Posts tagged ‘মকবুল’

August 12, 2013

‘কানাবাবা’র মুক্তির দাবীতে ৪৮ ঘন্টার হরতাল ডেকেছে বৃহত্তর জামায়াত

নিজস্ব মতিবেদক

বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর মানবাধিকার শাখার আমীর ও দেশের শুদ্ধতম মানবাধিকার কর্মী আদিলুর রহমান শুভ্র ওরফে ‘কানাবাবা’র মুক্তির দাবীতে মংগল ও বুধবার ৪৮ ঘন্টার হরতাল ডেকেছে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলাম।

আজ সারা দেশে হরতালের সমর্থনে খন্ড খন্ড মিছিল করে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্র শিবিরের খানকির পোলা নেতা কর্মী বৃন্দ।

বৃহত্তর জামায়াতের ৪৮ ঘন্টা হরতালকে সমর্থন জানিয়ে এক তাতক্ষনিক প্রতিক্রিয়ায় ‘হেফাজতে মাহমুদুর’এর প্রতিষ্টাতা আমীর ও কারওয়ানবাজারের সর্দার মতিচুর রহমান আজমী বলেন, আমরা এই হরতাল সমর্থন করছি।

মতিচুর রহমান বলেন, সামনে বৃহত্তর জামায়াতের অনেক একশন আছে। এই একশনে ৫-১০টা লাছ পড়বে। কিন্তু বাংলাদেশে ১৬ কুটি মানুষ। ৫-১০টা লাছ আজকাল চলতে ফিরতেই পড়ে যায়। তাই জন মত তৈয়ার করতে গেলে ৫ হাজার বা ১০ হাজার লাছের প্রয়জন হয়। এত লাছ তো আর ফেলা সম্ভব না। বা সম্ভব হইলেও অনেক খরচ। তাই আমরা ৫-১০টা লাছ ফেলিয়াই ৫-১০ হাজার বানাইয়া দিতে চাই। আর সেই কাজের জন্যই আমাদের প্রয়জন মাহমুদুর রহমান ও কানাবাবা শুভ্রকে।

আবেগঘন কণ্ঠে মতিচুর বলেন, আমরা নিজেরা পুটু মারা খাইতে চাই না। আমাদের একটা ইজ্জত আছে। কিন্তু মাহমুদুর রহমান বা কানাবাবা শুভ্রের কুন ইজ্জত নাই। তাই তারা ৫-১০টা লাছরে ৫-১০ হাজার বানাইয়া রিপট লিখতে পারে। তাদের সেই হেডম আছে। আমরা শুধু তারা যা লিখছে সেই কথা রিপিট করতে পারি। তারা রিপট করবে, আমরা রিপিট করব। বৃহত্তর জামায়াতের সংগে আমাদের এমনই চুক্তি। এখন রিপট লিখার লোকই যদি ময়দানে না থাকে, রিপিট করব কাকে?

৪৮ ঘন্টা হরতাল বিষয়ে বৃহত্তর জামায়াতের ভাঁড়প্রাপ্ত খানকির পোলায়ে আমীর মকবুল আহমদের সংগে যোগাযোগ করা হলে তিনি মুঠোফোনে মতিবেদককে বলেন, মতিচুর রহমান আজমী সম্পর্কে আমার অবৈধ ভাতিজা হলেও তার এলেমকে আমি শ্রদ্ধা করি। এ বেপারে সে যা বলছে সেইটাই ফাইনাল, আমার আর কিছু বলার নাই।

August 1, 2013

রমজানে বৃহত্তর জামায়াতের জ্বালাও পোড়াও

নিজস্ব মতিবেদক

পবিত্র রমজান মাসে বিশেষ জ্বালাও পোড়াও কর্মসুচী ঘোষনা করেছে ১৯৭১ সালের ঘাতক দালালদের সংগঠন বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামী।

আজ উচ্চ আদালতের রায়ে নির্বাচন কমিশনে বৃহত্তর জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল হওয়ার পর সারা দেশে এই কর্মসুচী ঘোষনা করে জামায়াত।

রায়ের প্রতিক্রিয়ায় এক সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের ভাঁড়প্রাপ্ত খানকির পোলায়ে আমীর মকবুল আহমদ বলেন, রমজানে বাড়িতে চুলা বন্ধ থাকে। এতে করে সারা দেশে আগুনের বেলান্স নস্ট হয়। তাই আমরা পাবলিকের গাড়িতে আগুন দিয়া বেলান্স ফিরাইয়া আনব।

পাবলিকের গাড়িতে আগুন না দিয়ে কেন বৃহত্তর জামায়াত নিজেদের প্রতিষ্ঠানের গাড়ি ও বাসা বাড়িতে আগুন দিয়ে বেলান্স প্রতিস্ঠা করছে না এমন প্রশ্নের জবাবে মকবুল আহমদ বলেন, সারা দেশের চুলার নিরবতাকে কি শুধু কতিপয় জামায়াতের খানকির পুলার গাড়ি বাড়িতে আগুন দিয়া বেলান্স করা যাবে?

বংগবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল হাসপাতালের আরাম দায়ক বিলাস বহুল কারা কক্ষে ৯০ বতসর আরামদন্ড প্রাপ্ত জামায়াতের সাবেক খানকির পোলায়ে আমীর অধ্যাপক গোলাম আজম বলেন, আমার বরইয়ের আচার শেষ হয়ে গেছে। আচার দিয়া যাও।

নিবন্ধন বাতিল হওয়ায় বৃহত্তর জামায়াতকে সান্তনা দিয়ে বিএনপি শাখার ভাঁড়প্রাপ্ত নায়েবে আমীর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আমরা আছি। আপনারা আমাদের পিছে আসিয়া বসবেন। এইসব নিবন্ধন বাতিল কুন বিষয়ই নহে। জিয়া পরিবার রইদ বিস্টিতে আপনাদের মাথায় ছাতা ধরবে। কয়েক কুটি টেকা মাঝে মধ্যে দিয়া যাবেন, তাহলেই হবে।

May 8, 2013

এবার চাঁদের গায়ে দেখা গেল কামারুজ্জামানের পুটু

নিজস্ব মতিবেদক

আগামীকাল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর খানকির পোলায়ে নায়েবে আমীর কামারুজ্জামানের বিচারের রায় ঘোষনার আগের রাতে চাঁদের বুকে এবার ভেসে উঠল কামারুজ্জামানের পুটু।

এর আগে চাঁদের বুকে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর খানকির পোলায়ে নায়েবে আমীর আল্লামা দেলাওয়ার হোসেন সাঈদীর মুখ ভেসে উঠেছিল।

কামারুজ্জামানের পুটুর ছবি চাঁদের বুকে ভেসে ওঠায় বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে বৃহত্তর জামায়াতের নেতা কর্মীদের মাঝে চাঞ্চল্যের সৃস্টি হয়।

বৃহত্তর জামায়াতের কর্মীরা দেশের কিছু কিছু স্থানে মসজিদের মাইকে ঘোষনা দিয়ে এলাকা বাসীকে উত্তেজিত করার চেস্টা করলেও কামারুজ্জামানের রোমরাজিতে পুর্ন পুটু দেখে এলাকাবাসীরা হতাশ হয়ে ঘরে ফিরে যান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জনৈক এলাকাবাসী বলেন, উপর দিয়া ফিটফাট ভিতর দিয়া সদরঘাট। কামারুজ্জামান সর্বদা সুট বুট পরিধান করিয়া থাকেন কিন্তু পুটুর অবস্থা যাচ্ছেতাই। নানা আকারের খোস পাছড়ায় তার পুটু ক্ষত বিক্ষত।

ইবনে সিনা মেডিকেলের চিকিতসা সেবার প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে মসজিদের মাইক বেবহার করে উত্তেজনা ছড়ানর কাজে নিয়োজিত এক বৃহত্তর জামায়াত কর্মী বলেন, কামারুজ্জামানের পুটু দেখে আমরা ক্ষুব্ধ ও মর্মাহত। ইবনে সিনা সঠিক চিকিতসা করলে আজ এ পরিস্থিতি দেখা দিত না। এই পুটু দেখে ব্রাদারফাকার সাকা ছাড়া আর কেউ উত্তেজিত হবেন না।

চাঁদের বুকে কামারুজ্জামানের পুটু

এ বেপারে বৃহত্তর জামায়াতের ভাঁড়প্রাপ্ত খানকির পোলায়ে আমীর মকবুল আহমদের সংগে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, কামারুজ্জামানের পুটু দুই বছর আগেও এ রকম ছিল না। বাকশালী নাস্তিক সরকারের ফেসিবাদী পুলিশের হাতে পড়িয়া তার সুন্দর পুটুটির এইরুপ ভগ্ন দশা। পুলিশ তার পুটুটিকে জলিল কর দিয়া।

বংগবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের কারা কক্ষে বন্দী বৃহত্তর জামায়াতের সাবেক খানকির পোলায়ে আমীর অধ্যাপক গোলাম আজম মতিবেদককে বলেন, পুটুটি যে কামারুজ্জামানের তাতে কুন সন্দেহ নাই। এই পুটু আমার অতি পরিচিত। খোস পাছড়াও আল্লাহর দান, এইসব নিয়া বেশী অভিযোগ করা ঠিক নহে। কামারুজ্জামানের পুটুর বদনাম করছে, তাদের পুটু কামারুজ্জামানের পুটু হতে অধিক সুন্দর নহে, পঞ্চাস টেকা বাজি।

এ বেপারে বিশিষ্ঠ কবি, দার্শনিক ও হেকিমী চিকিতসক ফরহাদ মজহার লুংগির বক্তব্য জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, কামারুজ্জামানের পুটুটি চাঁদের নেয় সুন্দর, গোলাকার ও বন্ধুর উপরিপৃস্ঠ বিশিষ্ঠ। চাঁদের যেমন অপর পিঠ দেখা যায় না, কামারুজ্জামানের পুটুর অপর পিঠও আমি দেখতে চাই না। আরবীতে কামারুন মানেও চাঁদ। কামারুজ্জামান মানে চাঁদের নেয় পুটু যাহার। আজ এই অলৌকিক ঘটনার পর হতে আমি তাকে চাঁদপুটু বলে ডাকব।

আবেগঘন কণ্ঠে লুংগি বলেন, চাঁদের গায়ে চাঁদ লেগেছে, আমরা ভেবে করব কি?

March 31, 2013

বাকশাল আমাদের রাজনীতী চুরি করে: মকবুল

নিজস্ব মতিবেদক

ক্ষমতাসীন বাকশাল সরকারের প্রতি চুরির অভিযোগ এনে বৃহত্তর জামায়াতের ভাঁড়প্রাপ্ত খানকির পোলায়ে আমীর মকবুল আহমদ বলেছেন, বাকশাল বৃহত্তর জামায়াতের রাজনীতী চুরি করে।

আজ এক সংবাদ সম্মেলনে মকবুল আহমদ এ অভিযোগ করেন।

মকবুল বলেন, আমরা ইসলামের নামে দুটি বেবসা করে খাই। এই বেবসায় বাকশাল সরকারকে জিজিয়া কর হিসাবে উপযুক্ত ভাগ বখরা ও চান্দা প্রভৃতি দিয়া থাকি। কিন্তু বাকশাল একটি অভিশাপ। তারা আমাদের রাজনীতী চুরি করার চেষ্টা করে।

আবেগঘন কণ্ঠে মকবুল বলেন, সারা দেশে এখন নাস্তিকদের উপর বাকশালী সরকারের নির্যাতন নিপীড়ন চলমান। মৌলবাদী ওলামা মাশায়েখরা সরকারের কাছে নাস্তিকদের কাল তালিকা পেশ করে তাদের শাস্তি চায়। আমরা যখন শান্তি পুর্ন ভাবে দুই চারটি নাস্তিককে জবেহ করা শুরু করেছি, তখনই তাদের উপর বাকশালী সরকারের এই বৈষম্য মুলক আচরন শুরু হল। এ মেনে নেওয়া যায় না।

অবিলম্বে নাস্তিক নিপীড়নের অধিকার বৃহত্তর জামায়াতের হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবী জানিয়ে মকবুল বলেন, আজ তারা নাস্তিক শিকার করছে, আগামী কাল হয়ত মন্দির পুড়াবে, হিন্দু নারী ধর্ষন করবে। আমাদের সব মজা বাকশালের ফেসিবাদীগন লুট করার মতলবে আছে।

মকবুল আহমদ বলেন, আমরা নাস্তিকদের পাশে আছি। বাকশাল তাহাদের মারার আগেই আমরা তাহাদের জবেহ করব ইনশা আল্লাহ।

বেশী বাড়াবাড়ি না করার হুমকি দিয়ে ভাঁড়প্রাপ্ত খানকির পোলায়ে আমীর বলেন, বাকশাল পুনরায় আমাদের রাজনীতী চুরি করলে আমরা আমাদের গঠনতন্ত্রে ধর্মনিরপেক্ষতা ও সমাজতন্ত্র যোগ করব।

%d bloggers like this: