Posts tagged ‘মুন্নী সাহা’

December 13, 2013

এরশাদ ভুল বন্দুকে সঠিক তেল দিছেন: জব্বার

নিজস্ব মতিবেদক

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল ও আপীল বিভাগের নির্মম বলি, মেধাবী শিক্ষক ও বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর খানকির পোলায়ে নায়েব আবদুল কাদের মোল্লা ওরফে কসাই কাদেরের ফাঁসি কার্যকর হওয়ার পর পরই অসুস্থ হয়ে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে দাখিল হয়েছেন সাবেক স্বৈরাচার ও রাস্ট্রপতি পল্লীবন্ধু রহস্যপুরুষ আলহাজ্জ হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।

বৃহস্পতিবার রাত্রে অসুস্থ বোধ করায় বাসভবনের নিচে পাহারায় রত রেব সদস্যদের সহায়তায় পল্লীবন্ধু সিএমএইচে গমন করেন। এ সময় বিখ্যেত সাংবাদিক মুন্নী সাহাও তার সংগে ছিলেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক রেব কর্মকর্তা বলেন, সারকে ধরাধরি করিয়া নিচে নামাইতে হইছে। এরপর উনাকে আমরা এপিসিতে ঢুকাইয়া সিএমএইচে নিয়া গেছি।

এদিকে তাতক্ষনিক প্রতিক্রিয়ায় বাংলার তথ্য প্রযুক্তির দিকপাল বাংলার জবস মোস্তফা জব্বার মতিকণ্ঠকে বলেন, রেব পুলিশ গ্রেফতার করতে আসলে আত্মহত্যার জন্য পল্লীবন্ধু চারটি বন্দুকে গোলা বারুদ ঢুকাইয়া সর্বদা হাতের কাছে রাখতেন। কিন্তু সম্প্রতি উনার বন্দুকের নলগুলি খাড়া হইতেছিল না। ত সে কারনে পল্লীবন্ধু আমায় মুঠোফুন মেরে বললেন, জবস, জলদি জলদি জব্বর চাইর শিশি ‘বিজয় তেল’ প্রস্তুত করিয়া পাঠাও। বন্দুকের নলে দিব। আমি সরল মনে তাকে চারটি বড় শিশি ভর্তি করিয়া ‘বিজয় তেল’ পাঠাইলাম। আজ শুনি তিনি অসুস্থ হইয়া হাসপাতালে।

পল্লীবন্ধুর প্রতি অসন্তষ প্রকাশ করে জব্বার বলেন, বিজয় তেলের বদনাম করিয়া কুন ফয়দা নাই। আমার ধারনা তিনি সঠিক তেল ভুল বন্দুকে প্রয়গ করিয়া আজ বিপদাপন্ন।

এ বেপারে মুন্নী সাহার সংগে যোগাযোগ করা হলে তার মুঠোফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

May 10, 2013

মালটা ফ্রেস: মুন্নী সাহা

নিজস্ব মতিবেদক

সাভারের রানা প্লাজার ধ্বংস স্তুপ হতে ১৭ দিন পর জীবীত উদ্ধার কৃত রেশমা সম্পর্কে এটিএন সাংবাদিক ও সাবেক স্বৈরাচার রাস্ট্রপতি পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের পরিচিত বেক্তি মুন্নী সাহা বলেছেন, মালটা ফ্রেস।

আজ সাভারের ধ্বংস স্তুপের সামনে মুন্নী সাহা এ কথা বলেন।

মুন্নী সাহা বলেন, ১৭ দিন ধ্বংস স্তুপের নিচে খানা খাদ্য পানীয় এটিএন বেতীত বাচিয়া ছিল রেশমা। ইহা এমনই অবিশ্বাস্য ঘটনা যে আমি কুন মতেই বিশ্বাস যাইতে পারি না। তার চেহারা দেখেন, কি রকম জেল্লা বাইর হইতেছে। দেখলে মনে হয় এই মাত্র পারসনা হইতে বাইর হইল। গার্মেন্টসের মাইয়া ১৭ দিন না খাইয়া এত ফ্রেস কেন?

আবেগঘন কণ্ঠে মাইক হাতে মুন্নী সাহা বলেন, বিগত ৪৫টি বতসর হেন স্নো পাউডার, হেন মলম মশলা নাই যা আমি মাখি নাই। তারপরও টিভিতে আমার চেহারা দেখলে কুলের বাচ্চা পেন্ট নষ্ট করে। বাচ্চার পিতা মাতা চেনেল চেঞ্জ করিয়া দেয়। রিকশায় পাচ টেকা বেশী ভাড়া দিতে হয়, সিএনজি চালক আমায় পেসেঞ্জার লইতে চায় না। গ্রামে গঞ্জে বাচ্চাদিগকে রাত্র কালে ঘুম পাড়ানর সময় বলা হয়, ঘুমা রে গেদা ঘুমা নাইলে মুন্নী সাহা আইব। একমাত্র কদর করেন পল্লীবন্ধু এরশাদ। অথচ রেশমা ১৭ দিন না খাইয়া একদম ফ্রেস। এইটা আবার কুন বিচার?

মুন্নী সাহা

ক্ষুব্ধ কণ্ঠে মুন্নী সাহা বলেন, স্বয়ং পল্লীবন্ধুও রেশমার ফ্রেস থাকা নিয়া আমায় বকাবকি করেছেন। তিনি বলেছেন, প্রতিদিন ডিম দুধ কলা জুছ খাইয়াও তিনি ফ্রেস থাকতে পারেন না, ঘন ঘন লেজার মারিয়া চামড়া টান করতে হয়, আর ১৭ দিন না খাইয়া কুন সাহসে রেশমা ফ্রেস থাকে? সর্বপরি জীবনে এই প্রথম বার তিনি আমায় বলিয়াছেন, মুন্নী একটু ফ্রেস হইতে চেস্টা কর।

গায়ে উড়ে এসে বসা শত শত মাছি সরাতে সরাতে মুন্নী সাহা বলেন, আমার সন্দেহ রেশমা ঐ ধ্বংস স্তুপে আটক ছিলই না। তাকে বাকশালী সরকার গুপনে এই চিপার মধ্যে ঢুকাইয়াছে। এই কারনেই মালটা এত ফ্রেস।

রেশমা ফ্রেস হলে মুন্নী সাহার কি সমস্যা, দর্শকের এমন প্রশ্নের জবাবে কাদতে কাদতে মুন্নী সাহা বলেন, কিছু কথা থাক না গুপন।

November 9, 2012

মেজিক বল নিয়ে আগ্রহী পল্লীবন্ধু

নিজস্ব মতিবেদক

ওজন বাড়াতে চিংড়ি মাছের মাথায় কৌশলে ঢোকানো হয়েছে মেজিক বল।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ফেনী শহরের বড় বাজারে অভিযান চালাতে গিয়ে অসাধু মাছ ব্যবসায়ীদের অভিনব এ পন্থা ভেজাল বিরোধী ভ্রাম্যমাণ আদালতের নজরে পড়ে। এ ঘটনায় প্রায় এক মণ চিংড়ি জব্দ করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী মেজিষ্ট্রেট ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনসুর উদ্দিন জানান, গতকাল রাতে বড় বাজারে মাছের পাইকারি আড়তে অভিযান চালানো হয়। এসময় চিংড়ির মাথায় মেজিক বল পাওয়া যায়। এগুলো এক ধরনের প্লাস্টিক বল, যা পানির সংস্পর্শে ফুলে বড় হয় ও ওজন বাড়ে। মূলত মাছের ওজন বাড়াতেই ব্যবসায়ীরা এটি করেছে। তবে ভ্রাম্যমাণ আদালতে আসছে বলে খবর পেয়ে মাছ বিক্রেতারা পালিয়ে যায়। পরে এই বল দেওয়া এক মণ চিংড়ি জব্দ করা হয়। জব্দ করা চিংড়ি ৪৭০ টাকা কেজি দরে নিলামে বিক্রি করা হয়।

এ চিংড়ি নিলামে ক্রয় করেন সাবেক স্বৈরাচার রাস্ট্রপতি ও পল্লীবন্ধু আলহাজ্জ্ব হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।

এরশাদ উৎফুল্ল কণ্ঠে মতিবেদককে বলেন, বিজ্ঞান আমাদের দিয়েছে বেগ, কেড়ে নিয়েছে আবেগ। মেজিক বল এক আশ্চর্য আবিষ্কার। আমি মেজিক বলগুলি বের করে চিংড়িগুলি ফেলে দিব। এই মেজিক বল আমার অনেক কাজে লাগবে।

আবেগঘন কণ্ঠে পল্লীবন্ধু বলেন, পানির সংস্পর্শে ফুলে বড় হয় ও ওজনে বাড়ে, এমন জিনিসই খুজছিলাম।

হিনা রব্বানি খারের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে এরশাদ বলেন, সে হুড়াহুড়ি করে পাকিস্তান ফিরে গেল। ঢাকায় আর দুই তিনদিন থাকলে সে মেজিক বলের মজা উপভোগ করতে পারত।

পল্লীবন্ধুর মেজিক বল ক্রয়ের খবরে সন্তোষ প্রকাশ করে এটিএন বাংলার হেড সাংবাদিক মুন্নী সাহা বলেন, পল্লীবন্ধু মেজিক বল খরিদ করে সঠিক কাজটি করেছেন।

পৃথক প্রতিক্রিয়ায় পল্লীবন্ধুর সাবেক স্ত্রী ও কলামিষ্ট বিদিশা বলেন, এরশাদ অসময়ে বিজ্ঞানের সুফল ভোগ করছেন। কোথায় ছিল বিজয় টেবলেট, যখন আমি তার পত্নী ছিলাম? কোথায় ছিল মেজিক বল, যখন আমি তার অংকশায়ীনী ছিলাম?

কান্নাবিজড়িত কণ্ঠে বিদিশা বলেন, বিজ্ঞানের গুড় সব মুন্নী সাহা খেয়ে ফেলে।

October 3, 2012

সাংসদ গোলাম রেজাকে বহিষ্কার করলেন পল্লীবন্ধু, স্বাক্ষর নিয়ে জটিলতা

নিজস্ব মতিবেদক

জাতীয় পার্টির হুইপ ও প্রেসিডিয়াম সদস্য সাংসদ গোলাম রেজাকে বিশ্বাসঘাতকতার অপরাধে বহিষ্কার করেছেন সাবেক স্বৈরাচার ও পল্লীবন্ধু বিজয় টেবলেটসেবী আলহাজ্জ্ব হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।

আজ এক সংবাদ সম্মেলনে এরশাদ বলেন, গোলাম রেজা একটি অভিশাপ। আমি তাকে বহিষ্কার করলাম।

পল্লীবন্ধু বলেন, গোলাম রেজার কাছে আমি রাষ্ট্রপতি থাকা কালে চুরি করা টেকাটুকা গচ্ছিত রেখেছিলাম। খানকির পুলা সেই টেকা খরচ করে ফেলে। সেই টেকা দিয়ে সে সিনামা দেখে, ব্রেন্ডের শাট পেন্ট জাংগিয়া খরিদ করে, পারসনা এডামসে গিয়ে পুটু মালিশ করায়। এদিকে আমি এক বস্ত্র পরিধান করে ঘুরি।

আবেগঘন কণ্ঠে এরশাদ বলেন, শুধু টেকা চুরি করলে আমি বেশী মাইন্ড করতাম না। আমার কত টেকা আন্দালিব পার্থর পিতা নাজিউর রহমান মঞ্জুর মেরে দিল। আমি ত মঞ্জুরকে কিছু বলি নাই। কিন্তু গোলামের গোলাম গোলাম রেজা আমার সাবেক স্ত্রী বিদিশার সাথে রাতে মুঠোফোন মারামারি করে। সে আমার ধনের ক্ষতি সাধন করতে চায়।

এ বেপারে প্রতিক্রিয়া জানতে গোলাম রেজার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এরশাদ একটি অভিশাপ। তিনি বহিষ্কার করেছেন কিন্তু বহিষ্কারাদেশে স্বাক্ষর করেন নাই। বদলে তিনি টিপ সই দিয়েছেন। কিন্তু টিপ সইটি আংগুলের মাধ্যমে দেওয়া হয়নি। অন্য কিছুর মাধ্যমে দেওয়া হয়েছে।

কিসের মাধ্যমে পল্লীবন্ধু টিপ সই দিয়েছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, আপনারা এ বেপারে মুন্নী সাহার সংগে কথা বলুন।

সাংবাদিক মুন্নী সাহা বলেন, এরশাদ বহিষ্কারাদেশে যে টিপ সই দিয়েছেন, তা এরশাদেরই টিপ সই। তাতে কোন সন্দেহ নাই। তবে এই টিপ সই আংগুলের নয়।

%d bloggers like this: