Posts tagged ‘শেখ হাসিনা’

December 5, 2013

পুনরায় জব্বারের সাহায্য চাইলেন এরশাদ

নিজস্ব মতিবেদক

নাটকীয় ভাবে জাতীয় পার্টির নির্বাচন বর্জনের ঘোষনা দিয়ে গৃহবন্দী অবস্থা বরন করেছেন সাবেক স্বৈরাচার ও পল্লীবন্ধু রহস্যপুরুষ আলহাজ্জ হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। এমতাবস্থায় বাকশালী সরকারের ফেসিবাদী রেব ও পুলিশ তার বাসস্থান ঘেরাও করলে আত্মহত্যার হুমকি দিয়েছেন সাবেক সেনা প্রধান এই জেনারেল।

বুধবার রাতে নিজ বাসভবনে স্বচ্ছ ও আন্তর্জাতিক মানের রেশমী নাইট গাউন পরিধান করে সংবাদ সম্মেলন আহোভান করেন পল্লীবন্ধু (৯২)।

এরশাদ বলেন, আমি অনেক প্রত্যাশা নিয়া মহাজুটে যোগ দিছিলাম। শেখের বেটী আমায় ওয়াদা করেছিল, সে আমায় রাস্ট্রপতি বানাবে, আমার নামে যত মিথ্যা মামলা আছে তা তুলিয়া লবে, আর বতসরে একবার করিয়া মুরগ পলাও রান্না করিয়া খাওয়াবে। কুন ওয়াদাই সে রাখে নাই।

আবেগঘন কণ্ঠে পল্লীবন্ধু বলেন, আমার সংগে যে ওয়াদা ভংগ করে, আমিও তার সংগে ওয়াদা ভংগ করি। ইন ফেক্ট, আমি সবার সংগেই ওয়াদা ভংগ করি। কিন্তু প্রশ্ন সেটা নহে। প্রশ্ন হচ্ছে, আবার আমি কারাগারে ঢুকব কিনা? উত্তর হচ্ছে, ঢুকব না।

নাইট গাউনের পকেট হতে চারটি পিস্তল হাতে নিয়ে এরশাদ বলেন, আমি একজন মুমিন সৈনিক। মুমিন কখনও মৃত্যুকে ভয় করে না। সৈনিকও মৃত্যুকে ভয় করে না। তাই আমি মৃত্যুকে পর পর দুইবার ভয় করি না। কুন খালেদার পুলা রেব পুলিশ যদি আমায় এরেষ্ট করতে আসে, এই চারটি পিস্তলের চল্লিসটি গুলি দিয়া আমি আত্মহত্যা করব।

নাইট গাউনের নিচের অংশ তুলে অশ্রু মুছে পল্লীবন্ধু বলেন, এর আগে যখন জেলে নিল, ভাবলাম দিনগুলি সেই সুনার খাচায় ভালই কাটবে। কিন্তু আমার ধারনা ছিল ভুল। জেলে একদিন রমজানের ইফতারে জেলারকে ডাকিয়া বললাম, রহমত দুইখান চমচম দিছ রে। জেলার রহমত হাসতে হাসতে বলল, মিস্টি মুস্টি নাই। বুট দিছি মুড়ি দিছি শসা দিছি জিলাপী দিছি এগুলি খান।

হুহু করে কেদে উঠে এরশাদ বলেন, জেলে রমজানে ইফতারে মিস্টি নেই। ও গ ও জেলে আমি কিভাবে যাব? তারচেয়ে হাম খুদকুশী কর লেংগে।


তারে নাগাল পেলে পলায় ছুটে লাগায় চুখে ধাধা

এক গ্লাশ লাল বর্নের শরবত পান করে এরশাদ বলেন, তফছিল ঘুষনার পর আমি শেখের বেটীর সংগে সাক্ষাত করিয়া বললাম, নির্বাচনে যাব। মুল্য এক হাজার কুটি টেকা মাত্র। শেখের বেটী আমায় ভেনিটি বেগ খুলিয়া একশত টেকা দিয়া বলল, আপাতত একশ টেকা লন, মিস্টি মুস্টি খান। বাকি নয়শত নিরানব্বই কুটি নিরানব্বই লক্ষ নিরানব্বই হাজার নয়শত টেকা নির্বাচনের পরে দিব। আমি একশত টেকা নিয়া বিক্রমপুর মিস্টান্ন ভান্ডারে গিয়া দুটি চমচম ভক্ষন করিয়া বাসায় আসিলাম। আসিয়া নেতা কর্মীদিগকে বললাম, চল ইলেকশন করি।

কাজী জাফর আহমদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে পল্লীবন্ধু বলেন, সবাই রাজী হল, শুদু হারামজাদা মহিষাশুর কাজী জাফর রাজী হল না। আমায় সে মুঠোফুন মেরে বলে কি, এক হাজার কুটি টেকার টেন পারসেন্ট আমায় দেও। আমি ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে বললাম, জাফর তুই মির জাফর হয়ে গিয়াছিস। আগে কত ভাল আছিলি। এইসব কি। হুয়াট ইজ টেন পারসেন্ট? সে শুদু হাসে আর বলে, টেন পারসেন্ট না দিলে পেন্ডরার বাক্স খুলিয়া তুমায় পুনরায় জেলের ভাত খাওয়াব গ পীরভাই।

কাদতে কাদতে এরশাদ বলেন, তারপরও আমি চেস্টা করেছি। কিন্তু ভারতের পর রাস্ট্র সচিব সুজাতা সিংহী আমার বাসায় আসিয়া বলল, হাসিনার নিকট হতে একশত টেকা নিয়া ডিল করছেন। এখন ডিল বাতিলের কুন সুযুগই নাই। আমি বললাম, হাসিনার একশত টেকা আমি প্রয়জনে নাইট গাউন বিক্রয় করিয়া ফিরাইয়া দিব, কিন্তু নির্বাচনে আমি আর যাব না। সুজাতা সিংহী আমায় তখন বলে কি, এখন ত জেলে ডিভিশন পাওয়া যায়। মিস্টি চমচম আলাল সব কিছুর বন্দবস্ত আছে। তবে কেন এমন কর?

ক্ষুব্ধ কণ্ঠে এরশাদ বলেন, আমার কথা একটাই, জেলে যাব না, যাব না, যাব না। বরং আত্মহত্যা করব।

এ সময় মুঠোফোনে কল এলে পল্লীবন্ধু কল ধরে হাসতে হাসতে বলেন, কে জব্বার? হুয়াটসাপ মাদাফাকা? শুন আই নিড ইউর হেল্প। আমি আত্মহত্যা করতে চাই, কিন্তু আমার পিস্তলের নলগুলি খাড়া হইতেছে না। তুমি কি পিস্তলের নলের জন্য চাইর শিশি ‘বিজয় তেল’ পাঠাইতে পারবা? থেংকিউ। আই ঔ ইউ ওয়ান, বিচ।

October 28, 2013

জিয়ার নেতৃত্বে মুক্তিবাহিনীই গনহত্যা করেছে: খালেদা

নিজস্ব মতিবেদক

বাকশালের উপদেস্টা হোসেন তৌফিক ইমাম এটিএন বাংলার সাংবাদিক জ ই মামুনের কাছে দাবী করেছেন, বাকশালের মহিলা আমীর জননেত্রী ভাষা কন্যা গনতন্ত্রের মানস কন্যা ড. শেখ হাসিনা ও বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার মহিলা আমীর ও জাতীয়তাবাদী শক্তির মালিক আপোষহীন দেশনেত্রী মাদারে গনতন্ত্র বেগম খালেদা জিয়ার ঐতিহাসিক ৩৭ মিনিট বেপী টেলিফোন সংলাপ তিনি সকলই শুনেছেন।

রাতে একটি টক শোতে চন্দ্র সুর্যকে সাক্ষী রেখে এইচ টি ইমাম বলেন, যাহা বলিব সত্য বলিব, মিথ্যা বলি ত গু খাই।

এইচ টি ইমাম বলেন, আমি বাকশালের আমীরের কাছেই সুফায় বসিয়া বিস্কুট দিয়া চা পান করিতেছিলাম। গনভবনের বিস্কুট যেন কারার ঐ লৌহ কপাট। দাতের চিপায় দিয়া চাবাইতে গেলে শাহাদত বরন ছাড়া গতি নাই। আবার বিস্কুট না খাইলে ফেসিবাদী মহিলা আমীর রাগারাগি করে। বাকশালের উপদেস্টা হওয়ার নছিব যেন আর কুন অভাগার না হয়।

আবেগঘন কণ্ঠে এইচ টি ইমাম বলেন, শেখের বেটী মেডামকে ফুন দেওয়ার পর মেডাম বললেন, এক দফা এক দাবী, গদি ছাড়িয়া কবে যাবি? জবাবে শেখের বেটী বললেন, গদি হতে আমায় নামাইতে গেলে ত নির্বাচন করতে হবে আপা। লাইনে আসুন। তখন মেডাম বললেন, বৃহত্তর জামায়াতের আমীর ওমরাহদিগের মুক্তি না দিলে নির্বাচনে যাব না। তখন শেখের বেটী বললেন, আরে উহারা ত একাত্তর সালে গনহত্যার দায়ে ফাসি খাবে, কেমনে ছাড়ি। তখন মেডাম বলেন, আমার খছম একাত্তরের রেম্ব জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে মুক্তিবাহিনীই একাত্তর সালে গনহত্যা করিয়াছে। আপনি যাদের বিচারের বেবস্থা করিয়াছেন উহারা সকলেই মাছুম।


গনহত্যা কারী মুক্তি বাহিনীর জনৈক নেতার সংগে খালেদা জিয়া

এইচ টি ইমাম বলেন, মেডাম এমন জুরে কথা বলতেছিলেন যে রেড টেলিফুন মুঠোফুন কুন কিছুরই আসলে দরকার আছিল না। ফুন ছাড়াই উনার আওয়াজ শুনা যাইত। যে বিস্কুটটি আমি গনভবনের চায়ে আধা ঘন্টা বেপী ভিজাইয়াও ভেঙ্গে ফেল কররে লপাট করিতে পারি নাই, ফুনের অপর প্রান্তে মেডামের আওয়াজে সেই বিস্কুটটি ভাংগিয়া আমার চায়ের কাপে শহীদ হইল।

অশ্রু মুছে এইচ টি ইমাম বলেন, মেডাম বলতেছিলেন, একাত্তর সালে কি হইছে না হইছে তার সকল রিপটই আমি বলিষ্ঠ সুপুরুষ জেনারেল আসিফ নেওয়াজ জানজুয়ার বাড়িতে নাস্তার কালে পাইতাম। একাত্তরের রেম্ব জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষনা দিয়া একাই অর্ধেক বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ করেন। তার নেতৃত্বেই মুক্তিবাহিনী গনহত্যা চালায়। অতএব গনহত্যার বিচার করতে গেলে সবার আগে জিয়াউর রহমানের বিচার করতে হবে। যেহেতু তিনি শাহাদত বরন করেছেন, অতএব একাত্তরের ঘটনা নিয়া আর কুন বিচার আচারের প্রয়জন নাই।

October 26, 2013

আপন দাবীতে অটল খালেদা

নিজস্ব মতিবেদক

বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর খানকির পোলা আমীর ওমরাহদের মুক্তির দাবীতে অটল রয়েছেন বৃহত্তর জামায়াতের বিএনপি শাখার মহিলা আমীর ও জাতীয়তাবাদী শক্তির মালিক আপোষহীন দেশনেত্রী মাদারে গনতন্ত্র বেগম খালেদা জিয়া।

আজ প্রধান মন্ত্রী ও বাকশালের আমীর জননেত্রী ভাষা কন্যা গনতন্ত্রের মানস কন্যা ড. শেখ হাসিনার সংগে ৩৭ মিনিট বেপী অন্তরংগ আলাপে নিজের অটল থাকার কথা বেক্ত করেন খালেদা।

মাদারে গনতন্ত্র টেলিফোনে শেখ হাসিনাকে বলেন, টেলিফুন করায় আপনাকে ধন্যবাদ জানাই শেখের বেটী। কিন্তু ধনুকের তীর, বন্দুকের গুলি, টিউবের টুথপেষ্ট ও হরতালের ঘোষনা একবার বাইর হইয়া গেলে আর ফিরান যায় না। যেহেতু জুম্মা বারে আমি হরতালের ডাক দিয়া ফেলিয়াছি, এখন আমার আর করার কিছু নাই।

অপর প্রান্ত হতে শেখ হাসিনা সংলাপের আমন্ত্রন জানালে বেগম জিয়া বলেন, এই কথা সত্য যে আমি সংলাপের দাবীতেই হরতাল ডাকিয়া বসছি। কিন্তু এখন ত দেরী হয়ে গেছে। সংলাপের দাবী করার ৬০ সেকেন্ডের মধ্যে আপনি যদি জাতির উদ্দেশে ভাষন দিয়া প্রকাশ্যে চন্দ্র সুর্যকে সাক্ষী রাখিয়া সংলাপে রাজী হইতেন, তাহইলে হয়ত হরতাল বন্দ করলেও করতে পারতাম। কিন্তু এখন আর সম্ভব নহে। জেলায় জেলায় পাড়ায় পাড়ায় মহল্লায় মহল্লায় বৃহত্তর জামায়াতের কেডার বৃন্দ বোম ককটেল নিয়া মাঠে নামিয়া পড়ছে। আমার রেড টেলিফুনটি নস্ট হইয়া গেছে, কেডারগুলিকে জনে জনে ফুন করিয়া যে হরতাল করিতে মানা করিব সে উপায়ও ত নাই। তাছাড়া হরতাল বৃহত্তর জামায়াতের ১৮টি শাখার জয়েন্ট দাবী। আমি একা বিএনপি শাখার মহিলা আমীর চাইলে কি হরতাল বাতিল হবে? আমি ত ছুট মানুষ।


আপোষ করিয়া বদনাম কামাইতে চাই না: খালেদা

নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের দাবী শেখ হাসিনা মেনে নিলে হরতাল বাতিল করা যেতে পারে বলে জানান বেগম জিয়া।

এ সময় শেখ হাসিনা বলেন, নির্দলীয় সরকারের দাবী আমি মানিয়া নিলে আপনি কেমনে হরতাল বাতিল করবেন? এই মাত্রই ত বললেন আপনি বিএনপি শাখার মহিলা আমীর ছুট মানুষ একা একা কিছু করতে পারবেন না। যদি একা কিছু করতে না পারেন, তাহইলে আমি নির্দলীয় সরকারের দাবী মানলে আপনি একা হরতাল বন্দ করবেন কিরুপে?

জবাবে মাদারে গনতন্ত্র বলেন, দেখেন এমনিতেই আপনি আজ সকাল দেড়টার সময় টেলিফুন করিয়া আমার ঘুম নস্ট করছেন। এখন আবার রাত্রকালে টেলিভিশন দেখায় দিষ্টাপ দিতে মুঠোফুনে কল করছেন। মুখে মুখে কথা না বলিয়া যাহা বলি তাহা করেন।

শেখ হাসিনা নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের জন্য খালেদা জিয়ার দাবী বাস্তব সম্মত নয় বলে দাবী করলে খালেদা জিয়া আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, ধনুকের তীর, বন্দুকের গুলি, টিউবের টুথপেষ্ট ও নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের দাবী একবার বাইর হইয়া গেলে আর পাল্টান যায় না। বিচারপতি হাবিবুর, বিচারপতি লতিফুর, ইনজিনিয়ার জামিলুর, ইউনূস বাবুনগরী, নাসিরুদ্দি, ওয়াহিদুদ্দি, হাফিজুদ্দি, নাজমা চৌধুরী, সৈয়দ মনজুর, মুইদ চৌধুরী, রোকেয়া আফজাল, আব্দুল মালেক, আইজি শাজাহানকে কানে ধরিয়া তত্ত্বাবধায়ক বানাইতে হবে। তারা রাজী না হইলে রিমান্ডে নিয়া ডিম দিতে হবে। জজ মিয়া যদি ২১ আগষ্ট গ্রেনেড মারার কথা স্বিকার করে, উহারা কেন তত্ত্বাবধায়ক হইতে রাজী হবে না?

শেখ হাসিনা বেগম জিয়ার প্রস্তাব নিয়ে আলচনার জন্য দাওয়াত দিলে খালেদা জিয়া হাসতে হাসতে বলেন, আসল দাবী হইতেছে বৃহত্তর জামায়াতের আমীর ওমরাহদিগের মুক্তির দাবী। আপনি এই দাবী মানিয়া লাইনে আসুন। নতুবা হরতাল ভাংচুর জ্বালাও পোড়াও দিতেই থাকব দিতেই থাকব।

October 26, 2013

মেডাম বেস্ত, পরে ফুন দিয়েন: শিমুল বিশ্বাস

নিজস্ব মতিবেদক

রাজনৈতিক হানাহানি মারামারি কিলাকিলির প্রেক্ষাপটে আজ দুপুর বেলা আধা ঘন্টা ধরে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার মহিলা আমীর ও জাতীয়তাবাদী শক্তির মালিক আপোষহীন দেশনেত্রী মাদারে গনতন্ত্র বেগম খালেদা জিয়াকে টেলিফোন করার চেস্টা করে বের্থ হয়েছেন বাংলাদেশের প্রধান মন্ত্রী ও বাকশালের মহিলা আমীর জননেত্রী ভাষা কন্যা গনতন্ত্রের মানস কন্যা ড. শেখ হাসিনা।

প্রধান মন্ত্রীর প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ ও মিডিয়া সহকারী মাহবুবুল হক শাকিল নাম প্রকাশ না করার শর্তে মতিকণ্ঠকে আজ এ কথা জানিয়েছেন।

ওদিকে বেগম খালেদা জিয়ার সহকারী শিমুল বিশ্বাস মতিকণ্ঠকে বলেন, শেখ হাসিনা নামে কে এক মহিলা আজ দুপুরে মেডামকে কল দিয়াছিলেন। আমি ফুন ধরে বললাম, হেলু, সালামালিকুম? মহিলা বলে কি, আমি শেখ হাসিনা বলছি, খালেদারে ফুনটা দেও। আমি তখন ভদ্র ভাবে বললাম, অসময়ে ফুন করেন কেন? মেডাম এখন বেস্ত, ফুন দেওন যাইত না। পরে ফুন দেন। মহিলা তখন হাসতে হাসতে বলে কি, তুমার মেডাম কি ঘুমায়? আমি রাগ করিয়া বললাম, বেলা দেড়টা পযন্ত কি কেউ ঘুমায়? এখন সামনে কত কাজ। মহিলা বলে কি, শুনি তুমার মেডাম কি কাজ করে? আমি গর্ব করিয়া বললাম, আমার মেডাম বৃহত্তর জামায়াতের ছাত্র শাখা ছাত্র শিবিরের নেতা কর্মীদের জন্য বেলুন ফুলাইতেছেন। তখন শেখ হাসিনা নামক সেই অভদ্র মহিলা আমায় হাসতে হাসতে বলে কি, বেলুনে কি লেখা? আমি তখন বললাম, বেলুনে লেখা নিজামীর মুক্তি চাই, মোজাহিদের মুক্তি চাই। এই কথা শুনিয়া মহিলা খালি হিহিহিহি করিয়া হাসে। আমি রাগ করিয়া বললাম, আপনি কি হাসেন? সে তখন হাসতে হাসতে বলে, আমি হাসিনা।


খালেদা জিয়া: ফাইল ছবি

আবেগঘন কণ্ঠে শিমুল বিশ্বাস বলেন, মেডামের সংগে কথা বলতে চাইলে রাত নয়টার পর কল দিবেন। বাকশালী সরকার বৃহত্তর জামায়াতের অসংখ্য নেতা কর্মীকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের ফান্দে ফালাইয়া ফাসি দিতে চায়। তাদের সবার মুক্তি দাবী করিয়া আমার মেডাম বেলুন ফুলাবেন। একটা দুইটা বেলুন ত আর না। এই কাজ শেষ হতে টাইম লাগবে।

ফোন না ধরলে সংলাপ কিভাবে হবে, এ প্রশ্নের জবাবে শিমুল বিশ্বাস বলেন, কিসের সংলাপ? আমার মেডাম কি অপু বিশ্বাস যে সংলাপ দিবেন? এখন খালি বেলুন ফুলবে আর বোমা ফুটবে।

%d bloggers like this: