Posts tagged ‘সৈয়দ’

May 16, 2014

ওপারে তুমি রাধে এপারে আমি, মাঝে মদী বহে রে: মুনাওয়ার

করাচী মতিনিধি

ভারতের লোকসভা নির্বাচনে বৃহত্তর বিজেপির খানকির পোলায়ে আমীর নরেন্দ্র মদীর জয়লাভের আনুষ্ঠানিক ঘোষনার আগেই হুড়াহুড়ি করে মদীকে অভিনন্দন জানানর কারনে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার মহিলা আমীর, জাতীয়তাবাদী শক্তির বর্তমান মালিক ও আপোষহীন দেশনেত্রী মাদারে গনতন্ত্র বেগম খালেদা জিয়া জেএসসিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে পাকিস্তান জামায়াতের খানকির পোলায়ে আমীর সৈয়দ মুনাওয়ার হাসান বলেছেন, ওপারে তুমি রাধে এপারে আমি, মাঝে মদী বহে রে।

আজ করাচীতে নরেন্দ্র মদীর লোকসভা নির্বাচনে জয়লাভ উপলক্ষে আয়জিত এক মহাফিলে সৈয়দ মুনাওয়ার এ কথা বলেন।

মহাফিলে পাকিস্তান জামায়াতের খানকির পোলায়ে আমীর বলেন, আল্লাহ যাকে দেন তাকে ছাপ্পর ভরিয়া দেন। পুরা হিন্দুস্তানে মদী আজ লাঠি ঘুরাইতেছে। হিন্দুস্তানের মুসলমান ভাইবনেরা এখন পাইবে টের, কত শক্তি ধরে মদী নরেন্দ্রের।

আবেগঘন কণ্ঠে সৈয়দ মুনাওয়ার বলেন, আমরার পাকিস্তানে যত মালাউন ছিল মারিয়া পিটিয়া খতম কইরালাইছি। তাই ওপারে মদী মুসলমান পিটাইলে আমরা জবাবে পিটানর জন্য হিন্দু খুজিয়া পাব না। তবে কতিপয় কাদিয়ানী আছে, উহা লইয়াই কাম চালাইয়া লইব। আমরার দেশে কাদিয়ানী ইজ দি নিউ হিন্দু। কাদিয়ানী ফুরাইলে এরপর শিয়াদিগকে নতুন হিন্দু বানাইয়া পিটান চলিবে।

মাদারে গনতন্ত্রকে অভিনন্দন জানিয়ে সৈয়দ মুনাওয়ার বলেন, মদী জয়লাভ করায় মদী অপেক্ষা মাদারে বেশী খুশী হইয়াছেন। মদীর সংগে পাল্লা দিয়া উনি এখন মনির পুড়ানর উছিলা পাইলেন। আমার এখন আপসস হইতেছে, কেনে পাকিস্তানে জন্ম লইলাম, কেনে বাংলাদেশে বৃহত্তর জামায়াতের রাজনীতী করার চাঞ্ছ পাইলাম না। লাইপ ছাক্স।

হিন্দুস্তানের মুসলমান ও বাংলাদেশের হিন্দুকে পিঠে ছালা বাধার পরামর্শ দিয়ে সৈয়দ মুনাওয়ার বলেন, অনাচার কর যদি, মনির পুড়াবে মদী। সংখ্যালঘুর পাপ, ক্ষমা চেয়ে নাহি মাফ। যারা সংখ্যায় ভারী, দিবে তুমাদের পুটু মারি। নাই কুন পরিত্রান, বাচতে চাইলে মরিয়া যান।

এক প্রতিক্রিয়া মহাফিলে মাদারে গনতন্ত্র সৈয়দ মুনাওয়ার হাসানকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আমরার লাগিয়া দুয়া করবেন।

আরেক প্রতিক্রিয়া মহাফিলে আমীরে বিজেপি নরেন্দ্র মদী হাসতে হাসতে বলেন, ইলেকশনে জিতিয়া সারি নাই, পাকিস্তান জামায়াত হিন্দুস্তান জামায়াত বাংলাদেশ জামায়াত মুঠোফুন মারিয়া আমায় লাল করিল। এত অভিনন্দন রাখি কই? ধন্যবাদ ভাই সব। খেলা সবে শুরু। গান পাউডার লাগলে মিসকল দিও।

January 6, 2014

সংগ্রাম চলবে: মকসুদ

নিজস্ব মতিবেদক

বাংলা চলচিত্রের কিংবদন্তী নায়িকা সুচিত্রা সেনের রোগ মুক্তির জন্য ৪৮ ঘন্টা সময় বেধে দিয়ে অনশনে বসে চলমান সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার ঘোষনা দিয়েছেন উপমহাদেশের বিখ্যেত ইতিহাসবীদ, কলামিষ্ট ও গান্ধীবাদী আন্দোলনের অগ্র সেনানী সৈয়দ আবুল মকসুদ ও তার পোষা ছাগল পুটু।

আজ প্রেস ক্লাবের সামনে ফুটপাতে বসে এ ঘোষনা দেন মকসুদ। এ সময় তার জীবন সংগী পোষা ছাগল পুটু তার সংগে ছিল।

সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, আমার ভরা যৌবনে স্বপ্নের রানী সুচিত্রা সেনকে আমার নিকট হতে ছিনাইয়া লইয়া গেল উত্তম কুমার। আর এই মধ্য যৌবনে আসিয়া উহাকে আমার নিকট হতে ছিনাইয়া লইয়া যাওয়ার চেস্টা করতেছে বাকশাল। ৪৮ ঘন্টার মধ্যে সুচিত্রা সেনকে সুস্থ অবস্থায় আমার হাতে সোপর্দ না করলে আমার সংগ্রাম আরও বেগবান হবে।


সুচিত্রা সেনের রোগ মুক্তির দাবীতে মকসুদের সংগ্রাম

আবেগঘন কণ্ঠে আবুল মকসুদ বলেন, পাবনার আগুন সুচিত্রা সেনকে পাব না এ হতে পারে না। কপালের দুষে সুচিত্রাকে পাইল উত্তম কুমার। এক বুক আশা লইয়া ভাবছিলাম সুচিত্রা সেনকে না পাই তার কন্যা মুনমুন সেনকে পাব। কিন্তু তাহাকে বাগাইল লাগাইল ব্রাদারফাকার সাকা। তখন এক বুক আশা লইয়া ভাবছিলাম মুনমুন সেনকে না পাই তার দুই কন্যা রিয়া সেন রাইমা সেনকে পাব। উহাদেরকে যে কে বাগাইল তাহার হদিশই পাইলাম না। আমার বখরায় পড়ল কেবল এই পুটু। আরে আমি কি এই পুটু চেয়েছিলাম?

এ সময় মকসুদের পোষা ছাগল পুটু মন্তব্য থেকে বিরত থাকেন।

হুহু করে কেদে উঠে মকসুদ বলেন, ৪৮ ঘন্টার মধ্যে সুচিত্রা সেনকে না পাইলে বড় গনতন্ত্রের সংগে যোগ দিয়া নাস্তিক বাকশাল ও আস্তিক মালাউনদের উপর হামলা চালাব। তখন বুঝবি প্রেমের আগুন কত গরম। আর এই উত্তম কুমার সালার বাড়ি কুন জেলার কুন উপজেলায়? উহার বাড়িঘর সবই গান পাউডার দিয়া জ্বালাইয়া দিব।

অশ্রু মুছে সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, সুচিত্রা গ এই জীবনে পাই না দেখা তুমার, সকল মজা খাইয়ালাইল ঘোচু উত্তম কুমার।

December 30, 2013

সুচিত্রা সেনের কিছু হলে, জ্বলবে আগুন ঘরে ঘরে: মকসুদ

নিজস্ব মতিবেদক

ফুসফুসে সংক্রমনে আক্রান্ত হয়ে ইনডিয়ার কলকাতায় বেলভিউ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে ভর্তি সুচিত্রা সেনের কিছু হলে সারা দেশে আগুন লাগানর হুমকি দিয়েছেন উপমহাদেশের বিখ্যেত ইতিহাসবীদ, কলামিষ্ট ও গান্ধীবাদী আন্দোলনের প্রবাদ পুরুষ বাংলার গান্ধী সৈয়দ আবুল মকসুদ ও দেশের প্রবীন সাংবাদিক ও বাকশালের আমীর শেখের বেটীর কাছে টিভি চেনেল চেয়ে প্রত্যাখাত মিডিয়া বেক্তিত্ব আবুল বাশার মনসুর মুসা ওরফে এবিএম মুসা।

আজ সন্ধায় সুচিত্রা সেনের স্বাস্থ্যের তাতক্ষনিক উন্নতির দাবী জানিয়ে প্রেস ক্লাবের সামনে পরস্পরের হাতে হাত ধরে তারা একটি আবুল বন্ধন করেন।

উপস্থিত মতিবেদকের কাছে নিজেদের দাবী তুলে ধরে সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, আমাদের কালে আমরা যখন খেলেছি পুতুল খেলা, তুমরা এ যুগে সেই বয়েসই ছবি ভিডিও দেখ মেলা। প্রভাবশালী এলাকা কারওয়ানবাজারের সর্দার মতিচুর রহমান আজমীর কল্যানে আজ ঘরে ঘরে সানি লিওনি, পুনম পান্ডে, ভিনা মালিক। তাদের ছবি পুষ্টার চলচিত্রে ঘরের দেওয়াল ফেসবুকের দেওয়াল গিসগিস করছে। একটা পছন্দ না হলে আরেকটা দেখা যায়। কিন্তু এমন স্বর্ন যুগ চিরকাল ছিল না।

আবেগঘন কণ্ঠে মকসুদ বলেন, বিজ্ঞান আমাদের দিছে বেগ, আর কাড়িয়া লইছে আবেগ। পাকিস্তান আমলে আমাদের দেশে প্রচুর গনতন্ত্র ছিল, কিন্তু আমরা বিজ্ঞানে পিছাইয়া রইছিলাম। তাই আমাদের একমাত্র ভরসা ছিল সুচিত্রা সেন।

এ সময় আবেগ সংবরন করতে না পেরে এবিএম মুসা কেদে ফেলেন।


মকসুদের দির্ঘ শ্বাস সুচিত্রা সেন

অশ্রু মুছে সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, সুচিত্রা সেন আছিল বলেই যৌবন কালটি টানিয়া টুনিয়া পার করতে পারছি। তা না হলে যে কি হত আমি জানি না। মায়ের চোখ রাংগানি, বাবার জুতাপিটা সয়ে সয়ে সুচিত্রা সেনকে মুকাবিলা করেছি। পাড়ার লেপ তুষকের দোকানীর সংগে নিবিড় বন্ধুত্ব হইয়া গেছিল। সপ্তাহে সপ্তাহে নতুন কুলবালিশ অডার করিয়া আনতে হইত। আমার আব্বিজান একদিন বাসার খরচের হিসাব মিলাইয়া দেখতে গিয়া আমায় ডাকিয়া বেদম জুতাপিটা করলেন। বললেন, রাশকেল তুই ছায়া দেখিয়া কায়ার মুল্য ভুলিয়াছিস। সারা ঘরের দেওয়ালে মালাউন নায়িকার পেপার কাটিং লাগাইয়া রাখবি আর সপ্তাহে সপ্তাহে বালিশ নস্ট করবি, তা চলবে না। আভি নিকাল মেরে ঘরসে।

সুচিত্রা সেনকে পাবনার রমা দাশগুপ্ত হিসাবে সনাক্ত করে এবিএম মুসা বলেন, পাবনার রাজনীতীবীদ গনের উচিত কচুগাছে ফাসি খাওয়া। তারা থাকতে কি করিয়া সুচিত্রা সেনের নেয় একটি নধর তারকা পাকিস্তান হতে হিন্দুস্তান চলিয়া গেল? তখন কুথায় আছিল মতিউর রহমান নিজামী? কুথায় আছিল আবু সাইদ? কুথায় আছিল শামছুল হক টুকু?

হুহু করে কেদে ওঠে এবিএম মুসা বলেন, পাকিস্তান আমলে বিজ্ঞান না থাকলেও গনতন্ত্র আছিল। বিজ্ঞানের অভাব গনতন্ত্র দিয়া পুষাইয়া লইছিলাম। একটি গুপন হালখাতায় সিনেমার পতৃকা হতে সুচিত্রা সেনের ছবি কাটিয়া কাটিয়া ভাতের আঠা দিয়া লাগাইয়া রাখিতাম। একাত্তরে গন্ডগলের সময় খাতাটি এক পাকিস্তানী খানসেনা বন্ধু আসিয়া সেই যে ধার লইল, আর ফিরত পাইলাম না। স্বাধীন বাংলাদেশ শুরু করলাম সেই খাতা ছাড়া। তাই আমি বলব, পাকিস্তান আমলই ভাল আছিল।

বাকশালের মহিলা আমীর শেখের বেটীর প্রতি কঠর হুশিয়ারী জারি করে এবিএম মুসা বলেন, বৃহত্তর জামায়াতের আমলে দেশে গনতন্ত্র আছিল। সুচিত্রা সেনও সুস্থ আছিল। এখন দেশে গনতন্ত্র নাই, সুচিত্রা সেনও হাসপাতালে। এতেই প্রমানিত হয়, বাংলাদেশের গনতন্ত্রের সংগে সুচিত্রা সেনের স্বাস্থ্যের নিবিড় সম্পর্ক আছে। সাবধান শেখের বেটী। সুচিত্রা সেনের অবস্থার যদি অবনতি হয়, সারা দেশে আমি আগুন লাগাইয়া দিব।

বক্তব্যের শেষে সৈয়দ আবুল মকসুদ ‘এ জীবনটা কিছু নয় শুদু এক মুঠ ধুলু, চৈতী বালিশে ভরা শিমুলের তুলু’ গান পরিবেশন করে পাকিস্তান আমলের সুচিত্রা সেনকে স্মরন করেন।

November 24, 2013

বৈঠক হইল গিয়া একটা শরমের বেপার: ফখরুল

নিজস্ব মতিবেদক

বাকশালের নায়েবে আমীর সৈয়দ আশরাফুলের সংগে কথিত বৈঠকের বেপারে মতিকণ্ঠের কাছে অন্তরংগ সাক্ষাতকারে মুখ খুলেছেন বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার ভাঁড়প্রাপ্ত নায়েবে আমীর ও জাতীয়তাবাদী শক্তির ‘কমপ্লান বয়’ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ নিজ বাসভবনে বাদ জোহর অনুষ্ঠিত এক সাক্ষাতকারে মতিবেদকের কাছে মুখ খুলেন তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, গতকাল শনিবার মতিঝিলে আমার একখানা জলছা আছিল। জলছার কার্যক্রম শেষ করিয়া বাদ আছর আমি লক্ষীপুর-৪ আসনে বিএনপি শাখার সংসদ সদস্য এবিএম আশরাফুদ্দি নিজানের মুঠোফুন কল পাই। কল রিসিব করে আমি বলি, কি রে নিজাইন্যা, আছস কেমন সালা ঘোচু? সে আমায় বলে, ফখাদা বাসায় আসেন, দুই ভায়ে বসে একটু কমপ্লান পান করি।

আবেগঘন কণ্ঠে ফখা ইবনে চখা বলেন, আমি কমপ্লান ভালবাসি। কমপ্লান বৃদ্ধের দেহে আনে যুবকের বল। আমি তখন আমার গাড়ির ড্রাইভারকে বললাম, সামাল সামাল সামাল শামছু ধিরে ধিরে চল রে, উচা নিচা ছাইড়া তুই সিধা পথে চল সওয়ারীর গতর নরম। কিন্তু শামছু একটি অভিশাপ। সে আমার সাধের লেক্সাস খানি নিয়া সান্ধাইয়া দিল মেরুল-বাড্ডা এলাকায় বৃহত্তর জামায়াতের চলমান ভাংচুর জ্বালাও পোড়াওয়ের মধ্যে।

পকেট হতে রুমাল বাহির করে অশ্রু মুছে ফখা বলেন, ঐ অঞ্চলে সংখালঘুদের উপর নিপিড়নের প্রতিবাদে বৃহত্তর জামায়াতের খানকির পুলারা গাড়ি ভাংতেছিল, আমার গাড়িতেও তারা দুইটি বাড়ি দেয়। আমি গাড়ির জানালার কাচ নামাইয়া নিজের পরিচয় দিয়া বললাম, ও গ আমি যে তুমাদের ফখা। তারা তখন আমার গাড়ি ছাড়িয়া একটি দুতলা বাসে আগুন দিল।

বাড়ন্ত শিশুদের জন্য চাই কমপ্লান প্লেটিনাম

ঘাম মুছে মির্জা ফখরুল বলেন, টেলিভিশনে নানা বিদেশী নাটক সিনেমায় দেখিয়াছি, কুথাও গুপনে গমন করিতে হলে নানা ঘুরপথে আকিয়া বাকিয়া যাইতে হয়। শামছু ড্রাইভার অনুরুপ কায়দায় নিজানের বাড়িতে গাড়ি ঢুকাইল সন্ধা ছয়টা চল্লিশ মিনিটে। নিজানের বৈঠকখানায় ঢুকিয়া দেখি, টেবিলে কমপ্লানের বুতল, গ্লাশ, বরফ, কাবাব ও বাদামের ভর্তা থরে থরে সাজান। আমি বললাম, চল নিজান শুরু করি।

আবেগঘন কণ্ঠে ফখা ইবনে চখা বলেন, কিন্তু শনিবার দিনটি আমার জন্য শনিতে পুর্ন আছিল। আমরা কমপ্লানের বুতল হতে গ্লাশে কমপ্লান ঢালিয়া, বরফ মিশাইয়া, কাবাবে কামড়াইয়া ও বাদামের ভর্তা চাবাইয়া শুরু করিতে না করিতেই সন্ধা সাতটা পাচে ভুতের মত নিজানের বাড়িতে আসিয়া হাজির হইল বাকশালের নায়েবে আমীর সৈয়দ আশরাফুল। সে একটি অভিশাপ।

কাদতে কাদতে মির্জা ফখরুল বলেন, সৈয়দ আশরাফুল জবরদস্তি বাড়িতে ঢুকিয়া বলিল, মান না মান মে তেরা মেহমান। আরে তুমরা দেখি কমপ্লান পান করতেছ। আমারেও দেও না একটুখানি? একা একা খেতে চাও দরজা বন্ধ করে খাও। আমি তখন রাগ করিয়া বললাম, দরজা ত বন্ধই আছিল, আপনি বাড়িতে ঢুকিলেন কিরুপে? সৈয়দ আশরাফুল হাসতে হাসতে বলল, কিছু কথা থাক না গুপন?

এক গ্লাশ ঠান্ডা পানি পান করে ফখা কিছু ক্ষন স্মৃতি চারন করে বলেন, এরপর একটি ঘন্টা বিভিষিকার মধ্য দিয়া গেল। সৈয়দ আশরাফুল একাই অর্ধেক বুতল কমপ্লান ও প্রায় সমস্ত কাবাব সাবাড় করিয়া বলল, আমি সৈয়দ, তুমি মির্জা। মির্জা হতে সৈয়দ বড়, তাহলে কেন এত পটপট কর? আমি কুনমতে এক গ্লাশ কমপ্লান ভাগে আদায় করিতে সক্ষম হইছিলাম, বাদাম ভর্তা সহযোগে উহা সেবন করিয়া বললাম, সৈয়দ হতে মির্জা বড়, সময় থাকতে গদি ছাড়। কিন্তু আশরাফুল একটি অভিশাপ। সে হাসতে হাসতে বলে কি, আমি আশার ফুল আশরাফুল ফুল নায়েবে আমীর, আর তুমি ফখা ইবনে চখা এক নম্বর বখা ভাঁড়প্রাপ্ত নায়েবে আমীর। এতেই প্রমানিত হয় যে মির্জা হতে সৈয়দ বড়। আমি তখন চিতকার দিয়ে বললাম, মির্জা মির্জা মির্জা বড়। আশরাফুল ঘোচুটি আরও জুরে চিতকার দিয়ে বলল সৈয়দ সৈয়দ সৈয়দ বড়। তখন আমি এবিএম আশরাফুদ্দি নিজানকে বললাম, নিজান তুমি আমাদিগের তুলনায় পাগল ও শিশু, অতএব নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ। তুমিই বল, মির্জা বড় না সৈয়দ বড়? তখন নিজান হারামজাদা কোত কোত করিয়া গ্লাশ ভর্তি কমপ্লান পান করিয়া বলে কি, মির্জা ও সৈয়দ অপেক্ষা এবিএম বড়। তখন আমি আশরাফুলকে বলিলাম, সৈয়দ ভাই আসেন এক টেবিলে বসি। আশরাফুল বলিল, চল মির্জা এক টেবিলে বসি। তখন দুই ভায়ে ভায়ে এক টেবিলে বসিয়া নিজান হারামজাদাকে দিলাম কয়েক দফা জুতার বাড়ি। সালা ঘোচু, বলে কিনা মির্জা ও সৈয়দ হতে এবিএম বড়?

সুখ স্মৃতি রোমন্থন করে মির্জা ফখরুল বলেন, এরপর আমাদের কমপ্লানের মৌতাত কাটিয়া গেলে আটটা সাত মিনিটে আশরাফুল ভাই নিজানের বাড়ি তেগ করেন। আমি বুতলে তলানি হিসাবে অবশিষ্ঠ কমপ্লান অবশিষ্ঠ কাবাব বাদাম সহযোগে চাটিয়া পুটিয়া খতম করিয়া আটটা বিশে নিজান হারামজাদার বাড়ি তেগ করিলাম। যেহেতু আমি ও আশরাফুল দুইজন দুই দলে, তাই আমরা দুইজন দুই পথে প্রস্থান করলাম।

এ বৈঠকের মধ্য দিয়ে নির্বাচন নিয়ে অচলাবস্থার অবসান হবে কিনা, এ প্রশ্নের সরাসরি উত্তর না দিয়ে ফখা ইবনে চখা বলেন, নিজানের চামড়া তুলে লব আমরা।

%d bloggers like this: