August 13, 2014

কবি তুষারের অমর কাব্য গ্রন্থ

September 1, 2014

আগামী বতসর হতে ২১শে আগষ্ট কোকোর জন্মদিন পালনের সিদ্ধান্ত

নিজস্ব মতিবেদক

২০১৫ সাল হতে প্রথম বারের মত ২১শে আগষ্টে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার মহিলা আমীর ও জাতীয়তাবাদী শক্তির মালিক আপোষহীন দেশনেত্রী মাদারে গনতন্ত্র বেগম খালেদা জিয়া জেএসসির অপর সন্তান আরাফাত কোকোর জন্মদিন উতসব পালনের সিদ্ধান্ত চুড়ান্ত হয়েছে।

আজ বিএনপি শাখার স্থায়ী কমিটির জনৈক সদস্যের ঘনিস্ট সুত্র থেকে এ সিদ্ধান্তের কথা জানাজানি হয়।

এ সিদ্ধান্তের কথা জানাজানি হওয়ার পর বিএনপি শাখার নানা পাতিশাখায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

ঘনিস্ট সুত্র থেকে জানা যায়, কিছুদিন পুর্বে জাতীয়তাবাদী শক্তির মালিকানার ভাগ বাটোয়ারা বিষয়ে সৌদী আরবের পবিত্র মদিনা নগরীতে মদিনা সামিটে আলচনায় বসেন জাতীয়তাবাদী শক্তির বর্তমান মালিক বেগম খালেদা জিয়া ও জাতীয়তাবাদী শক্তির উত্তরাধিকারী শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পুত্র বড় গুণ্ডে বড় গনতন্ত্র তারেক জিয়া।

এ সামিটে জাতীয়তাবাদী শক্তির ভবিষ্যত নিয়ে নানা আলচনা হয়।


ভুলনা আমায়: কোকো

সামিটে এক পর্যায়ে ২১শে আগষ্ট পুনরায় জন্মদিন পালনের জন্য মাদারে গনতন্ত্রকে অনুরধ করে বড় গনতন্ত্র বলেন, ২১শে আগষ্টের নেয় একটি গুরুত্ব পুর্ন দিনে কুন কেক কাটা না হইলে জাতীয়তাবাদী শক্তির সম্মান থাকবে না।

এ সময় মাদারে গনতন্ত্র ১৫ আগষ্ট জন্মদিন পালনের কথা বড় গুণ্ডেকে স্মরন করিয়ে দিলে বড় গুণ্ডে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের নেয় কয়েক ধাপে জন্মদিন পালনের পরামর্শ দেন। তিনি ১৫ আগষ্টে দুই হালি কেক কর্তনের সমালচনা করে বলেন, সব কেক একদিনে না কাটিয়া কিছু কেক এক সপ্তা পর কাটিলে কি এমন ক্ষতি?

এক সপ্তাহ পর কেক বাসি হয়ে যায়, এ তথ্য জানালে বড় গুণ্ডে উত্তেজিত হয়ে বলেন, বাসি কেক ত বিএনপি শাখার বিভিন্ন গ্রাম গঞ্জের পাতিশাখার নেতারাই খাইব। উহাদের পেট নামিলে আমরার কি?

এ সময় মাদারে গনতন্ত্র বড় গুণ্ডের প্রতি রাগারাগি করে তাকেই ২১শে আগষ্টে জন্মদিন পালনের আহোভান জানালে বড় গুণ্ডে বলেন, আমার জন্মদিনে দুবাই হতে দাউদ ইব্রাহীম ও লন্ডন হতে লড লেডীরা ফুন করিয়া হেপি বাড্ডে বলে। এখন আর জন্মদিন পাল্টান যাইত না।

এ সময় উভয় পক্ষ আগামী ২১শে আগষ্ট হতে বেংকক নিবাসী বেগম খালেদা জিয়ার অপর সন্তান আরাফাত কোকোর জন্মদিন পালনে সম্মত হয়।

এ সিদ্ধান্তে সন্তুস্টি প্রকাশ করে বড় গুণ্ডে বলেন, আরাফাত কোকোর জন্মদিন কেহই জানে না। উহারে লইয়া এমনেই অনেক রহস্য। কাজেই কুন সমস্যা হইত না।

এদিকে ২১শে আগষ্ট নিজের জন্মদিন উপলক্ষে উতসব পালনের সিদ্ধান্তের কথা জানতে পেরে এক তাতক্ষনিক সংবাদ সম্মেলন করে আনন্দ প্রকাশ করে পলাতক আরাফাত কোকো বলেন, বিএনপি শাখার রাজনীতীতে আমার নাম কেহই লয় না। সব খানে শুদু বড় গুণ্ডের কদর। অতছ আমি ছুট গুণ্ডে এইখানে বেংককে কুন মতে দুটু খাই পরি। বেংককে যখন পরথম আসি, তখন ভাবছিলাম এমন আনন্দ ফুর্তি করব যে সকলে আমায় দি কক অফ বেংকক নামে ডাকিবে। কিন্তু এখন সকলে আমায় দেখিয়া হাসে, দি বেং অফ বেংকক বলিয়া ডাকে।

২১শে আগষ্ট নিজের জন্মদিন ধুম ধাড়াক্কার সংগে পালনের অংগীকার বেক্ত করে আনন্দে হুহু করে কেদে উঠে ছোট গুণ্ডে বলেন, ভায়ের মায়ের এত স্নেহ কুথায় গেলে পাবে কেহ?

September 1, 2014

জিয়ার কবরে ফুল দিতে গিয়ে রক্তক্ষয়ী হানাহানি, ৬১ জন নিহত

নিজস্ব মতিবেদক

একাত্তরের রেম্ব, সাবেক স্বৈরাচার রাস্ট্রপতি ও বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার প্রতিষ্ঠাতা আমীর জেনারেল জিয়ার চন্দৃমা উদ্যানস্থ কবরে ফুল দিতে গিয়ে রক্তক্ষয়ী হানাহানিতে জড়িয়ে পড়েছে বিএনপি শাখার নেতা কর্মী বৃন্দ।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এ হানাহানিতে ৬১ জন নিহত হয়েছে।

বিএনপি শাখার পল্লবী থানা পাতিশাখার বিএনপি মুজাহিদদের দুই পক্ষের মধ্যে এ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ শুরু হয়।

আজ বিএনপি শাখার প্রতিষ্ঠা বার্ষিকি উপলক্ষে মহানগরের অলি গলি হতে বিএনপি শাখার সমর্থকরা মিছিল করে চন্দৃমা উদ্যানে একাত্তরের রেম্বর কবরে উপস্থিত হন। এ সময় অগনিত ভক্তের পদভারে চন্দৃমা উদ্যান কেপে উঠে। কবরে ফুল দিতে উপস্থিত মুজাহিদদের অনেককে এ সময় ‘জিয়া জ্বলে জাঁ জ্বলে’ গানে মুখরিত হতে দেখা যায়।

মিছিলের এক পর্যায়ে পল্লবী থানা বিএনপি পাতিশাখার জনৈক কেডার ‘জিয়া জিয়া রে জিয়া রে’ গান গাওয়া শুরু করলে ‘জিয়া জ্বলে জাঁ জ্বলে’ গান গাওয়া পল্লবী থানা পাতিশাখার অপর এক মুজাহিদ তাকে ধাক্কা দিয়ে ‘জিয়া জ্বলে জাঁ জ্বলে’ গাওয়ার আদেশ দেন। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে পল্লবী থানা পাতিশাখার কেডাররা পকেট হতে বাশের লাঠি বের করে পরস্পরের উপর হামলা শুরু করলে মুহুর্তের মধ্যে চন্দৃমা উদ্যান রনক্ষেত্রে পরিনত হয়।


জিয়া জ্বলে জাঁ জ্বলে

এ সময় পুলিশকে অসহায় দর্শকের ভুমিকায় দাড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।

দাংগায় নিহত ও আহতদের সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার এক ঘণ্টা পর ভোর দুইটার দিকে বিএনপি শাখার মহিলা আমীর ও জাতীয়তাবাদী শক্তির মালিক আপোষহীন দেশনেত্রী মাদারে গনতন্ত্র বেগম খালেদা জিয়া জেএসসি জিয়ার কবরে পুস্প স্তবক অর্পন করতে আসেন।

এ সময় বিএনপি শাখার ঢাকা মহানগর উপশাখার আমীর বংগ মলটভ মির্জা আব্বাসের কাছে কবর দাংগায় হতাহতদের সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বিএনপি শাখায় বহু মতের মানুষ আছে। সমাজে বহু মতের মানুষ থাকলে একটু আধটু খুনাখুনি হইতেই পারে।

মির্জা আব্বাস মেডামের জন্মদিনে কেক খাওয়া নিয়ে হানাহানি, ঈদের সিজনে সালামী নিয়ে হানাহানি ও কিছু কাল পুর্বে জিয়ার কবরে পুস্প দিতে গিয়ে চুলাচুলির কথা স্মরন করিয়ে দিয়ে বলেন, গনতন্ত্রের চর্চা করতে গেলে কিছু তেগ স্বিকার করতে হয়। আজকের দাংগায় হতাহতরা তেগের আদর্শ নিয়া চলে। এতে খারাপ কিছু নাই।

জিয়ার কবরে ফুল দিতে উপস্থিত বিএনপি শাখার মানবাধিকার উপশাখার আমীর আদিলুর রহমান শুভ্র ওরফে কানাবাবা শুভ্র মতিকণ্ঠকে বলেন, আজ কবর দাংগায় ৬১ জন নিহত হইছে।

কিভাবে তিনি এ সংখ্যা সম্পর্কে নিশ্চিত হলেন, এমন প্রশ্নের সরাসরি উত্তর না দিয়ে কানাবাবা শুভ্র বলেন, ভদ্রলোকের এক জবান

August 31, 2014

আলীমের মৃত্যুতে বিএনপি শাখায় শোকের ছায়া

নিজস্ব মতিবেদক

আজীবন আরামদণ্ড প্রাপ্ত একাত্তরের যুদ্ধাপরাধী ও একাত্তরের রেম্ব জেনারেল জিয়ার মন্ত্রী সভার সাবেক মন্ত্রী আব্দুল আলীমের মৃত্যুতে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখা জুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

আজ আলীমের মৃত্যু উপলক্ষে আয়জিত বিশেষ দুয়া মাহফিলে বিএনপি শাখার বিভিন্ন স্তরের নেতা কর্মীরা উপস্থিত হন।

বিএনপি শাখার ভাঁড়প্রাপ্ত নায়েবে আমীর, জাতীয়তাবাদী শক্তির ‘কমপ্লান বয়’, লনডনে পলাতক চিকিতসাধীন আওলাদে আমীর বড় গুণ্ডে কতৃক ‘হাইড এন্ড সিক’ গালিতে ভুষিত ও ঈদুল কতলের টেলেন্ট হান্ট প্রতিযোগীতায় ‘ফ্লেয়ার এন্ড লাবলি’ খেতাবে সমাদৃত মির্জা বাড়ির বড় গৌরব আল্লামা মির্জা ফখরুল ইসলাম আগুনগীর ওরফে ফখা ইবনে চখা আলীমের স্মৃতি চারন করে বলেন, আব্দুল আলীম আছিলেন বিএনপি শাখার সম্পদ। একাত্তরের রেম্ব জেনারেল জিয়া উনাকে পরথমে বস্ত্র মন্ত্রী, পরে যোগাযোগ মন্ত্রী বানাইছিলেন। একাত্তর সালে উনি আরও দুই তিন হাজার মানুষ মারতে পারলে হয়ত আলীম চাচা প্রধান মন্ত্রী পদও পাইতেন। আপসুস, তার আগেই পাক বাহিনীর ভাইয়ারা আত্ম সমর্পন করিয়ালাইল।

আবেগঘন কণ্ঠে আগুনগীর বলেন, তিনি আছিলেন আমার পিতার বয়সী। আমার সংগে দেখা হইলেই আমার ওয়ালিদের খবর লইতেন। রসিকতা করিয়া বলতেন, আমি এক হাজার গাদ্দার মারছি। তুমার ওয়ালিদ কয় হাজার মারছে?


আলীমের মৃত্যুতে বেথিত মাদারে গনতন্ত্র

আব্দুল আলীমকে আজীবন আরামদণ্ড দেওয়ার জন্য বাকশালকে ধিক্কার জানিয়ে ফখা ইবনে চখা বলেন, আমরাও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই। কিন্তু সে বিচার হইতে হবে সচ্ছ নিরপেক্ষ আন্তর্জাতিক। বিচারের নামে আমরার পেহলে বস্ত্র মন্ত্রী বাদ মে যোগাযোগ মন্ত্রী ক আরামদণ্ড দেনা নাহি চলেগি। নাহয় আলীম চাচা যুদ্ধের সময় কিছু বাংগালী মারছে, তাই বলিয়া ইতনা জুলুম?

আব্দুল আলীমের সুযোগ্য পুত্র ফয়সল আলীমের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করে মির্জা বাড়ির বড় গৌরব বলেন, নির্বাচনের আগে দিয়া যখন আমরা সারা দেশে মনির পুড়াইতেছিলাম আর রেল লাইন উপড়াইতেছিলাম, তখন ফয়সল আলীমও সেই জিহাদে গুরুত্বপুর্ন ভুমিকা রাখছিল। আমরা আবার কুনদিন যদি গদিতে যাইবার পারি, ফয়সল আলীমকে বস্ত্র মন্ত্রী বানাব।

জীবনের শেষ দিনগুলিতে বাংলাদেশের দরিদ্র জনগনের খাজনার টেকায় আলীমের চিকিতসা করানর জন্য বাকশালকে ধন্যবাদ জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, কত মুক্তিযুদ্ধা চিকিতসার অভাবে আদাড়ে বাদাড়ে ধুকিয়া ধুকিয়া মরে। অতছ আমরার আলীম চাচারে বাকশাল সরকার ভিআইপি চিকিতসা দিয়াছে। তিনি পাদ মারিলেও তিন চারখান বড় বড় ডাক্তার আসিয়া পাদের ইনজেকশন দিয়া যাইত। এই প্রহসনের বিচারের মাধ্যমে সাস্থ্য খাতে আমাদিগের প্রচুর টেকা বাচিয়া যাইতেছে, যা দ্বারা আমরা উন্নত মানের বিষ্ফরক খরিদ করিয়া কুন এক ঈদের পর আন্দুলনে নামতে পারব।

August 30, 2014

তেগের মানসিকতা লইয়া রাজনীতী করুন: আব্বাস

নিজস্ব মতিবেদক

বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার নেতা কর্মীদের ‘তেগের মানসিকতা’ নিয়ে রাজনীতী করার আহোভান জানিয়ে বিএনপি শাখার ঢাকা মহানগর উপশাখার আমীর ও ‘বংগ মলটভ’ খেতাবে ভুষিত মির্জা বাড়ির মেজ গৌরব মির্জা আব্বাস বলেছেন, তেগের মানসিকতা লইয়া রাজনীতী করুন। তেগেই সুখ।

শনিবার ঢাকা মহানগর উপশাখা আয়জিত এক আলচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ আহোভান জানান মির্জা আব্বাস।

অনুষ্ঠানে বংগ মলটভ বলেন, বিএনপি শাখা যখন পরথম গঠিত হইল, আমরা কেউ হালুয়া রুটির পরয়া করি নাই। সকলেই গেছিলাম তেগের আদর্শ বুকে লইয়া। অতছ আজ যখন দেখি, পাড়ায় পাড়ায় মহল্লায় মহল্লায় বিএনপি শাখার ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নায়েবগুলি কে কার আগে হালুয়া দিয়া রুটি খাইব, তার প্রতিযোগীতায় দিশাহারা, তখন কান্না পায়।

আবেগঘন কণ্ঠে মির্জা বাড়ির মেজ গৌরব বলেন, জেনারেল জিয়া ছিলেন একজন তেগী জেনারেল। একাত্তর সালে যখন পাক বাহিনী চট্টগ্রামে বাংগালী সেনাদের উপর হামলা চালাইল, একাত্তরের রেম্ব তখন তাদের মুকাবিলা না করিয়া অষ্টম ইষ্ট বেংগল লইয়া চুপচাপ কেন্টনমেন্ট তেগ করিয়া কালুরঘাট সেতুর পিছে গিয়া খাড়াইলেন। পিছনে হাজারের উপর নিরস্ত্র সৈনিক পাক বাহিনীর হামলায় শহীদ হইল। এমন তেগ কুন যুদ্ধে আর কেউ করছে?


তেগী আব্বাস

কর্নেল তাহেরের উদাহরন তুলে ধরে মির্জা আব্বাস বলেন, কর্নেল তাহের একাত্তরের রেম্বরে বন্দী দশা হইতে মুক্ত করছিল। কিন্তু জেনারেল জিয়া বতসর না ঘুরতেই কর্নেল তাহেরকে তেগ করিয়া তারে ফাসিতে ঝুলাইয়া দিলেন। এমন তেগ আর কেহ কি করছে?

বিকল্প ধারা বাংলাদেশের আমীর ও সাবেক রাস্ট্রপতি বদরুদ্দুজা চৌধুরীর কথা স্মরন করে মির্জা আব্বাস বলেন, বদরুদ্দুজাও ছিলেন একাত্তরের রেম্বর ঘনিষ্ট সহচর। অতছ বেয়াদ্দপী করার কারনে মাদারে গনতন্ত্র মেডাম খালেদা জিয়া জেএসসি উহাকে খাড়ার উপরে তেগ করিয়া দিলেন।

লনডনে পলাতক চিকিতসাধীন বড় গনতন্ত্র বড় গুণ্ডে তারেক জিয়ার কথা উল্লেখ করে বংগ মলটভ বলেন, আওলাদে আমীর ছয়টি বতসর হাওয়া ভবনের মাধ্যমে দেশটিকে লুটিয়া পুটিয়া খাইলেন। কিন্তু বিপদ যখন দেখা দিল, তখন রাজনীতী তেগ করার মুচলেকা দিয়া তিনি দেশ তেগ করলেন। এমন তেগ আর কুথায় কবে কে করিয়াছে?

গত ১৫ আগষ্ট বংগবন্ধু হত্যা উপলক্ষে বিএনপি শাখার বিশেষ উতসব ‘ঈদুল কতল’ আয়জনে নিম্ন মানের মাখনে প্রস্তুত কেক ভক্ষন করে বিএনপি শাখার ১৩ জন শহীদ কর্মীর রুহের মাগফিরাত কামনা করে মির্জা আব্বাস বলেন, জীবনে যে শেখরে চক্ষে দেখে নাই, সেও দেশের প্রত্যন্ত এলাকা হইতে মেডামের দরবারে কেক খাইতে ছুটিয়া আসিয়া জান তেগ করিল। ইহাকেই বলে তেগের নেয় তেগ।

বিএনপি শাখার স্বার্থে ঢাকা মহানগরী উপশাখার নায়েবে আমীর হাবু সোহেলকে কুরবানী করার জন্য প্রস্তুত থাকার কথা জানিয়ে আব্বাস বলেন, প্রয়জনে পৃথীবিতে আমার সর্বাপেক্ষা আদরের ধোন হাবু সোহেলকে তেগ করিয়ালাইব। ঐ রকম বড় তেগের জন্যও আমি প্রস্তুত আছি আলহামদুলিল্লাহ।

নেতা কর্মীদের ধৈর্য ধরার আহোভান জানিয়ে মির্জা বাড়ির মেজ গৌরব বলেন, বাকশাল ২১ বতসর গদির বাইরে আছিল। আমরা আছি মাত্র সাত বতসর। এখন তেগের রাস্তায় থাকতে হবে। আমার যদি কুনদিন গদিতে যাইবার পারি, ভুগ কারে কয় দেখবাইন।

%d bloggers like this: