Posts tagged ‘বিএনপি’

November 19, 2015

তিনি ছিলেন সালাই লামা: বিএনপি

নিজস্ব মতিবেদক

সর্বচ্চ আদালতের রায়ে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার নায়েবে আমীর ‘রাউজানের রসপুটিন’ ব্রাদারফাকার সাকার ফাসির রায়ের রিভিউ আবেদন খারিজ হয়ে যাওয়ার পর মৃত্যু দন্ড বহাল থাকার সিদ্ধান্তের প্রতিকৃয়ায় বৃহত্তর জামায়াতের বিএনপি শাখার তরজুমানে আমীর আল্লামা ড. আছাদুজ্জামান রিপন বলেছেন, সর্বচ্চ আদালত ইয়ে বিলকুল ভুল কিয়া। একাত্তর সালে আমরার সাকা ভাই আছিলেন শান্তির পায়রা।

আবেগঘন কণ্ঠে আছাদুজ্জামান রিপন বলেন, একাত্তর সালে উনার নাম সালাউদ্দি হইলেও পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয় কেম্পাসে সবাই উনাকে ডাকত সালাই লামা। উনি আছিলেন এমনই শান্তির পারাবদ।

হুহু করে কেদে উঠে তরজুমানে আমীর বলেন, বৃহত্তর জামায়াত করার অপরাধে সালাই লামার ফাসি হইতেছে। একাত্তর সালে উনি ত দেশেই আছিলেন না। পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ে উনি তখন শান্তির বানী প্রচারে বেস্ত আছিলেন। তবে কেন এই ঝুলাঝুলি?

অশ্রু মুছে আছাদুজ্জামান রিপন বলেন, আমরার উকিলে আমীর খন্দকার মাহাবুব ওরফে সাটিফিকেট খন্দকার নিজ হাতে নীলক্ষেত হতে একটি পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ের সাটিফিকেট ছাপাইয়া লইয়া সর্বচ্চ আদালতে জমা দিলেন। তারপরও উনারা খুশী না। সাটিফিকেটে নাকি বানান ভুল আছে। উহাতে নাকি ১৯ আকারে বড় আর ৭১ আকারে ছুট। সই মহরেও নাকি ঘাপলা আছে। এইসব সমস্যা কুথায় না থাকে? গুলাপেও আছে কাটা, চাদেও আছে কলংক। এই সাটিফিকেট পছন্দ না হইলে বলেন, আরেকটা সাটিফিকেট ছাপাইয়া দিতাম। তাই বলিয়া ফাসি দিয়া দিলাইন?

লাজুক হেসে তরজুমানে আমীর বলেন, ব্রাদারফাকার সাকাদারে লইয়া কত মদুর মদুর স্মৃতি। বিস্তারিত বলিয়া লজ্জায় পড়তে চাই না। ছয় বার উনি এমপি নির্বাচিত হইয়াছিলেন। সত, পরিচ্ছন্ন বেক্তি উনি। আলিংগনের সময় উনার বক্ষে মুখ গুজিলেই লাক্স সাবানের গন্ধ পাওয়া যাইত। আদর করিয়া তিনি আমায় পাছাদুজ্জামান বলিয়া ডাকতেন। সেই সাকাদারে ফেসিবাদী বাকশাল লটকাইয়া দিতেছে, ভাবতেই জলে চুখ ভিজে যায়।


ব্রাদারফাকার সাকার কমিটমেন্টের আকার দেখাচ্ছেন আছাদুজ্জামান রিপন

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে ব্রাদারফাকার সাকার কমিটমেন্ট ছিল উল্লেখ করে আছাদুজ্জামান রিপন বলেন, পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ে বসিয়া বসিয়া উনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে বিরাট কমিটমেন্ট চাষ করিয়াছিলেন। পাকিস্তানী খান সেনাদের পুত্র কন্যারা তখন পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়িত লিখিত। উহাদের নিকট উহাদের পিতাগনের কান্ড কারখানা শুনিয়া সালাই লামা কেম্পাসের দেয়াল পতৃকায় একটি প্রবন্ধ লিখিয়া বলছিলেন, মিয়া মিয়ার জায়গায় আছি আব জারা সোনা কাটিয়া লাল বানা দে।

এ সময় আছাদুজ্জামান রিপনের পাশে উপবিষ্ট বৃহত্তর জামায়াতের বিএনপি শাখার অন্যান্য আমীর ওমরাহ বৃন্দ হুহু করে কেদে উঠেন।

নিজের রুমালে অন্যের অশ্রু মুছিয়ে দিয়ে তরজুমানে আমীর বলেন, আজ সালাই লামার এক পদ কবরে, আরেক পদ বিএনপি শাখার স্থায়ী কমিটিতে। এইভাবে যদি একাত্তরের সকল শান্তির পায়রাগুলিরে লটকাইয়া দেওয়া হয়, বিএনপি শাখায় হায়ার করিয়া নেতা আনতে হইবে।

ব্রাদারফাকার সাকাকে সংসদ ভবন প্রাংগনে কবর দেওয়ার আহোভান জানিয়ে আছাদুজ্জামান রিপন বলেন, অতীতে বড় বড় রাজাকার গুলুরে ঐখানেই পুতা হইছে। সালাই লামাই বা বাদ যাইবেন কেনে?

October 30, 2015

বিএনপি শাখায় শুদু লাঞ্ছনা বঞ্ছনা গঞ্জনা: শমশের

নিজস্ব মতিবেদক

রাজনীতী হতে অবসর নেওয়ার ঘোষনা দিয়েছেন বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার নায়েবে খারিজি, বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার মহিলা আমীর ও জাতীয়তাবাদী শক্তির মালিক আপোষহীন দেশনেত্রী মাদারে গনতন্ত্র বেগম খালেদা জিয়া জেএসসির বিলায়েত বিষয়ক উপদেস্টা সাবেক পর রাস্ট্র সচিব ও মনির পুড়ান আন্দুলনের অন্যতম কর্নধার আল্লামা মেজর (অব.) শমশের মবিন চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার নিজ বাসভবনে আয়জিত এক সংবাদ সম্মেলনে রাজনীতী হতে অবসরের ঘোষনা দেন আল্লামা শমশের।

উপস্থিত সাংবাদিকদের হাতে তিনটি দরখাস্তের ফটকপি বিতরন করে আল্লামা শমশের বলেন, পচাত্তরের ১৫ আগষ্ট হতেই আমি বৃহত্তর জামায়াতের বিএনপি শাখার প্রতিষ্ঠাতা আমীর একাত্তরের রেম্ব ও পচাত্তরের টার্মিনেটর জেনারেল রাজ জেনারেল জিয়াউর রহমানের ঘনিস্ট সহচর। একাত্তরে তার অধীনে মুক্তিযুদ্ধ করে শরীলে বেথা পাইছিলাম। কিন্তু বাকশাল সরকার আমার বেথার কুন মুল্যায়ন করে নাই। পর রাস্ট্র মন্ত্রনালয়ে কামাল হোসেনের কামলা বানাইয়া একটি টেবিল ও একটি চেয়ার ধরাইয়া দিয়া বাকশাল সরকার আমায় বহাইয়া রাখছিল।

স্মৃতিঘন কণ্ঠে শমশের মবিন বলেন, আমার কিসমত খুলিয়া যায় পচাত্তরে ঈদুল কতলের পর। কামাল মোক্তার তখন আজকের বড় গুণ্ডের নেয় মাজার চিকিতসা করাইতে লনডনে লুকাইয়া আছিলেন। জেনারেল রাজ তাই আমায় ডাকিয়া বললেন, শমশের তুই ফরেন মিনিষ্টৃটারে সাইজ কর। টেকাটুকা যা লাগে আমি দিমু। মানি ইজ ন পবলেম। আই শেল মেক ফরেন মিনিষ্টৃ ডিফিকাল্ট ফর ফরেনারস। সেই হতে শুরু। শেখের খুনীদের দেশের বাইরে নানা এমবাসিতে চাকরী দিয়া আমিই তাদের সাইজ করিয়াছিলাম। আজও উহারা প্রতি শবে বরাতে আমায় কাড পাঠাইয়া মেহেরবানী জানায়।

দির্ঘশ্বাস ফেলে আল্লামা শমশের বলেন, তারপর ঝিলম নদীতে কত জল বহিয়া গেল। মাদারে গনতন্ত্রর আমলে পর রাস্ট্র সচিব হইলাম। তারপর মাদারে গনতন্ত্রকে কয়েক কুটি টেকা সেলামী দিয়া উনার বিলায়েত বিষয়ক উপদেস্টা হইলাম। বাকশাল সরকার পুনরায় ক্ষমতায় আসার পর বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার আওলাদে আমীর, জাতীয়তাবাদী শক্তির ভবিষ্যত মালিক ও বর্তমান আমীর এট লার্জ ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের যোগ্য উত্তরসুরী পলাতক চিকিতসাধীন তরুন নেতৃত্ব মিষ্টার ফিপটিন পারসেন্ট বড় গনতন্ত্র বড় গুন্ডে লাদেন-এ-লনডন তারেক জিয়াকে কয়েক কুটি টেকা সেলামী দিয়া উনারও বিলায়েত বিষয়ক হিটমেন হইলাম। আহা সেই সুনালী দিন।

হুহু করে কেদে ফেলে আল্লামা শমশের বলেন, কিন্তু গন আর দউজ গল্ডেন ডেজ। আজ বৃহত্তর জামায়াতের বিএনপি শাখা জুড়ে শুধু লাঞ্ছনা বঞ্ছনা গঞ্জনা। কুন সালা নায়েবের বাচ্চা মান সম্মান নিয়া দুটু ভাল মন্দ খাইতে পরতে পারে না। তাই আজ আমি দুঃখ ভারাক্রান্ত মনে বিএনপি শাখা হতে ইস্তফা দিতেছি। এক তালাক, দুই তালাক, তিন তালাক।

উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শমশের মবিন বলেন, বিএনপি শাখায় শহীদ জিয়ার আদর্শ আর নাই।

নিজের অবস্থান বেখ্যা করে আল্লামা শমশের বলেন, বৃহত্তর জামায়াতের বিএনপি শাখার জন্ম শহীদ জিয়ার হাতে। সেই আদর্শের একমাত্র বাহক আজ তার একমাত্র পুত্র বড় গুণ্ডের হাতে। তিনি দির্ঘদিন যাবত লন্ডনে চিকিতসাধীন আছেন। পিতার মত উনি শহীদ হইতে পারেন নাই, মরীজ অবস্থায় আছেন। শহীদ জিয়ার হাতে বিএনপির আদর্শ ছিল বলবান ও পরিষ্কার। কিন্তু মরীজ জিয়ার হাতে পড়িয়া এই আদর্শের সাইজ এখন ক্ষুদ্র হতে ক্ষুদ্রতর হইতেছে।

শহীদ জিয়ার আমলে বৃহত্তর জামায়াতের বিএনপি শাখার আদর্শের সাইজ

নিজের নানা চাওয়া পাওয়ার কথা তুলে ধরে শমশের মবিন বলেন, আপনারা জানেন, সারা দেশে সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারী দিগের বেতন গত দশ বছরে তিন গুনেরও বেশী বাড়িয়াছে। কিন্তু বিএনপি শাখার নায়েবদিগের বেতন এক পয়সা বাড়ে নাই। এই নিয়া দাবী দাওয়া জানাইতে গেলে মেডাম বকা দেয়। বড় গুণ্ডে গালাগালি করে। অতছ বিরুধী দলে নায়েব পদে থাকা মানেই দুই হাতে খরচ করা। আজ ইহাকে ভাড়া করিয়া পেট্রল বমা মারিয়া মনির পুড়াও রে, কাল উহাকে ভাড়া করিয়া বিদেশীর বডি ফালাও রে।

অশ্রু মুছে কান্নাঘন কণ্ঠে আল্লামা শমশের বলেন, সচিব থাকা কালে আল্লাহর বরকতে যে দুই তিন শত কুটি টেকা কামাই করছিলাম, সবই বিরুধী দলের নায়েবের চাকরি করতে গিয়া খরচ করিয়া ফেললাম। বড় গুণ্ডের নিকট পয়সা চাহিলে সে গালি দিয়া বলে, টেকা কি বলদের পুটু দিয়া বাইর হয় নাকি? যা যা, নিজের রাজনীতী নিজের টেকায় কর।

মরীজ জিয়ার আমলে বৃহত্তর জামায়াতের বিএনপি শাখার আদর্শের সাইজ

পাঞ্জাবীর হাতায় কান্না দমন করে শমশের মবিন বলেন, শহীদ জিয়ার আমলে বিএনপির আদর্শ ছিল মানি ইজ নট এ পবলেম। আজ মানিই সর্বাপেক্ষা বড় পবলেম। সকল টেকা টেন্ডার চান্দাবাজি বাকশাল ছাত্রলীগ যুবলীগ শিশুলীগ খাইয়া ফেলে। আমরা নয়টি বতসর ধরিয়া গদির বাইরে পড়িয়া কুন কারবার না করিয়া পেটে গেষ্টৃক বানাইয়া ফেলিয়াছি। এইভাবে খালি পেটে রাজনীতী আর নহে। আমি এখন অবসরে যাব।

তিনটি দরখাস্ত তুলে ধরে আল্লামা শমশের বলেন, আমার প্রথম দরখাস্ত বৃহত্তর জামায়াতের বিএনপি শাখার ভাঁড়প্রাপ্ত নায়েবে আমীর, জাতীয়তাবাদী শক্তির ‘কমপ্লান বয়’, লনডনে পলাতক চিকিতসাধীন আওলাদে আমীর বড় গুণ্ডে কতৃক ‘হাইড এন্ড সিক’ গালিতে ভুষিত ও ঈদুল কতলের টেলেন্ট হান্ট প্রতিযোগীতায় ‘ফ্লেয়ার এন্ড লাবলি’ খেতাবে সমাদৃত মির্জা বাড়ির বড় গৌরব আল্লামা মির্জা ফখরুল ইসলাম আগুনগীর ওরফে ফখা ইবনে চখা বরাবর। উহার কাছে আমি আমার দ্বীতিয় দরখাস্ত পিন মারিয়া বলছি, এই দরখাস্ত মাদারে গনতন্ত্র বরাবর ফরওয়াড করিয়া দেন।

দ্বীতিয় দরখাস্তে কি আছে, এমন প্রশ্নের জবাবে শমশের মবিন বলেন, দ্বীতিয় দরখাস্ত মাদারে গনতন্ত্র বেগম খালেদা জিয়া জেএসসি বরাবর। উনার কাছে আমি আমার তৃতীয় দরখাস্ত পিন মারিয়া বলছি, এই দরখাস্ত আওলাদে আমীর বরাবর ফরওয়াড করিয়া দেন।

তৃতীয় দরখাস্তে কি আছে, এমন প্রশ্নের জবাবে আল্লামা শমশের বলেন, বড় গুণ্ডেকে সত্য কথা বলার সাহস পাই নাই। সত্য কথা বললে সে আমায় মুঠফুন মারিয়া গালাগালি করবে। মনির পুড়ানি আন্দুলনের সময় সে পত্যেক দিন রাত্র কালে আমায় ঘুম হইতে তুলিয়া বলত, কি রে শমশের বানচুদ, আজ কয়টা মনির পুড়াইলি হিসাব না দিয়াই ঘুমাস কেরে? তারে যতই বলি বড় ভাই আজ আমি বড় টায়াড, সে ততই রাগারাগি করত। উহাকে সত্য কথা বলিয়া কুন শুটার রুবেলের গুলি খাওয়ার ইচ্ছা আমার নাই।

তৃতীয় দরখাস্তের বিষয়বস্তু সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরে শমশের মবিন বলেন, এই দরখাস্তে বলিয়াছি,

পৃয় বড় ভাই,
সালাম নিবেন। পর সমাচার এই যে, আমি একাত্তরে আপুনার পিতা একাত্তরের রেম্ব জেনারেল রাজ জিয়াউর রহমানের অধীনে যুদ্ধ করতে গিয়া আহত হই ও বেথা পাই। এর পর জীবনে অনেক কিছু করিয়াছি। যখন শেখের খুনীদের বিদেশী দুতাবাসে চাকরি দিয়া পাঠাইলাম, তখনও একাত্তরের বেথা কুন পবলেম করে নাই। পর রাস্ট্র সচিব হইয়া যখন ওয়াশিংটনে গিয়া ভরা মজলিশে দাবী করলাম একাত্তর সালে মাত্র তিন লক্ষ বাংগালী মরছে, তখনও একাত্তরের বেথা কুন পবলেম করে নাই। গত দুই বছর যখন গনতন্ত্র পতিস্ঠা করতে গিয়া শত শত মনির পুড়ানির আন্দুলন তদারকি করলাম, তখনও একাত্তরের বেথা কুন পবলেম করে নাই। কিন্তু এখন উইন্টার ইজ কামিং। গুলশানে রংপুরে বিদেশী খুনের পিছনে বড় ভাইদের হদিশ তদন্ত চলতেছে। কুন তদন্তে কি বাইর হইয়া আসে তার নাই কুন ঠিক। এমতাবস্থায় আমার শিরায় শিরায় গিরায় গিরায় শুধু একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধা খাতে খাওয়া মাইরের বেথা। এত বেথা নিয়া আর বিএনপি করতে পারতেছি না। বিদায় বড়ে মালিক। পাক সার জমিন সাদ বাদ।

ইতি
আপনার গুলামের ঘরের গুলাম শমশের।

বিএনপি শাখা তেগ করে অন্য কোন রাজনৈতিক দলে যোগ দিবেন কিনা, এমন প্রশ্নের সরাসরি উত্তর না দিয়ে আল্লামা শমশের বলেন, বিএনপি শাখায় আমি ছিলুম ভাইস চেয়ারমেন। ভাইয়ের চেয়ার কান্ধে নিয়ে ঘুরিতাম। এই বয়সে নতুন কুন রাজনৈতিক দলে যুগ দিয়া নতুন বড় ভাইদের চেয়ার কান্ধে নিয়া ঘুরার শক্তি আমার নাই।

সাংবাদিকরা আরও চাপাচাপি করলে সলজ্জ হেসে শমশের মবিন বলেন, যদি দেশে পচাত্তরের নেয় কুন মেজরের দল নতুন কুন দল খুলে, তাহলে মুরুব্বী হিসাবে হয়ত তাদের সংগে থাকব, পর রাস্ট্র নিয়া দুটু পরামিশ দিব। আর যদি তারা জুরাজুরি করে তখন নাহয় অনুরুপ কুন দলে আমীর হব। কিন্তু বদরুদ্দুজা কিংবা নজমুল হুদার মত লাফাংগার নেয় নতুন দল খুলিয়া সার্কাস খেলিবার ইচ্ছা আমার নাই।

হুহু করে কেদে ফেলে শমশের বলেন, শরীলটা ভাল না। বিএনপি শাখার আমীর আর আওলাদে আমীরের কথা বাদই দিলাম। নায়েবরা পযন্ত সকলে চিকিতসার খাতিরে বিদেশে। আল্লামা খোকা নিউ ইয়র্কে, আল্লামা সালাউদ্দিন শিলঙ্গে, আল্লামা মির্জা আব্বাস নিখোজ। জাপানী মারিয়া আল্লামা হাবু সোহেল দিল্লীতে গরুর ছদ্মবেশে খুরা রোগের চিকিতসা লইতেছে শুনছি। ভাঁড়প্রাপ্ত নায়েবে আমীর ফখা ইবনে চখা আজ যুক্ত রাস্ট্র কাল সিংগাপুর পরশু বেংককে চিকিতসা নিয়া বেড়াইতেছে। আমি শমশের কি বানের পানিতে ভাসিয়া বিএনপি শাখায় আসছি যে দেশে চিকিতসা করাইব? অতছ স্বৈরাচার বাকশাল আমায় পাসপুট দেয় না। কখন আমায় বড় ভাই বানাইয়া রিমান্ডে নিয়া ডিম দেয় তার নাই ঠিক।

মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহোভান জানিয়ে আল্লামা শমশের বলেন, পচাত্তর সালের পর হইতে মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযুদ্ধা দিগের বারটা বাজাইয়া আসিতেছি। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লুকজন যাদের হাতে সর্বাপেক্ষা পুটু মারা খায়, সেই বৃহত্তর জামায়াতের বিএনপি শাখার আমি নায়েবে খারিজি। কিন্তু এখন যেহেতু দিনকাল ভাল নহে, তাই আবার ডিগবাজি দিয়া আলমারীর নিচের তাক হইতে নেপথলীন দেওয়া মুক্তিযুদ্ধা সাটিফিকেটটি বাহির করিয়াছি। আপনারা সবাই ঐক্যবদ্ধ হন। জয় বাংলা।

অবসর জীবন কিভাবে কাটাবেন, এ প্রশ্নের জবাবে শমশের মবিন বলেন, সবার আগে নাম পাল্টাইব। সবাই জানে শমশের মবিন বাসে ট্রাকে টেম্পুতে আগুন দেয়। পথে ঘাটে মানুষের নিকট মুখ দেখাইতে পারি না। নাম পাল্টাইয়া এখন অবসর মবিন চৌধুরী হব। তারপর লিখালিখি করব। আর তেলাপুকায় খাওয়া এলবাম ঘাটিয়া মুক্তিযুদ্ধের ছবি উল্টাইয়া পাল্টাইয়া দেখিব।

কি লিখালিখি করবেন এমন প্রশ্নের উত্তরে আল্লামা শমশের হাসতে হাসতে বলেন, এরশাদ ছার কবিতা লিখেন। উনাকে এসএমএস করিয়া বলছি, আমারে নিবা মাঝি? এরশাদ ছার বলছেন, এক বুতল ব্লেক লেবেল নিয়া চলিয়া আয়, দেখি কিছু শিখাইতে পারি নাকি।

জনগনের কাছে আগাম মাফ ও দুয়া চেয়ে শমশের মবিন চৌধুরী বলেন, আছিলাম শুয়র হইলাম শায়ের।

February 22, 2015

মেডামের দুয়ায় সমস্যা আছে: মিছবাউল

ক্রীড়া মতিবেদক

চলমান বিশ্বকাপ কৃকেটে পাকিস্তানের উপর্যুপরি শোচনীয় পরাজয়ের পিছনে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার মহিলা আমীর ও জাতীয়তাবাদী শক্তির মালিক আপোষহীন দেশনেত্রী মাদারে গনতন্ত্র বেগম খালেদা জিয়া জেএসসির দুয়া কালামে সমস্যাকে দায়ী করে পাকিস্তান কৃকেট দলের আমীর মিছবাউল হক বলেছেন, মেডামের দুয়ায় সমস্যা আছে।

আজ বৃসবেনের একটি স্থানীয় কৃকেট মাঠে জিম্বাবুয়ের সংগে পরবর্তী মেচের পুর্বে বেটিং, বলিং, ফিলডিং ও মেচ ফিকসিং অনুশীলনের পর আয়জিত এক সংবাদ সম্মেলনে মাদারে গনতন্ত্রের দুয়ায় সমস্যার কথা তুলে ধরেন মিছবাউল।

সংবাদ সম্মেলনে মিছবাউল হক বলেন, আমরা ইতি পুর্বে পত্র পতৃকা পাঠ করিয়া জানতে পারছিলাম যে মাদারে গনতন্ত্র পাকিস্তান কৃকেট দলের জন্যি রোজা রাখিয়া ছিলেন। কিন্তু আমরা মালাউন ইনডিয়ার নিকট নির্মম ভাবে পরাজিত হওয়ার পর তিনি রোজা ভংগ করেন।

আবেগঘন কণ্ঠে মিছবাউল কৃকেটার বলেন, ওয়েষ্ট ইন্ডিজের সংগে খেলতে নামিয়া আমরা মেডামের নায়েবে সাহাফা মারুফ কামাল খানের এছেমেছ পাইলাম যে তিনি এছেছছি পরীক্ষার পড়ালিখা বাদ দিয়া আমরার জন্যি একুশে ফেব্রুয়ারী মধ্য রাত্রে দুয়া মহাফিলের আয়জন করছেন। মেডামের দুয়ার উপর ভরসা করিয়া আমরা খেলতে নামলাম। কিন্তু সে দুয়ার প্রতিক্রিয়ায় আমাদিগের জয় লাভ ত দুরের কথা, পাইজামা পুটুতে রাখাই কঠিন হইয়া গেল। ১ রানে ৪ উইকেট হারানির বিশ্ব রেকড লইয়া ওয়েষ্ট ইন্ডিজের মত একটি মালাউন দলের হাতে নির্মম পুটুমারা খাইয়া আমরা পেভিলনে ফিরত আইলাম।


ইনডিয়া জিতে গেছে

হুহু করে কেদে উঠে মিছবাউল বলেন, মেডামের দুয়ায় যদি কুন কাম হইত, তাহলে আজ সাউথ আফৃকার সংগে ইনডিয়া শত শত রানের বেবধানে জয় লাভ করতে পারত? পারত না। এতে কি প্রমান হয়? প্রমান হয় যে মেডামের দুয়ায় সমস্যা আছে।

অবিলম্বে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে স্বাধীন রাস্ট্র হাটহাজারিস্তানের খলিফা ও হেফাজতে ইসলামের আমীর উপমহাদেশের সর্বাপেক্ষা হিট আলেম আল্লামা রাজ শাহ আহমদ শফীর তত্তাবধানে মাদারে গনতন্ত্রকে দুয়া কালাম প্রশিক্ষনের বেবস্থা করার জন্য বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন বাকশাল সরকারের প্রতি আহোভান জানিয়ে মিছবাউল হক বলেন, মেডামের ভুল দুয়ার কারনে আমাদের মেচ ফিকসিং বেবসায় চরম অবক্ষয় দেখা দিছে। মাদারে গনতন্ত্র অবিলম্বে সঠিক ও কার্যকরী দুয়া শিখিয়া দুয়া মহাফিলে না বসলে আমরা বৃসবেন প্রেস ক্লাবের সামনে অনশন করতে বাধ্য হইব।


দুয়ার টেবিলে নারী পুরুষের অবাধ মিলামিশা

পতৃকায় প্রকাশিত মেডামের দুয়া মহাফিলের ছবি দেখিয়ে মিছবাউল উপস্থিত সাংবাদিকগনের কাছে ক্ষুব্ধ কণ্ঠে প্রশ্ন করেন, দুয়ার টেবিলে নারী পুরুষের অবাধ মিলামিশা হলে সে দুয়ায় কি কখনও কাম হবে? এ কেমন মহাফিল? আল্লামা রাজের ১৩ দফার ইতনা অবমাননা কিউ হতা হায়?

এদিকে মিছবাউলের অভিযোগের জবাবে পাল্টা বিবৃতীতে মাদারে গনতন্ত্রের নায়েবে সাহাফা মারুফ কামাল খান বলেন, আমি পাকিস্তানের কৃকেট দলের আমীর শ্রীযুক্ত মিছবাউল হককে মেডামের পক্ষ হতে পরিস্কার জানাইয়া দিতে চাই যে একুশে ফেব্রুয়ারী আমরা পাকিস্তান কৃকেট দল নহে, বরং ভাষা শহীদ গোলাম আজম, ভাষা শহীদ ইউছুপ, ভাষা শহীদ আবদুল আলীম ও ভাষা শহীদ আবদুল কাদের মোল্লা ও হবু ভাষা শহীদ কামারুজ্জামানের জন্যি দুয়া মহাফিল বসাইয়াছিলাম। জিম্বাবুয়ের সংগে পাকিস্তানের মেচের পুর্বে মেডাম খাস দিলে ইস্পিশাল দুয়ায় বসবেন ইনশা আল্লাহ। আপুনি টেকাটুকা খাইয়া জিম্বাবুয়ের সংগে পরাজয়ের রাহে পা না বাড়াইলে পাকিস্তানের ইজ্জত বাচবে, মেডামের দুয়ার বদনামও কমবে। লাইনে আসুন।

হাসতে হাসতে মারুফ নায়েব বলেন, এ দুয়া সে দুয়া নহে।

 

February 15, 2015

পাকিস্তান হেরে যাওয়ায় রোজা ভংগ করলেন মেডাম

ক্রীড়া মতিবেদক

বিশ্বকাপ কৃকেটে প্রথম রাউন্ডে ইনডিয়ার কাছে পাকিস্তানের পরাজয়ের পর নফল রোজা ভংগ করেছেন বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার মহিলা আমীর ও জাতীয়তাবাদী শক্তির মালিক আপোষহীন দেশনেত্রী মাদারে গনতন্ত্র বেগম খালেদা জিয়া জেএসসি।

বিশ্বকাপ খেলা শুরু হওয়ার কয়েকদিন আগে পাকিস্তানের বিজয় কামনা করে নফল রোজা রাখা শুরু করেন মাদারে গনতন্ত্র।

বেগম জিয়া জেএসসির প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান নাম প্রকাশ না করার শর্তে মতিকণ্ঠকে বলেন, কার্যালয়ে আস্তানা গাড়িবার পর মেডামের জীবন যাত্রা কঠিন হইয়া গেছে। বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার আওলাদে আমীর, জাতীয়তাবাদী শক্তির ভবিষ্যত মালিক ও বর্তমান আমীর এট লার্জ ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের যোগ্য উত্তরসুরী পলাতক চিকিতসাধীন তরুন নেতৃত্ব মিষ্টার ফিপটিন পারসেন্ট বড় গনতন্ত্র বড় গুন্ডে লাদেন-এ-লনডন তারেক জিয়ার শশুড় বাড়ি মেডামের কার্যালয় হইতে বেশী দুরে নহে। প্রতি দিন বড় গুণ্ডের শাশুড়ী ইকবাল মন্দ বানু দশ বার পদের খানা খাদ্য রন্ধন করিয়া তিন বেলা মেডামের নিকট পেশ করেন। বড় গুণ্ডের বড় শালী শাহীনা খান জামান বিন্দু গাড়ী বহর চালাইয়া সেই সব খানা খাদ্য পৌছাইয়া দিয়া যায়। আর এই বেহেস্তী খানার গন্ধে গন্ধে বিএনপি শাখার অসংখ্য দুধের মাছি নেতা নেত্রী আসিয়া মেডামের কার্যালয়ে ফ্লরিং করা শুরু করে।

আবেগঘন কণ্ঠে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মারুফ কামাল খান বলেন, মেডামের কার্যালয়ে জায়গার কত অভাব। অতছ ফেন্টাষ্টিক ফাইব হতে শুরু করে গ্রাম গঞ্জের অসংখ্য বিএনপি শাখা পাতিশাখার নেতারা আসিয়া এইখানে রাতৃ যাপন করতে চায়। ছুট গুণ্ডে কোকোর দাফনের আগেও তবারক ভাগাভাগি লইয়া অনেক গণ্ডগুল হইছে। ইহাদের উতপাতে মেডামের তিন বেলা বেহেস্তী ভোজনে অনেক সমস্যা হইতেছে।


পাকিস্তান হেরে গেছে

অশ্রু মুছে মারুফ কামাল খান বলেন, ইত্যাদি নানা কারনে মেডাম কয়েক দিন পুর্বে পাকিস্তানের জন্য রোজা রাখা শুরু করেন। রোজা রাখিয়াই তিনি এসএসসি পরীক্ষা দিয়াছেন। পাকিস্তানের পক্ষে থাকায় আল্লাহর বরকতে পরীক্ষা ভাল হয়েছে।

আবার হুহু করে কেদে উঠে প্রেস সচিব মারুফ বলেন, মেডাম রোজা রাখেন, তাই স্বৈরাচার বাকশালের ফেসিবাদী পুলিশ এই কয়দিন কার্যালয়ে কুন খাওন দাওন প্রবেশ করতে দেয় নাই। টিফিন কেরিয়ারে করিয়া মেডামের সেহরীর জন্যি যে বড় হরলিকস পাঠান হইত, উহাও বিশেষ শাখার পুলিশ অপিসারগুলু নিজেরা ভাগাভাগি করিয়া খাইয়ালাইছে। এই কয়দিন আমরা বাকিরা শুদু বিস্কুট ও ছোলা বুট খাইয়া বাচিয়া রইছি।

পাকিস্তান হেরে যাওয়ায় মাদারে গনতন্ত্র রোজা ভেংগে ফেলেছেন উল্লেখ করে মারুফ কামাল খান বলেন, আশা করতেছি আবার ইকবাল মন্দ বানু মেডামের বাড়ীর বেহেস্তী খানা সেবনের সুযুগ পাব।

ইকবাল মন্দ বানুকে ফুলকপির কোন তরকারী না পাঠানর জন্য পতৃকায় লিখার আবেদন জানিয়ে মারুফ কামাল খান বলেন, ফুলকপি খাইলে গেস হয়। কার্যালয়ে রাত্র কালে সবাই গাদাগাদি করিয়া ঘুমাই। ওয়াল্লাহে ফুলকপির তরকারী পাঠান বন্দ করুন।

%d bloggers like this: