April 27, 2013

সাভারকে বাঁচাবো আবার

May 20, 2013

গঠিত হল ‘হেফাজতে মাহমুদুর’

নিজস্ব মতিবেদক

বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর খানকির পোলায়ে সালাফিয়ে আমীর এবং ইসলাম ও জ্বালানী বিশেষজ্ঞ ‘বংগ ছুছুন্দর’ মাহমুদুর রহমানের মুক্তির দাবীতে গঠিত হল নতুন অরাজনৈতিক সংগঠন ‘হেফাজতে মাহমুদুর’।

রবিবার কারওয়ানবাজারের সর্দার ও মতিসংঘের সভামতি মতিচুর রহমান আফৃদীর বিলাস বহুল আরাম দায়ক কার্যালয়ে নারিকেল ভেংগে ‘হেফাজতে মাহমুদুর’ এর কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়।

‘হেফাজতে মাহমুদুর’ এর প্রতিষ্ঠাতা আমীর হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন মতিচুর রহমান সয়ং। তার নায়েবে আমীর হিসাবে যোগ দিয়েছেন দেশের অন্যান্য প্রভাবশালী এলাকার সর্দার বৃন্দ। এরা হলেন সর্দার মাহবুবুল আলম, সর্দার গোলাম সারওয়ার, কারওয়ানবাজারের ইংরাজী সর্দার মহাফুজ আনাম, সর্দার রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ, বসুন্ধরার সর্দার ইমদুদুল হক মিলন, ভাঁড়প্রাপ্ত সর্দার মুনীরুজ্জামান, সর্দার মতিউর রহমান চৌধুরী, সর্দার নুরুল কবীর, সর্দার এ এম এম বাহাউদ্দিন, সর্দার আলমগীর মহিউদ্দিন, সর্দার এ এইচ এম মোয়াজ্জেম হোসেন, সর্দার নঈম নিজাম, সর্দার মোস্তফা কামাল মজুমদার, নির্বাহী সর্দার সাইফুল আলম ও সর্দার ইন চিফ আলমগীর হোসেন।

এক যৌথ বিবৃতিতে সর্দার বৃন্দ বলেন, মাহমুদুর রহমান জেলে থাকায় বেবসায় ধস নেমেছে। টেকাটুকা রুজগারের রাস্তা বন্ধ। এভাবে চলতে পারে না।

মতিচুর রহমান আফৃদী বলেন, মাহমুদুর যখন নিজ কার্যালয়ে সক্রিয় ছিল, প্রতিদিন কুন না কুন খুনাখুনি গুলাগুলি হানাহানি কাটাকাটি চলত। কারওয়ানবাজারের বেবসা তখন ছিল তুংগে। ইসলামী বেংক পাতায় পাতায় বিজ্ঞাপন দিত। আজ মাহমুদুর জেলে, বেবসা আবার মন্দা। ইসলামী বেংকে বিজ্ঞাপন চাহিয়া ফুন দিলে তারা আরবী ভাষায় খানকির পুলা বলিয়া গালাগালি করে। এভাবে গনতন্ত্র চলতে পারে না। মাহমুদুরের মুক্তি চাই।

আবেগঘন কণ্ঠে কারওয়ানবাজারের ইংরাজী সর্দার মহাফুজ আনাম বলেন, এ কুইক ব্রাউন ফক্স জাম্পড ওভার এ লেজি ডগ।

বসুন্ধরা সর্দার ইমদুদুল হক মিলন বলেন, আগে প্রতিদিন সকালে উঠিয়া দাত মাজিয়া মুখ মুছিয়া চায়ের কাপে চুমুক দিয়া প্রথমেই দেখতাম মাহমুদুর আজ কুথায় কুথায় খুন জখম ঘটাইল। এখন আর চায়ে কুন সোয়াদ পাই না। সারাদিন মাথা ঘুরায়, বুমি বুমি লাগে। রাত্র কালে সমস্যা হয়। মাহমুদুরকে মুক্তি না দিলে বেশী দিন বাচব না।

পাল্টা সংবাদ সম্মেলনে ‘হেফাজতে মাহমুদুর’এর বক্তব্যের বিরোধীতা করে বিশিষ্ঠ কবি, দার্শনিক ও হেকিমী চিকিৎসক ফরহাদ মজহার লুংগি বলেন, মাহমুদুরকে মুক্তি দিলে শাহবাগী রেপিষ্টরা তাকে নির্যাতন করবে। বেচারা সারা দিন হাসপাতালে চাদ্দরের নিচে দুই হাতে নিজের পুটু আড়াল করে বসে থাকে। নার্স বেড পেন বদলাইতে আসলে সে কান্না কাটি শুরু করে। তার উপর আছে কাশিমপুর কারাগার হতে ব্রাদারফাকার সাকার মধুর আমন্ত্রনের চাপ। তাছাড়া মুক্তি পাইলে সে আমার আর ফরিদার বাসায় আত্মগুপনের চেষ্ঠা করতে পারে। তখন নানা সমস্যা দেখা দিবে। বন্যেরা বনে সুন্দর বংগ ছুছুন্দর কারাগারে।

May 17, 2013

সংসদে মজা নাই: মওদুদ

নিজস্ব মতিবেদক

বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার উকিলে আমীর আল্লামা মওদুদ আহমদ বলেছেন, সংসদে কেন যাব? সংসদে মজা নাই।

আজ এক সংবাদ সম্মেলনে মওদুদ আহমদ এ কথা বলেন।

মওদুদ বলেন, সংসদে যে যাব, কাদের নিয়া যাব? বেবাকটিরে বাকশালী সরকার জেলে ঢুকাইছে। আমাদের মহিলা আমীরের সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ব্রাদারফাকার সাকা আলালহারা হয়ে কাশিমপুর কারাগারে একাকী প্রহর কাটাচ্ছেন। খালি আমি গেলেই কি হবে?

আবেগঘন কণ্ঠে মওদুদ বলেন, আমাদের অল্প কয়েকটা সিট সংসদে। সেই সিটে বসার লোকগুলি আবার জেলে। একা একা বাকশালীদের বিপরীতে গিয়া আমি টিকতে পারব না। আমায় গোলগাল পেয়ে তারা সংসদে সিটি বাজায়, আঁখ মারে, ইংগিতপুর্ন কথাবার্তা বলে। স্পীকারের কাছে বিচার দিয়া সুফল পাই না। এর আগে একদিন গোলাম মওলা রনি আমায় বলেছিল, মওদুদ ভাই লন লং ড্রাইভে যাই। আমি ডেপুটি স্পীকারের কক্ষে দৌড়াইয়া গিয়া পলাইয়া বাচছিলাম।

বাকশালে ভরপুর সংসদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে মওদুদ বলেন, বাকশালীরা জানের উপর হামলা না করলেও মানের উপর হামলা চালু রেখেছে। আর তাদের হাত থেকে যারা আমায় রক্ষা করতে পারে, সেই ফেন্টাষ্টিক ফাইভের উপরও ভরসা করতে পারি না। সেদিন রাত্র কালে পাপিয়া পাণ্ডে আমায় মুঠোফোন মারিয়া বলে কি, মওদুদ ভাই লন লং ড্রাইভে যাই।

অবিলম্বে বিএনপি শাখার শুন্য সিটগুলিতে লোক সরবরাহ করার দাবী জানিয়ে মওদুদ বলেন, সংসদে মজা নাই। মজার বেবস্থা না করলে সংসদে যাব না। লং ড্রাইভে যদি যাইতেই হয় ত হিনা রব্বানী খারের সংগে যাব।

May 16, 2013

ঘুর্নিঝড় ‘মহাসেন’কে মাফ করে দিলেন বাবুনগরী

নিজস্ব মতিবেদক

মেঘনা মোহনা অতিক্রম করে নোয়াখালী ও সীতাকুন্ড দিয়ে বাংলাদেশ উপকুল অতিক্রম করে যাওয়ায় বাকশালী সরকার ও ইনডিয়ার যৌথ ষড়যন্ত্র হিন্দু ঝড় ‘মহাসেন’কে ক্ষমা করে দিয়েছেন সদ্য গঠিত রাজনৈতিক দল বাবুনাগরিক শক্তির আমীর, বাংলাদেশের একমাত্র নোবেল বিজয়ী অর্থনীতীবীদ ও গ্রামীন বেংকের বিতাড়িত মালিক ড. মুহম্মদ ইউনূস বাবুনগরী।

আজ ওয়াশিংটনে নিজ হোটেলের আরাম দায়ক বিলাস বহুল কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন বাবুনগরী।

ইউনূস বলেন, চট্টগ্রাম শুধু আমার বাড়িই নয়। চট্টগ্রাম পবিত্র হাটহাজারী মাদ্রাসা শরীফেরও বাড়ি। আল্লামা শফি সেখানে হর রোজ আল্লাহর ইবাদতে মগ্ন। চট্টগ্রাম ফটিকছড়ির সংগ্রামী মুজাহিদগনের বাড়ি। চট্টগ্রাম অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল ড. অলি ও আউলিয়াদের দেশ। লুসাই পাহাড় হতে হাজারও কাফেরের বুংগি বাজিয়ে কর্নফুলী নদী বিধৌত পুন্যভুমি চট্টগ্রাম। চট্টগ্রাম লড়াকু প্রেমিক সংসদ সদস্য ব্রাদারফাকার সাকার দেশ। আর এই চট্টগ্রামের সংগে চুদুরবুদুর করতে এসেছিল বাকশালী সরকার ও ইনডিয়ার যৌথ ষড়যন্ত্রের ফসল হিন্দু ঝড় ‘মহাসেন’।

আবেগঘন কণ্ঠে ইউনূস বলেন, খবর পাওয়া সংগে সংগে আমি আমার বন্ধু নোবেল বিজয়ী অর্থনীতীবীদ অমর্ত্য সেনকে মুঠোফোন মারি। তাকে বলি, সেন বাড়ির ছেলে হিসাবে তুমার লজ্জিত হওয়া উচিত। সে বার বার আমার কাছে মাফ চায়। ইতিপুর্বে সে অং সান সু চিকে লইয়া আমার সংগে বিবাদ করছিল। আমি ভুলি নাই। সময়মত তাকে উচিত শিক্ষা দিব। সালা ঘোচু।

ঘুর্নিঝড় ‘মহাসেন’ নিজেই মহাবিপদ হতে রক্ষা পেয়েছে, এমন মন্তব্য করে ইউনূস বলেন, প্রতিটি ঝড়ের সীমান্ত এলাকায় বাতাসের বেগ থাকে বেশী। কিন্তু যত ভিতরে যাওয়া যায়, তত বাতাসের বেগ কমতে থাকে। ঝড়ের একেবারে কেন্দ্রে বাতাসের কুন বেগই নাই। ঐখানে রয়েছে একটি শান্ত মনোরম ছিদ্র। একে বলা হয় পুটু অফ দি স্টর্ম। চট্টগ্রামের উপর দিয়া না গিয়া ‘মহাসেন’ মহাবিপদ হতে রক্ষা পেয়েছে। নাহলে তার পরিনতিও হত সাকা কবলিত আলালের নেয় করুন।

যে কোন ঘুর্নিঝড়কে নিজের শত্রু ঘোষনা করে ইউনূস বলেন, ঘুর্নিঝড় মানুষজনের বাড়ির চাল উড়াইয়া লইয়া যায়। ইহা গ্রামীন বেংকের বিরুদ্ধে স্পস্ট চেলেঞ্জ।

May 14, 2013

বাকশালী সরকার রজনীকান্তের সাহায্যে লাশ গুম করেছে: আনোয়ার

নিজস্ব মতিবেদক

বিগত ৫ মে দিবাগত রাত্রে বাকশালী সরকারের ফেসিবাদী পুলিশ রেব ও বিজিবির সমন্বয়ে গঠিত যৌথ বাহিনীর নির্মম আক্রমনে মতিঝিলে শাপলা চত্বরে জিহাদে বেস্ত ৫০ হাজার মুজাহিদের হত্যা কান্ড সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার নায়েবে আমীর মতি কণ্ঠ আনোয়ার ওরফে এম কে আনোয়ার।

আজ বাকশালী সরকারের ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ও সাবেক স্বরাস্ট্র মন্ত্রী এবং নিখিল বাংলাদেশ হোটেল মালিক সমিতির সভাপতি এডভকেট সাহারা খাতুনের মালিকানাধীন বিলাস বহুল আরাম দায়ক হোটেল এমপেরিয়াল এন্ড গেষ্ট হাউসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন মতি কণ্ঠ আনোয়ার।

আনোয়ার বলেন, আপনারা সবাই জানেন, বিগত ৫ মে বাকশালী সরকার মতিঝিলে মুজাহিদগনের উপর কি নির্মম হত্যা যজ্ঞ চালিয়েছে। সারা দুনিয়া আজ এর নিন্দায় মুখর। দেশে দেশে এম পি মন্ত্রীদের চোখে আজ পানি। ৫০ হাজার মুজাহিদ সেদিন নিহত হন। আরও ৫০ হাজার আহত হন। শহীদের রক্তে সেদিন মতিঝিল ভেসে যায়। একাত্তর এর কাছে কিছুই না। পাকিস্তানীরা একাত্তর সালে কিছু দুমদাম ঠুশঠাশ করেছিল শুধু।

আবেগঘন কণ্ঠে মতি কণ্ঠ আনোয়ার বলেন, পরদিন সকালে আমি মর্নিং ওয়াকে গিয়া দেখি শুধু লাছ আর লাছ। আমি স্থানীয় বাদাম বুট বিক্রেতার নিকট হইতে দশ টেকার বুট ক্রয় করি। হাওয়া ভবনের চান্দা হিসাবে সেই দশ টেকার এক টেকা পুনরায় তার নিকট হইতে আদায় করি। তারপর বুট চিবাইতে চিবাইতে লাছ গননা শুরু করি। ৫০ হাজারে গিয়া আমার গননা শেষ হয়। আর বাকশালী সরকার কিনা এই হত্যা কান্ড অস্বীকার করে। ৫০ হাজারের একজন যদি কম মরছে ত গু খাই।

মতিঝিলে রাত্র কালে পুলিশী অভিযানে রজনীকান্ত

এত লাশ কোথায় গেল, এ প্রশ্নের জবাবে আনোয়ার প্রকাশ করেন এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। তিনি বলেন, বাকশালী সরকার রজনীকান্তের সাহায্যে ৫০ হাজার মুজাহিদের লাছ গুম করছে।

মতি কণ্ঠ আনোয়ার ভারতের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, রজনীকান্ত একজন হিন্দু ও ইনডিয়ার লোক। এতেই প্রমানিত হয় সে বাকশালী সরকারের বন্ধু ও মুমিন মুসলমানের শত্রু। সেদিন ৫ মে দিবাগত রাত্রে পুলিশ রেব বিজিবির সংগে রজনীকান্তও অংশ নিয়াছিল। পরদিন সকালে আমার মর্নিং ওয়াকের পর সে এই ৫০ হাজার লাছ গুম করে। তাই কুন ডেডবডি লইয়া আমরা মিছিল করতে পারি নাই।

এই ৫০ হাজার শহীদের পরিবারের সদস্যরা তাহলে কেন প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করছে না, এমন প্রশ্নের জবাবে আনোয়ার বলেন, রজনীকান্ত উহাদের পরিবারকেও গুম করিয়া থাকতে পারে।

অবিলম্বে আন্তর্জাতিক আইনে রজনীকান্তের বিচার দাবী করে মতি কণ্ঠ আনোয়ার বলেন, লাছ গুমকারী রজনীকান্তের ফাসি চাই দিতে হবে।

এ বেপারে রজনীকান্তের সংগে যোগাযোগ করা হলে তিনি মতিবেদককে বলেন, মতি কণ্ঠ আনোয়ারের সংগে আমার ৬ মে সকাল বেলা মতিঝিলে দেখা হয়েছিল। সে আমার নিকট হতে দশ টেকা ধার লইয়া বাদাম বুট কিনল। তারপর বাদামওলার নিকট হইতে এক টেকা চান্দা আদায় করল। তারপর আমায় বলল, তুমাদের এই ঋন কুনদিন শুধ হবে না।

%d bloggers like this: