Posts tagged ‘যুদ্ধাপরাধ’

July 29, 2015

সাকার নতুন রোল

কাজ চলে যায় যে কোনো ফুটোতে
খাপ যদি খায় আকার
নামেতে ‘ফাকার’ জুড়ে তাই লোকে
মওকা পেলেই ডাকার

আদালতে দেয়া রায় শুনে হায়
হলো না সুযোগ হাঁকার:
“স্পিকার, তবে কি নিয়তি আমার
চোদনা হয়েই থাকার?”

মাদার, ব্রাদার, গনিমতি মাল
ছিলো ইহকালে সাকার
ইনশাআল্লাহ আখিরাতে হবে
হুর-গেলমান ফাকার

April 5, 2012

শাকিব খানকে ট্রাইবুনাল অবমাননার আহ্বান জানাল মাদারফাকার সাকা

আদালত মতিবেদক

নাম্বার ওয়ান নায়ক শাকিব খানকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল অবমাননার আহ্বান জানাল বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার নেতা ও যুদ্ধাপরাধী মাদারফাকার সাকা।

আজ আদালতে শুনানিকালে মাদারফাকার সাকা উচ্চস্বরে এ দাবী করে।

মাদারফাকার সাকা বলে, এই ট্রাইবুনাল আদালত অবমাননার দায়ে এম কে আনোয়ারের নেয় একটি পুটুপাকা বৃদ্ধকে আমার সেলে ঢুকাতে চায়। আমি ট্রাইবুনালের সকল মতলব বুঝি। এম কে আনোয়ার আমার পিতার বয়সী। পাকিস্তান আমলেই তার পুটু শুকিয়ে গড়াই নদী হয়ে গেছে। আমাকে ছলে বলে কৌশলে একটি শুষ্ক পুটু গছিয়ে দিতে চায় এই ট্রাইবুনাল। কিন্তু আমি এই ষড়যন্ত্র সফল করতে দিব না।

অল রাউন্ডার শাকিব খান

মাদারফাকার সাকা বাংলার কিং খান শাকিব খানকে ট্রাইবুনাল অবমাননার আহ্বান জানিয়ে বলেন, শাকিব তুমি আদালত অবমাননা করে আমার সংগে কারাবন্দী হও। আমি তোমাকে সুখে রাখব।

রাষ্ট্রপক্ষের কৌসুলী জেয়াদ আল মালুম এ সময় প্রতিবাদ করে বলেন, শাকিব খান চট্টগ্রামের লোক নয়। তাই তাকে মাদারফাকার সাকার সাথে এক কারা কক্ষে রাখা ঠিক হবে না।

মাদারফাকার সাকা জবাবে বলে, বাত্তি নিভাইলে চট্টগ্রাম দিনাজপুর সব সমান।

এ সময় ট্রাইবুনাল মাদারফাকার সাকাকে লাইনে আসার অনুরোধ করে বলেন, মিষ্টার চৌধুরী, এটা আদালত। উল্টাপাল্টা কথা বললে আপনার সেলে রজনীকান্তকে পাঠান হবে। এ কথা বলার পর মাদারফাকার সাকা চুপ করে যায়।

April 3, 2012

ট্রাইবুনাল টারজানের আইনকেও হার মানিয়েছে: আনোয়ার

বিশেষ মতিবেদক

বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার নেতা এম কে আনোয়ার বলেছেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল টারজানের আইনকেও হার মানিয়েছে।

আজ এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবী করেন।

এম কে আনোয়ার বলেন, আপনারা জানেন, টারজান বনের রাজা। তার মুখের কথাই আইন। কোথাও অন্যায় অত্যাচার দেখলেই সে লতাপাতা ধরে দুল খেয়ে অকুস্থলে হাজির হয়। অপরাধীকে মানুষ হোক আর পশু, তাকে ধরে পুটু মেরে দেয়।

আনোয়ার বলেন, আমাদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল টারজানকেও হার মানিয়েছে। তারা বনের পশুর চেয়েও বড় পশু, জামায়াতে ইসলামীর খানকির পোলাদের বিচার করছে।

তিনি আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, একাত্তরে এই খানকির পোলারা বাংলাদেশে যা করেছে তা বর্ননার ভাষা আমার জানা নাই। পাকিস্তানের দালালী আমিও করেছি। কিন্তু এই খানকির পোলাদের কাছে আমি শিশু।

জামায়াতে ইসলামীর বিচারাধীন সকল খানকির পোলার নিঃশর্ত ফাঁসী দাবী করে আনোয়ার বলেন, এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে।

ট্রাইবুনালকে প্রয়োজনীয় সকল সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে এম কে আনোয়ার বলেন, ট্রাইবুনাল টারজান হলে আমি হব চিতা। কুক কুক কুক।

January 17, 2012

বিএনপি কোনো দিনও বলেনি বিচার চাই না: নজরুল

স্টাফ মতিসপন্ডেন্ট
মতিনিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ঢাকা: বিএনপি কোনো দিনও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে বিরোধিতা করেনি বলে দাবি করেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, ‘বিএনপি কোনো দিনও বলেনি বিচার চাই না। আমরা নিরপেক্ষ বিচার চাই।’

রোববার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সংস্কৃতি ও শহীদ জিয়া’ শীর্ষক আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে নজরুল ইসলাম খান এ কথা বলেন। তিনি বলেন, যুদ্ধাপরাধের বিচার স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ হতে হবে। স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা রক্ষার স্বার্থে যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের বিচার করার আগে অন্যান্য যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের উদ্যোগ গ্রহন করতে হবে বলে অভিমত বেক্ত করেন তিনি।

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ১০০০ হাজার জন সঙ্গী নিয়ে ওহুদ যুদ্ধ করতে গিয়েছিলেন। যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগেই ৩০০ লোক রাসূলুল্লাহ (সাঃ) পক্ষ তেগ করে মুশরেকদের দলে যোগ দিয়েছিল। এই ৩০০ লোককে তাই টেকনিকেলি যুদ্ধাপরাধী বলা চলে। যুদ্ধাপরাধের বিচারের নিরপেক্ষতা বজায় রাখার স্বার্থে জামায়াতের নেতাদের বিচার করার আগে এই ৩০০ লোকের বিচার করতে হবে বলে মত প্রকাশ করেন তিনি।

নজরুল ইসলাম খান আরো বলেন, ১৯৫৭ সালের ২৩শে জুন পলাশীর আম্রকাননে বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব ও তার ফরাসী সহযোগীদের বিরুদ্ধে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বিজয়লাভের মধ্য দিয়ে মুসলিম বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হয়েছিল। সে যুদ্ধে নবাবের প্রধান সেনাপতি মীর জাফর আলী খান তার অধীনস্থ ১৬,০০০ সৈন্য নিয়ে নবাবের সাথে বেঈমানী করেছিলো। তাই টেকনিকেলি মীর জাফর ও তার অধীনস্থ ১৬,০০০ সৈন্যকেও যুদ্ধাপরাধী বলা যায়। তিনি বলেন, যুদ্ধাপরাধের বিচারের নিরপেক্ষতা বজায় রাখার স্বার্থে জামায়াত নেতৃবৃন্দের বিচার করার আগে মীর জাফর ও তার অধীনস্থ ১৬,০০০ সৈন্যের যুদ্ধাপরাধের বিচার করতে হবে।

নজরুল ইসলাম খান দাবি করেন, দেশে কোন যুদ্ধাপরাধী নেই। যুদ্ধাপরাধী যারা ছিল মুক্তিযুদ্ধের সময় মেজর জিয়াউর রহমান তাদের নিজ হাতে হত্যা করেছিলেন। তিনি আরো বলেন, জিয়াউর রহমান ছিলেন একাত্তরের রেম্বো।

যুদ্ধাপরাধের বিচারের স্বচ্ছতা কেমন হওয়া চাই, জানতে চাইলে নজরুল ইসলাম খান বলেন, যুদ্ধাপরাধের বিচার মেডাম জিয়ার জর্জেট শাড়ির মত স্বচ্ছ হওয়া চাই।

%d bloggers like this: