Posts tagged ‘মওদুদ’

January 21, 2015

নাশকতার জন্য খালেদাকে ধরিয়ে দিয়ে ১ লাখ টাকা পুরস্কার পেলেন মওদুদ

নিজস্ব মতিবেদক

চলমান রাজনৈতিক সহিংসতার জবাবে নাশকতাকারীকে ধরিয়ে দিতে পারলে সরকারের ঘোষিত ১ লাখ টাকা পুরস্কার নগদে জিতে নিয়েছেন বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার উকিলে আমীর আল্লামা মওদুদ আহমদ।

সরকারের পক্ষ হতে শিল্প মন্ত্রী আমীর হোসেন আমু নাশকতাকারীদের ধরিয়ে দিলে সরকারের পক্ষ হতে ১ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষনার কয়েক মিনিট পর মুঠোফোনে সরকারের সংগে যোগাযোগ করে বিএনপি শাখার মহিলা আমীর ও জাতীয়তাবাদী শক্তির মালিক আপোষহীন দেশনেত্রী মাদারে গনতন্ত্র বেগম খালেদা জিয়া জেএসসিকে নাশকতার দায়ে ধরিয়ে দেন আল্লামা মওদুদ।

ক্ষমতাসীন বাকশালের নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আমার বন্ধু মওদুদ সঠিক কামটা করছে। পুরস্কার ঘোষনার সংগে সংগে সে আমায় মুঠফুন মারিয়া নাশকতাকারী খালেদারে ধরাইয়া দিয়া ১ লাখ টেকা নগদে লইয়া গেছে। আমি তার চিকন বুদ্ধি দেখিয়া মুগ্ধ।


নাশকতাকারীকে ধরিয়ে দিয়ে নগদ পুরস্কার ও ক্রেষ্ট গ্রহন করছেন মওদুদ

এ বেপারে আল্লামা মওদুদের সংগে যোগাযোগ করলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি মতিকণ্ঠকে বলেন, বেবসার অবস্থা ভাল নহে। রিয়াজ রহমান পুটুতে গুলি খাওয়ার পর হতে বাড়ির বাইরে যাইতে সাহস পাই না। ওকালতি করিয়া খাই। অবরোধের কারনে খেপ পাই না। এইভাবে চললে বালবাচ্চা লইয়া পথে নামতে হবে। আর পথে নামলেই রিয়াজ রহমানের নেয় গনতন্ত্রের ছদকা হইয়া ইউনাইটেড হাসপাতালে পড়িয়া থাকতে হবে। তাই সকল দিক চিন্তা করিয়া নাশকতাকারী মাদারে গনতন্ত্ররে ধরাইয়া দিলাম। ১ লাখ টেকা দিয়া ১ মাস চলতে পারব।

আবেগঘন কণ্ঠে মওদুদ বলেন, আমরা যারা নায়েবরা আছি, সবাই মেডামরে বললাম যে মেডাম অবরোধ তুলিয়া লইন, নাহলে পাবলিক হাম লোগো কো মারেংগে। মেডাম আমাদের কথা পাত্তা না দিয়া ঘোষনা দিলেন, মনির পুড়ানি চলিবেক। অতছ পুলিশ খালি বস্তির গরীব বেক্তিগুলিরে তুলিয়া থানায় লইয়া যায়। হাতের নিকটে সর্বাপেক্ষা বড় নাশকতাকারীরে রাখিয়া তারা শুদু বনে বাদাড়ে অভিযান চালায়।

হুহু করে কেদে উঠে মওদুদ বলেন, এই ১ লাখ টেকা হতে ১৫ হাজার টেকা বিএনপি শাখার আওলাদে আমীর, জাতীয়তাবাদী শক্তির ভবিষ্যত মালিক ও বর্তমান আমীর এট লার্জ ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের যোগ্য উত্তরসুরী পলাতক চিকিতসাধীন তরুন নেতৃত্ব মিষ্টার ফিপটিন পারসেন্ট বড় গনতন্ত্র বড় গুন্ডে লাদেন-এ-লনডন তারেক জিয়াকে দিয়া দিতে হইবে।

January 15, 2015

রিয়াজের পুটুর ঘা না শুকান পর্যন্ত মামলার তারিখ না ফেলতে খালেদার আইনজীবিদের চাপ

আদালত মতিবেদক

বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার মুজাহিদদের গুলিতে আহত হয়ে ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিতসাধীন বিএনপি শাখার কুটনৈতিক শাখার সদস্য নায়েবে খারেজি আল্লামা রিয়াজ রহমানের পুটুতে গুলির ক্ষত স্থান না শুকান পর্যন্ত জিয়া এতিমখানা ও জিয়া দাতব্য ট্রাষ্ট দুর্নীতি মামলায় শুনানির তারিখ না ফেলতে ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আবু আহমেদ জমাদরের উপর তিব্র চাপ সৃস্টি করেছেন বিএনপি শাখার মহিলা আমীর ও জাতীয়তাবাদী শক্তির মালিক আপোষহীন দেশনেত্রী মাদারে গনতন্ত্র বেগম খালেদা জিয়া জেএসসির আইনজীবি গন।

বৃহস্পতিবার ইয়াতীমদের হক্কের সোয়া পাঁচ কুটি টেকাটুকা মেরে দেওয়ার এই চাঞ্চল্যকর মামলায় বাদীর সাক্ষ্য গ্রহনের সময় মাদারে গনতন্ত্রের আইনজীবি গন তিব্র হট্টগল সৃস্টি করেন।

প্রত্যক্ষ দর্শীরা জানান, বাদী হারুনুর রশীদের সাক্ষ্য গ্রহনের সময় মেডামের উকিলবৃন্দ আদালতে এক ভয়াল বিভীষীকার অবতারনা করেন। তাদের কেউ কেউ বিচারক আবু আহমেদ জমাদরকে ‘মালাউন’ ডাকেন। এ সময় আদালত উকিলদের শান্ত হওয়ার আদেশ দিলে তারা মামলার বিচার পরিচালনার জন্য ১১০% খাঁটি মুসলিম বিচারক দাবী করে শ্লগান দিতে থাকেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মেডামের এক মোক্তার মতিকণ্ঠকে বলেন, আগের বিচারক বাসুদেব রায়রে মালাউন ডাকিয়া পটুয়াখালী বদলী করিয়া দিছি। আবু আহমেদ জমাদররেও দিব। জাতীয়তাবাদী কুন বিচারক এজলাশে না আসা পযন্ত আমরা এই কাম চালাইয়া যাব।

আবু আহমেদ জমাদর মুসলিম ধর্মানুসারী, এ তথ্য জানান হলে মেডামের মোক্তার বৃন্দ হাসাহাসি করে বলেন, আপনারে মুসলিম বলে মুসলিম সে নয়, আমরা যারে মুসলিম বলি মুসলিম সে হয়। ইয়াতীমের টেকা মারার মামলায় মেডামের বিচার করতে চায় যে বিচারক, সে ত সাক্ষাত কাফের।

এক পর্যায়ে আদালতে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হলে বাদীর সাক্ষ্য গ্রহনের মাঝখানে মাদারে গনতন্ত্রর উকিল বৃন্দ নতুন আবদার দাখিল করে বলেন, এই মামলায় শুনানির পরবর্তী তারিখ নায়েবে খারেজি রিয়াজ রহমানের পুটুর ঘা শুকানর পরে ফেলতে হবে।

আদালত এর বেখ্যা চাইলে জাতীয়তাবাদী মোক্তাররা বলেন, মেডাম ইয়াতীমের টেকা মারার মামলায় আদালতে আসিয়া বেইজ্জত হইতে চান না। তাই এই মামলার সকল শুনানির দিন হরতাল ডাকা হইবে। কিন্তু শুদু শুদু হরতাল ডাকলে জন সাধারন বুঝিয়া ফেলবে যে মেডাম হরতাল দিয়া মামলা বাং মারতে চান। তাই অজুহাত হিসাবে আপন দলের কুন নায়েবের পুটুতে গুলি করিয়া তারপর হরতাল ডাকলে ভাল দেখায়। বিএনপি শাখার বড় বড় সকল নায়েব বর্তমানে হয় কারাগারে প্রথম শ্রেনীর কয়েদী হিসাবে বেহেস্তি আরামে আছেন, অথবা পলাইয়া কুন বান্ধবীর বাড়িতে গা ঢাকা দিয়া আছেন। এমতাবস্থায় হাতের নাগালে গুলি করার মত বড় নায়েব আছে একমাত্র রিয়াজ রহমান। আজকের শুনানির দিনে হরতাল বাবদ তার পুটু গুলিতে খরচ করা হইয়া গেছে। পরবর্তী শুনানির আগে আবার গুলি করার আগে তার পুটুর ক্ষত স্থান শুকাইতে দিতে হবে। তা না হলে বেপারটি খারাপ দেখায়।

আদালত বেগম জিয়ার মোক্তারদের বেখ্যা শুনে আবদার খারিজ করে দিলে মোক্তারগন তাতক্ষনিক স্লোগান ধরে জমাদর বিচারকের প্রতি অনাস্থা জ্ঞাপন করেন।

এ বেপারে বিএনপি শাখার উকিলে আমীর আল্লামা মওদুদ আহমদের সংগে যোগাযোগ করা হলে তিনি নাম প্রকাশ না করার শর্তে মতিকন্ঠকে বলেন, আদালত আগামী ২৯ জানুয়ারী ইয়াতীমের টেকা মারার মামলার শুনানির তারিখ ফেলার কারনে ২৭ জানুয়ারী কিংবা ২৮ জানুয়ারী সারা দেশে বিএনপি শাখার বড় বড় নায়েবরা সকলেই গা ঢাকা দিবেন, এমন আশংকা করতেছি। রিয়াজ রহমানের পুটুর ঘা মার্চ এপ্রিলের আগে শুকাইবে না। গুলি হজম করার মত নায়েব এখন কুথায় পাই?

সরকারের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ মওদুদ বলেন, ২৭ জানুয়ারী সকাল সকাল ফখা ইবনে চখা কিংবা শমসের মবিনরে ছাড়িয়া গুলশান এলাকায় আনিয়া দিলে ২৯ জানুয়ারীর হরতাল ডাকা যাইত। সরকার যদি উহাদের মুক্তি না দেয়, আমি নিজেও পলাইব। হরতালের মুল্য আপন পুটু দিয়া পরিশুধ করিতে চাহি না এই সুন্দর ভুবনে।

January 14, 2015

রিয়াজ রহমানের পরিনতির জন্য দায়ী শমসের মবিন: মওদুদ

নিজস্ব মতিবেদক

বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার মুজাহিদদের হাতে বিএনপি শাখার নায়েবে খারেজি আল্লামা রিয়াজ রহমান গুলি বিদ্ধ হওয়ার জন্য বিএনপি শাখার নায়েবে আমীর শমসের মবিন চৌধুরীকে দায়ী করে বিএনপি শাখার উকিলে আমীর আল্লামা মওদুদ আহমদ বলেছেন, রিয়াজের পরিনতির জন্য শমসের মবিন দায়ী।

আজ নিজ বাসভবনে আয়জিত এক সংবাদ সম্মেলনে উকিলে আমীর এ অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে মওদুদ বলেন, বাংলাদেশে গনতন্ত্র ফিরাইয়া আনার জন্য, বিশেষ করিয়া বড় গনতন্ত্ররে ফিরাইয়া আনার জন্য বৃহত্তর জামায়াতের মুজাহিদগন গত দশ বার দিন ধরিয়া বিপুল জিহাদে লিপ্ত। কিন্তু স্বৈরাচার বাকশালের ফেসিবাদী পুলিশের কারনে জিহাদে নানা রকম দিষ্টাপ হইতেছে। বাসে আগুন দিলে পুলিশে মারে, রাস্তায় ককটেল ফুটাইলে পুলিশে ধরে। সংগে আবার বিজিবি আনসার ইত্যাদি নামাইয়া সরকার এমন বিভীষীকাময় পরিস্থিতি সৃস্টি করছে যে আমরা শান্তি মত না পারি রেল লাইন উপড়াইতে, না পারি গাড়ি পুড়াইতে। এইভাবে চললে দেশে গনতন্ত্র ফিরান কঠিন হইয়া পড়বে। তাই আমরা ঠিক করছিলাম, আমাদের মুরুব্বী আমেরিকারে দিয়া স্বৈরাচার বাকশালরে দুইটা ধমক খাওয়াব।

আবেগঘন কণ্ঠে উকিলে আমীর বলেন, মাদারে গনতন্ত্রের সংগে আলাপ পরামিশ করিয়া আমরা ঠিক করলাম, এই কাম আমাদের নায়েবে আমীর শমসের মবিনরে দিয়া করাব। সে আগে পর রাস্ট্র সচিব আছিল, কায়দা কানুন বুঝে। মেডামের হুকুম পাওয়ার পর শমসের মবিন একটি বিবৃতী লিখিয়া দিল। কিন্তু বিএনপি শাখার কুন কাজই এখন আর শুদু মেডামের কথায় হয় না। লনডন হতে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার আওলাদে আমীর, জাতীয়তাবাদী শক্তির ভবিষ্যত মালিক ও বর্তমান আমীর এট লার্জ ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের যোগ্য উত্তরসুরী পলাতক চিকিতসাধীন তরুন নেতৃত্ব মিষ্টার ফিপটিন পারসেন্ট বড় গনতন্ত্র বড় গুন্ডে লাদেন-এ-লনডন তারেক জিয়া শমসের মবিনরে হুকুম দিয়া বললেন, তুমার ইংরাজীতে অনেক ভুল হয়। কি লিখছ আমারে পাঠাও, আমি দেখিয়া দিতেছি। বিবৃতী লনডনে পাঠানির পর বড় গুণ্ডে উহা যুক্ত রাস্ট্রে বিএনপি শাখার বিশেষ উপদেস্টা ও ৯ বতসরে ২৭ বার জেল খাটা দাগী কয়েদী জাহিদ সরদার সাদীরে পাঠাইয়া বললেন, এই বিবৃতীতে এক ডজন কংগ্রেস মেনের সই লইয়া তারায় তারায় রটাইয়া দেও।


বিএনপি শাখার সদ্য বহিস্কৃত বিশেষ উপদেস্টা জাহিদ এফ সরদার সাদীর সংগে শমসের মবিন চৌধুরী

হুহু করে কেদে উঠে মওদুদ বলেন, এই জাহিদ সরদার সাদী একটি ঘোচু। হারামজাদা এক ডজন কংগ্রেস মেনের সাক্ষর বাবদ বড় গুণ্ডের নিকট হইতে বার লক্ষ ডলার দাবী করিয়া বলল, হুজুর এই দেশে কংগ্রেস মেনের দাম সই পিছু এক লক্ষ ডলার। তখন বড় গুণ্ডে তাহাকে বললেন, এক ডজন সই কিনতেছি, মুলামুলি করিয়া সই প্রতি পঞ্চাশ হাজার ডলারে উহাদের রাজি করাও। ছয় লক্ষ ডলারের বেশী এক আনিও খরচ করতাম না। তখন জাহিদ সরদার বলল, হুজুর এই খানে এক দাম, মুলামুলি চলে না। ছয় লক্ষ ডলারে ছয়খানি সই মিলবে। তখন বড় গুণ্ডে উহাকে ছয় লক্ষ ডলার মানি অডার করিয়া পাঠাইয়া দিলেন।

অশ্রু মুছে মওদুদ বলেন, আর তারপরেই লাগল গণ্ডগুল। এই জাহিদ সরদার সাদী হারামজাদা কংগ্রেস মেনদিগের সাক্ষরের টেকা পরিশুধ না করিয়া ঐ ছয় লক্ষ ডলার মারিয়া দিয়া নিজেই উহাদের সাক্ষর জাল করিয়া বিবৃতী তারায় তারায় রটাইয়া দিল।

হাসতে হাসতে মওদুদ বলেন, কংগ্রেস মেনগন কি ঘাস খাইয়া বড় হইছে? উহারা হক্কের টেকাটুকা না পাইয়া চিল্লাচিল্লি শুরু করিয়া দিল। আমেরিকার ধমক ত বাকশালরে খাওয়াইতে পারলাম না, উল্টা সই জাল করার জন্য আমরা নিজেরাই ধমক খাইয়া বেহুশ।

চক্ষু টিপে উকিলে আমীর বলেন, পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য মেডাম তখন আমারে ডাকিয়া বললেন, বেক্কলের গু চৌদ্দ জায়গায় ভরে। বেক্কলদের হাতে এই কাম দেওনই ভুল হইছে। এখন কিছু পরামিশ দেন। আমি তখন বললাম, মেডাম আমেরিকারে লাইনে আনতে হইলে এখন বলিদান করতে হবে। কুন খুচরা নায়েবে আমীরের গাড়িতে যদি আগুন লাগে, আমেরিকা বিলাত সবাই নিন্দা জানাইতে বাধ্য হইবে। মেডাম তখন বললেন, তাহলে সাবিহউদ্দীনের গাড়িতে আগুন লাগাইয়া দেও।

আমেরিকা ও ইংলেণ্ডের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে মওদুদ আহমদ বলেন, সাবিহউদ্দীনের গাড়িতে আগুন লাগানির পরেও সালা ঘোচুর দল কুন নিন্দা জানাইল না। এদিকে আমরার আন্তর্জাতিক মানের নায়েব আছেই মাত্র দুই তিনজন। তার মধ্যে শমসের মবিনরে স্বৈরাচার বাকশাল নিয়া রিমাণ্ডে ডিম দিতেছে। তাই একমাত্র যে কুটনীতি নায়েব বাকি থাকল, সেই রিয়াজ রহমানের পুটুতেই গুলি সান্ধাইতে হইল।

রিয়াজ রহমানের সুস্বাস্থ কামনা করে মওদুদ বলেন, আমেরিকা বিলাত সবাই আজকে নিন্দা জানাইছে। কবে কুন সাদী তাদের সাক্ষর নকল করছিল, ঐ কিচ্ছা এখন সাত হাত মাটির তলে চলিয়া গেছে। রিয়াজ রহমানের এই পরিনতির জন্য দায়ী শমসের মবিন। আজ সে জেলের বাইরে থাকলে তারে দিয়াই কাজ চালাইতাম।

September 16, 2014

অতিরিক্ত সত্য সাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর: ফখা

সিংগাপুর মতিনিধি

সাম্প্রতিক পুস্তক ‘বাংলাদেশ: ইমারজেন্সী এন্ড দি আফটারমেথ: ২০০৭-২০০৮’ রচনার অপরাধে বাকশাল আমলের পোষ্ট মাষ্টার জেনারেল, একাত্তরের রেম্ব জেনারেল জিয়ার উপ প্রধান মন্ত্রী, সাবেক স্বৈরাচার ও পল্লীবন্ধু জেনারেল এরশাদের উপ রাস্ট্র পতি, বৃহত্তর জামায়াতের আইনমন্ত্রী ও বিএনপি শাখার উকিলে আমীর রাজনৈতিক পর্যটক বেরিষ্টার আল্লামা মওদুদ আহমদের প্রতি ক্ষুব্ধ হয়েছেন বিএনপি শাখার ভাঁড়প্রাপ্ত নায়েবে আমীর, জাতীয়তাবাদী শক্তির ‘কমপ্লান বয়’, লনডনে পলাতক চিকিতসাধীন আওলাদে আমীর বড় গুণ্ডে কতৃক ‘হাইড এন্ড সিক’ গালিতে ভুষিত ও ঈদুল কতলের টেলেন্ট হান্ট প্রতিযোগীতায় ‘ফ্লেয়ার এন্ড লাবলি’ খেতাবে সমাদৃত মির্জা বাড়ির বড় গৌরব আল্লামা মির্জা ফখরুল ইসলাম আগুনগীর ওরফে ফখা ইবনে চখা।

আজ সিংগাপুরে নিজ হোটেলের আরাম দায়ক বিলাস বহুল কক্ষে আয়জিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বিবৃতি দিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ফখা ইবনে চখা বলেন, অতিরিক্ত সত্য সাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

সংবাদ সম্মেলনের শুরুতেই আগুনগীর বলেন, বাড়িতে সবাইরে কইছি সারাদিন বিএনপি শাখার জন্য গলাবাজি করিয়া করিয়া আমার গলায় গলগন্ড হইছে, চিকিতসার জন্য সিংগাপুর যাই। কিন্তু বাস্তবে সিংগাপুরে আইছি সিংগাপুরের আইএসআই শাখার আমীর মেজর জেনারেল আকরাম খান লাহরীর পরামর্শ লইতে। এখন যদি মুখ খুলি তাহইলে তুমরা সাংবাদিকের দল আবার এইসব লইয়া তদন্ত শুরু করিয়া দিবা। তাই আজ সকল বিবৃতি লিখিত।


বাজারে চাহিদার অতিরিক্ত সত্য আসিয়া পড়ছে

লিখিত বিবৃতিতে মির্জা বাড়ির বড় গৌরব বলেন, আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতী লইয়া পড়ালিখা করিয়াছি। কিছুদিন ঐ গন্ডগল পুর্ন প্রতিষ্ঠানে মাষ্টারীও করিয়াছি। রাজনীতী যে কত পেচের হইতে পারে, তাহা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের দেখিয়াই শিখিয়াছি। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনীতী ছাড়া দ্বীতিয় যে বিষয়টি আমি শিখিয়াছি তাহা হল অর্থনীতী। অর্থনীতী বলে যে চাহিদার তুলনায় কুন জিনিসের সরবরাহ বাজারে বাড়িয়া গেলে সে জিনিসের দাম কমিয়া যায়। যেমন আমাদের দেশের বাজারে চাহিদার তুলনায় মনিরের সরবরাহ বেশী, তাই হরতাল ডাকিয়া দশ বারটা মনির পুড়াইয়া দিলে তেমন কুন ক্ষতি হয় না।

আবেগঘন ফন্টে ফ্লেয়ার এন্ড লাবলি বলেন, বর্তমানে বাজারে চাহিদার তুলনায় বেশী সত্য আসিয়া পড়ছে। কিছুদিন পুর্বে আমার ফুফা আজগুবি কথক খন্দকার ওরফে এ কে খন্দকার একটি পুস্তক রচনা করিয়া বাজারে বিপুল পরিমান সত্য ঢুকাইয়া দিছে। ঐ পুস্তকের গোড়ায় লিখা ছিল শেখ মুজিব ৭ মার্চ বড় গুণ্ডের ঐতিহাসিক কারাবন্দী দিবসের বক্তিতায় জয় পাকিস্তান কইছিল। এই রকম আগুন গরম সত্য হাতে পাইয়া আমাদিগের মাথা ও পুটু উভয়ই এত গরম হইয়া গেল যে বাকি বই আর পড়ার সময় পাই নাই। আমরা সবাইরে কইলাম যে এই পুস্তকের কথা ১১০% সত্য। কিন্তু দুইদিন পরে কাচা বাজারে গিয়া শুনি এক মুরগী বেপারী আরেক মুরগী বেপারীরে কইতেছে, ঐ পুস্তকে লিখা আছে যে একাত্তরের রেম্ব মেজর জিয়া স্বাধীনতার ঘষক নহে। খন্দকার ফুফায় নাকি লিখছে, আরে জিয়া থা কৌন হরিদাস পাল যে ও আজাদী কা ঘষক বনেগা?

হুহু করে কেদে উঠে পরবর্তী পেরায় জাতীয়তাবাদী শক্তির কমপ্লান বয় বলেন, এই সত্য লইয়া সাংবাদিকের দল আমায় এত পেরেশানীতে ফালাইল যে একটু শান্তির খুজে সিংগাপুর আসিয়া পড়লাম। ঈদের পরে আন্দুলন হবে, আইএসআই এর যাকাতটাও লইয়া যাইব, সিংগাপুরে দুটু দিন ঘুরিব ফিরিব শপিং করিব। মস্তফা মার্কেট হতে একটি ড্রন কিনার অনেকদিনের ইচ্ছা।

অশ্রু মুছে পরবর্তী পেরায় মির্জা ফখরুল বলেন, কিন্তু সিংগাপুরে আসিয়াও শান্তি পাইলাম না। ইতিপুর্বে একবার সিংগাপুর আসিয়াছিলাম, তখনও সালা ঘোচুর ঘোচু মওদুদ একটি পুরাতন পুস্তকের বাড়ি দিয়া বিএনপি শাখারে শুয়াইয়া ফালাইছিল। এইবারও সে একই কাম করছে। আমি সিংগাপুর আইলেই মওদুদ ঘোচুর পুস্তক রচনার খাউজানী উঠে।

কান্নায় ভেংগে পড়ে পৃস্ঠা উল্টিয়ে পরের পাতায় আগুনগীর বলেন, এই পুস্তক ভর্তি আগুন আগুন সত্য কথা। কিরুপে বৃহত্তর জামায়াতের আলিংগনে ঢুকিয়া বিএনপি শাখা বরবাদ হইল, কিরুপে হাওয়া ভবনের চুরি ডাকাতির জন্য জনগন আমাদিগেরে দুরে ঠেলিয়া দিল, কিরুপে বড় গুণ্ডে ও ছুট গুণ্ডের পুটুর ছাল বাচাইতে গিয়া মাদারে গনতন্ত্র বিএনপি শাখার পুটুর ছাল ছালাইয়া লইলেন, এইরুপ অসংখ্য সত্য কথা এই পুস্তকের পাতায় পাতায় লিখা।

বুকে কিল মেরে পরবর্তী পেরায় ফখা বলেন, বাজারে এখন টাকায় আট মন সত্য কথা পাওয়া যাইতেছে। পরিস্থিতি এখন এমন খারাপ যে দুটু মিথ্যা কথা শুনার জন্য কারওয়ানবাজারের সর্দার মতিচুর রহমান আজমীর পকেটে টেকার বান্ডিল ঢুকাইতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনের পর এক পর্যায়ে উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছে নিজের সংগ্রহে থাকা আজগুবি কথক খন্দকারের ‘১৯৭১: ভিতরে বাইরে’ বইটি অর্ধেক দামে বিক্রয় করার জন্য মির্জা ফখরুল চাপাচাপি শুরু করলে সাংবাদিকরা দ্রুত হোটেল কক্ষ তেগ করেন।

%d bloggers like this: