশ পরিদর্শক বৃন্দ।

মংগলবার সন্ধায় ঢাকা মেট্রপলটন পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা দিয়ে এ ক্ষোভ প্রকাশ করেন ঢাকা মেট্রপলটন পুলিশের ৫৭ জন পরিদর্শক।

ঢাকা মেট্রপলটন পুলিশের গন মাধ্যম শাখার উপ কমিশনার মাসুদুর রহমানের সংগে যোগাযোগ করলে তিনি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, জীবনটাই একটা পরীক্ষা। আর আমাদিগের হাতে পাওয়া তথ্য মতে আমাদিগের পরিদর্শকরা জীবীত। কাজেই তারা জীবীত কিনা, এই পরীক্ষার মাধ্যমে তা পরীক্ষা করা হচ্ছে।

মতিকণ্ঠের প্রশ্নের জবাবে মাসুদ ডিসি বলেন, এ পরীক্ষায় আইন-কানুন, কায়দা-কৌশল, আচার-বেবহার, তমিজ-তোয়াজ ইত্যাদি সহ বিভিন্ন বিষয় পরীক্ষা করা হবে। পাশ করতে পারলে পরিদর্শকদের ওসি বানান হবে। ফেল করলেও ওসি বানান হবে, তবে তাতে ওসি বনার বেয় বৃদ্ধি পাবে।


আসল কাজ বাদ দিয়ে নাটকে বেস্ত নাহিদ

এদিকে পরীক্ষার পর পরিদর্শকদের কয়েক জনের সংগে যোগাযোগ করা হলে তারা মতিকণ্ঠের কাছে মন্ত্রী নাহিদের প্রতি বেপক ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক পরিদর্শক বলেন, আমাদিগের আজ পরীক্ষা। গতকাল রাত হতে একটু পর পর ফেসবুক খুলিয়া পেজ ঘাটতেছি, কিন্তু কোথাও কুন প্রশ্ন ফাস হয় নাই। এতেই প্রমানিত হয়, মন্ত্রী নাহিদ সঠিক ভাবে তার দায়িত্ব পালন করতেছে না।

আরেক পরিদর্শক মন্ত্রী নাহিদকে ‘সালা ঘোচু’ গালি দিয়ে গালি প্রকাশ করার অনুরধ ও নাম প্রকাশ না করার অনুরধ জানিয়ে বলেন, আমাদিগের আজ পরীক্ষা, অতছ গত কয়েক দিন ধরিয়া টাকলা নাহিদ বাংলাবাজারে নাটকের রিহার্সাল দিছে। আরে সালা ঘোচু তুই আগে কই পরীক্ষার প্রশ্ন সামলাবি, তা না করিয়া তুই বাংলা বাজারে এক মাস আগে নটিস দিয়া আকস্মিক অভিযানের নাটক করিস কেনে?

নাম গোপন রাখার শর্তে আরেক পরিদর্শক বলেন, আমরার পরীক্ষা অত্যান্ত খারাপ হইছে। কুন প্রশ্ন কমন পড়ে নাই। প্রশ্ন আইছে, আইন কারে বলে? আইনের হাত কত লম্বা? আইন কার হাতে থাকে? আমরা আসমান হতে মাটিতে পড়ছি। আমি লিখছি, থানার ওসি ও এলাকার সরকারী নেতার মুখের কথাই আইন। আইনের হাত অনেক লম্বা। আর আইন এত গরম যে কারও হাতেই থাকে না, এই কারনেই কুথাও ভাল মানুষের হাতে বদ মানুষ পিটানী খাইলে আমরা গিয়া বলি, আইন নিজের হাতে তুলিয়া লইবেন না।

ঢাকা মেট্রপলটন পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ের বাইরে বিক্ষোভ রত আরও কয়েকজন পরিদর্শক বলেন, পরীক্ষা হইছে যেমন তেমন, গল্ডেন এ প্লাস না পাইলে মন্ত্রী নাহিদের কার্যালয় ঘেরাও দিব।

বিক্ষোভ রত এক পুলিশ পরিদর্শক বলেন, আমার পুলা এইবার ইন্টার দিল। ফেসবুকে সব প্রশ্ন সে আগে আগে পাইছে, গল্ডেন এ প্লাসও পাইছে। এখন আমি তার বাপ হইয়া যদি পরীক্ষায় গল্ডেন না পাই, বাসায় গিয়া মুখ দেখাব কি করিয়া?

এ বেপারে মন্ত্রী নাহিদের সংগে যোগাযোগ করা হলে তিনি হাসতে হাসতে বলেন, দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, শিক্ষা বেবস্থা এগিয়ে যাচ্ছে, এখন ঠোলারাও পরীক্ষা দেয়। এখন তারা ফেসবুকে ফাস হওয়া প্রশ্নের খোজে লেপটপ চার্জ দেয়। অতছ আমরার আমলে ঠোলারা শুধু লাঠি চার্জ করত।

ভবিষ্যতে ঢাকা মেট্রপলটন পুলিশ কার্যালয়ের পরীক্ষা হলে ‘আকস্মিক অভিযান’ চালানর অংগীকার করে নাহিদ মন্ত্রী বলেন, পুলিশ কমিশনারের সংগে এই আকস্মিক অভিযান নিয়া আমার আলাপ হইছে। তারিখ নিয়া এখনও কথাবার্তা চলতেছে। এই পরীক্ষা হইছে যেমন তেমন, আগামী পরীক্ষার প্রশ্ন সময় মত ফেসবুকে পাওয়া যাইবে।

%d bloggers like this: