Posts tagged ‘ফালু’

August 30, 2013

মতিঝিলে ৬১ জনের মৃত্যু রাসায়নিক অস্ত্রে?

নিজস্ব মতিবেদক

৫ মে মতিঝিলে হেফাজতে ইসলামের ৬১ জন মুজাহিদের মৃত্যু রাসায়নিক অস্ত্রে ঘটে থাকতে পারে।

মতিকণ্ঠের নিজস্ব অনুসন্ধানে এ চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে।

বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার নেতৃবৃন্দের হাতেও এ ধরনের তথ্য রয়েছে। তাই আচমকা মতিঝিলে হেফাজতে ইসলামের মর্দে মুজাহিদদের মৃত্যু নিয়ে দলটি নীরবতা অবলম্বন করেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বৃহত্তর জামায়াতের বিএনপি শাখার মহিলা আমীর বেগম খালেদা জিয়ার ঘনিস্ঠ সুত্র মতিকণ্ঠকে বলেন, বিএনপি শাখার নায়েবে আমীর মতি কণ্ঠ আনোয়ার নিজের চক্ষে মতিঝিলে ৫ মে কালরাত্রে বাকশালী পুলিশ, রেব ও রজনীকান্তের সম্মিলিত আক্রমনে ৫০ হাজার মুজাহিদকে নিহত ও ৫০ হাজার মুজাহিদকে আহত হতে দেখেছেন দাবী করায় শুরু থেকে বিএনপি শাখা জোর দিয়ে এ কথাটিই বলে আসছে। কিন্তু হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমীর জুনায়েদ বাবুনগরী নিহত ও আহত মুজাহিদ বাবদ ১৭৫০ কুটি টেকা বিল দাবী করায় পরবর্তীতে এ ঘটনা নিয়ে বিএনপি শাখা নিজস্ব তদন্ত কমিটি গঠন করে।

পুলিশের সংগে অন্তরংগ অবস্থায় ‘কানাবাবা’ শুভ্র

আবেগঘন কণ্ঠে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঘনিস্ঠ সুত্র বলেন, তদন্ত কমিটির রিপটে বেরিয়ে আসে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। পুলিশ, রেব বা রজনীকান্তের আক্রমনে নয়, মতিঝিলে ৬১ জন মর্দে মুজাহিদের মৃত্যু হয়েছে রাসায়নিক অস্ত্রে।

ঘনিস্ঠ সুত্র জানান, ৫ মে দিনের বেলা বিএনপি শাখার সংগে সম্পাদিত চুক্তি মতাবেক মতিঝিলে আগত মুজাহিদ বৃন্দকে বিএনপি শাখার নায়েবে আমীর আল্লামা সাদেক হোসেন খোকার তত্তাবধানে রুটি কলা খিরাই বিস্কুট সরবরাহ করা হয়। এ ছাড়া দুপুরের আহারের পর সরবরাহ করা হয় কায়েদে নোবেল ড. মুহম্মদ ইউনূস বাবুনগরীর ফরমুলায় প্রস্তুত ‘শক্তি দই’। আর এই নিম্ন মানের রুটি কলা খিরাই বিস্কুট ও শক্তি দইয়ের রাসায়নিক ক্রিয়াতেই হেফাজতের ৬১ জন মুজাহিদ এনতেকাল করেন।

রাসায়নিক অস্ত্র প্রয়গের কারনে সিরিয়ার উপর মার্কিন যুক্তরাস্ট্রের হামলার সম্ভাবনা বিএনপি শাখা গুরুত্বের সংগে পর্যবেক্ষন করছে বলে জানা যায়। ঘনিস্ঠ সুত্র বলেন, যদি সিরিয়ার বাকশাল আসাদের উপর ওবামা সত্য সত্যই আক্রমন করার হেডম প্রদর্শন করেন, তাহলে মতিঝিলে রাসায়নিক অস্ত্রের বেবহারের প্রতি উন্নত বিশ্বের দৃস্টি আকর্ষন করে বাংলাদেশের বাকশাল শেখের বেটীকেও হামলার মাধ্যমে গদিচ্যুত করার জন্য বিএনপি শাখা বিশ্ব জনমত গঠন করবে।

এ বেপারে দর কষাকষির লক্ষে আগামী ১২ সেপ্টেম্বর বিএনপি শাখার দুইজন দুত জাতিসংঘের মহাসচিব বানকি মুনের আমন্ত্রনে জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগ দেওয়ার উদ্দেশ্যে ফরিদ-মুকুল মেথডে ইংরাজী শিখছেন বলে ঘনিস্ঠ সুত্র মতিবেদকের কাছে স্বিকার করেন।

কারাবন্দী মানবাধিকার কর্মী আদিলুর রহমান ওরফে ‘কানাবাবা’ শুভ্রর বেপারে বিএনপি কি করবে জানতে চাইলে ঘনিস্ঠ সুত্র হাসতে হাসতে বলেন, ‘কানাবাবা’কে নিয়া আমাদের কুন মাথাবেথা নাই। তাছাড়া শুনলাম সে পুলিশের সংগে একটি মিস্টি অন্তরংগ সম্পর্ক গড়ে তুলেছে।

এসব তথ্যের জন্য নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঘনিস্ঠ সুত্রকে ধন্যবাদ জানিয়ে মতিবেদক বলেন, থেংকিউ ফালু ভাই।

August 4, 2013

ফালুর অনুপস্থিতিতে নওয়াজ-খালেদার মোলাকাৎ

বৃহত্তর জামাতে ইসলামীর বিএনপি শাখার মহিলা আমির বেগম খালেদা জিয়া মক্কায় ওমরাহ পালন কালে পাকিস্তানের প্রধান মন্ত্রি নওয়াজ শরিফের সঙ্গে মোলাকাৎ করেছেন। শুক্রবার মক্কায় মসজিদুল হারামের নামাজ আদায় শেষে পুরুষ-নারীর হারাম সাক্ষাতে তারা আরামের সহিত শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এই সুমায় নওয়াজ শরিফ আইএসআই এর পাঠান একটি গুপন পেকেট ও কয়েকজন প্রবিন আর্মি অফিসারের কয়েকটি গুপন পত্র তার হাতে তুলে দেন। জানা যায়, এই সাক্ষাতের সময় খালেদা জিয়ার পাতানো মাহরান (হজ বা ওমরাহ পালন কালে নারীর আইন সিদ্ধ সঙ্গি) ও হুইল চিয়ার ঠেলাকারি মোসাদ্দেক আলি ফালু অনুপস্থিত ছিলেন।

পাকিস্তানি প্রধান মন্ত্রিকে দেখা মাত্র খালেদা জিয়া সৃতি বিভুর হয়ে পড়েন। পরে নিজেকে সামলে নিয়ে তিনি তার কুশল জানতে চেয়ে আরবি ও ইংরাজি ভাষায় দক্ষতা প্রমান করে বলে উঠেন, কাইফা হালাকি? গ্লেড টু সি ইউ।

কালো আর ধলো বাহিরে কেবল, ভেতরে দু’জন সমান পাকি

ঘন ঘন সৌদি ভ্রমনের কারন বেখ্যা করে তিনি বলেন, বুজলেন বড় ভাই, আমাকে প্রায়ই সৌদিতে আসতে হয় চিকিতসা বা ওমরাহ করার ছুতায়। এই দেশে আমার চাইর শ সুটকেস রাখা আছে, বুঝেনই ত। এ দিকে আমার দুই সন্তান দীর্ঘ দিন চাদাবাজি করতে না পেরে শুকায় গেছে। এখন সৌদি থেকে যা-ই নিয়া যাই, সেইটার দশ পারসেন্ট বড়টারে দিতেই হয়। ওইটা তার হক। ছুডুটারে অল্পসল্প দিয়া বুঝান দিই। দুধভাত ত।

আশ্বাসঘন কন্ঠে তিনি পাকিস্তানের প্রধান মন্ত্রিকে বলেন, আপনি পাকিস্তানি জামাতে ইসলামীকে আশ্বস্থ করে বলবেন, বাংলাদেশে বাকশালী সরকার বৃহত্তর জামাতের নিবন্ধন বাতিল করলেও বিএনপি শাখার সাথে তাদের কি বন্ধন, তা তারা বুঝে না। বৃহত্তর জামাতের প্রশ্নে আমি আপুসহীন। তাদের পাশে সব সুমায় “আমি আছি থাকব, ভালবেসে মরব…”  আর আপনারা দুশ্চিন্তা করবেন না। আমরা সব বেবস্থা নিতেসি। ইনশাল্লা বাংলা হবে পাকিস্তান। আসিতেছে শুভ দিন, দিনে দিনে মোর কমিয়াছে টেকা, ইউ নো হুয়াট আই মিন।

এদিকে নাম গুপন রাখার শর্তে এক সফর সঙ্গি জানিয়েছে, খালেদা জিয়ার ওমরাহ সঙ্গি ফালু পাকিস্তানি হোমরা চোমরার সাথে দেখা করার সুযোগ থেকে বোনচিত হয়ে গোমরা মুখে বলেন, যেহেতু ঠেলাগাড়িসহ অন্যান্য ঠেলাঠেলির সুমায় শুধু আমারই ডাক পড়ে, তাই ঈর্ষা করতেসি না। কিন্তু আমার কি আর কুন সাধ আল্লাদ থাকতে পারে না?

March 2, 2013

বক্তৃতা লেখকের পরিচয় নিয়ে সংশয়ে খালেদা

নিজস্ব মতিবেদক

গোপন শলা পরামর্শ শেষে সিংগাপুর ও লনডনে প্রমোদ ভ্রমন সেরে দেশে ফিরে রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য দিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছেন বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার মহিলা আমীর বেগম খালেদা জিয়া।

এমন পরিস্থিতিতে বক্তৃতা লেখককে খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়েছেন বেগম জিয়া।

আজ বিএনপি শাখার গোপন সুত্র এ সংবাদ নিশ্চিত করে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার এক নেতা মতিকণ্ঠকে বলেন, মেডামকে কে বক্তৃতা লিখে দেয়, তা নিয়ে সংশয় তৈরী হয়েছে। আমরা এ বেপারে জোর তদন্ত করছি।

কঠিন কঠিন শব্দে খালেদার মাথাবেথা

নাম প্রকাশ না করার শর্তে আরেক নেতা বলেন, মহিলা আমীর বক্তৃতা লেখকের উপর অত্যন্ত ক্ষুব্ধ। তিনি বলেছেন, ইদানীং বক্তৃতায় কঠিন শব্দ ও যুক্তাক্ষরের পরিমান বেড়ে গেছে। জোট সরকারের সময় ‘ভারত’ ‘বাকশাল’ ‘একটি প্রতিবেশী দেশ’ ‘র’ প্রভৃতি সহজ সহজ শব্দ দিয়ে বক্তৃতা লিখে দিত শফিক রেহমান। কিন্তু বাকশালী সরকার ক্ষমতায় যাওয়ার পর টেকাটুকায় শর্ট পড়ায় শফিক রেহমান পল্টি দিয়েছে। বর্তমানে সে বক্তৃতা লিখে দিতে বললে গড়িমসি করে। তাই কে যে এখন বক্তৃতা লিখে দিচ্ছে তা স্পষ্ট নয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সুত্র জানায়, নতুন বক্তৃতা লেখকের উপর মহিলা আমীর অত্যন্ত নাখোশ। এই বক্তৃতা লেখকের পরিচয় খুঁজে বের করতে তিনি জাতীয়তাবাদী শক্তির সর্বাধিনায়ক এম এ জি ফালুকে দায়িত্ব দিয়েছেন।

গোপন সুত্রে জানা যায়, সাম্প্রতিক বক্তৃতায় ‘ফেসিবাদ’ ‘গনহত্যা’ প্রভৃতি কঠিন শব্দ চলে আসায় বেগম জিয়া অস্বস্তিতে আছেন। তিনি নিউ মার্কেট থেকে একটি বাংলা অভিধান খরিদ করার আদেশ দিয়েছেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মহিলা আমীরের দুদু উপদেষ্টা শামসুজ্জামান অভিধান কিনতে নিউ মার্কেটে অবস্থান করছেন।

বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার উকিলে আমীর বেরিষ্টার মওদুদ আহমদ নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ফেসিবাদ নিয়ে কিছু বিতর্ক আছে। আমি এ বেপারে আরও পড়াশুনা করে মহিলা আমীরের সংগে আলোচনা করব। তবে কতটা সফল হব জানি না। আপনারা আমার জন্য দুয়া করবেন।

এম এ জি ফালুর সংগে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, নতুন বক্তৃতা লেখককে আমরা খুঁজে বের করব। আমরা ধারনা করছি সে ভারতীয় গুপ্তচর। কঠিন কঠিন শব্দ লিখে সে জাতীয়তাবাদী শক্তি ও গনতন্ত্রকে বিপন্ন করতে চায়।

সন্দেহের তালিকায় কারা আছেন জানতে চাইলে এম এ জি ফালু বলেন, এস এস সি পাশ করা সবাইকেই আপাতত আমরা শট লিষ্টে রেখেছি।

November 13, 2012

হাতি মারতে হবে: শেখ হাসিনা

নিজস্ব মতিবেদক

বংগবন্ধু সাফারি পার্কে গতকাল বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার মহিলা আমীর বেগম খালেদা জিয়াকে সালাম করার অপরাধে কয়েকটি বন্য হাতিকে মেরে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান মন্ত্রী ভাষা কন্যা গনতন্ত্রের মানস কন্যা জননেত্রী ড. শেখ হাসিনা।

শেখ হাসিনা বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামী রামুতে বৌদ্ধ মন্দির ভাংচুর লুটপাট অগ্নিসংযোগের জন্য দায়ী। আর সেই রামুর হাতি কি না তাকেই সালাম দেয়। এ কি মগের মুল্লুক নাকি।

প্রধান মন্ত্রী আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, হাতি মারতে হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, এই হাতিগুলি রোহিংগা। এরা মিয়ানমার সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে এসে খালেদা জিয়াকে সালাম করছে। কোন সুস্থ হাতি খালেদা জিয়াকে সালাম করতে পারে না। অতএব হাতিগুলি পাগল। এদের মেরে না ফেললে জলাতংক ডিপথেরিয়া হুপিংকাশি প্রভৃতি রোগ ছড়িয়ে পড়তে পারে।

পাগলা হাতির কামড় থেকে জনগনের জান ও মাল রক্ষার জন্য হাতিগুলিকে মেরে ফেলার আদেশ দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, হাতির দাঁতের কথা আমরা সবাই জানি। হাতির কুলার মত কান আর মুলার মত দাঁত। হাতির কামড় খেলে জলাতংক সুনিশ্চিত। তাই জনস্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করেই হাতিগুলি মারতে হবে।

প্রধান মন্ত্রীর এ নির্দেশের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বেগম খালেদা জিয়া বলেন, প্রধান মন্ত্রী বলেছেন, তারা রোহিংগা। অতএব হাতিগুলি মুসলমান হাতি। এদের গায়ে হাত তুলা যাবে না। এ হাতি বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর ইসলামী ও জাতীয়তাবাদী রাজনীতিতে বিশ্বাস করেই বলে তারা আমাকে সালাম দিয়েছে। এদের মেরে ফেলা হলে সারা দেশে আগুন জ্বলবে।

বেরিষ্টার রফিকুল হক এ প্রসংগে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, রামুর হাতি যদি খালেদা জিয়াকে সালাম করে থাকে, তাহলে সে হাতি যে পাগল তাতে সন্দেহ নাই। কিন্তু একই সাথে মনে রাখতে হবে, এ হাতি নিরপেক্ষ। বেগম খালেদা জিয়া বলেছিলেন, পাগল আর শিশু ছাড়া কেউ নিরপেক্ষ নয়। নিরপেক্ষ হাতিকে মারা ঠিক হবে না।

সাবেক স্বৈরাচার রাস্ট্রপতি ও পল্লীবন্ধু আলহাজ্জ্ব হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, প্রধান মন্ত্রীর আদেশ আমায় মানতেই হবে। হিনা রব্বানি খার পাকিস্তানে ফিরে গেছে, এদিকে আমি বিজয় টেবলেট ও মেজিক বল সেবন করেছি। কাজেই আমায় হাতই মারতে হবে।

%d bloggers like this: