November 20, 2014

বড় গুণ্ডের জন্মদিনে বাবুনগরীর শুভেচ্ছা

November 28, 2014

জাফর ইকবালের হাত ভেংগে দিব: নাহিদ কোবরা

নিজস্ব মতিবেদক

শাহাজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবালকে পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্ন ফাস নিয়ে বাড়াবাড়ি না করার হুমকি দিয়ে দেশের প্রভাবশালী এলাকা কারওয়ানবাজারের স্নেহধন্য সাবেক সিপিবি নেতা ও বর্তমান বাকশালের উজিরে তালিম আল্লামা নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, প্রশ্ন ফাসে কেউ হাত দিবি না। হাত ভেংগে দিব।

আজ বাদ জুম্মা মিন্টু রোডে নিজ বাসভবনে আয়জিত এক সংবাদ সম্মেলনে উজিরে তালিম এ হুমকি দেন।

সংবাদ সম্মেলনে নাহিদ বলেন, বাংগালী অদ্ভুদ। এত্ত এত্ত গরম খবর থাকতে তারা হাউকাউ করে ক্লাশ ফাইবের পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্ন ফাস লইয়া। আরে সালা ঘোচুর দল, এই যে হজ বিরুধী লতিফ সিদ্দিকী দেশে ফিরত আসিয়া জেলে ঢুকিল, এই খবর লইয়া বেস্ত থাক না কেনে? ক্লাশ ফাইবের পরীক্ষার প্রশ্ন ফাস হইলে তুমাদিগের জ্বলে কেনে?

আবেগঘন কণ্ঠে সাবেক আমীরে ছাত্র ইউনিয়ন নাহিদ বলেন, আমার বাসস্থান পুন্যভুমি সিলেটে একটি নালায়েক আস্তানা গাড়িয়াছে। উহার নাম জাফর ইকবাল। ক্লাশ ফাইবের পরীক্ষা লইয়া পুলিশ রেব বিজিবি চুপ, সেনা বাহীনী নৌ বাহীনী বিমান বাহীনী চুপ, এমনেষ্টি হিউমেন রাইট ওয়াচ জাতিসংঘ চুপ, আলজাজিরা সাইদা ওয়ারশি ষ্টিফেন রেপ চুপ, সৌদী ইংরাজ মার্কিন চুপ, আল্লামা শফী আল্লামা আনু আল্লামা বড় গুণ্ডে চুপ, ক্লাশ ফাইবের পুলাপান ও উহাদের বাপমা ভি চুপ, আর এই সালা ঘোচু জাফর ইকবাল খালি একা একা চিল্লায়। ক্লাশ ফাইবের পরীক্ষার প্রশ্ন ফাস হইলে চিল্লাইতে পারে এক মাত্র ক্লাশ সিক্সের শিক্ষক। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হইয়া তুমি বেটা ঘোচু এত চিল্লাও কেনে? দিব নাকি বিশ্ববিদ্যালয় হইতে কুন থানার ইস্কুলে ক্লাশ সিক্সে বদলী করিয়া?


পদকহারাম জাফর ইকবাল

হুহু করে কেদে উঠে উজিরে তালিম বলেন, জাফর ইকবাল বাংগালী জাতির বুকে একটি অভিশাপ। উহাকে কিছুদিন পুর্বে একটি পদক দিলাম, পরীক্ষা ফাস বিষয়ক একটি কমিটিতেও মেম্বর করিয়া দিলাম। কিন্তু সালা পদকহারাম থামে না।

ভবিষ্যতে আবার প্রশ্ন ফাস নিয়ে কথা বললে জাফর ইকবালের হাত ভেংগে দেওয়ার অংগীকার করে নাহিদ বলেন, অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে, উভয়ে যেন সাবধানে রহে। প্রশ্ন ফাস নিয়া জাফর ইকবাল কথাবার্তা বলিয়া যে অন্যায় করছে, তাহা এতদিন সহ্য করছি। আর করব না। এর পর যদি আর একটাও কথা চলে, জাফর ইকবালের হাত ভাংগিয়া দুই টুকরা করিব।

অবিলম্বে হাত ভাংগার উপর সদ্য গঠিত রাজনৈতিক দল বাবুনাগরিক শক্তির আমীর, বাংলাদেশের একমাত্র নোবেল বিজয়ী অর্থনীতীবীদ ও গ্রামীন বেংকের বিতাড়িত মালিক ‘অর্থনীতীর সানি লিওনি’ কায়েদে নোবেল রোহিংগা রাজ ড. মুহম্মদ ইউনূস বাবুনগরীর কাছ থেকে প্রশিক্ষন গ্রহনের কথা জানিয়ে উজিরে তালিম বলেন, ছাত্র জীবনে কুংফু কেরাতি কম করি নাই। ব্রুশ লির সকল চলচিত্র গুলিয়া ভক্ষন করছি। ঘনিস্ট বন্ধুরা এখনও আমায় নাহিদ কোবরা বলিয়া ডাকে। প্রশ্ন ফাসে বাধা দিয়া কচি কচি ছেলেমেয়েদের ভবিষ্যত নস্ট করতে চাইলে আগে নাহিদ কোবরার সংগে মকাবিলা করতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনের শেষে নুরুল ইসলাম নাহিদ মাথা দিয়ে চারটি ইট ভেংগে সাংবাদিকদের মনরঞ্জন করেন।

November 26, 2014

ভিনা মালিকের ২৬ বতসরের কারাদণ্ড, আত্মহত্যার চেস্টা করলেন মতিচুর

পাকিস্তান মতিনিধি

পাকিস্তানের জিও টিভির বিখ্যেত প্রভাতী অনুষ্ঠান ‘উঠ জাগ পাকিস্তান’-এ কাওয়ালী সংগীতের পাশাপাশি নৃত্য পরিবেশনের মাধ্যমে পাকিস্তানের আহলে সুন্নত ওয়াল জামাতের গিলগিট-বালতিস্তান শাখার ভাইস প্রেসিডেন্ট হেমায়েতুল্লাহ খানের ধর্মানুভুতিতে তিব্র আঘাত হানার অপরাধে পাকিস্তানের বিখ্যেত অভিনেত্রী ও কারওয়ানবাজারের হট ফেবারিট ভিনা মালিককে ২৬ বতসরের কারাদণ্ড দিয়েছেন গিলগিটের সন্ত্রাসবিরোধী আদালতের বিচারক রাজা শাহবাজ।

একই সাথে ভিনা মালিকের নেয় একটি পিশাচীনীকে শাদী করার অপরাধে ভিনা মালিকের স্বামী আসাদ মালিক, ভিনা মালিকের কাওয়ালী ও নৃত্য সঞ্চালনা করার অপরাধে উঠ জাগ পাকিস্তানের উপস্থাপিকা শায়েস্তা লদী ও এই অনুষ্ঠান প্রচারের অপরাধে জিও টিভির আমীর মির্জা শাকিলুর রহমান আলমগীরকেও ভিনা মালিকের সংগে কারাগারে একই কক্ষে ২৬ বতসর কারাভোগের দণ্ড দেন গিলগিটের হাকিম রাজা শাহবাজ।

এ রায় ঘোষনার পর ভিনা মালিক ও শায়েস্তা লদী অজ্ঞান হয়ে পড়েন। রায় শোনার পর ভিনা মালিকের মালিক আসাদ মালিক ও জিও টিভির মালিক মির্জা শাকিলুর রহমান আলমগীর পরস্পরের সংগে কোলাকুলি করেন ও নিজেদের মধ্যে এক রুপির একটি কয়েন নিয়ে টস করেন।


ধর্মানুভুতির শত্রু ভিনা মালিক

রায় ঘোষনার পর মামলার বাদী হেমায়েতুল্লাহ খান অসন্তুষ্টি প্রকাশ করে বলেন, আদালত মেরি জখম ধর্মানুভুতির প্রতি কুন সুবিচার নেহি কিয়া। ভিনা মালিকের নেয় একটি গনগনা গরম যুবতীকে ২৬ বতসরের জন্যি কারাগারে ঢুকাই দিলে মির্জা শাকিলুর রহমান আলমগীর বেতীত আর কারও কুন উপকার নেহি হগা।

আবেগঘন কণ্ঠে হেমায়েতুল্লাহ খান বলেন, দিনের পর দিন আমি ফজরের নামাজ আদায় করিয়া টিভি খুলিয়া জিও টিভিতে উঠ জাগ পাকিস্তান অবলোকন কিয়া। সাত সকালে ভিনা মালিকের কার্যকলাপ দেখলে যে কুন পুরুষের পাকিস্তান উঠতে ও জাগতে বাধ্য। আমার পাকিস্তানটিও তার বেতিক্রম নেহি। কিন্তু কাওয়ালীর সংগে এই পিশাচীনীর পাকিস্তান জাগান নৃত্য দেখার পর সেইদিন আমি আমার ধর্মানুভুতিতে চরম আঘাত পাই। এর ক্ষতি পুরন হিসাবে আদালত এই ভিনা মালিককে গনিমতের মাল ঘোষনা করে আমার বাড়িতে পাঠাইতে পারত। কিন্তু ইনসাফ এই দুনিয়া হতে উঠিয়া গেছে।


ধর্মানুভুতির শত্রু শায়েস্তা লদী

এদিকে কারওয়ানবাজারে ভিনা মালিকের কারাদণ্ডের খবর এসে পৌছালে সেখানে এক হৃদয় বিদারক পরিস্থিতির সৃস্টি হয়। কারওয়ানবাজারের সর্দার ও ১১০% অরাজনৈতিক সংগঠন ‘হেফাজতে মাহমুদুর’-এর প্রতিষ্ঠাতা আমীর আল্লামা মতিচুর রহমান আজমী এ সংবাদ শুনে কান্নায় ভেংগে পড়েন। এক পর্যায়ে তিনি ফৃজে সংরক্ষিত শফী হুগুরের পানিপড়ার বোতল এক ঢোকে সম্পুর্ন পান করে আত্মহত্যার চেস্টা করেন। এ সময় কারওয়ানবাজারের ছুটা কর্মীরা তাকে ধরাধরি করে স্কয়ার হাসপাতালে নিয়ে যায়।

স্কয়ার হাসপাতালের গেস্ট্র এন্টেরলজি বিভাগের প্রধান ডাঃ রফিকুল ইসলাম জোয়ারদার মতিকণ্ঠকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বর্তমানে মতিচুরকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। ৭২ ঘণ্টা পার না হলে কিছুই নিশ্চিত ভাবে বলা যাচ্ছে না।

মতিচুরের অনুপস্থিতিতে কারওয়ানবাজারের উপসর্দার ও আইভরী কোষ্ট ফিরত উপন্যাসিক মা’র্কেজে কারওয়ানবাজার কুফামাষ্টার আমিষুল হক পুটুনদা জানিয়েছেন, ধর্মানুভুতিতে আঘাতের বানিজ্যে লতিফ সিদ্দিকীর পরিবর্তে প্রান প্রিয় ভিনা মালিক কারাদণ্ড হওয়ায় কারওয়ানবাজার সর্দার একটি বিশেষ অনুভুতিতে আঘাত পেয়েছেন। আগামী ২৬ বতসর ভিনা মালিকের নতুন কোন ছবি ও ভিডিও দেখতে না পাওয়ার বেদনায় তিনি উচ্চ শক্তির পানিপড়া পান করে আত্মহত্যার চেস্টা করেন।

হুহু করে কেদে উঠে আমিষুল বলেন, মাসের পর মাস সংগ্রামের পর লতিফ সিদ্দিকীরে জেলে ঢুকাইলাম। অতছ চিপা দিয়া আমরার ভিনা মালিকরে কারাদণ্ড দিয়া দিল। এখন আমি সকাল বেলা আমার পাকিস্তানকে উঠাব কেমন করিয়া, জাগাবই বা কেমন করিয়া? সারাদিন ঝুলন্ত পাকিস্তান নিয়া কি উপসর্দারের জীবন যাপন করা সম্ভব?

এদিকে ধর্মানুভুতিতে আঘাতের দায়ে চাচাত ভাই মির্জা শাকিলুর রহমান আলমগীরের কারাদণ্ড হওয়ায় বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার ভাঁড়প্রাপ্ত নায়েবে আমীর, জাতীয়তাবাদী শক্তির ‘কমপ্লান বয়’, লনডনে পলাতক চিকিতসাধীন আওলাদে আমীর বড় গুণ্ডে কতৃক ‘হাইড এন্ড সিক’ গালিতে ভুষিত ও ঈদুল কতলের টেলেন্ট হান্ট প্রতিযোগীতায় ‘ফ্লেয়ার এন্ড লাবলি’ খেতাবে সমাদৃত মির্জা বাড়ির বড় গৌরব আল্লামা মির্জা ফখরুল ইসলাম আগুনগীর ওরফে ফখা ইবনে চখা বিব্রত পরিস্থিতিতে পড়েছেন বলে দলীয় সুত্রে জানা যায়। এ বেপারে তার মুঠফুনে যোগাযোগ করা হলে ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

November 25, 2014

হাটহাজারিস্তানে প্রতিষ্ঠিত হল এনাসিয়া বিমারিস্তান

হাটহাজারী আল-মতিবেদক

বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত স্বাধীন রাস্ট্র হাটহাজারিস্তানে নাস্তিক রেলওয়ে কতৃপক্ষের করাল গ্রাস হতে দখল করা ২.৬৪ একর ভুমির উপর প্রতিষ্ঠিত হল উপমহাদেশের সর্বাপেক্ষা বিখ্যেত আলেম ও তেতুল সমঝদার আল্লামা রাজ আল্লামা শাহ আহমদ শফীর পুত্র আল্লামা এনাস মাদানীর মালিকানাধীন হাসপাতাল ‘এনাসিয়া বিমারিস্তান’।

আজ হাটহাজারিস্তানের খলিফা আল্লামা রাজ হাটহাজারিস্তানে আয়জিত এক দুয়া মহাফিলে এনাসিয়া বিমারিস্তানের শুভ মহরত ঘোষনা করেন।

হাটহাজারিস্তানের নায়েবে খলিফা ও বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় শত শত কুরান পুড়ানর মামলার আসামী আল্লামা জুনাইদ বাবুনগরী বলেন, ২০০ শয্যা বিশিষ্ট এনাসিয়া বিমারিস্তানে ধর্মানুভুতিতে সকল প্রকার আঘাতে শুশ্রুশা করা হবে। এই হাসপাতালে বাংলাদেশের যে কুন প্রান্তে ধর্মানুভুতিতে বেথা পাওয়া মুসলিম ভাইদের সুচিকিতসার বন্দবস্ত রয়েছে।

মহাফিলে জুনাইদ বাবুনগরী আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, মুসলিমের ধর্মানুভুতি মাকড়সার জালের নেয় নাজুক। যে কুন সময় দমকা হাওয়ায় কিংবা বিস্টি বাদলে উহাতে বেথা লাগতে পারে। হাতে পায়ে বেথা লাগলে ইয়াহুদী নাছাড়াদের হাসপাতালে ভর্তি হইতে হয়। কিন্তু ধর্মানুভুতিতে বেথা লাগলে এতদিন কুথাও যাওয়ার জায়গা আছিল না। এই প্রথম হাটহাজারিস্তানে ধর্মানুভুতির চিকিতসার জন্য একটি বিমারিস্তান স্থাপিত হল আলহামদুলিল্লাহ।

রেলওয়ের জমি জবর দখল করা ধর্ম সম্মত কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে আল্লামা বাবুনগরী হাসতে হাসতে বলেন, সবকিছুতে ধর্ম নিয়া টানাটানি করা কি ভাল? লাইনে আসুন।

এনাস মাদানী কতৃক রেলওয়ের জমি চুরির কারনে কোন মুসলিম ভাইয়ের ধর্মানুভুতিতে আঘাত লাগবে না উল্লেখ করে বাবুনগরী বলেন, ঢাকার রাস্তায় শত শত কুরান পুড়াইয়া দিলাম। কুন মুসলিম ভাই টু শব্দ করে নাই। আর রেলওয়ের জমি চুরি ত দুদভাত।

November 24, 2014

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে পাশে পাচ্ছেন না রানা ও মোসলেম

নিজস্ব মতিবেদক

বেবসায়ী হত্যার অপরাধে মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত ফাঁসির আসামী নারায়নগঞ্জের বন্দর উপজেলার কলাগাছিয়ার বাসিন্দা মোহাম্মদ রানা ও মোসলেম উদ্দিন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে পাশে পাচ্ছেন না।

আজ সোমবার নারায়নগঞ্জের ১ নম্বর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মামুনুর রশীদ কলাগাছিয়ার বেবসায়ী নজরুল ইসলামকে হত্যার অপরাধে রানা ও মোসলেমের মৃত্যুদণ্ড ঘোষনা করেন।

রায় ঘোষনার সময় রানা ও মোসলেম পলাতক ছিলেন।

এ বেপারে রানা ও মোসলেমের আইনজীবী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, রানা ও মোসলেম আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে পাশে পাচ্ছে না।

এমনেষ্টি ইন্টারনেশনালের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে রানা ও মোসলেমের আইনজীবী বলেন, রাজাকারের ফাসি হইলে উহারা চিল্লাপাল্লা শুরু করিয়া দেয়। চিঠি লেখিয়া বলে উহারা মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে। এদিকে আমার দুই মক্কেলের যে ফাসি হইল, উহাদের কুন আওয়াজ নাই।

এ বেপারে এমনেষ্টি ইন্টারনেশনালের লন্ডন শাখার আমীর আব্বাস ফয়েজের সংগে যোগাযোগ করা হলে তিনি হাসতে হাসতে বলেন, আওয়াজ যে দিব, আমাদিগের হাদিয়া কুথায়? মানবাধিকার কি বলদের পুটু দিয়া বাইর হয়?

এ সময় হিউমেন রাইটস ওয়াচের দক্ষিন এশিয়া শাখার আমীর ব্রেড এডামস আব্বাস ফয়েজের হাত হতে মুঠফুন কেড়ে নিয়ে মতিবেদককে বলেন, একশ দুইশ মানুষ মারতে না পারলে আমরা আসামীর মানবাধিকার চুদি না। রানা আর মোসলেমকে গিয়া বলেন উহারা যেন শহীদ আবদুল কাদের মোল্লা ভাইয়ের নেয় চার পাচশ মানুষ মারিয়া টেকাটুকা লইয়া আমাদিগের সংগে যুগাযুগ করে। একজন মানুষ খুন করিয়া মানবাধিকার পাওন যাইত না।

যুক্তরাজ্যের সাবেক দীপু মনি সাইদা হোসেন ওয়ারশির সংগে যোগাযোগ করা হলে তিনি হাসতে হাসতে বলেন, বাকী চাহিয়া লজ্জা দিবেন না।

মার্কিন যুক্তরাস্ট্রের ভ্রাম্যমান রাস্ট্রদুত স্টিফেন রেপের সংগে যোগাযোগ করা হলে তিনিও হাসতে হাসতে বলেন, আরে ইহা কি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল পাইছ নাকি যে আওয়াজ দিব? নারায়নগঞ্জের বিচার শতকরা ১০০ ভাগ স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও আন্তর্জাতিক মানের হইছে। মামুনুর রশীদ জজ ভাইকে আমার হইয়া সালামালিকুম বলিয়েন।

ইউরুপী ইউনিয়নের দুত পিয়েরে মেয়াদুনের কার্যালয়ের সংগে যোগাযোগ করা হলে তার কার্যালয়ের জন সংযোগ কর্মকর্তা হাসতে হাসতে বলেন, বাকশালের যুদ্ধাপরাধী মবারকের ফাসি নিয়াই কুন কথা বলতেছি না, আর তুমরা আইছ নারায়নগঞ্জের রানা আর মোসলেমের ফাসি লইয়া। আপীল বিভাগে মুজাহিদের ফাসি পাক্কা হইলে আসিও, তখন দেখিও আমরা মৃত্যুদণ্ডের কত বড় বিরুধী।

%d bloggers like this: