August 13, 2014

কবি তুষারের অমর কাব্য গ্রন্থ

August 28, 2014

বিনোদ খান্নাকে লক্ষ্য করে তুষারের কবিতা ‘ধোনুক হয়েছি আজ’

সাহিত্য মতিবেদক

প্রচলিত পথ পরিত্যেগ করে এবার বেটাছেলেদের লক্ষ্য করে প্রেমের কবিতা রচনা শুরু করেছেন খেতনামা ড্রন বিশেষজ্ঞ, মস্তফা অনুরাগী, কাপড় বেবসায়ী ও ইসলামী বেংকের সমঝদার হরলিকস পাগলা বিতর্ক রাজ ও আত্মস্বিকৃত ‘ফেসবুক গু-বাবা’ আল্লামা আবদুন নুর তুষার।

বুধবার তিনি গত শতাব্দীর হিট বলিউডি নায়ক বিনোদ খান্নাকে লক্ষ্য করে ‘ধোনুক হয়েছি আজ’ শিরনামে একটি জংগী প্রেমের কবিতা রচনা করেন।

এ বেপারে আল্লামা তুষারের সংগে যোগাযোগ করা হলে তিনি নাম প্রকাশ না করার শর্তে মতিকণ্ঠকে বলেন, রমনীর মন জয় করার জন্য গত পঞ্চাশটি বতসর কবিতা রচনা করতেছি। কিন্তু ফয়দা পাইতেছি না। রমনীর মন, সহস্র বর্ষের সখা সাধনার ড্রন। আরও নয়শত পঞ্চাশ বতসর সাধনা করার ধৈর্য্য আমার নাই। তাই আমি আমার যৌবন কালের হিরু বিনোদ খান্নাকে ট্রাই করিয়া দেখতেছি। যদি লাইগা যায়। বিনোদ খান্নারেই আমার বিনোদন বানাইয়া লব।

আবেগঘন কণ্ঠে ফেসবুক গু-বাবা বলেন, ‘ধোনুক হয়েছি আজ’ কবিতাটি আমার অমর কাব্য গ্রন্থ ‘একলা খাব ডুবিয়ে নুলু’তে থাকবে।


তুষারের কবিতা পেয়ে আতংকে বিনোদ খান্না

তোমাকে দেখতে থাকি
তীরের নিশানায়
বিদ্ধ করব বলে ধোনুক হয়েছি আজ

তুমি জমি
সমুদ্র
পর্বত
দ্বীপ
আকাশ

তুমি কিছু নও
কেউ নও

শুধু
বিনোদ খান্না আমার।


বিনোদ খান্নার জন্য তুষার ধোনুক হয়েছেন

এ বেপারে বিনোদ খান্নার প্রতিক্রিয়া জানতে তার মুঠফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কাদতে কাদতে বলেন, ইস উমর মে হাম ইয়ে কেয়া চক্কর মে ফাস গয়া ভেইয়া?

August 25, 2014

আমার দলে আইস বন্দু বসতে দিব পিড়ে: এরশাদ

নিজস্ব মতিবেদক

বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখাকে বৃহত্তর জামায়াত হতে তালাক গ্রহন করে বৃহত্তর জাতীয় পার্টিতে যোগদানের আমন্ত্রন জানিয়ে সাবেক স্বৈরাচার রাস্ট্রপতি ও পল্লীবন্ধু ফাদার অফ কৃকেট আলহাজ্জ হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, আমার দলে আইস বন্দু বসতে দিব পিড়ে।

আজ নিজ বাসভবনে আয়জিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি শাখার প্রতি এ আহোভান জানান পল্লীবন্ধু।

সংবাদ সম্মেলনে পল্লীবন্ধু বলেন, একাত্তরের রেম্ব জেনারেল জিয়া যখন বিএনপি শাখা গঠন করেন, আমি আছিলাম তার উপ। আমার চক্ষের সামনেই দেশের তরুন টাউট বাটপারদের লইয়া বিএনপি শাখা গঠিত হল। কিন্তু আজ পাইতিরিশ বতসর কাটিয়া গেল, সেই একই টাউট বাটপারদের লইয়াই বিএনপি শাখা চলতে আছে। অতীতের সেই তরুন টাউটের দল আজ সকলই বৃদ্ধ। তাদের মাজায় আর জুর নাই।

আবেগঘন কণ্ঠে এরশাদ বলেন, মাজায় জুর না থাকলে আন্দুলন হবে না।

এ সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের মধ্যে গুঞ্জন উঠলে ফাদার অফ কৃকেট হাসতে হাসতে বলেন, আমার কথা বিশ্বাস না হইলে জিনাত মশাররফ আর নাশীদ কামালকে জিজ্ঞাসা করিয়া দেখ।


মাজার রাজা এরশাদ

বিএনপি শাখার মহিলা আমীর ও জাতীয়তাবাদী শক্তির মালিক মাদারে গনতন্ত্র বেগম খালেদা জিয়া জেএসসিকে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসাবে যোগদানের আমন্ত্রন জানিয়ে পল্লীবন্ধু বলেন, আপনার আদর যত্নের কুন ত্রুটি হবে না। আপনি চেয়ার পারসনের চেয়ারটি সংগে করিয়া আনিয়া আমাদিগের মিটিঙ্গে বসতে পারবেন, কুন অসুবিধা নাই। রওশন এরশাদ যদি আপনার সহিত কুন দিগদারী করে, আমাকে জানাইবেন, আমি মীমাংসা করিয়া দিব।

বিএনপি শাখার অন্যান্য নায়েবদেরও যোগ্যতা অনুযায়ী পদ বণ্টনের অংগীকার বেক্ত করে পল্লীবন্ধু বলেন, জাতীয় পার্টিই বাংলাদেশের প্রকৃত জাতীয়তাবাদী পার্টি। কিন্তু কতিপয় ঘোচুর কারনে এই পার্টি শুদু আকারে ছুট হইতেছে। নাজিউর রহমান মঞ্জুর, আনোয়ার হোসেন মঞ্জু ও কাজী জাফর বাঞ্চু, এই তিনজনেই জাতীয় পার্টি হইতে বাইর হইয়া নিজ নিজ নামে জাতীয় পার্টি খুলছে। তাই জাতীয় পার্টি দিনকে দিন ক্ষুদ্রতর হইতেছে। বিএনপি ও বিএনপির সংগে আরও যে দুই চাইরটি চামচা পার্টি আছে, সকলেই আসিয়া জাতীয় পার্টিতে ঢুকিয়া ইহাকে বৃহত্তর জাতীয় পার্টি বানান। আন্দুলন কাকে বলে আমি দেখাইয়া দিব।

আনন্দঘন কণ্ঠে এরশাদ বলেন, আন্দুলন যদি চাও তাজা, বেছে নাও এরশাদের মাজা।

August 21, 2014

হারিয়ে গেছে হারিছ: আব্বাস

নিজস্ব মতিবেদক

বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার মহানগর উপশাখার আমীর মির্জা বাড়ির মেজ গৌরব ‘বংগ মলটভ’ মির্জা আব্বাস বলেছেন, হারিয়ে গেছে হারিছ।

২০০৪ সালে ২১শে আগষ্ট বংগবন্ধু এভিনিউয়ে ফেসিবাদী বাকশালের কার্যালয়ের সামনে বাকশালের মহিলা আমীর জননেত্রী ভাষা কন্যা গনতন্ত্রের মানস কন্যা ড. শেখ হাসিনা ও তার সাংগপাংগদের উপর গ্রেনেড হামলার দশ বতসর পুর্তি উপলক্ষে আয়জিত এক জলছায় স্মৃতি চারন করতে গিয়ে বিএনপি শাখার মহিলা আমীর ও জাতীয়তাবাদী শক্তির মালিক আপোষহীন দেশনেত্রী মাদারে গনতন্ত্র বেগম খালেদা জিয়া জেএসসির বিশেষ রাজনৈতিক উপদেস্টা ও গ্রেনেড হামলায় আওলাদে আমীর লনডনে পলাতক চিকিতসাধীন বড় গনতন্ত্র বড় গুণ্ডে আল্লামা তারেক জিয়ার অন্যতম সহযোগী হারিছ চৌধুরীর হারিয়ে যাওয়ার কথা উল্লেখ করেন বংগ মলটভ।

জলছায় বক্তব্য কালে মির্জা আব্বাস বলেন, হারিছ চৌধুরী ছিল একজন ডেশিং ইয়ং মেন। তার নেয় সানগ্লাশ আমাদিগের মধ্যে আর কারও ছিল না। তার মোচের নেয় মোচ এমনকি নায়েবে খাস এম এ জি ফালুরও ছিল না। হারিছ ছিল একজন হেন্ডসাম হট লেডি কিলার। তাই একদিন খলিফায়ে হাওয়া তারেক জিয়া তাহাকে একান্তে ডাকিয়া বলছিলেন, হারিছ ইউ লেডি কিলার, কেন ইউ কিল এ লেডি? হারিছ বলছিল, হা ছোটা মালিক। তখন বড় গুণ্ডে তাহাকে বলছিলেন, হারিছ হারিছ হারিছ, ফেসিবাদী শেখের বেটীর শইলে বুমা মারিছ।


হারিছ দি লেডি কিলার হারিয়ে গেছে

স্মৃতিঘন কণ্ঠে বংগ মলটভ বলেন, বড় গুণ্ডের আদেশ পাইয়া হারিছ বাজার হতে কয়েক হালি আর্জেস গ্রেনেড খরিদ করিয়া কতিপয় জংগী পুলাপানের হাতে ধরাইয়া দিয়া বলছিল, গ কিল এ লেডি।

হুহু করে কেদে উঠে মির্জা বাড়ির মেজ গৌরব বলেন, হালি হালি গ্রেনেড খরিদ করিয়া দিল হারিছ, কিন্তু সালা ঘোচুর দল শেখের বেটী ক কতল নেহি কর সাকতা। শেখের বেটী অদ্ভুত। গুলি গ্রেনেড তার গায়ে বাড়ি খাইয়া অন্য জায়গায় গিয়া ফুটে। তারা লেডি কিল করল বটে, কিন্তু সে সকলই বেঠিক লেডি। সঠিক লেডিরে কতল করতে পারলে আজ আমাদের ইতনা দুরবস্থা নাহি হতা থা।

অশ্রু মুছে মির্জা আব্বাস বলেন, তারপর ত কত কিছু হল। বিচারপতি জয়নালরে দিয়া এক সদস্যের কমিশন বানাইয়া আমরা বলছিলাম, ও গ্রেনেড শেখের বেটী নিজেই নিজের শরীর মে মারা। লেকিন জনগন হাম ক কথা নাহি শুনা। তারা দিল নৌকায় ভুট, মেডাম তখন কহিলেন, ওরে হারিছ তুই এখন ফুট।

আবেগঘন কণ্ঠে মির্জা আব্বাস বলেন, ২১শে আগষ্ট আইলেই আমরার মনে পড়ে আমাদিগের লেডি কিলার হারিছের মিস্টি বদনখানি। সে এখন কুথায় আছে মেডাম ছাড়া কেহই জানেন না। আজ সকাল দেড়টায় মেডাম ঘুম ভাংগিয়া উঠার পর দেখা করতে গেছিলাম। জিজ্ঞাসা করলাম, মেডাম হারিছ কুথায়? মেডাম বললেন, হারান দিনের মত হারিয়ে গেছে হারিছ, ফেরারী সুখের মত কাদিয়ে গেছে হারিছ, জানি না কি নিয়ে কি দিয়ে গেছে হারিছ।

August 20, 2014

এক আংগুলে ঘি বাইর হবে না: ফখা

নিজস্ব মতিবেদক

এক আংগুলে ঘি বাইর হয় না, এ তথ্য জানিয়ে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার ভাঁড়প্রাপ্ত নায়েবে আমীর, জাতীয়তাবাদী শক্তির ‘কমপ্লান বয়’, লনডনে পলাতক চিকিতসাধীন আওলাদে আমীর বড় গুণ্ডে কতৃক ‘হাইড এন্ড সিক’ গালিতে ভুষিত ও ঈদুল কতলের টেলেন্ট হান্ট প্রতিযোগীতায় ‘ফ্লেয়ার এন্ড লাবলি’ খেতাবে সমাদৃত মির্জা বাড়ির বড় গৌরব আল্লামা মির্জা ফখরুল ইসলাম আগুনগীর ওরফে ফখা ইবনে চখা বলেছেন, বৃহত্তর জামায়াত ঘি বাইর করিয়াই ছাড়বে।

মংগলবার রাজধানীর সহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়জিত প্রতিবাদী জনসভায় ঘি বাইর করার অংগীকার বেক্ত করে এ কথা বলেন আগুনগীর।

জনসভায় ফখা বলেন, সম্প্রচার নীতীমালার নামে ফেসিবাদী বাকশালী সরকার স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও আন্তর্জাতিক মানের সংবাদ প্রচারে বাধা দিতে চায়। বৃহত্তর জামায়াতের সাহাফি উপশাখা মতিঝিলে পঞ্চাশ হাজার মুজাহিদের হত্যাকান্ডের মত রগরগে সংবাদ যাতে প্রচার করতে না পারে, সেই জন্যই সরকার টিভি রেডুর উপরে এই নীতীমালা চাপাইয়া দিতে চায়। আরে সালা ঘোচু, সাংবাদিকের আবার নীতী কি?

আবেগঘন কণ্ঠে ফ্লেয়ার এন্ড লাবলি বলেন, আগে দেশে একটাই টিভি আর রেডু আছিল। যা মিছা কথা বলার, উহাতে বলতাম। মিছা কথা বলতেও দির্ঘ লাইন দিতে হইত। কিন্তু এখন টিভি চেনেলের সংখ্যা বাড়িয়াছে আলহামদুলিল্লাহ। বৃহত্তর জামায়াতের বুদ্দিজীবীরা রাত্র কালে টক শ করিয়া দুটু আয় রুজগার করতে পারতেছে। কিন্তু এই রুজগারেও ফেসিবাদী বাকশাল বাধা দিতে চায়।


দি ফিংগার অফ ডুম

বাকশালের প্রতি কঠর হুশিয়ারী জানিয়ে মির্জা বাড়ির বড় গৌরব বলেন, এক আংগুলে ঘি বাইর না হইলেও কুন সমস্যা নাই। আজ জনসভায় উপস্থিত আছেন আমাদের অন্যতম অভিজ্ঞ বর্শীয়ান নায়েবে আমীর আল্লামা এম কে আনোয়ার উরফে মতি কণ্ঠ আনোয়ার। আপনারা সবাই জানেন, উনি তিন আংগুল দিয়া কি সাধন করতে সক্ষম। আমি বাকশালকে শুদু এইটাই জানাইতে চাই, আমার এক আংগুলে ঘি বাইর না হইলে মতি কণ্ঠ আনোয়ারের তিন আংগুল প্রয়গ করা হবে। তারপর দেখি বাকশাল কি করিয়া ঘি আটকাইয়া রাখে।

জনসভায় মাদারে গনতন্ত্রের খালি গদি দেখিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, আজ সারাদিন বিস্টি। মেডাম এই বিস্টি বাদলে জুতা ভিজাইতে চান না বলিয়া আমারেই জনসভা করতে পাঠাইছেন। তবে শুনলাম জন্মদিনে সস্তার কেক খাইয়া মেডামের একটু দাস্ত হইতেছিল। আষাঢ় শ্রাবন মানে না ত মন ঝরঝর ঝরঝর ঝরেছে, তুমাকে আমার মনে পড়েছে।

%d bloggers like this: