Posts tagged ‘বিদিশা’

November 9, 2012

মেজিক বল নিয়ে আগ্রহী পল্লীবন্ধু

নিজস্ব মতিবেদক

ওজন বাড়াতে চিংড়ি মাছের মাথায় কৌশলে ঢোকানো হয়েছে মেজিক বল।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ফেনী শহরের বড় বাজারে অভিযান চালাতে গিয়ে অসাধু মাছ ব্যবসায়ীদের অভিনব এ পন্থা ভেজাল বিরোধী ভ্রাম্যমাণ আদালতের নজরে পড়ে। এ ঘটনায় প্রায় এক মণ চিংড়ি জব্দ করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী মেজিষ্ট্রেট ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনসুর উদ্দিন জানান, গতকাল রাতে বড় বাজারে মাছের পাইকারি আড়তে অভিযান চালানো হয়। এসময় চিংড়ির মাথায় মেজিক বল পাওয়া যায়। এগুলো এক ধরনের প্লাস্টিক বল, যা পানির সংস্পর্শে ফুলে বড় হয় ও ওজন বাড়ে। মূলত মাছের ওজন বাড়াতেই ব্যবসায়ীরা এটি করেছে। তবে ভ্রাম্যমাণ আদালতে আসছে বলে খবর পেয়ে মাছ বিক্রেতারা পালিয়ে যায়। পরে এই বল দেওয়া এক মণ চিংড়ি জব্দ করা হয়। জব্দ করা চিংড়ি ৪৭০ টাকা কেজি দরে নিলামে বিক্রি করা হয়।

এ চিংড়ি নিলামে ক্রয় করেন সাবেক স্বৈরাচার রাস্ট্রপতি ও পল্লীবন্ধু আলহাজ্জ্ব হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।

এরশাদ উৎফুল্ল কণ্ঠে মতিবেদককে বলেন, বিজ্ঞান আমাদের দিয়েছে বেগ, কেড়ে নিয়েছে আবেগ। মেজিক বল এক আশ্চর্য আবিষ্কার। আমি মেজিক বলগুলি বের করে চিংড়িগুলি ফেলে দিব। এই মেজিক বল আমার অনেক কাজে লাগবে।

আবেগঘন কণ্ঠে পল্লীবন্ধু বলেন, পানির সংস্পর্শে ফুলে বড় হয় ও ওজনে বাড়ে, এমন জিনিসই খুজছিলাম।

হিনা রব্বানি খারের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে এরশাদ বলেন, সে হুড়াহুড়ি করে পাকিস্তান ফিরে গেল। ঢাকায় আর দুই তিনদিন থাকলে সে মেজিক বলের মজা উপভোগ করতে পারত।

পল্লীবন্ধুর মেজিক বল ক্রয়ের খবরে সন্তোষ প্রকাশ করে এটিএন বাংলার হেড সাংবাদিক মুন্নী সাহা বলেন, পল্লীবন্ধু মেজিক বল খরিদ করে সঠিক কাজটি করেছেন।

পৃথক প্রতিক্রিয়ায় পল্লীবন্ধুর সাবেক স্ত্রী ও কলামিষ্ট বিদিশা বলেন, এরশাদ অসময়ে বিজ্ঞানের সুফল ভোগ করছেন। কোথায় ছিল বিজয় টেবলেট, যখন আমি তার পত্নী ছিলাম? কোথায় ছিল মেজিক বল, যখন আমি তার অংকশায়ীনী ছিলাম?

কান্নাবিজড়িত কণ্ঠে বিদিশা বলেন, বিজ্ঞানের গুড় সব মুন্নী সাহা খেয়ে ফেলে।

October 22, 2012

হিনাকে ছাড়া আমার পদ্মা সেতু হবে না: এরশাদ

নিজস্ব মতিবেদক

পাকিস্তানের দীপু মনি হিসেবে খ্যেত পর রাষ্ট্রমন্ত্রী হিনা রব্বানি খার বাংলাদেশে আসতে অস্বীকৃতি জানানর পর সাবেক স্বৈরাচার রাষ্ট্রপতি পল্লীবন্ধু আলহাজ্জ হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, হিনাকে ছাড়া তার পদ্মা সেতু হবে না।

আজ এক সংবাদ সম্মেলনে এরশাদ এ কথা বলেন।

পাকিস্তানের দুতাবাস থেকে বলা হয়, হিনা রব্বানি খার এরশাদের ভয়ে বাংলাদেশে আসছেন না। ইসলামাবাদ থেকে পাঠান এক বিবৃতিতে হিনা রব্বানি খার জানিয়েছেন, তার স্বামী ও সন্তান রয়েছে। এরশাদ স্বামী-সন্তানসহ বিবাহিতা মহিলাদের প্রতি বেশী আকৃষ্ট হন। তাছাড়া এখন বাজারে আছে বিজয় টেবলেট। এরশাদ যখন খুশি যতক্ষন খুশি অনলাইনে থাকতে পারেন। তাই বাংলাদেশে তিনি নিরাপদ নন।

এর প্রতিক্রিয়া পল্লীবন্ধু সংবাদ সম্মেলনে বলেন, শুধু বিজয় টেবলেটে আর কাজ হচ্ছে না। হিনাকে ছাড়া আমার পদ্মা সেতু হবে না।

আবেগঘন কণ্ঠে পল্লীবন্ধু এরশাদ বলেন, বিল্লাল ভুট্টোর কি আছে যা আমার নাই? দড়ির মত পাকান শরীর আছে আমার। বিল্লাল ভুট্টোর বডি পাপিয়া পান্ডের নেয় মেদবহুল। সে বেয়াম করে না, জিমে যায় না। অথচ তার সাথেই হিনা রব্বানি খারের ভাব। সে বিল্লাল ভুট্টোকে সিন্ধু সেতু নির্মানে নিয়মিত সহযোগীতা করে।

এরশাদ দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, কেউ পাবে, কেউ পাবে না, তা হবে না তা হবে না। আমি পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে চাকরি করতাম, হিনা রব্বানি খারের উপর আমার নেয্য হক আছে।

কান্নাবিজড়িত কণ্ঠে পল্লীবন্ধু বলেন, আমি গতরাতে বিজয় টেবলেট নিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা বসে ছিলাম। কিন্তু আমার পদ্মা সেতু হয়নি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এরশাদ বলেন, মুন্নী সাহা নয়, পদ্মা সেতুর জন্য হিনা রব্বানি খারকেই প্রয়োজন।

এরশাদের প্রাক্তন স্ত্রী ও বিশিষ্ট কলামিষ্ট বিদিশা এক প্রতিক্রিয়ায় মতিবেদককে বলেন, বিজয় টেবলেটও এখন বিফল হওয়ায় এরশাদ কুয়ারা করছেন। হিনা রব্বানি খার উছিলা মাত্র।

বিজয় টেবলেটের আবিষ্কারক ও বাংলার তথ্য প্রযুক্তির দিকপাল মোস্তফা জব্বার বিদিশাকে সমর্থন করে বলেন, বিজয় টেবলেটের কোন দোষ নাই। অনলাইনে যেতে চাইলে বিজয় টেবলেটই ভরসা।

September 30, 2012

অনলাইন নীতিমালাকে স্বাগত জানালেন বিদিশা

নিজস্ব মতিবেদক

অনলাইনের টুটি চেপে ধরার সরকারী পরিকল্পনাকে স্বাগত জানিয়েছেন সাবেক স্বৈরাচার ও পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের প্রাক্তন স্ত্রী ও কলামিষ্ট বিদিশা।

আজ এক সংবাদ সম্মেলনে বিদিশা বলেন, সরকার অনলাইন নিয়ন্ত্রনের যে পরিকল্পনা করছে, তাকে আমি স্বাগত জানাই।

বিদিশা বলেন, বিজয় টেবলেট আবিষ্কারের পর থেকে পল্লীবন্ধু এরশাদ সর্বদা অনলাইনে থাকেন। তিনি এখন প্রয়োজনে কঠর হতে পারেন। কিন্তু এখন তিনি যতই দশ ফোঁড় দেন না কেন, সময় মত তিনি এক ফোঁড়ও দিতে পারেন নাই। আমি যখন তার স্ত্রী ছিলাম তখন বিজয় টেবলেট ছিল না। এরশাদ অফলাইনেই সময় কাটাতেন। আর বলতেন গেট আপ বয় গেট আপ।

আবেগঘন কণ্ঠে বিদিশা বলেন, এখন এরশাদ অনলাইনে থাকেন। এতে লাভ হয় শুধু মুন্নী সাহার। তাই অনলাইন নিয়ন্ত্রনে সরকারের পরিকল্পনাকে আমি স্বাগত জানাই।

বিদিশা ইউটিউব বন্ধ করায় সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে এরশাদের প্রতি ইংগিত করে বলেন, একটি বিশেষ ইউটিউব এখনও সক্রিয়। এই অভিশপ্ত ইউটিউবটিকে পাকাপাকি ভাবে নিষ্ক্রিয় করতে হবে।

বিদিশা ইউটিউবের পাশাপাশি বিজয় টেবলেট নিষিদ্ধ করার দাবী জানিয়ে বলেন, বিজয় টেবলেট সমাজে অশান্তি বয়ে আনছে।

বিদিশার বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার ভাঁড়প্রাপ্ত নায়েবে আমীর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সরকার এখন মানুষের অনলাইনগুনো ধরে টানছে। তারা তলোয়াড়ের এক কোপে মানুষের অনলাইন কেটে ফেলতে চায়। কিন্তু সরকারকে সে সুযোগ দেয়া হবে না। মানুষের অনলাইনের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি সরকারকে খেলতে দেয়া হবে না।

অনলাইনের হেফাজত করার আহ্বান জানিয়ে সারা দেশের পুরুষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, অনলাইনে আসুন।

May 25, 2012

আল্লাহর বিচারে প্রমানিত হয়েছে আল্লাহ জাতীয় পার্টির সমর্থক: এরশাদ

বিশেষ মতিবেদক

জাতীয় পার্টির চেয়ারমেন ও সাবেক স্বৈরাচারী রাষ্ট্রপতি পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, আল্লাহর বিচার হয়েছে। এই বিচারের মাধ্যমে আল্লাহ প্রমান করেছেন যে তিনি জাতীয় পার্টির সমর্থক।

আজ রাজধানীর এক হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ দাবী করেন এরশাদ।

পল্লীবন্ধু বলেন, খালেদা জিয়া আজ বলছেন, তাকে বাড়ি থেকে সরকারের ষড়যন্ত্রে এক কাপড়ে বের করে দেয়া হয়েছে। এ নিয়ে তিনি কান্নাকাটি করেন, ভাংচুর করেন, মানুষের জানমালের ক্ষতি করেন। অথচ আমাকে যখন এক কাপড়ে বাড়ি থেকে বের করে দেয়া হয়েছিল, তিনি তখন কিছু করেননি।

এরশাদ আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, আমাকে আর বাড়ি থেকে আমার কাপড়গুলি সংগ্রহ করার সুযোগ দেয়া হয়নি। আমি সেই একটি কাপড় এখনও পরিধান করে চলছি। রাতে আমি কাপড়টি ধুয়ে ফেনের নিচে দড়ি টাঙ্গিয়ে শুকাতে দেই। যেদিন বিদ্যুৎ থাকে না, আর বাতাসের আদ্রতা বেশী থাকে, সেদিন আমার একমাত্র কাপড়টি সময় মত শুকায় না। সেদিন আমি আর বাড়ির বাইরে যেতে পারি না। খবরের কাগজ পরিধান করে ঘরে বসে বসে ফু দিয়ে ফু দিয়ে কাপড়টি শুকানর চেষ্টা করি। এ কারনেই আমি সরকারকে হুশিয়ারী জানাচ্ছি, বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান সবার আগে করতে হবে। অন্ন চাই, বস্ত্র চাই, বস্ত্র শুকানর বিদ্যুৎ চাই। বিদ্যুৎ নিয়ে আর কোন কৈফিয়ত জনগন শুনতে চায় না।

এরশাদ অশ্রুভরা চোখে বলেন, আমি রওশনকে অনেকবার বলেছি, তার একটি পায়জামা আমাকে ধার দিতে। সে দেয়নি। তাই রাগ করে আমি বিদিশাকে বিবাহ করলাম। বললাম, ওগো তোমার একটি পায়জামা আমাকে দিও, আমার কাপড় ধুয়ে ফেনের নিচে শুকাতে দিয়েছি। বিদিশাও দেয়নি। তাই আমি রাগ করে বিদিশাকে তেগ করেছি।

এরশাদ মুন্নী সাহাকে ধন্যবাদ দিয়ে বলেন, মুন্নী আমাকে বংগ বাজার থেকে একটি গেবার্ডিনের হাফপেন্ট খরিদ করে উপহার দিয়েছে।

এরশাদ বলেন, আমি জানি না, খালেদা জিয়াকেও আমার মত একটি কাপড় রাতে ধুয়ে শুকাতে দিতে হয় কি না। যদি তা হয়ে থাকে, তাহলে বুঝতে হবে আল্লাহ বিচার করেছেন, তিনি জাতীয় পার্টির সাথে আছেন।

পল্লীবন্ধু বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর নেতা মওদুদ আহমদের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, মওদুদ ছিলেন আমার ভাইস প্রেসিডেন্ট। আমি ছিলাম এরশাদ, তিনি ছিলেন উপএরশাদ। তার পুটুতে এখনও বিএনপির লাঠির বাড়ির দাগ খুজলে পাওয়া যাবে। আপনারা বিশ্বাস না করলে মওদুদকে বলুন, সংবাদ সম্মেলনে এসে পুটুর কাপড় তুলে দেখাতে। এই মওদুদের দশ বছরের সাজা হয়েছিল দুর্নীতির দায়ে। আমি তাকে মাফ করে দিয়েছিলাম। আর আজ সেই মওদুদ আইন কানুন বিচার আচার দুর্নীতি নিয়ে বড় বড় কথা বলে। সে একটি অভিশাপ।

সরকারকে হার্ড লাইনে না যাওয়ার বেপারে মওদুদের হুমকি প্রসঙ্গে পল্লীবন্ধু এরশাদ বলেন, সেই দিন আর নাই জনাব মওদুদ। এখন বাজারে এসেছে বিজয় টেবলেট। যখন ইচ্ছা আমরা হার্ড লাইনে যেতে পারি। যতক্ষন খুশি হার্ড লাইনে থাকতে পারি।

%d bloggers like this: