August 13, 2014

কবি তুষারের অমর কাব্য গ্রন্থ

October 25, 2014

কাজী অফিসের গলিকে ‘গাদ্দারপাড়া’ ডাকায় রাগারাগি করলেন গোলামপুত্র মতিচুর

নিজস্ব মতিবেদক

মগবাজারে পারিবারিক গরস্তানে দাফনের পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল কতৃক ৯০ বতসরের আরামদন্ড প্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধী ও বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর সাবেক খানকির পোলায়ে আমীর ভাষা সৈনিক অধ্যাপক গোলাম আজমের বাসস্থান ও কবরের মধ্যবর্তী এলাকাকে এলাকাবাসী ‘গাদ্দারপাড়া’ ডাকা শুরু করায় রাগারাগি করেছেন গোলাম আজমের অবৈধ পুত্র, দেশের প্রভাবশালী এলাকা কারওয়ানবাজারের সর্দার ও ১১০% অরাজনৈতিক সংগঠন ‘হেফাজতে মাহমুদুর’ এর প্রতিষ্ঠাতা আমীর মতিচুর রহমান আজমী।

আজ জাতীয় মসজিদ বায়তুল মকাররমে বৃহত্তর জামায়াতের সাবেক খানকির পোলায়ে আমীরের নামাজে জানাজা আদায়ের পর নিজ কার্যালয়ে ফিরে এসে এক সংবাদ সম্মেলনে এ রাগারাগি করেন গোলামপুত্র মতিচুর।

সংবাদ সম্মেলনে মতিচুর আজমী বলেন, আমার অবৈধ পিতা বাস করতেন মগবাজার কাজী অফিসের গল্লিতে। উনার দাফনও হইছে মগবাজারে পারিবারিক গরস্তানে। অতছ মগবাজার এলাকাবাসী সালা ঘোচুর দল এখন উনার কবর আর বাড়ির মাঝের এলাকারে গাদ্দারপাড়া ডাকা শুরু করছে। ইহা কেমন আচরন?


গাদ্দার গোলাম আজম

হুহু করে কেদে উঠে মতিচুর সর্দার বলেন, নাহয় পাকিস্তান আর্মির খেদমত খাটতে গিয়া আমাদিগের সংগে উনি গাদ্দারী করিয়াছিলেন, খুন জখম ধর্ষন লুটপাটে সহায়তা করিয়াছিলেন, দেশ স্বাধীন হওয়ার পরেও সৌদী গিয়া বাংলাদেশের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করিয়াছিলেন, বাংলার মানুষদিগকে হজ করিতে বাধা দিয়াছিলেন, তাই বলিয়া ইতনা অপমান?

এ বেপারে গাদ্দার গোলাম আজমের আরেক পুত্র সেনাবাহীনী হতে বহিষ্কৃত বিগ্রেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহিল আমান আজমীর সংগে যোগাযোগ করা হলে তিনি হাসতে হাসতে মতিকণ্ঠকে বলেন, গাদ্দারপাড়া নামটি সুন্দর হইছে।

October 23, 2014

ভাষা গোলামকে শহীদ মিনারে লইয়া যাইতে দেতে হইবে: মতিচুর

নিজস্ব মতিবেদক

কৃত্রিম ভাবে যন্ত্রের সাহায্যে বাচিয়ে রাখা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল কতৃক ৯০ বতসরের আরামদন্ড প্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধী ও বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর সাবেক খানকির পোলায়ে আমীর ভাষা সৈনিক অধ্যাপক গোলাম আজমকে এন্তেকালের পর শহীদ মিনারে নিয়ে শ্রদ্ধা জানানর দাবী তুলেছেন গোলাম আজমের অবৈধ পুত্র, দেশের প্রভাবশালী এলাকা কারওয়ানবাজারের সর্দার ও ১১০% অরাজনৈতিক সংগঠন ‘হেফাজতে মাহমুদুর’ এর প্রতিষ্ঠাতা আমীর মতিচুর রহমান আজমী।

আজ কারওয়ানবাজারে নিজ কার্যালয়ে আয়জিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবী তুলেন গোলাম আজমের হারামজাদা মতিচুর রহমান আজমী।

সংবাদ সম্মেলনে আবেগঘন কণ্ঠে মতিচুর সর্দার বলেন, আমার অবৈধ পিতা গোলাম আজম ছাহেবের সংগে আমার নানা মত পার্থক্য আছিল। কিন্তু ভিন্নমতের কারনে উহাকে শহীদ মিনারে লইয়া শ্রদ্ধা জানান যাইত না, এ কেমন কথা? আমাদের মনে রাখতে হবে, লোকে তাকে ভাষা গোলাম নামেই বেশী চিনে। তিনিই একমাত্র ভাষা সৈনিক, যিনি বাংলা ভাষাকে রাস্ট্র ভাষা রুপে প্রতিষ্ঠার আন্দুলনে চেহারা দেখানর আপসোসে পরবর্তীতে পত্রিকায় লিখালিখি করিয়া দুঃখ প্রকাশ করিয়াছিলেন। এমন একজন সত বেক্তিকে শহীদ মিনারে না নিলে হেগেল, কান্ট, গ্রামশি, ফুকু, সকলের ইজ্জত যাবে।


কাদো মতি কাদো

কান্নায় ভেংগে পড়ে মতিচুর রহমান আজমী বলেন, আব্বা আছিলেন কার্ল মার্কশের একজন প্রকৃত অনুসারী। বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর খানকির পুলায়ে আমীর হয়েও তিনি আজীবন ধর্মনিরপেক্ষতার চর্চা করিয়া গেছিলেন। উনার কাছে গিয়া ভলতেয়ারের নাম বললে উনি নাস্তাপানি খাওয়াইয়া দুই রাকাত নফল নামাজ পড়িয়া নাছাড়া ভলতেয়ারের জন্য আল্লাহর কাছে পানাহ চাহিতেন। আর আজ তাকেই আমরা ভিন্নমতের কারনে গালাগালি করি। সুস্থ সমাজে কখনও এরুপ আচরন কাম্য নহে।

ভাষা গোলামের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে মগবাজার কাজী অফিস এলাকার নাম পরিবর্তন করে গোলামাবাদ রাখার দাবী জানিয়ে মতিচুর সর্দার বলেন, আজ এই ইয়াতীমের দাবী কবুল করুন।

এ সময় কারওয়ানবাজারের অন্যান্য কর্মীগন তাদের সর্দারকে শান্তনা দিতে গেলে এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃস্টি হয়। পুনম পাণ্ডে ও সানি লিওনির এক গিগা স্থিরচিত্র অবলোকন করে আধা ঘন্টা পর মতিচুর সর্দার আবার শান্ত হন।

গোলাম আজমকে গালি না দেওয়ার অনুরধ জানিয়ে মতিচুর সর্দার বলেন, মৃত বেক্তিকে অসম্মান করিবেন না। আমি উনার সন্তান, অসম্মান করতে চাইলে আসিয়া আমার দুই গালে জুতার বাড়ি মারিয়া যাইবেন। কিন্তু মনে রাখবেন, পিতার কর্মের জন্য পুত্রের গালে জুতার বাড়ি মারা ঘোর অন্যায়।

October 23, 2014

আংগুল বেকা করলে কি হয় দেখিও: মেডাম

নিজস্ব মতিবেদক

ক্ষমতাসীন ফেসিবাদী বাকশালকে অবিলম্বে গদি পরিত্যেগ করে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর হাতে তুলে দেওয়ার দাবী জানিয়ে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার মহিলা আমীর ও জাতীয়তাবাদী শক্তির মালিক আপোষহীন দেশনেত্রী মাদারে গনতন্ত্র বেগম খালেদা জিয়া জেএসসি বলেছেন, আংগুল সুজা আছে সুজা রাখতে দেও। আংগুল একবার বেকা করলে কি হয় দেখিও।

বৃহস্পতিবার নীলফামারী জেলায় আয়জিত জনসভা হতে বাকশালের মহিলা আমীর প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী ভাষা কন্যা গনতন্ত্রের মানস কন্যা ড. শেখ হাসিনার উদ্দেশে হুশিয়ারী জারী করে মেডাম আংগুল বেকা করার হুমকি দেন।

জনসভায় মাদারে গনতন্ত্র বলেন, এই বাকশালী সরকার অবৈধ। গত বাকশালী সরকারও অবৈধ আছিল। তাই ত আমি সংসদে পাচ বতসরে মাত্র দশ দিন গেছিলাম। দশকে পাচ দিয়া ভাগ করলে কত হয়? যত হয়, বতসরে তত বার আমায় ঐ অবৈধ বাকশালী শেখের বেটীর কেচর কেচর শুনতে সংসদে যাইতে হইত। সকাল আড়াইটার সময় ঘুম হইতে উঠতে না উঠতেই সংসদের অধিবেশন শুরু হইয়া যাইত। দুঃসহ আছিল সেই জীবন।

আবেগঘন কণ্ঠে মেডাম বলেন, বৃহত্তর জামায়াত ছাড়া যে কুন সরকারই অবৈধ। এত আইন কানুন সংবিধান আমায় দেখাইও না শেখের বেটী। গদির তালগাছ আমার।


মেডামের বিধ্বংসী আংগুল

বাকশালকে মিথ্যাবাদী হিসাবে অভিহিত করে বেগম জিয়া বলেন, ছয় বতসর আগে তারা বলছিল, ১০ টেকা সের চাউল খাওয়াইবে। আমি গত ছয় বতসর ধরিয়া রাজধানীর বিভিন্ন কাচা বাজারে সন্ধাবেলা গিয়া ১০ টেকা সের চাউল খরিদ করার কোশেশ করিয়াছি। কুন সালা ঘোচু চাউল বিক্রেতা আমার কাছে ১০ টেকা সের চাউল বিক্রয় করতে রাজি হয় নাই। এতেই প্রমানিত হয়, বাকশাল শুধু মিথ্যাবাদীই নহে, উহারা আমায় না খাওয়াইয়া মারতে চায়।

অবিলম্বে গদি তেগ করে বৃহত্তর জামায়াতের হাতে গদি সমর্পনের দাবী জানিয়ে মেডাম বলেন, এখনও আংগুল সুজা আছে। একবার আংগুল বেকা করলে কি হয়, জান নাকি?


আংগুল বেকা করলে কি হয়?

শেখের বেটীকে কুংফু পাণ্ডা চলচিত্রটি অবলোকনের পরামর্শ দিয়ে খালেদা জিয়া জেএসসি বলেন, কুংফু পাণ্ডায় নায়ক পো বাকশালী গুণ্ডা তাইলংকে ধরিয়া একবার আংগুল বেকা করিয়া বলছিল, ইস্কাডুশ। তারপর এক বিরাট বিস্ফরন ঘটে। শেখের বেটীকে সাবধান করিয়া বলিয়া দিতে চাই, বেশী বিরক্ত করলে আমিও আংগুল বেকা করিয়া ইস্কাডুশ বলিব।

October 20, 2014

আমিষুল মন্ত্রীই আমরার উকিল বাপ: আনু

বিপ্লবী মতিবেদক

ফেসিবাদী বাকশালের আইন মন্ত্রী ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভুতত্তের অধ্যাপক তাহেরের হত্যাকারী জামায়াতি খানকির পোলাগনের আইনজীবি বেরিষ্টার আমিষুল হককে জাতির শ্রেষ্ঠ মোক্তার হিসাবে স্বিকার করে জাহাংগীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতীর অধ্যাপক, তেল গেস খনিজ বন্দর বিদ্যুত রাজাকার বাচাও আন্দুলনের আমীর ‘আওলাদে মাওসেতুং’ আনু মুহাম্মদ বলেছেন, আমিষুল মন্ত্রীই আমরার উকিল বাপ।

আজ জাহাংগীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় নিজ কোয়াটারের আংগিনায় আয়জিত এক সুধী সমাবেশে বক্তিতা কালে আমিষুল মন্ত্রীকে উকিল বাপ হিসাবে ঘোষনা দেন অধ্যাপক আনু।

বক্তব্যে আনু অধ্যাপক বলেন, আমরার বন্দু পিয়াস করিম হাগু মরার পর কতিপয় সাম্রাজ্যবাদের দালাল ঘোষনা দিল, হাগুর লাছটিকে তারা শহীদ মিনারে লইতে দিবে না। হাগুর পিতা নাকি একাত্তর সালে শান্তি কমিটির চেরমেন আছিল। তিনি নাকি ধীরেন্দ্রনাথ দত্তরে পাক বাহিনীর হাতে ধরাইয়া দিছিলেন। মুক্তিযুদ্ধারা নাকি হাগুর পিতার বাড়িতে গ্রেনেড হামলা করছিল। হাগু নাকি নিজেও রাজাকারের দালাল আছিল।

আবেগঘন কণ্ঠে আওলাদে মাও বলেন, অতছ সাম্রাজ্যবাদের দালাল ফেসিবাদী বাকশালের আইন মন্ত্রী আমিষুল সত্য কথা ফাস করিয়া দিছে। সে বলছে পিয়াস করিম হাগু মুক্তিযুদ্ধের সময় মিটিং মিছিল করত। লিপলেট বিলি করত। পোষ্টার সাটাইত। রিকশায় করিয়া মুক্তিযুদ্ধাদের পক্ষে মাইকিং করিত। নিজের বাড়িতে মেহমান খানার পালংকে ঘুমন্ত পাক বাহিনীর অফিসারদের উলংগ পুটুতে চুন কালি মাখাইত। আর হাগুর পিতাও শখ করিয়া শান্তি কমিটিতে যোগ দেন নাই। হাগুরে জিম্মি করিয়া পাক বাহিনী তারে শান্তি কমিটিতে নাম লিখাইতে বাধ্য করছে।


আমিষুলই একমাত্র হালাল বাকশাল: আনু

হুহু করে কেদে উঠে আনু অধ্যাপক বলেন, যুগ যুগ ধরিয়া বাকশালের সংগে লড়াই করতেছি। ভাবতাম তেল গেস বন্দর বিদ্যুত রাজাকার কুন কিছুই তাহাদের হাতে নিরাপদ নহে। কিন্তু এখন দেকতেছি রাজাকার বাচাইতে বাকশালের আইন মন্ত্রীই সর্বাপেক্ষা বড় আওয়াজ তুলিয়াছে। পিয়াস করিম হাগুর ভগ্নি তাহার আইন বেবসার পাটনার, ইহাতে কিছুই আসে যায় না। আমিষুল মন্ত্রী যাহা বলছে তাহাই সত্য। যদিও সে আগে অনেক মিছা কথা বলিয়াছে, এবং পরেও অনেক মিছা কথা বলিবে, কিন্তু পিয়াস করিম হাগুরে লইয়া সে যাহা বলিয়াছে তাহার উপর কুন কথা চলে না। অতএব আজ হইতে আমিষুল মন্ত্রীই আমরার উকিল বাপ।

অশ্রু মুছে আওলাদে মাও বলেন, জন্মিলে মরিতে হবে জানে গ সবাই। একদিন আসিফ নজরুল ইঞ্চি ও ফরহাদ মজহার লুংগিকেও মরিতে হইবে। আলামত দেখিয়া মনে হইতেছে উহাদের লাছ শহীদ মিনারে লওয়ার কথা বলিলে আমরা সকলেই পুটুমারা খাইব। তাই অগ্রীম সত্য কথা বলিয়া উহাদের সাইজ করিয়া লইতে হইবে। আমিষুল মন্ত্রীর দেখান রাস্তাতেই আমি চলিব। একাত্তর সালে বালক ইঞ্চি ও যুবক লুংগি দুইজনেই মুক্তিযুদ্ধা আছিল। উহারা বুকে মাইন বান্ধিয়া পাক বাহিনীর টেংকের তলে ঝাপাইয়া পড়ছিল। কিন্তু জঘন্য সাম্রাজ্যবাদী ইনডিয়ান মাইনের কুয়ালিটি খারাপ আছিল বলিয়া তাহা ফুটে নাই। কিন্তু পাক বাহিনীর টেংকের চাক্কা টেপ খাইয়া গিয়াছিল, আমিষুল মন্ত্রী সাক্ষী।

%d bloggers like this: