November 20, 2014

বড় গুণ্ডের জন্মদিনে বাবুনগরীর শুভেচ্ছা

December 18, 2014

মজিনার বীচি হতে গাছ গজাল মেডামের বাড়িতে

কূটনৈতিক মতিবেদক

বাংলাদেশে মার্কিন যুক্তরাস্ট্রের রাস্ট্রদুত ডেন ডাবলু মজিনা ওরফে মজিনা ফায়ারফক্সের বীচি হতে গাছ গজিয়েছে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার মহিলা আমীর ও জাতীয়তাবাদী শক্তির মালিক আপোষহীন দেশনেত্রী মাদারে গনতন্ত্র বেগম খালেদা জিয়া জেএসসির বাড়িতে।

দুই বতসর আগে মজিনা ফায়ারফক্স বিরুধী দলীয় নেত্রী হিসাবে খাতির করে মাদারে গনতন্ত্রকে দুইটি বীচি উপহার দেন। দুই বতসর নিয়মিত পানি দেওয়ার পর বর্তমানে মাদারে গনতন্ত্রের বাড়িতে বীচি দুইটি হতে গাছ উতপন্ন হয়েছে।

বুধবার বর্তমান বিরুধী দলীয় নেত্রী ও সাবেক স্বৈরাচার পল্লীবন্ধু ফাদার অব কৃকেট জেনারেল আলহাজ্জ হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের পত্নী রওশন এরশাদের বাসভবনে তার সংগে সাক্ষাত কালে এই গাছ গজানর খবর দেন মজিনা ফায়ারফক্স।

মজিনা রওশন এরশাদের বাসভবনে আয়জিত এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, গাছ গজানির কারনে আমাদিগের সম্পর্ক এখন সবচেয়ে শক্তিশালী।

আবেগঘন কণ্ঠে মজিনা ফায়ারফক্স বলেন, এক বুক আশা লইয়া বাংলাদেশে আইছিলাম। বাংলাদেশ এক অপার সম্ভাবনাময় দেশ। লাইন ঠিক থাকলে আর ঠিক লাইনে থাকলে এই দেশে কুটি কুটি ডলার রুজগার করা কুন বেপারই নহে। আমার দায়িত্ব কালে আমি কতিপয় রাইস মিল, কয়েকটি আটার কল, কয়েকটি ট্রলার ও নছিমন নামাইয়া কিছু বেবসা বানিজ্য করছি। ঢাকা উত্তরের মেয়র পদে নির্বাচনেরও ইচ্ছা আছিল। কিন্তু তার আগেই বদলী হইয়া গেলাম। কিন্তু আবার আসব।


খালেদার বাড়িতে গাছ গজানর খবর বেখ্যা করছেন ফায়ারফক্স

হাসতে হাসতে মজিনা বলেন, দুই বতসর পুর্বে মাদারে গনতন্ত্রকে দুইটি বীচি উপহার দিয়াছিলাম। আজ গিয়া দেখি মেডামের টবে দুইটি কেকটাস গাছ উতপন্ন হইয়াছে আলহামদুলিল্লাহ।

এ সময় রওশন এরশাদ বিরুধী দলীয় নেত্রী হিসাবে মজিনার নিকট দুইটি বীচি উপহার দাবী করলে মজিনা ফায়ারফক্স তা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

অশ্রু মুছে মজিনা বলেন, তিনটি বতসর দেখতে দেখতে কাটিয়া গেল। কুন কামের কাম সাধন করতে পারলাম না। ইউনূসকে তাহার গ্রামীন বেংকের গদি ফিরাইয়া দিতে পারলাম না, কসাই কাদেরের ফাসি ঠেকাইতে পারলাম না, সেনা বাহীনী লাগাইয়া কুন কু করাইতে পারলাম না। দেশে গেলে মা-খালারা আমায় নিন্দা করিয়া বলে, হয়াই ইউ ন ডু নাথিং বয়? আমি তাদের শুদু একটা কথাই বলি, এ কুইক ব্রাউন ফক্স জাম্পস ওভার এ লেজি ডগ।

হুহু করে কেদে উঠে ফায়ারফক্স বলেন, এখন চলিয়া যাইতেছি। কিন্তু টারমিনেটরের নেয় আই উইল বি বাক। আগামী বতসর চাকরী হতে ছুটি লইয়া বেংগল ফেষ্টিভালে রাগ সংগীত শুনতে আসব। রাজনীতীবীদগনের রাগারাগি অনেক শুনিয়াছি, এইবার সংগীতবীদদের রাগারাগি শুনব। আশা করি এর মধ্যে আমার বন্ধু বার্নিকাট বাকশালের সানডে মানডে কোলজ করিয়া দিবে।

December 14, 2014

জংলা অপেক্ষা মংলা অধিক গুরুত্বপুর্ন: শাজাহান

নিজস্ব মতিবেদক

তেলের টেংকার ডুবে গিয়ে সুন্দরবনে ক্ষতিকারক ফার্নেস অয়েল ছড়িয়ে পড়ার পর নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, সুন্দরবনরে সিটিএন। জংলা অপেক্ষা মংলা অধিক গুরুত্বপুর্ন।

রবিবার নিজ বাসভবনে আয়জিত এক সংবাদ সম্মেলনে শাজাহান খান এ কথা বলেন।

পরিবেশ নিয়ে উদ্বিগ্ন নানা মহলের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে শাজাহান মন্ত্রী বলেন, সবাই খালি কয় পরিবেশ পরিবেশ। আরে সালা ঘোচুর দল, আমরার যে লক্ষ লক্ষ লিটার ফার্নেস অয়েল ডুবিয়া নস্ট হল, তার কি হইবে?

হুহু করে কেদে উঠে মন্ত্রী শাজাহান বলেন, আমরার একটি টেংকার যে ডুবিয়া টুকরা হইল, কুন সালা আসিয়া কুন সমবেদনা জানাইল না। মংলা বন্দরের নেয় গুরুত্বপুর্ন একটি বন্দর এক সপ্তাহ ধরিয়া অচল পড়িয়া রইছে, কেউ কুন পাত্তা দেয় না। সকলে সুন্দরবনের কাকড়া-মাকড়া আর ডলফিন লইয়া বেকুল। আরে তৈলের কারনে ডলফিনের সমস্যা হইবে কেনে? তুমরা কি শীতকালে নারিকেল তৈল বেবহার কর না? নারিকেল তৈল আর ফার্নেস তৈল পরস্পর খালাত ভাই। তবে কেন এই হানাহানি?


সুন্দরবনরে সিটিএন: শাজাহান

অশ্রু মুছে শাজাহান বলেন, সবাই খালি বলে সুন্দরবনের মধ্যে দিয়া জাহাজ চলে কেনে। আর আমি বলি জাহাজ চলার রাস্তার দুই কুলে সুন্দরবন গজাইল কেনে।

পরিবেশ ও বন মন্ত্রনালয়কে কঠর হুশিয়ারী জানিয়ে শাজাহান বলেন, সুন্দরবনের ভিতরে যত নদী খাল আছে উহার মালিক আমার মন্ত্রনালয়। কাজেই সময় থাকতে তুমরা তুমাদের জংগল অন্য কুথাও লইয়া যাও। আমরার নদীর দুই পাশে থাকতে হইলে আমরার তালে চলতে হইবে। নদীতে তৈল পড়বে, কয়লা পড়বে, সিমেন্ট পড়বে, পসাব পায়খানা সব পড়বে। ডলফিন যদি আমরার নদীতে বাচিয়া থাকতে চায়, এইসবের সংগেই বাচিতে হইবে। পসন্দ না হইলে ডলফিন লইয়া চলিয়া যাও।

হাসতে হাসতে শাজাহান বলেন, সুন্দরবনকে বাচানর জন্য আমার কুন মাথাবেথা নাই। সুন্দরবনের টেকাটুকা খায় পরিবেশ ও বন মন্ত্রনালয়ের মঞ্জু ও জেকব। আর আমি খাই জাহাজ ও বন্দরের টেকা। তাই আমার কাছে জংলা অপেক্ষা মংলা অধিক গুরুত্বপুর্ন। মংলা বন্দর বন্দ থাকলে আমারও টেকাটুকা লছ। অতএব যত তাড়াতাড়ি তুমরার সুন্দরবন আমার মংলা বন্দর হইতে সরাইতে পার, তত মংগল।

তেলের কারনে সুন্দরবনে ইরাবতী ডলফিনের মৃত্যুর কথা তুলে ধরলে শাজাহান খান বলেন, হায়াত মউত আল্লাহর হাতে। আর মংলা বন্দর ও সুন্দরবনের মধ্য দিয়া জাহাজ চলাচল আমার হাতে। তুমরার ইরাবতীরে বলিও আমায় মাসে মাসে টেকাটুকা দিতে, তবেই তাহার দেখভাল করব।

টেংকার হতে ছড়িয়ে পড়া তিন লক্ষ লিটার ফার্নেস অয়েল ভক্ষন বাবদ ক্ষতিপুরন চেয়ে শাজাহান বলেন, তিন লক্ষ লিটার তৈলের দাম না পাইলে ইরাবতী ডলফিনের নামে মামলা করিব।

শেলা নদীতে ছড়িয়ে পড়া তেলের প্রসংশা করে শাজাহান মন্ত্রী বলেন, আমার শেলা নদীর জল দেখতে কাল ছান করিতে লাগে ভাল যৌবন ভাসিয়া গেল তেলে।

December 9, 2014

নুর হোসেনের জন্যি এরশাদের কান্না ও কবিতা

নিজস্ব মতিবেদক

নারায়নগঞ্জের চাঞ্চল্যকর সাত খুন মামলার পলাতক আসামী ও বর্তমানে পশ্চিম বংগের কারাগারে বন্দী নুর হোসেনের জন্য কান্নাকাটি করেছেন সাবেক স্বৈরাচার রাস্ট্রপতি ও পল্লীবন্ধু ফাদার অফ কৃকেট শায়েরে আজম আলহাজ্জ হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।

সোমবার মধ্য রাত্রে নিজ বাসভবনে আয়জিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কান্নাকাটি করেন পল্লীবন্ধু।

সংবাদ সম্মেলনে এরশাদ বলেন, কত লোকে কত কথা বলে, কিন্তু নুর হোসেনের নামে কুন মনুমেন্ট তৈরি হল না।

আবেগঘন কণ্ঠে ফাদার অফ কৃকেট বলেন, তুমরা সবাই খালি নুর হোসেন নুর হোসেন বলিয়া কাউকাউ কর, কেউ কি তার পরিবারের কুন খবর নিছ? অতছ এই সাবেক স্বৈরাচারই নুর হোসেনের বাড়ি গিয়া তার বান্দুভীকে বুকে টানিয়া লইয়া সান্তনা দিছিল। তুমাদের কাউকে সেখানে দেখা যায় নাই। ইহাই তুমরার গনতন্ত্র?


কান্নায় ভেংগে পড়লেন পল্লীবন্ধু

হুহু করে কেদে উঠে শায়েরে আজম বলেন, নুর হোসেন এখন পচ্চিম বংগের কারাগারে বন্দী। আমিও কারাগারে বন্দী আছিলাম, কারাগারের কস্ট আমি বুঝি। আমার আশংকা হইতেছে পচ্চিম বংগের কারাগারের বাকি আসামীরা উহার পুটু মারিয়া বর্ধমান বানাইয়া দিতেছে।

অশ্রু মুছে পল্লীবন্ধু বলেন, মাত্র সাতটি খুন করিয়া পুলাটা ফেরার হইল। পলানির আগে টেকাটুকা কার হাতে দিয়া গেছে কে জানে। আমি যখন কারাগারে ঢুকি, সকল টেকা আমার বিশ্বস্ত চামচা নাজিউর রহমান মঞ্জুর হাতে দিয়া গেছিলুম। খানকির পুলা আমার হাজার হাজার কুটি টেকা মারিয়া দিয়া নতুন পাটি খুলিল। কয়েক দিনের বেবধানে আমীর হতে ফকিরে পরিনত হইলাম। ইহাই তুমরার গনতন্ত্র?

আবারও কান্নায় ভেংগে পড়ে সাবেক স্বৈরাচার বলেন, কেউ আমায় ভালবাসে না। আমি কুন কাজ করলেই উহাতে দুষ খুজিয়া বাইর করে। আমি দুটু ভাল জামা কাপড় পিন্দিলে তারা দুষ পায়, কবিতা লিখলে দুষ পায়। আরে সালা ঘোচুর দল, আমি ত মিলিটারীতে ঢুকছিলাম কবিতা রচনার জন্যি। পাকিস্তান মিলিটারীতে কুন কাজ কাম করতে হইত না, যত ক্ষন খুশি কবিতা রচনা করা যাইত।

পলাতক নুর হোসেনকে উদ্দেশ করে শায়েরে আজম বলেন, যে সাতজনকে খুন করিয়াছ, দেশে ফিরিয়া উহাদের পরিবারের সংগে যুগাযুগ করিও। আমি যাদের যাদের পুলিশ লেলাইয়া খুন করছিলাম, সকলের পরিবারের সংগে দেখা করছি। শহীদ দেলয়ারের মাকে গিয়া বলছি, মা তুমার এক পুলারে খুন করাইছি, এখন আমিই তুমার পুলা। শহীদ মিলনের স্ত্রীকে গিয়াও কাছাকাছি সংলাপ দেওয়ার ইচ্ছা আছিল, কিন্তু ডর লাগে।

সান্তনা দেওয়ার জন্য শহীদ দীপালী সাহার পরিবারকে খুজে না পাওয়ার কথা জানিয়ে পল্লীবন্ধু বলেন, দীপালী সাহার পরিবারের কাউরে না পাইয়া ক্ষতি পুরন হিসাবে মুন্নী সাহাকে কাছে টানিয়া লইছি। তারপরও তুমরা আমায় স্বৈরাচার বল। ইহাই তুমরার গনতন্ত্র?

সংবাদ সম্মেলন শেষে নুর হোসেনের উদ্দেশে স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন পল্লীবন্ধু।

আমি ও নুরু
———-

শুন শুন নুরু
আমি তুমার গুরু
তুমার খেলা যেখানে শেষ, আমার সেখানে শুরু।

ওরে নুরু শুন
পলাইছ করিয়া মাত্র সাতখানি খুন

আমি কত মারিয়াছি শুনবা?
লেখাপড়া জান যে গুনবা?

নুরু তুমার জন্যি জাতীয় পাটিতে খালি সিট
কয়েক কুটি টেকা দিলেই প্রেসিডিয়ামে করিয়া দিব ফিট

সঠিক পাটিতে যদি থাক তবে হে আমার নুর
সাতশ খুনের পরেও কেউ বালটাও ফালাইতে পারবে না তুর।

December 7, 2014

বাকশাল বাংলার পানি সম্পদ মালদ্বীপে পাচার করতেছে: ফখা

নিজস্ব মতিবেদক

অগ্নি কাণ্ডে মালদ্বীপের রাজধানী মালেতে অবস্থিত পানি শোধনাগার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর ১ লক্ষ লিটার পানি নিয়ে মালদ্বীপের উদ্দেশে নৌবাহিনীর জাহাজ পাঠানর প্রতিবাদ জানিয়ে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার ভাঁড়প্রাপ্ত নায়েবে আমীর, জাতীয়তাবাদী শক্তির ‘কমপ্লান বয়’, লনডনে পলাতক চিকিতসাধীন আওলাদে আমীর বড় গুণ্ডে কতৃক ‘হাইড এন্ড সিক’ গালিতে ভুষিত ও ঈদুল কতলের টেলেন্ট হান্ট প্রতিযোগীতায় ‘ফ্লেয়ার এন্ড লাবলি’ খেতাবে সমাদৃত মির্জা বাড়ির বড় গৌরব আল্লামা মির্জা ফখরুল ইসলাম আগুনগীর ওরফে ফখা ইবনে চখা বলেছেন, ফেসিবাদী বাকশাল বাংলার পানি সম্পদ মালদ্বীপে পাচার করিয়া দেতেছে।

রবিবার নিজ বাসভবনে আয়জিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ প্রতিবাদ জানান মির্জা বাড়ির বড় গৌরব।

সংবাদ সম্মেলনে আগুনগীর বলেন, গত বতসর যখন সারাদেশে মনির পুড়াইতেছিলাম, তখন ফেসিবাদী বাকশাল আমরার মেডামের বাসভবনে পানি সরবরাহ বন্দ করিয়া দিল। আমরা নায়েবরা মামের বুতলে করিয়া পানি আনিয়া আনিয়া মাদারে গনতন্ত্রর খেদমতে জমাইয়া সে অন্ধকার সময়ে মেডামকে চরম বিপদের হাত হতে রক্ষা করি। যদিও ঘেটুপুত্র কাদেরা ও মেডামের কেডারদিগের হাতে মাইর খাওয়া মেজর মান্নান সেই পানি দিয়া গুছল করিয়া মেডামকে পুনরায় বিপদে ফালাইয়াছিল, কিন্তু আজ সে সব লইয়া কথা কব না। আমি শুদু ফেসিবাদী বাকশালকে জিংগাস করতে চাই, সেদিন নৌবাহিনীর জাহাজ কুথায় আছিল?


ফখেল কেস্ট্র

আবেগঘন কণ্ঠে ফখা ইবনে চখা বলেন, মেডামের বাড়িতে পানি বন্দ করিবার পর নৌবাহিনীর কুন জাহাজকে ত লক্ষ লক্ষ লিটার পানি লইয়া গুলশানের আশেপাশে আসতে দেখা যায় নাই। বাকশাল সরকার কি নৌবাহিনীকে গুলশানে পানিভর্তি জাহাজ পাঠানর হুকুম দিতে পারত না? আজ কুথাকার কুন মালদ্বীপে তারা বাংলার সকল পানি সম্পদ পাচার করিয়া দিতেছে। লক্ষ লক্ষ লিটার পানি গুপনে নৌবাহিনীর জাহাজে করিয়া মালদ্বীপে অবৈধভাবে পাচার করিতেছে এই বাকশাল।

হুহু করে কেদে উঠে হাইড এন্ড সিক বলেন, আজ পানি পাঠাইতেছে, কাল মাটি পাঠাইবে। পরশু যে আমরার ঘরের টিনের চাল খুলিয়া মালদ্বীপ পাঠাইয়া দিবে না, উহার কি নিশ্চয়তা?

অশ্রু মুছে ফ্লেয়ার এন্ড লাবলি বলেন, মালদ্বীপের সংগে এত কিসের খাতির? মালদ্বীপের চারপাশে সাগরে ভর্তি পানি। যত লাগে তুলিয়া বেবহার করা যায়। এত দিন শুনছি তেলা মাথায় তেল দেওয়া হয়, আজ দেখিতেছি জলা মাথায় জল ঢালা হইতেছে। পানি যদি পাঠাইতে হয়, কেন মধ্যপ্রাচ্যে আমরার সৌদী ভাইদের জন্য পাঠান হইতেছে না?

ক্ষমতায় গেলে মালদ্বীপে পানি পাচারের মামলায় শেখের বেটীকে ফাসি দেওয়ার অংগীকার করে জাতীয়তাবাদী শক্তির কমপ্লান বয় বলেন, আমরার মেডাম ইয়াতীমের টেকা নিজের ইয়াতীম পুত্রদের কামে লাগাইছেন বলিয়া তুমরা মামলা দিছ। আমরাও গদিতে গিয়া বাংলার মাল মালদ্বীপে পাচারের মামলায় তুমাদের ফাসি দিব।

%d bloggers like this: