March 8, 2014

কারওয়ানবাজারে বদলের হাওয়া

April 15, 2014

কষ্ট করলে কেষ্ট্র মিলে: ফখা

নিজস্ব মতিবেদক

বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার আওলাদে আমীর, জাতীয়তাবাদী শক্তির ভবিষ্যত মালিক ও একাত্তরের রেম্ব শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের যোগ্য উত্তরসুরী চিকিতসাধীন পলাতক মিষ্টার ফিপটিন পারসেন্ট তরুন নেতৃত্ব বড় গনতন্ত্র তারেক জিয়াকে ‘বাংলার ফিডাল কেষ্ট্র’ উপাধিতে ভুষিত করে বৃহত্তর জামায়াতের বিএনপি শাখার ভাঁড়প্রাপ্ত নায়েবে আমীর, জাতীয়তাবাদী শক্তির ‘কমপ্লান বয়’ ও বড় গুন্ডে কতৃক ‘হাইড এন্ড সিক’ কলংকে ভুষিত মির্জা বাড়ির বড় গৌরব মির্জা ফখরুল ইসলাম আগুনগীর ওরফে ফখা ইবনে চখা বলেছেন, কষ্ট করলে কেষ্ট্র মিলে। আমরা কষ্ট করিয়াছি তাই বড় গুণ্ডের নেয় একজন তরুন নেতৃত্বকে বাংলার কেষ্ট্র রুপে পাইছি। উনি না থাকলে সকালটা এত মিস্টি হত না।

সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে বৃহত্তর জামায়াতের বিএনপি শাখার ছাত্র উপশাখা ছাত্র দল আয়জিত এক প্রতিবাদ অনুষ্ঠানে ফখা ইবনে চখা এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, বৃহত্তর জামায়াতের শাসন আমলের পাচটি বতসর ছিল এই বাংলার বুকে সর্বাপেক্ষা ভাল সময়। শায়েস্তা খাঁর আমলে টেকায় আট মন চাউল পাওয়া যাইত। কিন্তু আমাদের বাংলার কেষ্ট্রকে আট মন চাউলের জন্য কুন টেকাই খরচ করতে হইত না। কারওয়ানবাজার হতে চাউলের কারবারীরা বিনা টেকায় উনাকে মাসে আট মন করিয়া পুলাওয়ের চাউল দিয়া যাইত।

আবেগঘন কণ্ঠে ফখা বলেন, কিন্তু চিরদিন কাহারও যায় না সমান। ভয়াল এক এগারর সময় বাংলায় চাউলের দর এক এগারতে ঠেকল। তখন বড় গুণ্ডের খোরাকির একটি চাউলের দর হইয়া গেল এগার টেকা। রক্ত ললুপ জেনারেল মইন আসিয়া বড় গুণ্ডেকে পিটাইয়া পুটু ফাটাইয়া দিল। আছিলেন শ্রী কেষ্ট্র, হইয়া গেলেন ফাটা কেষ্ট্র।


বড় গুণ্ডে বাংলার কেষ্ট্র

হুহু করে কেদে উঠে আগুনগীর বলেন, আমার বয়স হইছে। আগের মত বড় গুণ্ডের খেদমত করতে পারি না। গত বতসর আত্ম জীবনী পুস্তক লিখার কাজে বেস্ত আছিলাম বলিয়া ঠিকমত মনির পুড়াইতে পারি নাই। তাই উনি রাগ করিয়া আমায় লনডন হতে হাইড এন্ড সিক বলিয়া গালি দিছেন। কবে যে ভাঁড়প্রাপ্ত নায়েবে আমীর হতে পুর্ন কালীন নায়েবে আমীর পদে প্রমশন পাব, জানি না। কিন্তু বাংলার কেষ্ট্রকে সংসদে তোফায়েল আহাম্মক বলিয়া গালি দিলে আমি চুপ করিয়া থাকতে পারি না।

অশ্রু মুছে মির্জা ফখরুল বলেন, গত সংসদে যখন আমরা তিরিশটি সীট লইয়া উপস্থিত আছিলাম, তখন ভরা সংসদে শাম্মী পাণ্ডে বাকশালকে চোতমারানী বলিয়া গালি দিছিল। তোফায়েল শুদু আহাম্মক বলায় এইবার মাফ করিয়া দিলাম। কিন্তু যদি আমাদিগের নয়নের মনি বড় গুণ্ডে বাংলার কেষ্ট্রকে সে কুন দিন চোতমারানী বলিয়া গালি দেয়, আমার একটি কিলও মাটিতে পড়িবে না। কমপ্লান বয়ের সংগে মস্তানী চলবে না, এই আমি কয়ে রাখলুম।

April 11, 2014

ইউ ন নাথিং, পুটু: মকসুদ

নিজস্ব মতিবেদক

রাজনীতীবীদদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে ইতিহাসে বিনা মুল্যে আংগুল না দেওয়ার আহোভান জানিয়ে উপমহাদেশের বিখ্যেত ইতিহাসবীদ, কলামিষ্ট ও গান্ধীবাদী আন্দোলনের প্রবাদ পুরুষ সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেছেন, ইতিহাসকে বিনা পয়সার রাজনীতীর বাইরে রাখুন।

শুক্রবার সকালে নিজ বাস ভবনে আয়জিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ আহোভান জানান মকসুদ। এ সময় তার পোষা ছাগল পুটু সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

ইতিহাসবীদ মকসুদ বলেন, কয়েক মাস ধরিয়া শুরু হইছে এক নতুন খেল। আমরা যারা উপমহাদেশের বিখ্যেত ইতিহাসবীদ, কলামিষ্ট ও গান্ধীবাদী আন্দোলনের প্রবাদ পুরুষরা আছি, তাহাদের কুন পাত্তা না দিয়া, তাহাদের সংগে পরামিশ না করিয়া, তাহাদের উপযুক্ত হাদিয়া না দিয়া কতিপয় রাজনীতীবীদ দেশে ও বিদেশে বসিয়া ইতিহাসে বিনা মুল্যে আংগুল দিতেছেন।

আবেগঘন কণ্ঠে মকসুদ বলেন, এভাবে চলতে পারে না।


ইতিহাসে আংগুল দিতে হলে ইতিহাসবীদকে মুল্য দিতে হবে

অশ্রু মুছে সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, আগে ভাবতাম শুদু পাঠকই আমায় সস্তা পায়। কিন্তু এখন দেখতেছি রাজনীতীবীদরা আমায় মাগনা পাইতেছেন। একাত্তরের রেম্ব জিয়া ভাইকে দেশের প্রথম রাস্ট্রপতি বানান হইল, কিন্তু কুন অনুস্ঠানে বক্তিতা বিবৃতীর ডাক পাইলাম না। বংগবন্ধু মুজিব ভাইকে দেশের প্রথম অবৈধ প্রধান মন্ত্রী বানান হইল, কিন্তু লনডনে যাওনের টিকেট ত দুরের কথা, ধানমন্ডি হতে গুলশান যাওনের পেট্রল খরচটাও হাতে আইল না।

হুহু করে কেদে উঠে মকসুদ বলেন, উপমহাদেশের বিখ্যেত ইতিহাসবীদ হইয়াও যদি একটু আদর, একটু কদর না পাই, তাহলে চলিব কিরুপে? রাজনীতীবীদরা আগে অর্থনীতীর টেন পারসেন্ট খাইতেন, সাংগপাংগদেরও এক দুই পারসেন্ট খাওয়ার তৌফিক দিতেন। কিন্তু এখন উনারা ইতিহাসের ফিপটিন পারসেন্ট খাইতেছেন, আমাদিগকে কিছু না দিয়া।

আবেগ দমন করে গান্ধীবাদী আন্দলনের অগ্র সেনানী বলেন, ইতিহাসকে ‘হাওয়া’ করিয়া দিতে চান ভাল কথা। কিন্তু সে কাম পেশাদার ইতিহাসবীদ দিয়া করান। নিজের চুল যেমন নিজে কর্তন করা ঠিক নহে, নিজের ইতিহাসও নিজে ‘হাওয়া’ করা ভাল নহে। দুই চার হাজার পাউন্ড এদিকে ঠেলিয়া দিন। কুথায় কারে বসাইতে হবে, সব ঠিক করিয়া দিব।

আবার হুহু করে কেদে উঠে মকসুদ বলেন, পপেশনালদের পিছন থেকে গুলি করা মানায় না মাষ্টার।

এ সময় মকসুদের পোষা ছাগল পুটু উসখুস করে উঠলে মকসুদ তাকে ধমক দিয়ে বলেন, ইউ ন নাথিং, পুটু। উইন্টার ইজ কামিং।

April 9, 2014

ন কমেন্টস: তুষার, বেস্ত আছি: আমিষুল

নিজস্ব মতিবেদক

বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার আওলাদে আমীর, জাতীয়তাবাদী শক্তির ভবিষ্যত মালিক ও একাত্তরের রেম্ব শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের যোগ্য উত্তরসুরী চিকিতসাধীন পলাতক মিষ্টার ফিপটিন পারসেন্ট তরুন নেতৃত্ব বড় গনতন্ত্র তারেক জিয়ার ‘ইতিহাস উন্নয়ন প্রকল্প’ নিয়ে কোন মন্তব্য না করার সংকল্প বেক্ত করে খেতনামা ড্রন বিশেষজ্ঞ, মস্তফা অনুরাগী, কাপড় বেবসায়ী ও ইসলামী বেংকের সমঝদার হরলিকস পাগলা বিতর্ক রাজ আল্লামা আবদুন নুর তুষার বলেছেন, ন কমেন্টস।

আজ এক সংবাদ সম্মেলনে তুষার এ কথা বলেন।

বিতর্ক রাজ বলেন, দুনিয়ার সব বিষয়ে আমি জ্ঞেন বিতরন করি, এই কথা সত্য। কিন্তু একটি বিষয়ে আমি কুন কথা বলব না। আর সে বিষয়টি হইতেছে বড় গুণ্ডে তারেক জিয়া।

আবেগঘন কণ্ঠে হরলিকস পাগলা তুষার বলেন, মাঝে মধ্যে আমারও ত ইচ্ছা করে ইসলামী বেংকের অনুষ্ঠানে বেক ষ্টেজ হতে উপস্থাপনা করে পাওনা টেকায় বিলাত ভ্রমন করতে। আর বড় গুণ্ডের নামে কিছু বলিয়া বিলাতে গিয়া মাইর খাব নাকি? বরং চুপচাপ থাকলে একদিন হয়ত বড় গুণ্ডে নিজেই আমায় টিকেট খরিদ করিয়া পাঠাইবেন। তাই বড় গুণ্ডের বেপারে ন কমেন্টস।

হাসতে হাসতে আল্লামা তুষার বলেন, শুনিলাম আজ তিনি বংগবন্ধুকে অবৈধ রাস্ট্রপতি বলিয়াছেন। এই বেপারে আমি কিছু বলব না। আপনারা প্রভাবশালী এলাকা কারওয়ানবাজারের উপ সর্দার ও আইভরী কোষ্ট ফিরত উপন্যাসিক আল্লামা আমিষুল হক পুটুনদার সংগে যোগাযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সাংবাদিকরা আমিষুল হকের সংগে মুঠফোনে যোগাযোগ করলে তিনি আল্লামা তুষারের সব কথা শুনে বলেন, বড় গুণ্ডের কথা আমিও শুনছি। কিন্তু এ বেপারে আমার কিছু বলা ঠিক হবে না। তাছাড়া গণ্ডগুলের সময় আমার বয়স ছিল নিতান্ত কম। ঐ সময় কি হইছে না হইছে পরিষ্কার খেয়াল নাই। আমি শুদু আজাদ আর আজাদের মায়ের কথা জানি। বাকি ঘটনা এখনও আমার কাছে কিলিয়ার নহে। তাই বিতর্কিত বেপারে কুন মন্তব্য করিয়া ভবিষ্যতে গন ভবন, বংগ ভবন, হাওয়া ভবনে নানা রকম দাওয়াত মহাফিলে খানাপিনা মিছ করিতে চাই না।

আবেগঘন কণ্ঠে আমিষুল হক বলেন, কারওয়ানবাজারের অন্যতম মুরুব্বি এ বি এম মুসা আজ ইন্তেকাল করিয়াছেন। ইন্নালিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন। মুসা ভাই না থাকলে আমি উষার দুয়ারে পুস্তকখানি রচনা করতে পারতাম না। একদিন হাঞ্জা বেলা পুস্তক রচনা করতেছি, আতকা মনে হইল আল্লাহ গো, সেই আমলে কি ঘটছে না ঘটছে কিছুই ত জানি না। মুঠফুন মারলাম মুসা ভাইকে। মুসা ভাই বললেন, আমি বলতেছি তুই লিখ। সেই মুসা ভাই আজ আল্লাহর পেয়ারা হয়েছেন। আপনারা তার নাগাল আর পাইবেন না। বড়জোর তার বর্নিত উষার দুয়ারে নাগালে পাইবেন। আজই দুকান হতে খরিদ করুন। কারওয়ানবাজারে আসিলে এক কেজি মিস্টি নিয়া আমার সংগে দেখা করিয়েন, অটগ্রাফ দিয়া দিব।

বড় গনতন্ত্রের ইতিহাস উন্নয়ন সম্পর্কে কিছু বলতে বললে আমিষুল হক হাসতে হাসতে বলেন, কিভাবে বলব? এ বি এম মুসা ভাই বাচিয়া থাকলে উনাকে জিজ্ঞাস করিয়া কিছু জানার সুযুগ আছিল। আজ তাহাও নাই। তাই আমার শেষ কথা হইল, বেস্ত আছি।

April 8, 2014

চড় খেয়ে পুলিশের বদনাম করলেন কেজরিওয়াল

দিল্লী মতিনিধি

দিল্লীর রাজপথে লোকসভা নির্বাচনের প্রচারনা চালানর সময় জনৈক অট রিকশা চালকের চড় খেয়ে পুলিশের উপর ক্ষিপ্ত হয়েছেন দিল্লীর পদত্যেগ কারী মুখ্য মন্ত্রী ও আম আদমী পার্টির আমীর অরবীন্দ্র কেজরিওয়াল।

আজ দিল্লীর বেস্ত সড়কে অট রিকশা চালকদের আম আদমী পার্টিতে ভোট দেওয়ার আহোভান জানানর সময় লাল বাহাদুর লালি নামক জনৈক অট রিকশা চালক অট রিকশা থেকে নেমে এসে অরবীন্দ্র কেজরিওয়ালের দুই গালে দুটি চড় মারেন।

এর পর কেজরিওয়ালের সংগে থাকা আম আদমী পার্টির সদস্যরা মহাত্মা গান্ধীর অহিংস নীতী পরিত্যেগ করে লাল বাহাদুর লালিকে উত্তম মধ্যম দিয়ে হাসপাতালে পাঠান।


চড় খেয়ে মন খারাপ করেছেন অরবীন্দ্র কেজরিওয়াল

লাল বাহাদুর লালির চড়ের আঘাতে আহত কেজরিওয়াল এক টুইটার বার্তায় বলেন, আমি উহাকে সাদা মনে বললাম, ভাই লালি, আম আদমী পার্টিতে ভুটটা দিও খালি। তখন সালা ঘোচু লাল বাহাদুর আমায় বলে কি, খানকির পুলা, তুঝে ত পিছলে বার ভুট দিয়া, লেকিন তুনে কেয়া কিয়া? এই কথা বলিয়া সে আমার দুই নরম গালে দিল দুই লোহার নেয় শক্ত চড়। প্রথম চড় খাইয়া আমি যখন উহাকে বললাম আমায় মার কেনে, সে তখন বলে কি, এক গালে চড় দিলাম, এখন অপর গাল জলদি জলদি মহাত্মা গান্ধীর নেয় এদিকে ফিরা। অতপর সে আমার অপর গালে দিল দ্বীতিয় চড়। মহাত্মা গান্ধী একশ বছর আগে কি বলিয়া গেছে, তার কারনে গাল ফাটল আমার।

আবেগঘন ফন্টে কেজরিওয়াল টুইটার বার্তায় বলেন, এই সব অট রিকশা চালকের সংগে কুন অহিংসা নাই। কুন মহাত্মা গান্ধী ফান্ধী ইহাদের সুজা করতে পারবে না। তাই আমার সাংগ পাংগরা লালিরে ধরিয়া পিটাইয়া লাল বানাইছে। এখন সে শুধু নামে নয়, কামেও লালি। সে একবার হাসপাতাল হইতে বাইর হউক, আমি উহাকে পুনরায় আম আদমীর মাইর খাওয়াব।

বাংলাদেশের পুলিশের প্রতি ইংগিত করে কেজরিওয়াল বলেন, ফেসবুকে এক পুলা এক কিশরীকে চড় মারার ভিডিও আপলড করার ২৪ ঘন্টার মাথায় বাংলাদেশের ঠোলারা উহাকে গ্রেফতার করিয়া ফেলছে। আর এই যে আমি এক জন ভিআইপি মুখ্য মন্ত্রী রাস্তায় চড় খাইলাম, দিল্লী পুলিশের কুন নড়াচড়া নাই। আমি এর প্রতিবাদে অনশন করব।

এ বেপারে দিল্লী পুলিশ কমিশনার মলায়েম কোহলির সংগে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, দিল্লীর অট রিকশা চালকের চড় দিল্লীর লাড্ডুর নেয়। খাইলেও পস্তাইবেন, না খাইলেও পস্তাইবেন।

%d bloggers like this: