Posts tagged ‘বসুন্ধরা’

February 4, 2012

পানিপথের যুদ্ধ থেকে পানিপথের বন্ধন: বইমেলা বর্জন করবে বসুন্ধরা ও কারওয়ানবাজার

যুদ্ধ মতিবেদক

সুইডেন প্রবাসীনী বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরীনের আত্মজীবনী মুলক গ্রন্থ ‘ম’কে কেন্দ্র করে দেশের প্রভাবশালী এলাকা বসুন্ধরা ও কারওয়ানবাজারের মধ্যে চলমান ‘পানিপথের যুদ্ধ’ এক নতুন দিকে মোড় নিয়েছে।

আজ এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান বসুন্ধরার সর্দার ইমদুদুল হক মেলন ও কারওয়ানবাজারের সর্দার মতিচুর রহমান।

ইমদুদুল বলেন, ভ্রষ্টা লেখিকা তসলিমা নাসরীন তার ‘ম’ গ্রন্থে আবার আমার নাম অন্যায় ভাবে উল্লেখ করেছে। তবে এইবার আমি একা নই। একই অধ্যায়ে সে কারওয়ানবাজারের সর্দার মতিচুর রহমান আজমীর নামও উল্লেখ করেছে।

মতিচুর রহমান বলেন, তসলিমা নাসরীন একটি পিশাচিনী। সে লিখেছে, দৈনিক একতা অফিসে নাকি প্রতিদিন তার সাথে আমার দেখা সাক্ষাত হত। তারপর আমরা এক সাথে হাতে হাত ধরাধরি করে অফিস থেকে বের হতাম। বন্ধুদের খালি ফ্লেটে হাজিরা দিতাম। আমি আপনাদের মাধ্যমে সবাইকে জানিয়ে দিতে চাই, এ কথা সত্য নয়।

ইমদুদুল বলেন, উদ্ভুত পরিস্থিতি বিবেচনা করে আমরা পানিপথের যুদ্ধে বিরতি দিয়ে একটি শান্তি চুক্তি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তিনি এই চুক্তিকে ‘পানিপথের বন্ধন’ বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, আজ থেকে অনির্দিষ্ট কাল পর্যন্ত আমার ও মতিচুর রহমান আজমীর পানিপথ এক সুতায় বাধা।

মতিচুর রহমান জানান, বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরীনের গ্রন্থ ‘ম’কে নিষিদ্ধ ঘোষনা করার দাবি জানিয়ে তিনি ও ইমদুদুল বইমেলার বাইরে হাত ধরাধরি করে সর্দার বন্ধন করবেন। মতিচুর বলেন, আমরা বইমেলায় নিজেরা ঢুকব না। আমরা বইমেলার প্রবেশ পথের বাইরে সর্দার বন্ধন করব।

ইমদুদুল বলেন, ‘ক’ এর মত ‘ম’ও একটি পর্নোগ্রাফি। তসলিমা নাসরীন একটি ভ্রষ্টা নারী।

এর প্রতিক্রিয়া জানিয়ে নও মুসলমান আল্লামা আবদুল হকিং ও হলিউডি তারকা আঞ্জুমান আরা জলির হকিং-জলি জোট একটি সংবাদ সম্মেলন করে।

সংবাদ সম্মেলনে আল্লামা হকিং বলেন, তসলিমা নাসরীন ‘ম’ গ্রন্থে কি লিখেছে তা আমি জানি না। কিন্তু দুইজন পুরুষ সাক্ষী ছাড়া তার কোন কথারই দাম নাই। তিনি বলেন, ইমদুদুল ও মতিচুর অযথা দুশ্চিন্তা করছে।

আঞ্জুমান আরা জলি বলেন, এখনও সময় আছে, তসলিমা নাসরীনের উচিত মতিচুর রহমান আজমীর দৃষ্টান্ত অনুসরন করে তওবা করা। তিনি বলেন, তসলিমা স্কাইপিতে বাইতুল মুকাররমের খতিবের কাছে আস্তাগফিরুল্লাহ রাব্বি মিন কুল্লে জাম্বিউ বলে তওবা করে ইসলামের পথে পা রাখতে পারেন। আমিও এককালে অনেক ভ্রষ্টামি করেছি। কিন্তু এখন আমি দ্বীনের সেবায় নিজেকে উতসর্গ করেছি।

January 31, 2012

বাজারে আসছে তসলিমার আত্মজীবনী ‘ম’, আতঙ্কে বসুন্ধরা ও কারওয়ানবাজার

সাহিত্য মতিনিধি

বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরিনের আত্মজীবনী ‘ম’ বাজারে আসবে আগামীকাল।

তসলিমা ইতিপুর্বে ‘ক’ নামে একটি আত্মজীবনী রচনা করেছিলেন।

প্রতিক্রিয়া জানতে বসুন্ধরার সর্দার ইমদুদুল হক মেলনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি মতিকণ্ঠকে বলেন, তসলিমা নাসরিনের ‘ক’ উপন্যাসটি একটি পর্নোগ্রাফি। সরকার পর্নোগ্রাফি প্রতিরোধে আইন করেছে। তিনি বলেন, ‘ম’ গ্রন্থে যদি আমার নাম উল্লেখ করা হয়, আমি পর্নোগ্রাফি আইনের আওতায় তসলিমা নাসরিনের নামে মামলা করে দিব।

ইমদুদুল বলেন, নাম শুনেই বুঝা যায়, কারওয়ানবাজারের সর্দার মতিচুর রহমান আজমী সম্পর্কে এই গ্রন্থে অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য থাকবে। তিনি বলেন, যদি আমার নাম না থাকে, আর মতিচুরের নাম থাকে, তাহলে আমি তসলিমা নাসরিনের গ্রন্থের ঐ অংশটি আমার পত্রিকায় ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশ করব।

কারওয়ানবাজারের সর্দার মতিচুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তসলিমা নাসরিনের ‘ক’ উপন্যাসটিতে ইমদুদুলের নাম পাওয়া গেছে। ‘ম’ নাম থেকে এ কথা পরিষ্কার বুঝা যায়, এবারও ইমদুদুলের নাম পাওয়া যাবে। তিনি বলেন, ম-য় মেলন ঐ আসছে তেড়ে। মতিচুর রহমান কারওয়ানবাজারে এই গ্রন্থের উল্লেখযোগ্য অংশ ধারাবাহিকভাবে প্রকাশের অংগীকার বেক্ত করে বলেন, তসলিমা নাসরিনের সাথে আমার কোন সম্পর্ক নাই। তাই ‘ম’ দিয়ে মতিচুর হতেই পারে না।

এদিকে দেশের বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ, কলামিষ্ট ও গান্ধীবাদী আন্দোলনের অগ্রসৈনিক সৈয়দ আবুল মকসুদ এক সংবাদ সম্মেলনে তীব্র প্রতিক্রিয়া বেক্ত করে বলেন, তসলিমা নাসরিন মুসলিম পুর্ব বংগের কলংক বিশেষ। তিনি দেশের আপামর মুসলিম জনতার বেল্টের নিচে আঘাত করে হিন্দু ভারতে পলায়ন করেছিলেন। সেই খানেও তিনি মুসলিম জনতার দৌড়ানি খেয়েছেন। মকসুদ বলেন, ‘ম’ গ্রন্থে আমার নাম পাওয়া গেলে আমি তসলিমার মাথার উপর পঞ্চাশ হাজার টাকা মুল্য ঘোষনা করব।

ইসলামী ঐক্যজোটের একাংশের নেতা ও উপমহাদেশের ইসলামী আন্দোলনের প্রবাদপুরুষ গৃহবন্দী মুফতি আমিনী বলেন, তসলিমা নাসরিন একটি পিশাচিনী। সে কবি সাহিত্যিকদের সাথে বিছানায় যায়। কিন্তু আলেম উলামাদের কথা ভাবে না। আমিনী জোর দিয়ে বলেন, যারা ভাবছে, ‘ম’ দিয়ে মুফতি হয়, তারা ভুল ভাবছে। তাদের অন্তরে মোহর মেরে দেওয়া হয়েছে। ম দিয়ে মুফতি হয়, এমন কথা লোকে কেন ভাববে, এ প্রশ্নের জবাবে তিনি উত্তেজিত হয়ে বলেন, “আমনে ম মাইনষেত্তে বেশি বুজেন?”

January 30, 2012

পর্নোগ্রাফি আইনের প্রতিবাদে বিক্ষোভে উত্তাল সারা দেশ, পুলিশের গুলিতে নিহত ৪

বিশেষ মতিবেদক

আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় মহা জোট সরকার পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রনে আইন প্রনয়ন করায় বিক্ষোভে ফেটে পড়েছে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর মূল শাখা (দিবা) ও বিএনপি শাখা (প্রভাতী)।

গতকাল সারা দেশে এক যোগে এই আইন রদ করার দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচী পালিত হয়। পুলিশ এই কর্মসূচীতে বাধা দিলে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর কর্মীদের মাঝে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে পুলিশের গুলিতে চাঁদপুরে দুইজন ও লক্ষীপুরে দুইজন নিহত হয়।

এই বিক্ষোভে সাংবাদিকরাও স্বতস্ফুর্ত অংশ গ্রহন করেন। তারা পর্নোগ্রাফি আইন বাতিলের দাবিতে স্লোগান দেন ও পুলিশের দিকে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সাহারা খাতুন এক অন্তরংগ সাক্ষাতকারে মতিকণ্ঠকে বলেন, পর্নোগ্রাফি সমাজের নৈতিক ভিত নষ্ট করে। ছেলে মেয়ে কাজ ফেলে পর্নোগ্রাফি পড়ে হস্ত মৈথুন করে। এতে হাতের ক্ষতি হয়। তিনি বলেন, দেশে অনেক ভাল ভাল হোটেল আছে। সেখানে উপযুক্ত হাদিয়ার বিনিময়ে যৌন মিলন করা যায়। এটিই যৌন আকাংখা মিটানর আদর্শ উপায়। কিন্তু বর্তমানে পর্নোগ্রাফি এক বেধির মত সমাজের সর্বস্তরে ছড়িয়ে পড়ায় হোটেল বানিজ্য হুমকির সম্মুখে। সেখানে খদ্দের সমাগম অনেক কমে গেছে। সাহারা খাতুন এর জন্যে তথ্য প্রযুক্তিকে দায়ী করেন। তিনি বলেন, ছায়া দেখে লোকে কায়ার মুল্য ভুলে গেছে।

পর্নোগ্রাফি আইনকে স্বাগত জানিয়েছে দেশের হোটেল বেবসায়ী মালিক সমিতি। হোটেল বেবসায়ী মালিক সমিতির সভাপতি সাহারা খাতুন মতিকণ্ঠকে বলেন, সরকারের এই যুগপযোগী সিদ্ধান্তকে আমরা স্বাগত জানাই। পর্নোগ্রাফি একটি অভিশাপ।

ওদিকে এক সংবাদ সম্মেলনে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার ভাঁড়প্রাপ্ত নায়েবে আমীর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পর্নোগ্রাফি আইনের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, সরকার মানুষের বেক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করতে চায়। তিনি বলেন, এর আগেও সরকার আমাদের মেডামের বাড়িতে হানা দিয়ে তার বিছানার পাশের আলমারী তছনছ করেছে, অনেক মুল্যবান বিদেশী মেগাজিন বাজেয়াপ্ত করেছে। পর্নোগ্রাফি আইন আমাদের মেডামকে হয়রানি করার এক নতুন অস্ত্র। তাছাড়া জন সাধারনের মনেও এই আইন তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।

মির্জা আলমগীর বলেন, মানুষ সারা দিন হাড় ভাঙ্গা খাটুনীর পর ঘরে ফিরে তার খাগড়াছড়ির সাথে দু দন্ড মধুর সময় কাটাতে চায়। পর্নোগ্রাফি এই সময় সহায়ক ভুমিকা পালন করে। তিনি বলেন, সরকার মানুষের ভাত কেড়ে নিয়েছে, এখন হাতও কেড়ে নিতে চায়।

মোসাদ্দেক আলী ফালুর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি মধুর হেসে মতিকণ্ঠকে বলেন, আমার ঐসব দেখা লাগে না।

পর্নোগ্রাফি আইন বাতিলের দাবি জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বরাবর একটি স্মারকলিপি দিয়েছেন দেশের বিশিষ্ট ইসলামী বেক্তিত্ব হলিউডি তারকা আঞ্জুমান আরা জলি, নও মুসলমান আল্লামা আবদুল হকিং, বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ কলামিষ্ট ও গান্ধীবাদী আন্দোলনের প্রবাদপুরুষ সেয়দ আবুল মকসুদ ও গৃহবন্দী ইসলামী আন্দোলনের অগ্র সেনানী মুফতি ফজলুল হক আমিনী। তারা বলেন, পর্নোগ্রাফি বাংলাদেশের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রনে অন্যতম ভুমিকা পালন করে আসছে। পর্নোগ্রাফি বন্ধ করলে দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার বৃদ্ধি পাবে।

পর্নোগ্রাফি আইনকে স্বাগত জানিয়ে প্রভাবশালী এলাকা বসুন্ধরার সর্দার ইমদুদুল হক মেলন বলেছেন, তসলিমা নাসরিন রচিত ক উপন্যাসটি একটি আপাদমস্তক পর্নোগ্রাফি। আমি এই আইনকে স্বাগত জানাই। ইমদুদুল বলেন, খেলার সাথে রাজনীতি মিশান ঠিক নয়।

পর্নোগ্রাফি আইন বাতিলের দাবি জানিয়ে প্রভাবশালী এলাকা কারওয়ানবাজারের সর্দার মতিচুর রহমান বলেছেন, এই আইন দেশের সাংবাদিকতাকে পংগু করে দিবে। নকশা, আনন্দ ইত্যাদি পাতা প্রকাশ করা যাবে না। তিনি সরকারকে এই আইন রদ করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, লাইনে আসুন।

January 25, 2012

এস্তেনজার সময় কম্পাস বেবহার করি: ইমদুদুল

যুদ্ধ মতিনিধি

দেশের প্রভাবশালী এলাকা বসুন্ধরা ও কারওয়ানবাজারের মধ্যে চলমান ‘পানিপথের যুদ্ধ’ এক নতুন দিকে মোড় নিয়েছে।

আজ এক সংবাদ সম্মেলনে বসুন্ধরার সর্দার ইমদুদুল হক মেলন যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়ে বলেন, এখন বিভেদের সময় নয়। এখন চাই শান্তি। আকাশে উড়বে শান্তির পারাবত। তিনি কারওয়ানবাজারের সর্দার মতিচুর রহমানের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, মতিচুর রহমান আজমী একজন অভিজ্ঞ সর্দার। বসুন্ধরার মালিক শাহ আলম ও কারওয়ানবাজারের মালিক লতিফুর রহমানের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপুর্ন সম্পর্কের প্রতি ইংগিত করে ইমদুদুল বলেন, মুরুব্বিরা যখন বন্ধুত্ব করেন, আমাদের মত কচি কাচারা তখন পানিপথের যুদ্ধ করে। তিনি বলেন, যুদ্ধ নয় শান্তি চাই।

সংবাদ সম্মেলনে ইমদুদুল বলেন, আমি এস্তেনজা করে পানি নেই না, এমন অপবাদ মতিচুর রহমান আজমী কেন দিলেন আমি জানি না। এস্তেনজা করে পানি না নিলেও আমি বসুন্ধরা টিসু বেবহার করি।

ইমদুদুলের কম্পাস

এরপর তিনি একটি কম্পাস বেবহার করে উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনেই উত্তর দক্ষিন বরাবর এস্তেনজা করেন ও বসুন্ধরা টিসু বেবহার করে চল্লিশ কদম কুলুখ পায়চারি করেন।

ইমদুদুল বলেন, আমার পানিপথ সর্বদা কিবলা থেকে নব্বই ডিগ্রি কোনে উত্তরে অথবা দক্ষিনে ফিরান থাকে। এই কারনে আমাকে বসুন্ধরার সকলে নর্থ সাউথ মেন বলে ডাকে।

কারওয়ানবাজার সর্দার মতিচুর রহমান প্রতিক্রিয়ায় বলেন, তিনি পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষন করছেন। তিনি বলেন, শান্তির মা মারা গেছে।

নও মুসলমান আল্লামা আবদুল হকিং ইমদুদুলের এই কার্যকলাপের বিরোধিতা করে বলেন, মহাবিশ্ব সম্প্রসারনশীল। এটি নিয়ত লম্বা ও চওড়া হচ্ছে। রাসূলে পাক (সাঃ) এর আমলে মহাবিশ্ব যত বড় ছিল, সম্প্রসারনের কারনে এখন তার চেয়ে অনেক বড়। এক্সপেনডিং ইউনিভার্সে তাই আখেরী নবীর নির্দেশিত চল্লিশ কদম পয়দল চললে হবে না। সম্প্রসারিত মহাবিশ্বে এখন মুমিন মুসলমানদিগকে সত্তর কদম হাটতে হবে।

আল্লামা হকিং ইমদুদুলের সমালোচনা করে বলেন, সে তিরিশ কদম কম পায়চারি করেছে। সে একটি গুনাহগার।

%d bloggers like this: