Posts tagged ‘হকিং’

August 26, 2012

আর্মষ্ট্রংকে নুহাশ পল্লীতে দাফনের আবেদন শাওনের

নিজস্ব মতিবেদক

মানব জাতির ইতিহাসে প্রথম চন্দ্র বিজয়ী নভচারী মোহাম্মদ লাল আর্মষ্ট্রংকে নুহাশ পল্লীতে দাফনের ফরিয়াদ জানিয়েছেন বাংলাদেশের ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের বিধবা স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন।

হৃদপিন্ডে অস্ত্রপচারের পর সৃষ্ঠ জটিলতায় গতকাল বাদ ঈশায় মোহাম্মদ লাল আর্মষ্ট্রং এর মৃত্যুর পর আজ এক সংবাদ সম্মেলনে শাওন এই ফরিয়াদ জানান।

মোহাম্মদ লাল আর্মষ্ট্রং ১৯৬৯ সালের ২০ জুলাই চন্দ্র পৃষ্ঠে অবতরন করেন। সেখানে অবতরনের কিছু সময় পর তিনি চাঁদের বুকে মহানবী (সাঃ) এর ইশারায় সৃষ্ঠ ফাটল দেখতে পান ও আযানের শব্দ শুনতে পান। আর্মষ্ট্রং ততক্ষনাত কলমা পড়ে মুসলমান হয়ে যান, এবং নিজের খৃষ্ঠান নাম নীল আর্মষ্ট্রং পরিবর্তন করে মোহাম্মদ লাল আর্মষ্ট্রং নাম ধারন করেন। চাঁদের বুকে কিছু ক্ষন পদচারনার পর মোহাম্মদ লাল আর্মষ্ট্রং পৃথিবীর ছবি তুলতে গিয়ে পৃথিবী পৃষ্ঠে মক্কা ও মদীনা নগরী থেকে উজ্জল আলো বিচ্ছুরিত হতে দেখেন। অভিভুত হয়ে তিনি চাঁদের শুস্ক বালু দিয়ে তায়াম্মুম সাধন করে ক্কাবা শরীফের অভিমুখে দুই রাকাত নফল নামাজ আদায় করেন ও খোদার কাছে শোকরানা মোনাজাত করেন।

পৃথিবীতে ফিরে আসার পর মোহাম্মদ লাল আর্মষ্ট্রং ইহুদিদের অর্থ পরিচালিত নাছারা সংগঠন নাছা পরিত্যেগ করেন ও ইসলামের বানী প্রচারে মনোনিবেশ করেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি নিজ শহর ছিনছিনাটিতে চন্দ্র বিজয়ের পুরস্কারের অর্থে প্রতিষ্ঠিত ছিনছিনাটি জামে মসজিদে খন্ডকালীন ইমামের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন।

শাওন সংবাদ সম্মেলনে বলেন, মোহাম্মদ লালকে অন্য কোথাও কবর দিলে সে একা একা ভয় পাবে। তাকে নুহাশ পল্লীতে দাফন করা হোক।

শাওন আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, ওনাকে আর কষ্ট দিয়েন না।

মোহাম্মদ লাল আর্মষ্ট্রং এর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে নওমুসলিম বিজ্ঞানী আল্লামা আবদুল হকিং ও হলিউডের প্রাক্তন সুপার ষ্টার আঞ্জুমান আরা জলি বলেছেন, লালকে নুহাশ পল্লীতেই দাফন করা উচিত।

February 4, 2012

পানিপথের যুদ্ধ থেকে পানিপথের বন্ধন: বইমেলা বর্জন করবে বসুন্ধরা ও কারওয়ানবাজার

যুদ্ধ মতিবেদক

সুইডেন প্রবাসীনী বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরীনের আত্মজীবনী মুলক গ্রন্থ ‘ম’কে কেন্দ্র করে দেশের প্রভাবশালী এলাকা বসুন্ধরা ও কারওয়ানবাজারের মধ্যে চলমান ‘পানিপথের যুদ্ধ’ এক নতুন দিকে মোড় নিয়েছে।

আজ এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান বসুন্ধরার সর্দার ইমদুদুল হক মেলন ও কারওয়ানবাজারের সর্দার মতিচুর রহমান।

ইমদুদুল বলেন, ভ্রষ্টা লেখিকা তসলিমা নাসরীন তার ‘ম’ গ্রন্থে আবার আমার নাম অন্যায় ভাবে উল্লেখ করেছে। তবে এইবার আমি একা নই। একই অধ্যায়ে সে কারওয়ানবাজারের সর্দার মতিচুর রহমান আজমীর নামও উল্লেখ করেছে।

মতিচুর রহমান বলেন, তসলিমা নাসরীন একটি পিশাচিনী। সে লিখেছে, দৈনিক একতা অফিসে নাকি প্রতিদিন তার সাথে আমার দেখা সাক্ষাত হত। তারপর আমরা এক সাথে হাতে হাত ধরাধরি করে অফিস থেকে বের হতাম। বন্ধুদের খালি ফ্লেটে হাজিরা দিতাম। আমি আপনাদের মাধ্যমে সবাইকে জানিয়ে দিতে চাই, এ কথা সত্য নয়।

ইমদুদুল বলেন, উদ্ভুত পরিস্থিতি বিবেচনা করে আমরা পানিপথের যুদ্ধে বিরতি দিয়ে একটি শান্তি চুক্তি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তিনি এই চুক্তিকে ‘পানিপথের বন্ধন’ বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, আজ থেকে অনির্দিষ্ট কাল পর্যন্ত আমার ও মতিচুর রহমান আজমীর পানিপথ এক সুতায় বাধা।

মতিচুর রহমান জানান, বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরীনের গ্রন্থ ‘ম’কে নিষিদ্ধ ঘোষনা করার দাবি জানিয়ে তিনি ও ইমদুদুল বইমেলার বাইরে হাত ধরাধরি করে সর্দার বন্ধন করবেন। মতিচুর বলেন, আমরা বইমেলায় নিজেরা ঢুকব না। আমরা বইমেলার প্রবেশ পথের বাইরে সর্দার বন্ধন করব।

ইমদুদুল বলেন, ‘ক’ এর মত ‘ম’ও একটি পর্নোগ্রাফি। তসলিমা নাসরীন একটি ভ্রষ্টা নারী।

এর প্রতিক্রিয়া জানিয়ে নও মুসলমান আল্লামা আবদুল হকিং ও হলিউডি তারকা আঞ্জুমান আরা জলির হকিং-জলি জোট একটি সংবাদ সম্মেলন করে।

সংবাদ সম্মেলনে আল্লামা হকিং বলেন, তসলিমা নাসরীন ‘ম’ গ্রন্থে কি লিখেছে তা আমি জানি না। কিন্তু দুইজন পুরুষ সাক্ষী ছাড়া তার কোন কথারই দাম নাই। তিনি বলেন, ইমদুদুল ও মতিচুর অযথা দুশ্চিন্তা করছে।

আঞ্জুমান আরা জলি বলেন, এখনও সময় আছে, তসলিমা নাসরীনের উচিত মতিচুর রহমান আজমীর দৃষ্টান্ত অনুসরন করে তওবা করা। তিনি বলেন, তসলিমা স্কাইপিতে বাইতুল মুকাররমের খতিবের কাছে আস্তাগফিরুল্লাহ রাব্বি মিন কুল্লে জাম্বিউ বলে তওবা করে ইসলামের পথে পা রাখতে পারেন। আমিও এককালে অনেক ভ্রষ্টামি করেছি। কিন্তু এখন আমি দ্বীনের সেবায় নিজেকে উতসর্গ করেছি।

January 31, 2012

তৃতীয় শক্তির উত্থানে কেউ খুশি, কেউ হতবাক: পল্লীবন্ধু

বিশেষ মতিবেদক

‘তারা ভেবেছিল তৃতীয় শক্তি মরে গেছে। তার আর উত্থান ঘটবে না। কিন্তু আমি তাদের জানিয়ে দিতে চাই, তৃতীয় শক্তির উত্থান ঘটছে। এখন থেকে ঘন ঘন তৃতীয় শক্তির উত্থান ঘটবে।’

এভাবেই তৃতীয় শক্তির উত্থানের সংবাদ দিলেন সাবেক স্বৈরাচার রাষ্ট্রপতি পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।

আজ এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ও বৃহত্তর জামাতে ইসলাম, এই দুই শক্তি দেশের সর্বনাশ করছে। কোন উন্নয়ন ঘটছে না। আজ নদীতে পানি নাই। ঘরে বিদ্যুত নাই। বোতলে সুরা নাই। এইভাবে চলতে পারে না। তাই দেশে প্রয়োজন তৃতীয় শক্তির উত্থান।

পল্লীবন্ধু বলেন, আপনারা জানেন, আমার শরীর দড়ির মত পাকান। কিন্তু তৃতীয় শক্তির উত্থান নিয়ে আমি কিছু জটিলতায় ভুগছিলাম। কিন্তু বাংলার জবস মোস্তফা জব্বারের বিজয় টেবলেট আবিষ্কারের পর আমি অনলাইনে যেতে পারছি। তৃতীয় শক্তির মারাত্মক উত্থান ঘটছে এখন।

তিনি বিদিশার প্রতি ইংগিত করে বলেন, তৃতীয় শক্তির উত্থানে কেউ কেউ হতবাক হয়েছে। কিন্তু বাংলার লাখো জনতা তৃতীয় শক্তির উত্থানে খুশি হয়েছে।

কারওয়ানবাজারের সর্দার মতিচুর রহমানের প্রতি ধিক্কার জানিয়ে পল্লীবন্ধু বলেন, মুমিন মুসলমান কোনদিন কিবলার পানে দাঁড়িয়ে এস্তেনজা করতে পারে না। তৃতীয় শক্তির উত্থান সর্বদা উত্তর দক্ষিন বরাবর।

দেশের প্রভাবশালী এলাকা বসুন্ধরার প্রতি ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, বসুন্ধরা টিসু বেবহার করে তৃতীয় শক্তিতে চুম্বক শক্তির জোয়ার বইছে। তৃতীয় শক্তি সর্বদা উত্তর দক্ষিনে ফিরান থাকে। আলহামদুলিল্লাহ।

পল্লীবন্ধু এরশাদ বলেন, আপনারা আমার ভাতিজা আসিফ শাহরিয়ারকে দেখেছেন। সে রংপুর হাসপাতালে বাঁশ নিয়ে গিয়েছিল। কতিপয় দুস্কৃতিকারী তাকে বাঁশ দিয়েছে। তার কারন, আসিফ শাহরিয়ার বিজয় টেবলেট বেবহার করতে ভুলে গিয়েছিল। তিনি আসিফ শাহরিয়ারের প্রতি বিজয় টেবলেট বেবহারের আহ্বান জানিয়ে বলেন, তৃতীয় শক্তির উত্থান না ঘটলে সারা জীবন বাঁশ খেয়ে যেতে হবে।

পল্লীবন্ধুর সাবেক পত্নী বিদিশার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি মতিবেদককে বলেন, পাম্পার দিয়ে বটগাছ টিকিয়ে রাখা যায় না। বিদিশা বলেন, অনেক দিন পর তৃতীয় শক্তির উত্থান ঘটেছে, এ নিয়ে পল্লীবন্ধু সাময়িক আবেগে অনেক কথা বলছেন। কিন্তু তৃতীয় শক্তির চেয়ে বড় শক্তি মাধ্যাকর্ষন শক্তি, এ কথা যেন পল্লীবন্ধু ভুলে না যান।

বিদিশাকে সমর্থন করে নও মুসলমান আল্লামা হকিং বলেন, মাধ্যাকর্ষন শক্তি ইজ গ্রেটার দেন তৃতীয় শক্তি।

January 30, 2012

পর্নোগ্রাফি আইনের প্রতিবাদে বিক্ষোভে উত্তাল সারা দেশ, পুলিশের গুলিতে নিহত ৪

বিশেষ মতিবেদক

আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় মহা জোট সরকার পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রনে আইন প্রনয়ন করায় বিক্ষোভে ফেটে পড়েছে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর মূল শাখা (দিবা) ও বিএনপি শাখা (প্রভাতী)।

গতকাল সারা দেশে এক যোগে এই আইন রদ করার দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচী পালিত হয়। পুলিশ এই কর্মসূচীতে বাধা দিলে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর কর্মীদের মাঝে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে পুলিশের গুলিতে চাঁদপুরে দুইজন ও লক্ষীপুরে দুইজন নিহত হয়।

এই বিক্ষোভে সাংবাদিকরাও স্বতস্ফুর্ত অংশ গ্রহন করেন। তারা পর্নোগ্রাফি আইন বাতিলের দাবিতে স্লোগান দেন ও পুলিশের দিকে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সাহারা খাতুন এক অন্তরংগ সাক্ষাতকারে মতিকণ্ঠকে বলেন, পর্নোগ্রাফি সমাজের নৈতিক ভিত নষ্ট করে। ছেলে মেয়ে কাজ ফেলে পর্নোগ্রাফি পড়ে হস্ত মৈথুন করে। এতে হাতের ক্ষতি হয়। তিনি বলেন, দেশে অনেক ভাল ভাল হোটেল আছে। সেখানে উপযুক্ত হাদিয়ার বিনিময়ে যৌন মিলন করা যায়। এটিই যৌন আকাংখা মিটানর আদর্শ উপায়। কিন্তু বর্তমানে পর্নোগ্রাফি এক বেধির মত সমাজের সর্বস্তরে ছড়িয়ে পড়ায় হোটেল বানিজ্য হুমকির সম্মুখে। সেখানে খদ্দের সমাগম অনেক কমে গেছে। সাহারা খাতুন এর জন্যে তথ্য প্রযুক্তিকে দায়ী করেন। তিনি বলেন, ছায়া দেখে লোকে কায়ার মুল্য ভুলে গেছে।

পর্নোগ্রাফি আইনকে স্বাগত জানিয়েছে দেশের হোটেল বেবসায়ী মালিক সমিতি। হোটেল বেবসায়ী মালিক সমিতির সভাপতি সাহারা খাতুন মতিকণ্ঠকে বলেন, সরকারের এই যুগপযোগী সিদ্ধান্তকে আমরা স্বাগত জানাই। পর্নোগ্রাফি একটি অভিশাপ।

ওদিকে এক সংবাদ সম্মেলনে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার ভাঁড়প্রাপ্ত নায়েবে আমীর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পর্নোগ্রাফি আইনের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, সরকার মানুষের বেক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করতে চায়। তিনি বলেন, এর আগেও সরকার আমাদের মেডামের বাড়িতে হানা দিয়ে তার বিছানার পাশের আলমারী তছনছ করেছে, অনেক মুল্যবান বিদেশী মেগাজিন বাজেয়াপ্ত করেছে। পর্নোগ্রাফি আইন আমাদের মেডামকে হয়রানি করার এক নতুন অস্ত্র। তাছাড়া জন সাধারনের মনেও এই আইন তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।

মির্জা আলমগীর বলেন, মানুষ সারা দিন হাড় ভাঙ্গা খাটুনীর পর ঘরে ফিরে তার খাগড়াছড়ির সাথে দু দন্ড মধুর সময় কাটাতে চায়। পর্নোগ্রাফি এই সময় সহায়ক ভুমিকা পালন করে। তিনি বলেন, সরকার মানুষের ভাত কেড়ে নিয়েছে, এখন হাতও কেড়ে নিতে চায়।

মোসাদ্দেক আলী ফালুর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি মধুর হেসে মতিকণ্ঠকে বলেন, আমার ঐসব দেখা লাগে না।

পর্নোগ্রাফি আইন বাতিলের দাবি জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বরাবর একটি স্মারকলিপি দিয়েছেন দেশের বিশিষ্ট ইসলামী বেক্তিত্ব হলিউডি তারকা আঞ্জুমান আরা জলি, নও মুসলমান আল্লামা আবদুল হকিং, বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ কলামিষ্ট ও গান্ধীবাদী আন্দোলনের প্রবাদপুরুষ সেয়দ আবুল মকসুদ ও গৃহবন্দী ইসলামী আন্দোলনের অগ্র সেনানী মুফতি ফজলুল হক আমিনী। তারা বলেন, পর্নোগ্রাফি বাংলাদেশের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রনে অন্যতম ভুমিকা পালন করে আসছে। পর্নোগ্রাফি বন্ধ করলে দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার বৃদ্ধি পাবে।

পর্নোগ্রাফি আইনকে স্বাগত জানিয়ে প্রভাবশালী এলাকা বসুন্ধরার সর্দার ইমদুদুল হক মেলন বলেছেন, তসলিমা নাসরিন রচিত ক উপন্যাসটি একটি আপাদমস্তক পর্নোগ্রাফি। আমি এই আইনকে স্বাগত জানাই। ইমদুদুল বলেন, খেলার সাথে রাজনীতি মিশান ঠিক নয়।

পর্নোগ্রাফি আইন বাতিলের দাবি জানিয়ে প্রভাবশালী এলাকা কারওয়ানবাজারের সর্দার মতিচুর রহমান বলেছেন, এই আইন দেশের সাংবাদিকতাকে পংগু করে দিবে। নকশা, আনন্দ ইত্যাদি পাতা প্রকাশ করা যাবে না। তিনি সরকারকে এই আইন রদ করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, লাইনে আসুন।

%d bloggers like this: